পাসপোর্ট
সময়টা ২০২৩. আমার ওয়াইফ ও বাচ্চার পাসপোর্ট ভেরিফিকেশন এ ৫০০০ টাকা দাবি করে। আমি সব ডকুমেন্ট ঠিকমতো জমা দেওয়ার পরও প্রথমবার রিজেক্ট করে দেয়। এর পর আমি বাধ্য হয়ে তিন হাজার টাকায় দফারফা করলাম।
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৭,৭৪৩ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
সময়টা ২০২৩. আমার ওয়াইফ ও বাচ্চার পাসপোর্ট ভেরিফিকেশন এ ৫০০০ টাকা দাবি করে। আমি সব ডকুমেন্ট ঠিকমতো জমা দেওয়ার পরও প্রথমবার রিজেক্ট করে দেয়। এর পর আমি বাধ্য হয়ে তিন হাজার টাকায় দফারফা করলাম।
আমার সব কাগজ পত্র সঠিক ছিল। মায়ের নামের পরে আমার certificate বেগম দেওয়া ছিল না। মায়ের আইডি কার্ডে শেষে বেগম ছিল। এই জন্য আমাকে বলছে এটা ঠিক করে আনুন। ১৫০০ টাকা নিয়া বেশি দিয়া কম্পিউটারের কাছে দিলেই সব কিছু ঠিক হয়ে জায় ভুতুরে বেপার এই ঘুসের টাকার সাথে জরিত আছেন অফিসে জাদের কাছে আবেদন কাগজ জমা দেওয়া হয়।
আমি নিজেই আমার নিজের আমার পাসপোর্ট এর জন্য এপ্লাই করতে সব ডকুমেন্ট নিয়ে জেলার নোয়াখালী পাসপোর্ট অফিসে যাই ওইখানে যাওয়ার পরে আমি সিরিয়ালে দাঁড়াই আমাকে সিরিয়াল থেকে বের করে দেয় তখন আমি একটু পুলিশ অফিসারের সাথে কথা বলার পর তাকে ৩ হাজার টাকা দিতে হবে সে বলে তারপর আমি কথা বলে ১০০০ টাকা দিয়ে সিরিয়ালটি আমাকে সে দিয়ে দেয় দেওয়ার পরে আমার কাজ হয়ে যায় আমি যখন নিজে নিজে এপ্লাই করলাম তখন আমাকে তারা লাইন থেকে বের করে দিলে।
আমি সবার মত অন লাইনে পারপোর্ট আবেদন করে কাগজপত্র চট্টগ্রাম মনসুরাবাদ পাসপোর্ট অফিসে জাম দিতে গিয়ে ওর বললো কাগজ পত্র সমস্যা আবার আসেন তারপর আবার ঠিক করে যাওয়ার পর বললো সমস্যা তারপর পাসপোর্ট অফিস গেটে এক দালাল ডেকে বললো সমস্যা নাই ৩০০০ টাকা দিবেন করে দিবো। তারের কাগজে সাইন দেয়ার পর যখন জাম দিতে গেলাম তখন সমস্যা না বলে আমালে পাসপোর্ট দেয়।
আমাকে আমার কাগজের ভুল ধরা হয় তারপর বাইরে বের হয়ে দেখি কিছু দালাল গ্রুপ রয়েছে দাবি করে যে টাকা দিলে তারা কাজ কমপ্লিট করে দেবে তারপরে তাদের টাকা দেই তারা কাজটা উদ্ধতন কর্মকর্তার সাথপ যোগাযোগ করে কাজটা কমপ্লিট করে দেয়।টাকা দেয়ার পর আর কোন কাগজে সমস্যা হয়নি।
২০২৩ সাল। আমার কাগজ পত্র সবকিছু ঠিক ছিল। পুলিশকে চা খাওয়ানো বাবদ ১৫০০ টাকা দেওয়া হয়েছিল। অন্যথায় পুলিশ পাসপোর্ট এর ভেরিফিকেশন ক্লিয়ারেন্স দিচ্ছিল না।
পাসপোর্ট করতে গিয়েছিলাম গতমাসের ১০ তারিখ।১০ তারিখ এই আমাকে টানা ১ সপ্তাহ হয়রানি করে।এই সমস্যা ওই সম্যস্যা। ৮০০০ টাকা দেওয়ার সাথে সাথে সব ঠিক হয়ে গেছে।
আমি আমার পাসপোর্ট বানায় 2023 সালের দিকে। তখন পুলিশ ভেরিফিকেশন নামে একটি প্রসেস ছিল। আমার সহ আরো ২ টি পাসপোর্ট মোট তিনটি পাসপোর্ট, প্রতিটির জন্য ৫ হাজার মোট 15 হাজার টাকা দাবি করা হয়। শেষে বাবা মিথ্যা বলতে বাধ্য হয় যে, স্যার আমরা তেমন টাকা পয়সা ওয়ালা না তাই কিছু কম রাখেন পরে সেই পুলিশ ৫০০০ টাকা নেয়। আমি যদি জানতাম ভবিষ্যতে এমন কোন অ্যাপ বের হবে তাহলে আমি এই ঘটনা আরো ভালোভাবে মনে রাখতাম বা এই ঘটনায় কোন পুলিশ এবং তার নাম কি সে কোন পদে আছে ভালোমতো খেয়াল রাখতাম এবং তথ্য স্পষ্টভাবে দিতে পারতাম
আমার সবকিছু ঠিক থাকার পর ও আমার আবেদন গ্রহণ করা হয় নাই, যখন টাকা দেই তখন আমি ভিতরে যাওয়া ও লাগে নাই। সরকারি অফিসে সম্ভবত উপর থেকে নিচ পর্যন্ত ৯৯% ঘুষ খায়। আমাদের সবাইকে এই বিষয়ে সচেতন ও তীব্র প্রতিবাদ গড়ে তুলতে হবে ।
পাসপোর্ট জমা দিতে গেছি। যাওয়ার পরে অফিসের রিসিপশন ডেক্সে আমাকে বলা হয় আপনার কাগজপত্র ঠিক নেই, যদিও পাসপোর্টে লিপিবদ্ধ করা যে সকল ডকুমেন্ট নেওয়ার কথা সবগুলো ডকুমেন্টে আমি নিয়ে গেছি। পরে যখন বাহির হয়ে আসতেছি, প্রতিমধ্যে আনসার সদস্যের সাথে দেখা হল উনি আমাকে বললেন যে বারোশো টাকা দেন আমি এখনই জমা দিয়ে দিচ্ছি, আমি প্রথম দিকে রাজি হয়নি, ফিরে চলে আসছিলাম, আমার পাসপোর্টে দ্রুত প্রয়োজন ছিল এবং খুবই জরুরি ছিল যার কারণে আমি ১১০০ টাকায় মিট করে পাসপোর্ট এর কাগজ জমা দি
আমি একজন সৌদি প্রোবাসি আমি প্রথম অবস্থায় যখন পাসপোর্ট করি এবং ভিসা লাগিয়ে সৌদি চলে যাই এবং যাওয়ার পরে পাসপুর্ট ডেট সেষ হলে ঐখান থেকে দ্বিতীয় পাসপুর্ট করি এবং সেটার ও ডেট ৭মাস থাকতে দেশে ছুটিতে আসি দেশে যখন রিনিউ আবেদন করি তখন তারা বলে আমার পাসপুর্ট নাকি মালটিপুল অ্যাক্টিভ তার যন্য ঘুষ চাই
কুমিল্লা পাসপোর্ট অফিস যেনো ঘুষের মহাস্বর্গ। সেখানে পাসপোর্ট আবেদন করতে গেলে একজন আবেদন গ্রহনকারী সব কাগজ নিরীক্ষণের ভিড়ে বিশেষ কিছু ছিলের খুঁজে ব্যস্ত থাকেন। কাগজে দালালের ছিল নেই মানে আবেদন গহণ হবে না। সব কাগজপত্র ঠিক থাকা সত্তেও আবেদন গ্রহণ হয় নি। বিশেষ কিছু এজেন্টের মাধ্যমে ২৫০০ টাকা অতিরিক্ত পেমেন্ট করায় পরবর্তিতে সাথে সাথে আবেদনটি গ্রহনযোগ্যতা পায়। প্রসাশন আর দালালরা মিলে মিশে ঘুষ খাচ্ছেন নির্ভিঘ্নে।
আমি অনলাইনে ফরম পূরন করে জমা দি। যা যা লাগবে সব ছিলো। তবুও ইচ্ছে করে নিচ্ছি লোনা। পরে অতিরিক্ত যা যা ডকুমেন্টস চাইসে তা আনাই বাসা থেকে। কিন্তু তবু ২য় বাইরেও নেয় নাই । পরে দালাল এসে বলে, কিছু লাগবেনা। ৬০০০ টাকা দেন। কররদিবো। । কোর কিছু ছাড়া অতিরিক্ত ৬০০০ টাকায় করতে হইসে। ওরা আবেদন এর কাগজে একটা সংকেত দিয়ে দেয়। অফিসার দেখলে আর কিছু বলেনা।
আমি পাসপোর্ট নবায়ন জন্য জেদ্দা পাসপোর্ট অফিসে যায়। তারা আমাকে বলে গত পাঁচ বছর আগে ভূলে দুইটি পাসপোর্ট ইস্যু হয়েছে যা আপনি একটি ব্যবহার করতেছেন অন্যটি আমাদের অফিসে পড়ে আছে অনেক বছর। আমার কি করতে হবে।তখন তারা বলে একটা cancel করতে হবে তাহলে নতুন পাসপোর্ট ইস্যু হবে। তখন আমি আবেদন করি cancel করার জন্য। অনেক দিন হয় কিন্তু হয়নি। অফিসে গেলে বলে ৪০০০ সৌদি রিয়াল লাগবে। আমার একামা নবায়ন হচ্ছে না পাসপোর্ট জন্য। তখন আমি বাধ্য হয়ে ৩০০০ রিয়াল দিয়ে cancel করি পরে আমি নতুন পাসপোর্ট পায়।
extra 1500 tk dite hoice
পাসপোর্ট অফিসের লুকাচুরি খেলা আমি কিছুটা বুঝতে পারছি , একটু পর পর তাদের সার্ভার থাকেনা, যার কারণে ঘন্টার পর ঘন্টা বসে থাকতে হয়, ফেস ফিঙ্গার দেওয়ার জন্য যদি বসে না থাকতে না চান তার ব্যাবস্থা আছে অফলাইনে কাজ করে দিবে আমি একটু বোকা তাই তাদের সিস্টাম বুঝিনি এজন্য আমার সারাদিন বসে থেকে কাজ করে নিয়ে আসতে হয়েছে, আবার পাসপোর্ট সংগ্রহ করতে গিয়ে আবার সার্ভার সমস্যা, যাইহোক সার্ভার আসারপরে পাসপোর্ট সংগ্রহ করি , এখন ভিসার আবেদন করতে গিয়ে দেখি আমার পাসপোর্ট NFC কাজ করে না সেখানে বলে ২০০০ টাকা দিতে দিলে ঠিক করা যাবে আমি বাধ্য হয়ে দেই কিন্তু দুক্ষের বিষয় আমার ই-পাসপোর্ট NFC রিড করে না
আমি পাসপোর্ট এর ফ্রি সোনালী ব্যাংকের খাগড়াছড়ি শাখায় জমা দিয়ে পাসপোর্ট অফিসে সকল ডকুমেন্ট নিয়ে জমা দেই । কাগজ পত্র সব কিছু দেখার পর বলে । আজকে হবে না। আগামী রবিবারের আসেন।আর আজকে করতে হলে ১৫০০ টাকা দিতে হবে।এই টাকা দিলে আজকে হয়ে যাবে। তারপর অনেক কথা কাটাকাটির শেষ পর্যন্ত ১৫০০ টাকা দিয়ে ঐ দিনই কাজ শেষ করে আসি।
Figer dite giye tk dite hoise
আমাকে অনেক ঘুরাতে থাকে বিভিন্ন পেপারের অজুহাতে পাঁচ দিন পরে আমার ফাইল জমা করতে পারি
দরখাস্ত জমা দিতে গিয়ে পরে আসেন বলে ফেরত দেয়।অফিসের বাইরে আসতেই দালাল ধরে এবং ৩৫০০ টাকা হলে তাৎক্ষণিক ফিঙ্গার প্রিন্ট নিয়ে দিবে বলে জানান।আমি টাকা দিতে অস্বীকার করি এবং দরখাস্ত বাতিল করে চলে আসি।