17,322 bribery reports filed by citizens — search, filter, and switch between list and grid.
পাসপোর্ট ভেরিফাই করার জন্য যখন পাসপোর্ট বের হয় প্লিজ তদন্ত করে রিপোর্ট দেয় এই রিপোর্টটা বের করার জন্য ১০ হাজার টাকা দাও পুলিশকে না হলে তারা রিপোর্ট দিবে না এবং আটকে রাখবে এমনকি আটকে রেখেছিল প্রায় টাকাটা কন পরিশোধ করা হয়েছে কপালে টাকা দিয়েছে তখনই তারা দিয়েছে পরিশোধ করার পর তারা পাসপোর্ট দিয়েছে
সৌদি আরবে রিযাদে বাংলাদেশি একটি পাসপোর্ট অফিসে আমার পাসপোর্ট রিনিউ করতে যায় এক্সপ্রেসের ডাবল টাকা দেয়ার পরেও তারা বায়োমেট্রিক ডেট বলে পাঁচ মাস পরে তারপরে ২০০ রিয়াল ঘুষ দেয়ার পরে বিষ দিন পরে ডেট করে দেয়
আমি পাসপোর্ট এর নিজে আবেদন করেছি সব কিছু ঠিক ছিল কিন্তু আমার ফাইলটা রিটার্ন করে দিয়েছে, পরবর্তীতে আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিসের সামনে, অনেক গুলা কম্পিউটারে দোকান আছে একটি দোখানে গিয়েছি, বলেছে আমার ফাইল জমা করিয়ে দিবে ২ হাজার টাকা লাগবে, আমি দামা দামি করে ১৭০০ টাকা দিয়ে ফাইল জমা করিয়েছি। এইবাবে প্রতি দিন তাদের চ্যানেল এর মাধমে ৩০০ থেকে ৪০০ ফাইল জমা হয়, যত টুকু বুঝলাম উনারা প্রতি ফাইলে ১১০০ টাকা করে পাসপোর্ট অফিসের লোকেরা পাই। যদি ৩০০ ফাইল হয় তাহলে প্রতি দিন ৩৩০০০০ টাকা উনারা ঘোষ খায়।
আমি প্রথমে পাসপোর্ট এর জন্য আবেদন করি আমি যখন কাগজ পত্র জমা দিতে যাই তখন আমার পাসপোর্ট তাড়া জমা নেয় না। আমি জানতাম আমাকে অনেক ঝামেলা পেরোতে হবে তাই আগে থেকেই প্রস্তুত ছিলাম তারপর ও শেষ পর্যন্ত সেই দালাল এর কাছে হার মানতে হয়েছে। আমি পাসপোর্ট এর জন্য আমার জন্ম নিবন্ধন এন আইডি কার্ড বাবা মার জন্ম নিবন্ধন এবং এন আইডি কার্ড বিদ্যুৎ বিল নাগরিক সনদ স্টুডেন্ট আইডি কার্ড এ মাদ্রাসার সার্টিফিকেট ট্যাক্স এর কাগজ ইত্যাদি এই সব কাগজপত্র দেয়ার পর ও এরা নেয় নাই মজার বিষয় হচ্ছে তাড়া আমাকে অজুহাত দেয় আপনার কারেন্ট বিল এর কাগজ ঝাপসা সেটা বলে তারা আমার থেকে আবেদন জমা নেয় নাই যখন আমি বাহির থেকে দালালকে টাকা দিয়ে আসি তখন হয়তো আমার আইডি কার্ড এবং বাবার আইডি কার্ড দিলে আর কোন প্রশ্ন না করে জমা নেয়
সরকারি ফির বাইরেও পাসপোর্ট পাওয়ার জন্য থাকলেও ঝামেলা হবে না। চা নাস্তার জন্য তিন হাজার টাকা দাবি। আর পাসপোর্ট অফিসের সামনে প্রত্যেকটা দোকান যারা এসব কাজ করে তাদের সাথে কন্টাক আছে অফিসের লোকজনের।
10 hajar taka na Dile passport dibe na..are medical Korte gesilam aro 15 hajar taka ghush khise taka na Dile medical fit dibe na tar Jonno taka nise
আমি ম্যান পাওয়ার কার্ড টির জন্য ওয়েব সাইটে আবেদন করেছি। কিন্তু ফেনী ম্যানপাওয়ার অফিসে কর্মরত ব্যক্তি বলছে এটা হয়নি। আবার করতে হবে। যখন পুনরায় করার জন্য টাকা দিলাম, আমার আবেন করা পেপারটাই আমার হাতে ধরিয়ে দিল।
নিরধারিতো পাসপোট ফি বাদে ২০০০ টাকা বেশি দিলে ২ দিনে মিলবে পাসপোর্ট সাধারন আনসার সদস্য
পাসপোর্ট করতে গিয়ে সব ডকুমেন্টস ঠিক থাকা সত্বেও বারবার ফাইল ফেরত দেওয়া হয়। পরে অফিসের ভেতর ঘুরতে থাকা দালাল ধরে ৩০০০ টাকার বিনিময়ে মুহূর্তেই আবার একই কাগজপত্র দিয়ে পাসপোর্ট হয়েছে। এই ঘটনা আমার শহর Faridpur আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিস
পাসপোর্ট করতে গিয়ে সব ডকুমেন্টস ঠিক থাকা সত্বেও বারবার ফাইল ফেরত দেওয়া হয়। পরে, বাহিরে কম্পিউটারের দোকান থেকে ধরে 3000 টাকার বিনিময়ে মুহূর্তেই আবার একই কাগজপত্র দিয়ে পাসপোর্ট হয়েছে। কারো ডকুমেন্টস সঠিক থাকার পরেও দিয়ে দেয় ফেরত এবং তারপর মুহুর্তেই বাইরে দাঁড়িয়ে থাকা প্রতিটি কম্পিউটারের দোকানে একজন করে লোক থাকে পাসপোর্ট অফিসের লিংক, তারা তখন পনেরশো থেকে শুরু করে তিন হাজার,৫ হাজার টাকা পর্যন্ত কাজের বিনিময় নেয়। এরকম প্রতিনিয়ত আমাদের ফরিদপুর পাসপোর্ট অফিসে দেখা যাচ্ছে।
আমি একজন শিক্ষার্থী। জরুরি পাসপোর্ট করতে পটুয়াখালী পাসপোর্ট অফিসে গেলে সরকারি ফি দেওয়ার পরও আমার কাছ থেকে অতিরিক্ত ১,৫০০ টাকা দাবি করা হয়। এই টাকা না দিলে কাগজপত্রে সমস্যা দেখিয়ে কাজ এগিয়ে নিতে অনীহা প্রকাশ করা হয়। আমি টাকা দিতে না চেয়ে অনেক চেষ্টা করেও শেষ পর্যন্ত জরুরি প্রয়োজনে টাকা দিতে বাধ্য হই। বিষয়টি আরও গুরুতরভাবে বোঝাতে—যদি প্রতিদিন ১০৫ জনের কাছ থেকে ১,৫০০ টাকা করে নেওয়া হয়, তাহলে প্রতিদিন ১,৫৭,৫০০ টাকা, মাসে প্রায় ৪৭ লাখ টাকা এবং বছরে প্রায় ৫ কোটি ৭৫ লাখ টাকা হয়। এটি শুধু উদাহরণমূলক হিসাব, বাস্তব আদায়ের দাবি নয়। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে অনুরোধ, বিষয়টি তদন্ত করে সরকারি ফি ছাড়া অতিরিক্ত টাকা নেওয়া হচ্ছে কি না তা যাচাই করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হোক।
আমি আর আমার গ্রামের একজন পাসপোর্ট করার জন্য হবিগঞ্জ পাসপোর্ট অফিসে যাই। আবেদন করার সময় কম্পিউটারের দোকানদার আবেদন ফি থেকে ২০০০৳ বেশি চাইলেন আর বললেন টাকা বেশি না দিলে বিভিন্ন সমস্যা দেখিয়ে ফেরত দিবে। আমি অতিরিক্ত টাকা দিলাম না। আমার সাথের জন টাকা দিলো। আমি আশ্চর্য হয়ে গেলাম তখনই যখন দেখলাম গেইট খুলে ০৮:৫০ মিনিটে ভিতরে ঢুকালো ০৯:৩০ মিনিটের আগে তার পাসপোর্ট সকল কাজ শেষ। এবার আমার পালা লাইনে দাড়ালাম ০৮:৫০ মিনিটে জমার অফিসার ০৯:৩০ আসলেন। আমার সিরিয়াল আসলো প্রায় ১০:৪০ মিনিটে। সময় বেশি লাগার কারণ হিসেবে আবিষ্কার করলাম কাউন্টারের ভিতর দিয়ে একের পর এক ফাইল নিয়ে আসছে অফিসের স্টাফরা। আমার পালা যেই কথা সেই কাজ আমাকে লাইন থেকে ফেরত পাঠানো হলো বলা হলো বাবার নামে স্পেস বেশি হবে। বাতিল করে পরদিন দেখা করেন
ফোনকলে বললো আপনার পাসপোর্ট এ ভুল আছে , পেতে ১০০০ টাকা লাগবে।
২০১৮ সালে পাসপোর্ট করতে গিয়ে বারবার ভুল ধরে ফাইল রিজেক্ট করছিলো। পরে দালালের মাধ্যমে টাকা চেয়েছে উনারাই....
The assigned police officer asked for the money to complete the verification, mentioning it is required fee. When I asked for the receipt, he said if you don't want to pay, come to visit me at Cumilla Sadar within 1 hour but I was in Dhaka. So, I have to pay it.
৯ হাজার দিতে পারলে ১৭ দিনে পাসপোর্ট হবে,,,, আর জদি ৫ হাজার টাকা দিও তাহলে ৩ মাস সমায় লাগবে,,,,, সুধু এটা না আবার ৯ হাজার টাকা দিতে পারলে নিজের আইডি কাড দিলে হয়ে জায় পাসপোর্ট তারাতারি ,,,, আর ৫ হাজার টাকা দিলে অনেক ধরনের কাগজ চায়,,,, এবং কাগজ দাওয়ার পর ও কাজ হইতে সমায় লাগে ৩ মাস,,,, এটাই হইলো আমার সোনার দেশ বাংলাদেশ
ফোন করেছিল, দুই হাজারের নিচে কিছুতেই ভেরিফাই করবে না, ২০০০ দিয়েই করতে হয়েছে।
পাসপোর্ট আবেদনে আমার সকল তথ্য প্রোপার সঠিক ছিলো কিন্তু অফিসার বলেন ঠিকানা সমস্যা তাই ভেরিফিকেশন হয়নি নেগেটিভ রেজাল্ট ।তারপর আর কি সমস্যা সমাধান পুলিশ নিলো ৫০০ আর পাসপোর্ট অফিস নিলো ১০০০ । টাকা দিলাম আর ঠিকানা জাদুর মত ঠিক হয়ে গেলো ।
আমি ২০১৪ তে ওমানে এসেছি চার বছর পরে বাংলাদেশে গিয়েছি আমার পাসপোর্ট এর ডেট ছিল চার মাস দেশে যাওয়ার একমাস পরে পাসপোর্ট রিনিউ করতে দিছিলাম দালাল ছাড়া আমার কাগজ সবকিছু ঠিক ছিল যেখানে ফিংগার নেয় ওইখান থেকে আমাকে বলেছে কাগজ ঠিক নাই কিন্তু সব ঠিক ছিল আমি ভিতরে চারবার সিরিয়ালে ছিলাম উনি আমার কাগজ জমা নেয় নাই তারপরে পাসপোর্ট অফিসের আনসারের সাথে কথা বললাম উনি বলল আমাকে 2000 টাকা দিতে হবে উনাকে ২০০০ দিলাম তারপরে উনি আমার কাগজের নিচে কালো মার্কার কলম দিয়ে নিচে দুইটা দাগ দিয়ে দিল তারপরে জমা দিলাম দুই মাস পরে আমি পাসপোর্ট অফিসে আছি দেখি আমার পাসপোর্ট কোন কাজ হয় না যে আনসারকে দুই হাজার টাকা দিছি উনি অন্যখানে চলে গেছে তারপর আরেক আনসার বলল পনেরশো টাকা লাগবে ১৫০০ টাকা উনাকে দিলাম তারপরে আমি বাসায় চল
১৭/৯/২০১০,,,আগারগাঁও তিন নামবার কাউন্টার ৭৮৭৯ কোড পাসপোর্ট সেবা দিছেন তার মুল্য ৩৫০০টাকা, কোড নাম্বার টি নেওয়া সেখানখার একজন লোকের মাধ্যমে, লোকটি ছিলো ৩ নামবার কাউন্টার লোক, ৩ নামবার কাউন্টার দেওয়ার সাথে আমার রিনো করার জন্য পাসপোর্ট সেবা দেন, কোষট পাইছি,