Passport create,
Dalal diye vore rakhe serial moto lok seba pay na dalal er jonno kaj korai mushkil poribesh kharap hoye gese ar sobcheye main twist jara kormokorta unader moddhe pray sobai e tader sathe jorito khub openly ei kaj cholche
18,531 bribery reports filed by citizens — search, filter, and switch between list and grid.
Dalal diye vore rakhe serial moto lok seba pay na dalal er jonno kaj korai mushkil poribesh kharap hoye gese ar sobcheye main twist jara kormokorta unader moddhe pray sobai e tader sathe jorito khub openly ei kaj cholche
আমার এক ভাই এর থেকে ১০০০ টাকা নিয়েছে, সকল কাগজ পত্র ঠিক ছিলো, বিন্দু পরিমাণ ভুল ছিলো না, তারপর ও তারা আমাদের থেকে ১০০০ টাকা নিয়েছে বাড়তি।
সব ঠিক ছিলো এর পরও টাকার জন্য বলসে ভুল আছে ইংলিশ ছিলে বাংলা তে স্পেলিং অন্য তাই
আনসার কে ১৫০০ টাকা দিছি, সব কাজ করে দিছে। ২/৩ টা ডকুমেন্টস ছিলো না, তার পর ও সব ডকুমেন্টস ক্লিয়ার, কোন লাইনে দাড়াতে হয় নাই । VIP ট্রিটমেন্ট পাইছি। আমার সাথে অন্য একজনের ৪-৫ ঘন্টা লাগছে, আমার ৩০-৪৫ মিনিটে ছবি তোলা ও সকল কাজ শেষ।
আমার সব ডকুমেন্টস ঠিক ছিল, তবুও পাসপোর্ট অফিসে রিসিপশনে একজন চশমা পড়া অফিসার আমারকে বললো এখানে কিছু একটা গডমিল, আছে আমি জিজ্ঞেস করলাম কি, তিনি বললেন..নিজেনখুজে নেন, এবাবে দু-তিনবার যাওয়ার পর ওনি বললেন একজমের সাথে দেখা করো, আমি দেখা করার পর ওনি ৩০০০টাকা খুজলেন, টাকা দেওয়ার পর আমাকে আর কোনো সিরিয়াল এ দাড়াতে হলো না। সবার আগে আমি বায়োমেট্রিক দিলাম।
আমার কাছ থেকে ৮ হাজার টাকা দাবি করে তারপরে আমি দিতে চাই নাই কিন্তু আমি বাধ্য হয়েছি ৮ হাজার টাকা দিতে কারণ আমি চলে যাব দেশের বাহিরে এর ভিতরে না করে নিয়ে যাই তাহলে আমার জন্য সমস্যা হবে এবং আমার হাতে সময় নেই তাই দিতে বাধ্য হয়েছি কিন্তু তাও বলেছে যে ২১ থেকে ২৫ দিন লাগবে এমন নয় যে ৮ হাজার টাকা দিয়ে ৮ বা ৫ দিনে দিবে তা নয় এভাবে কষ্ট লাগতেছে যেন নরমাল দিনে অনুযায়ী যদি আমাকে আমার পাসপোর্ট দেয় তাহলে কেন এত আর্জেন্ট ছিল বেশি এই তো পরিমাণ টাকা নিবে সে আমি যতটুকু জানি যে ৫০৫০ টাকা ফি কিন্তু ওই তুলনায় সে আমার থেকে অনেক বেশি নিয়েছে টাকা তবে আমি জানিনা কতদিন এভাবে চলতে থাকবে বাংলাদেশের অবস্থা কেননা এই টাকা তো সরকার পাইনি পেয়েছে একটি দালাল মহল যেদিন দালাল দেরকে নির্মূল করবে সরকার ঐদিনই একটু শান্
হিলি সৌরভ ফটোষ্টেড, জয়পুরহাট পাসপোর্ট অফিসসের নাম করে আবেদন ফি ৫৭৫০ টাকার কাজ ৮০০০ করে রাখে
আমার পাসপোর্টে সংশোধন ও ইমারজেন্সি সার্ভিস নেওয়ার জন্য আমাকে ১৮ হাজার টাকা দিতে হয়। ১০ থেকে ১২ হাজার সরকারি টাকার পরিমান বাকি টাকা অফিসারদের দালালরা নিয়েছে।
পাসপোর্ট এর প্রয়োজনীয় সকল কাগজপত্র জমা দেবার পরেও বলছিল আমার স্থায়ী ঠিকানা হতে পাসপোর্ট আবেদন করতে, যদিও আমি গাজীপুর এর বাসিন্দা এবং ভোটার। পরে ঘুষ দিলে বিনা বাক্যে পাসপোর্ট আবেদন জমা দিতে সক্ষম হই।
সকল তথ্য সঠিক থাকার পরেও। ভালোভাবে গ্রহণ করতে বাধ্য হয়ে বারোশো টাকা দিয়ে ফাইল সাবমিট করেছএ।
আমার ডান চোখ নষ্ট থাকাই,,পাসপোর্ট করতে গিয়ে আইরিস আসে নাই ক্যামেরা তে,,তাই আমাকে একটা সিভিল সার্জন থেকে সার্টিফিকেট নেওয়া লাগছে,,,আমাকে বাধ্য করা হয়েছে ঘুষ দিতে,,না হয় তারা আমাকে কাগজ টা দিবে না আর আমার পাসপোর্ট ও হবে না।।। আমার অন্য ডা: এর সার্টিফিকেট ছিল,,কিন্তু এটা নাকি হবে না।। আর এটার সাথে পাসপোর্ট করতেও আমাকে প্রায় ৩ হাজার টাকা এক্সট্রা দেওয়া লাগছে, পুলিশ ক্লিয়ারেন্স নিতেও দেওয়া লাগছে।। ১০০০ টাকা টা নিছিলো সিভিল সার্জন এর কেরানি।
পাসপোর্ট করতে লাগে ৫৭০০ টাকা ওরা দাবি করে ৯০০০ টাকা বলে যে কোন ভুল থাকলেও হবে টাকা দিলে।
আমি পাসপোর্ট নবায়নের জন্য গাজীপুর সিটি কর্পোরেশনে জয়দেবপুর রোডের অবস্থিত আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিসে পাসপোর্ট নবায়ন করতে যাই। পাসপোর্ট নবায়নের জন্য সরকারি নির্দিষ্ট ফি 25শ টাকা সহ আমি ফরম পূরণ করে নিয়ে গেলে, বেশ কয়েকবার আমার ডকুমেন্টসের ভুল ধরেআমার দেওয়া পেপার্স গুলো প্রত্যাখ্যান করে। পরবর্তীতে পাসপোর্ট অফিসের পাশে গড়ে ওঠা বিভিন্ন কম্পিউটারের সঙ্গে আমি যোগাযোগ করি। তারা পাসপোর্ট ফি জমা দিয়ে, বাড়তি দাবি করে। আমি অফিস থেকে প্রত্যাখ্যাত হওয়ার পরে তাদের কাছে অতিরিক্ত আরো ৫০০০ টাকা দেয়। তাদের কাছে অতিরিক্ত ৫ হাজার টাকা জমা দেওয়ার পরে তারা আমার পেপারগুলো অর্থাৎ দালালেরা আমার পেপারসগুলো অফিসের সাবমিট করার পরে আমার পেপারসগুলো গ্রহণ করে। সে পেপারগুলো আমার দেওয়া পেপারের অনুরূপ।
জি,যথাযথ কাগজ নিয়ে গেলেও বলে আপনার কাগজে ঝামেলা আছে পরে আসুন,, কিছুক্ষণ পর দালালকে ১৫০০টাকা দিলে,, আর ঝামেলা না দেখিয়ে ফাইল রিসিব করে,, এবং কাজ সম্পাদন হয়,,, মোবাইল —
নরসিংদী আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিসে পাসপোর্টের আবেদন জমা দিতে গিয়ে হয়রানি ও অনিয়মের অভিযোগ রয়েছে। কাগজপত্র ও তথ্য ঠিক থাকার পরও আবেদনকারীকে এক কক্ষ থেকে অন্য কক্ষে পাঠানো, “আবেদন হয়নি” বা “বড় স্যারের কাছ থেকে ভেরিফাই করে আসেন”—এ ধরনের কথা বলা হয়, অভিযোগ অনুযায়ী, সংশ্লিষ্ট কক্ষে যাওয়ার পর আবার বাইরে থেকে নতুন করে আবেদন করে আনতে বলা হয়। আবেদন জমা নেওয়ার পরও দীর্ঘক্ষণ বসিয়ে রেখে “সার্ভার সমস্যা” দেখিয়ে পরের দিন আসতে বলা হয়। সবচেয়ে গুরুতর অভিযোগ হলো, অফিসের বাইরে থাকা কিছু আনসার সদস্যের মাধ্যমে ৫০০–৭০০ টাকা দাবি করা এবং টাকা দিলে দ্রুত কাজ করে দেওয়ার প্রস্তাব দেওয়া। এমনকি টাকা দেওয়ার পর অল্প সময়ের মধ্যেই বায়োমেট্রিক সম্পন্ন করে দেওয়ার হয়!
নিজে নিজে সব কাগজ করে নিয়ে গেলে বিভিন্ন ভুল ধরে আাবার আসতে বলে,তাই পাশের কম্পিউটার দোকান থেকে ২০০০হাজার টাকা বেশি দিয়ে একটা সিল নিয়ে দেখানের পর সাথে সাথে কাজ হয়ে গেছে।
নতুন পাসপোর্ট করতে গেলে ফাইল জমা নেয়ার সময় বলে ফরমের এখানে ভুল, ওখানে ভুল, ঠিক করে নিয়ে আসো। দ্বিতীয় বার গেছে আরও নতুন করে গেলে বলে আবারও বলে এটা ঠিক করে নিয়ে আসো, ওটা হবে না ইত্যাদি। তাই বাধ্য এক দালাল ধরে ৩৩০০ টাকা বেশী দিয়ে পাসপোর্ট করেছি।
আমার ছোট ভাগ্না বয়স ২ বছর।তার চিকিৎসা র জন্য দেশের বাইরে যেতে চাচ্ছিলাম এবং সবার পাসপোর্ট এর জন্য ঘুস চেয়েছে।সবার জন ঘুষ দিলেও বাচ্চার জন্য দেইনাই তাই বাচ্চার পেশা ভুল ধরে এবং তার জন্য ও টাকা নেয়
আনুমানিক ২০১৯ সালে ফেনী পাসপোর্ট অফিসে সব কাগজপত্র জমা দেওয়া সত্ত্বেও কর্তৃপক্ষ তা জমা নিতে অস্বীকৃতি জানায়। পরবর্তীতে সেখানকার সিন্ডিকেটের মাধ্যমে ফেনী শহরের ভেতরের এক দালাল দ্রুত পাসপোর্ট বানিয়ে দেওয়ার কথা বলে ৩,০০০ টাকা নেয়।
আমার পুলিশ ভেরিফিকেশনের সব কাগজ পত্র ঠিক ছিলো; তবুও এসবি অফিসের লোক, তার সব কলিগের সামনেই নাস্তার টাকা খোজে. আমি ঝামেলা এড়ানোর জন্য 200 দিতে চাইলে নিচ্ছিলো না, পরে 500 দিতে হয়. সেখানে সবাই ঘুষ খায়, সে নির্লিপ্তভাবেই চেয়েছিল; আমি প্রতিবাদ করলে বরং হয়রানি হতাম.