new passport
khul dhortechilo time diye o kaj kortechilo nah.. tai taka dichi 1 hour ai kaj shes hoyeche..
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৭,৭৪৩ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
khul dhortechilo time diye o kaj kortechilo nah.. tai taka dichi 1 hour ai kaj shes hoyeche..
আমার এবং আমার ওয়াইফের ১০ বছরের জন্য ২টা পাসপোর্ট বানাতে গত ১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, তারিখে রাজশাহী পাসপোর্ট অফিসে গেছিলাম। সেখানে ২টা পাসপোর্টের জন্য সরকার নির্ধারিত ফি দিয়েছিলাম। কিন্তু তারা ইশারা ইঙ্গিতে আরও ৪-৫ হাজার টাকা চাচ্ছিলো। অতিরিক্ত টাকা না দেওয়ায় তারা খুবই বাজে আচরণ করেছে এবং বারবার বিভিন্ন জায়গা থেকে ভুল দেখাচ্ছে। একবার বলছে এই ভুল তো আরেকবার বলছে ওই ভুল।একবার বলছে এই রুমে যান সেখানে গেলে বলছে অন্য রুমে যান। এভাবে সেই সকাল থেকে একদম দূপুর পর্যন্ত তারা পুরো পাসপোর্ট অফিস ঘুরিয়েছে। পরে লাঞ্চ ব্রেকের সময় বলছে আজকে আর হবে অন্য একদিন আসেন। অথচ সব কাগজ পত্র একদম ঠিক ছিলো।তারা খালি কাগজে ভুল দেখাচ্ছে কিন্তু কেন ভুল বা ঠিক কীভাবে করবো তার স্পষ্ট কিছুই বলতে পারছিলো না এবং খারাপভাবে আচরণ করছিল
আমার বাবার হজে যাবে বলে পাসপোর্ট এর আবেদন করি। আমাকে বলে এটা করতে হবে ওইটা করতে হবে এই কাগজ নিয়ে আসেন এটা সত্যায়িত করে নিয়ে আসেন অনেক ঝামেলা, কি পেশা ইত্যাদি আরোগ্য সমস্যার কথা আমাকে জানাই। পরে আমি বললাম আমার বাবা হজে যাবে এজন্য কাজটা করে দেন যাতে আপনাদের সওয়াব হবে। আমাকে বলেছে সন্ধ্যার পরে দেখা করবেন আমার নাম্বার নিয়ে যান। করে সেই লোকের নাম্বার নিয়ে সন্ধার পরে দেখা করে এবং ফোন দেই সে আমাকে বলে যে ১২০০ টাকা ছাড়া আপনার এটা করা যাবে না পুলিশ ভেরিফিকেশন আছে প্রচুর সমস্যা। যে তোর বাবা হজে যাবে আমিও ছোটখাটো একটা ব্যবসার সাথে জড়িত সময় দিতে পারি না তাই বাধ্য হয়ে ১২০০ টাকার মাধ্যমে কাগজগুলো জমা দিতে সক্ষম হয়। করে পাসপোর্ট হয়ে আসে। হজের যাত্রীর থেকে টাকা খায় তারা বিষয়টা খুবই দুঃখজনক
বাবা নাম নাকি ভুল ছিল। তারপর পাসপোর্ট অফিসের পাশে একটা দোকান থেকে বলে ১৮০০ টাকায় নাকি তাৎক্ষণিকভাবে আবার ভুল সংশোধন করা যাবে। এই দোকানি কিছু না করে পাসপোর্ট অফিসের উপরের লেবেলের কর্মকর্তার সাথে দেখা করে। তারপর ১৮০০ টাকা দিতেই বিষয়টি সমাধান হয়ে গেলে। অথচ বায়োমেট্রিক এর সময় এই সমস্যাটি সংশোধন করা যায়
আমার মা এর পাসপোর্ট করতে গিয়ে শুধু ভূল আর ভূল, শেষমেশ বাসায় চলে আসলাম, তারপরে আবার আবেদন করলাম, এক নেতা কে দিয়ে সহকারী পরিচালক কে ফোন করানোর পর আমার মা এর পাসপোর্ট আবেদন এ আর কন ভূল থাকে না, পাসপোর্ট হয়ে যায়, এই হলো আমাদের সরকারি অফিস।
দ্রুত পেতে হলে অতিরিক্ত টাকা ছাড়া হবে না, ঝামেলাহীনভাবে হবে। কোন ভুল ধরবে না
নতুন বা নবায়ন করা জন্য বেশি টাকা দিতে হয়, দালাল আছে।
আমার সকল পেপারস/ কাগজ ঠিক ছিল, কিন্ত যখন জমা দিতে যাই তখন ফিরিয়ে দেয় কাগজ পত্র ঠিক নেই বলে, বলেছিলাম কি লাগবে বলেন, তারা বল্লো বাহিরে লোক আছে দেখেন, তখন একদল দালাল চক্র তাদের থাকে পাসপোর্ট অফিসে, তাদের কাছে গিয়ে দেখি আসলে সবকিছুই ঠিক আছে কিন্তু তাদেরকে টাকা দিলে কাজ হবে না হয় হবে না
উত্তরা পাসপোর্ট অফিসে ৯৫% কেসে, টাকা ছাড়া কোন কাজ হয় না।।।সব গুলো দালাল।।আনসার সদস্য গুলো দালালদের চেলা।।আপনার কাগজ পত্র যতোই সঠিক থাকুন না কেন, এরা কিছু না কিছু ভুল ধরবে।।ঘুস ছাড়া কাজ হয় না।।
কাবিন নামা নেই বলে ফিরিয়ে দেয়, পরে কম্পিউটার এর দোকানে কথা বলি,তারা বলে ১৫০০ টাকা দিলে হবে, আমাকে পরের দিন আসতে বলে, পরের দিন ১৫০০ টাকা দিলে কাবিন নামা ছাড়া ফাইল জমা নেয়।
পুলিশের পুলিশ ক্লিয়ারেনস জন্য ৫০০ টাকা নিছে
প্রথমে আমাকে বলে কম্পিউটাররের দোকান থেকে আবেদন কপি পূরণ করতে হবে, আমি নিজে নিজে পূরণ করেছি সেটি নাকি ভূল, এবং আরো ও বলে ১৫ দিনে পার্সপোর্ট দিবে ৩৫০০ টাকা বেশি দেওয়া লাগবে, না দিলে ৩ মাস লাগবে পার্সপোর্ট আসতে
আমার পাসপোর্ট যখন রিনিউ করার জন্য গিয়েছিলাম, আমার ডকুমেন্ট জমা নেয়ার পরে যে ডেটে পাসপোর্ট দেওয়ার কথা ওই ডেটে না দিয়ে আমাকে ঘোরাতে থাকে, পরবর্তীতে টাকা দেওয়ার তিন মাস পর আমার পাসপোর্ট আমি হাতে পাই। আমার সকল ডকুমেন্টস প্রথমে যখন জমা দিয়েছিলাম সেগুলো ঠিক ছিল, তখনও টাকা দাবি করেছিল, আমি দেইনি, তার জন্য আমার কাগজ জমা দিতে সপ্তাহখানেক সময় লাগে।
জামালপুর পাসপোর্ট অফিসে আজকের তিক্ত অভিজ্ঞতা আজই পাসপোর্টের আবেদন জমা দিতে অফিসে গিয়েছিলাম। আবেদনটা নিজেই অনলাইনে করেছিলাম এবং ঠিকানাও পৌরসভার ট্যাক্সের কাগজ ও ইউটিলিটি বিল অনুযায়ী দিয়েছিলাম। কর্মকর্তা ঠিকানায় ভুল ধরেন এবং আবেদন বাতিল করে নতুন করে করতে বলেন। এতে পেমেন্ট নষ্ট হয়ে যেত। তাই দোকানে যাই। দোকানের লোকটি বলে, ১,৫০০ টাকা দিলে আবেদন পাস করিয়ে দেবে। পরে আমরা ১,৪০০ টাকায় রাজি হই। টাকা দেওয়ার পর সে আবেদনে চিহ্ন দেয়। এরপর একই কাগজপত্র নিয়ে কর্মকর্তার কাছে গেলে তিনি প্রশ্ন না করেই আবেদন অনুমোদন করেন। তখন বুঝলাম, আবেদনটি ইচ্ছা করেই আটকে রাখা হয়েছিল এবং ঘুষ নেওয়ার ব্যবস্থা করা হয়েছে। জানি না, কত মানুষ হয়রানির শিকার হচ্ছেন। পাসপোর্ট পাওয়া নাগরিকের অধিকার। অভিজ্ঞতাটি তিক্ত।
আমি সমস্ত কাগজ পএ ডকুমেন্ট যা যা লাগবে সবকিছুই নিয়েছিলাম প্রায় ১৮ টা ডকুমেন্ট , অনলাইন আবেদন কপি ও নিয়েছিলাম কোন কাগজে কোন রকম কোন সমস্যা ছিল না, তারপরে তারা বলল আমি কেন আবেদন করেছি এজন্য হবে না তাদের কাছ থেকে আবেদন করতে হবে তাদের লোক দিয়ে আবেদন করতে হবে, সরকারের নিয়ম অনুযায়ী আনুমানিক ৬০০০ টাকার কিছু কম লাগে পাসপোর্ট করতে, কিন্তু সে আমার কাছ থেকে টোটাল ১২০০০ টাকা নিয়েছিল শুধু আমার ভোটার আইডি কার্ড দেখেই পাসপোর্ট করে দিয়েছিল অন্য কোন কাগজে পরে আর দেখেনি, কিন্তু আমি যখন নিজে নিয়ে গিয়েছিলাম তখন প্রত্যেকটি কাগজ বারবার করে দেখেছে, টাকা দিয়ে দিলে তখন আর কাগজপত্র দেখা লাগে না।
আনলাইনে আমার এলাকার পোষ্টকোড নাথাকার কারনে আমি আমার উপজেলা সদরের পোষ্টকোড দিয়েছিলাম কিন্তু তারা সেটা মানে নাই, যখন তাদের টাকা দিলাম তারা সেটাই জমা নিল এবং আমার পাসপোর্টে বর্তমানে উপজেলা সদরের পোস্টকোড টি রয়েছে তাহলে আমার টাকা লাগলো কেন।
পাসপোর্ট এর অনলাইন আবেদন করে জমা দেয়ার জন্য গিয়েছিলাম। প্রথম দিন ২ টার পরে স্যার নাই চলে গেছেন। পরের দিন অনেক লম্বা ভীড়। বিশাল লম্বা সিরিয়ালের মাঝেই অনেকে ফিঙ্গারপ্রিন্ট দিয়ে চলে গেছে অল্প সময়ে।পাশের দোকানদার নিজেও বলতেছে যারা আগে এসেছে এখনো দিতে পারে নাই। ভিতরে কয়েকজনকে বলতে শুনলাম টাকা দিয়ে নাকি দ্রুত কাজ করা যায়।দুইজন লোক বলল দালাল ছাড়া নিজে নিজে করলে তারা বিভিন্ন কারন দেখি আটকে দেয়। এসএসসি পরীক্ষা দিয়ে আর একবার দেখলাম তিনটার পরে একটি ছেলে এসেছে তাকে বলতেছে এখন আর কাজ হবে না সে বলল অনেক অনেক দূর থেকে এসেছি আগামীকাল পরীক্ষা আছে।তখন ওইখানের একজন কর্মকর্তা থাকে এক পাশে নিয়ে কি জানি বলল কানে কানে তখন ছেলেটি পকেট থেকে টাকা বের করে দিল। আমি পাসপোর্ট করতে পারিনি।দালালের মাধ্যমে করলে
আমি নাটোর পাসপোর্ট আফিসে পাসপোর্ট করার জন্য কাগজ জমা দিতে গেলে বিয়ের কাবিন নামা লাগবে বলে আমাকে ফেরত দেয়, পরে আমি যে কম্পিউটার এর দোকানে কাগজ রেডি করেছি তাদের জানাই, তারা বলে ১৫০০ টাকা দিলে কিছু লাগবে না, আমাকে পরের দিন আসতে বলে আমি পরের দিন আসলে ১৫০০ টাকা দেই, তখন তারা আমার কাগজ নিয়ে কি যেন করে, তারপর আমি পাসপোর্ট আফিসে কাগজ জমা দিলে কাবিন নামা ছাড়াই জমা নেয় এবং আমার সমস্ত কাজ হয়। এই রকম ভুক্তভোগী সবাই তারা ঘুষ না দিয়ে গেলে কিছু না কিছু ভুল ধরে এবং হয়রানি করে, তারা কম্পিউটার দোকানের সাথে সিস্টেম করে রেখেছে
আমার পাসপোর্ট আবেদনের সময় স্থায়ী ঠিকানার ইউনিয়ন পাওয়া যাচ্ছিলো না সার্ভারে এরপর আমি পাশের ইউনিয়নের নাম দিয়ে দেই, কয়েকদিন পরে যখন পাসপোর্ট জমা দিতে যাই তখন পাসপোর্ট অফিসের এক কর্মকর্তার কাছে বিষয়টি জানালে সে আমার সাথে খারাপ আচরণ করে এবং বলে "আপনি খুজে পাননি এতে আমি কি করবো?" আমি তাঁকে বারবার বুঝানোর চেষ্টা করি কিন্তু সে কিছুতেই শুনতে চাচ্ছেনা এবং এক পর্যায়ে সে বলে আপনি বাহিরে যান এরপর আমি পাসপোর্ট অফিসের বাহিরে চলে আসি এবং ঠিক ওই সময়ে এক দালাল এসে আমার সমস্যার কথা শুনে বলে সে এটা ঠিক করে দিতে পারবে এরপর তাঁর কথা অনুযায়ী আমি ৬০০০টাকা দিলাম এরপর কয়েকদিন পর ঠিক সেই কর্মকর্তা আমার সমস্যা সমাধান করে দিলো কোনো খারাপ ব্যাবহার ও করলো না আগের মতো।
পুলিশ বেরিফিকেশন এর সময় টাকা দিতে হয়েছিল আমাকে তা না হলে তারা বেরিফিকেশনে বেগ পোহাতে হয়