17,324 bribery reports filed by citizens — search, filter, and switch between list and grid.
লাইন ছারাই ভিতরে প্রবেশ
পাসপোর্ট করতে গিয়ে এমন অভিজ্ঞতা হলো, মনে হলো অফিসে পাসপোর্টের চেয়ে টাকারই বেশি মূল্য! নিজে গেলে একটার পর একটা ভুল ধরা হয়, ফাইল আটকে থাকে দিনের পর দিন। কিন্তু দালালের হাতে টাকা তুলে দিতেই সেই ভুলগুলো হাওয়া—ফাইল সরাসরি অফিসারের টেবিলে, কাজও দ্রুত শেষ! তখন বুঝলাম, সাধারণ মানুষের জন্য লাইন, আর টাকার জন্য শর্টকাট!
এজেন্সি / অ্যাম্বাসি যেটিকে সমস্যার কাতারে ফেলে না, সেটিকে বড় ইস্যু বানিয়ে ঘুষ চাওায়া হয়। এমনকি পাসপোর্ট অফিস থেকেই হচ্ছাকৃত ভাবে ভুল তথ্য সাবমিট করা ইয়। নিজেরা সরাসরি ঘুষ নেয় না বরং কম্পিউটার/ ফটোস্ট্যাট এর দোকানিদের সাথে আতাত করে রাখা হয়।
চাঁদপুর পাসপোর্ট অফিসে নতুন পাসপোর্ট এর আবেদন করার পর জমা নেয় নাই ডকুমেন্ট এর সমস্যা বলে। অনেক্ষন চেষ্টা করার পরেও নেয় নাই। কোন কর্মকর্তা কথা শুনতে চায় না। শুধু বলে কাউন্টারে যাইতে। পর বর্তিতে বাহিরের কম্পিউটার দোকানে গেলে বলে প্রতি পাসপোর্ট এ ২০০০ টাকা করে লাগবে এবং এইটাই জমা নিবে। আমার অনলাইন পেমেন্ট থাকায় নিরুপায় হয়ে পরিশোধ করি। পরবর্তীতে একই ফাইল কোন কিছু না দেখাই জীনের মাধ্যমে জামা নিয়ে নেয় 🥲 দুই পাসপোর্ট এ আমার থেকে ৪০০০ টাকা নিছে শুধু জমা দেওয়ার জন্য।
নতুন পাসপোর্ট করতে গিয়েছিলাম, নানান জিনিসের এই ভুল, সেই ভুল ধরে ধরে,,, কাজ বাতিল করে দিলো, পরে সেটাই অফিসের সামনের কম্পিউটার দোকানদার ২০০০ টাকা ঘুষ নিয়ে, দালালের মাধমে করে দিলো।
প্রথমে সব কাগজ জমা দিছি ভুল ধরে বাতিল করে দিছে পরে 1500 টাকা নিয়ে কাজ পরে দিছে অথচ কাগজে কোনো প্রকার ভুল ছিলো না
New passport করতে যেয়ে।।।আমার কোনো সমস্যা না থাকা সত্বেও দুইদিন হয়রানি করছে।।তারপর একটা দালালকে টাকা দিয়েছি।।তারপর আর কোনো সমস্যা নাই।।গেছি হয়ে গেছে।।
পটুয়াখালী পাসপোর্ট অফিসের আনসারদের সাথে ঘুষের বিনিময়ে চুক্তি করে নিলে, মরা মাইনষেরও পাসপোর্ট করা যায়। মামলা নিষ্পত্তির কাগজ মূলকপি দেখানোর পরেও, থানার অনুমোদন লাগবে, জেলা প্রশাসকের অনুমোদন লাগবে ব্লা ব্লা... আমি স্ট্রেইট বলে দিছিলাম প্রতিদিন ২০০-৩০০ খরচ করে প্রতিদিন আসবো, তাও আমি ১ টাকাও ঘুষ দিব না। এবং পরেরদিন সাংবাদিক নিয়ে যাওয়ার হুমকি দেই। তারপর বাসায় এসে বিকেলে পাসপোর্ট অফিসের মেসেজ পাই। পরেরদিন ঘুষ ছাড়াই পাসপোর্ট পেয়েছিলাম। ওদিকে আমার সামনে আমার এলাকার এক ছেলে ৩ হাজার ঘুষ দিছিল। তাকে অফিস থেকে ৩ দিন পর যেতে বলেছিল, কিন্তু ছেলেটি সেদিনই নিতে চাইছিল। পাসপোর্ট অফিসে গেলে ভুলেও তাড়া দেখাবেন নাহ। তাহলে পাসপোর্ট অফিসের সবকিছু থেমে যাবে ৩-৪ দিনের জন্য।
amr boro vabir jonno passport korte giyeci sob paper thik thakar poreo Marrige certificate er orginial ta caccilo bollam photocopy eneci, unara bole colbe na orginial tai ante hobe. Jehetu oi time e orginal copy manage kora impossible chilo tai bahire giye ek dalal er kace bollam ar se 2500 tk niye same paper joma diye oidin ey finger kore diyece. Chandpur passport office er sob gula gushkhor, Oderke ami situation ta bujanor poreo tk chara kore dey nai.
সরাসরি যাওয়ায় বলে কাগজে নাকি ভুল অথচ একই কাগজ দিয়ে দালালের মধ্যে করায় হয়ে গেছে
পাসপোর্ট করতে যেয়ে যাবতীয় কাগজপত্র নিয়ে গেছি ব্যবসা কিন্তু এমনেই আমাকে এই ভাবে বলে হুজুর মানুষ ব্যবসা করেন ভালোই ইদানিং হুজুর রা ব্যবসা শুরু করছে এমন ভাবে কটাক্ষ করলো. পরে দালালের সরানাপন্য হলে 2600 টাকা নেয় এক রুমে যেতে বলে বাস কাজ হয়ে যায় 5 মিনিটেই সব
পাসপোর্ট করতে গিয়ে চেকলিস্ট অনুযায়ে সব নিয়ে গেলেও, কোনও না কোনও ভুল ধরে এই রুম টু ওই রুম ঘুরায়। যার জন্য অনেক সময় নষ্ট হয়। আর যারা দালাল ধরে যায়, কাগজে কোনও সমস্যা থাকলেও এক চান্স এ পার হয়ে যায়। পরবর্তীতে দালাল এর মাধ্যমে এক চান্স এ পাসপোর্ট করি। অতিরিক্ত অর্থ পরিশোধ করে। অন্তত হয়রানি থেকে বাঁচতে চাই।
At first I was thinking to make the E passport as per government rules and regulations. I did eventually everything and made proper paperworks but When I submitted it to the counter, they had to verify the paperworks and after 2 hours of waiting, they handedout my paperworks and said there were mistakes in the form and I should fix and submit again, I did and the next day same thing happened again, another mistake but it's not really a mistake, they were searching for a special mark that changes everyday and the marks comes from verified Dalals, they doesn't ask for Ghush directly, so if u dont want the hassle for like 7-8 days, you go to the dalals and they will make your life hasslefree
Ami Online e Application kore ,sokol documents niye jai , jawar por amake boltece , Amr NID online e ney , Ekhon Amr NID jodi Online e Nh thake tahole Ami Application kibabe korlam , Tarpor Bahirer ek computer Dukan theke 2500 tka dilam oni amr application copy diye i finger niye niyeche , Thaole ki ei 2500 tka e ki NID online copy.
আমার পেপারস এ কোনো প্রকার সমস্যা ছিল না তবুও আমাকে আটকাইসে অতঃপর 2000 টাকা নিয়ে কাজ করে দিছে
আমার নাম এবং আমার মায়ের নাম ও আমার জন্মতারিখ মুল NID কার্ডের সাথে পাসপোর্টের সাথে মিল ছিলনা,তাই রিনিউ করতে আসি,নির্ধারিত সরকারি ফি জমা দিয়েছিলাম এবং পাসপোর্ট অফিস থেকে যে সমস্ত ডকুমেন্টস চাইছে সব জমা দিয়েছি, শেষে চাইছে এস এস সি সার্টিফিকেটর মুল কপি দিতে হবে। অথচ আমাকে তারা একবারে বলেনি কি কি লাগবে,এই নিয়ে আমি দুইদিন গিয়েছি,একবার একটা বলে। পরবর্তীতে আমি বের হয়ে পাসপোর্ট অফিসের সামনে গেলাম,সেখানকার কম্পিউটার দোকানদার দের সাথে কথা বললাম,তারা আমাকে একটা লিস্ট দেখায় কোন ভুলে সংশোধন করতে কত টাকা লাগবে,তারা বললো এটা এই রেটগুলো পাসপোর্ট অফিসের কর্মকর্তারা দিয়েছে, যেমন নাম সংশোধন ১৫০০টাকা, বাবার নাম ও মায়ের নাম সহ হলে ২০০০৳, আর নিজের নাম মা বাবার নাম ও জন্মতারিখ সহ সংশোধন করলে ৩৫০০/৪০০০৳.
নতুন পাসপোর্ট কিংবা রি-নিউ সেম খরচ, না হয় একের পর এক অযথা ডুকুমেন্ট চাইবে
পাসপোর্ট আবেদন করার সময় স্থায়ী ঠিকানা কক্সবাজার দেয়ার কারণে অযথাই আবেদন গ্রহণ করেনা, বাধ্যতামূলক কক্সবাজার থেকেই আবেদন করায়। কিন্তু বিকাশে ফি দেয়ার কারণে অলরেডি অনলাইনে সাবমিট করা আবেদন বাতিল করলে পুরো টাকাই (আবেদন ফি) বাতিল হয়ে যায়। চট্টগ্রাম - কক্সবাজার বেশ কয়েকবার যাওয়া আসা করার পর শেষ চেষ্টা হিসেবে আবার চট্টগ্রাম পাসপোর্ট অফিস যাই। আনসার একজন কে তিন হাজার টাকা (নিজ থেকে অফার করে) দেয়ার পর magically আবেদন গ্রহণ হয়ে যায়।
২০২১ সালে পাসপোর্ট ভেরিফিকেশন এর জন্য পুলিশ কল দিয়ে কাগজপত্র দিয়ে ডেকে নেয়। উনি সব কাগজপত্রের ফটোকপি রেখে দেন। সেই সাথে চা খাবার টাকা দাবি করেন। ছাত্র ছিলাম বিধায় ৫০০ টাকা দিতে পেরেছিলাম। অন্যদের ক্ষেত্রে আরও বেশি দাবি করেন শুনেছিলাম।
বিভিন্ন ভুল ধরে বাদ দিসিল পরে টাকা দিয়ে ওকে করা হয়ছে