পাসপোর্ট বানানো
পাশে ডেকে নিয়ে টাকা চেয়েছিলো তখন দিনি পরে দিতে হয়েছে নাহয় পাসপোর্ট পাচ্ছিলাম না
18,531 bribery reports filed by citizens — search, filter, and switch between list and grid.
পাশে ডেকে নিয়ে টাকা চেয়েছিলো তখন দিনি পরে দিতে হয়েছে নাহয় পাসপোর্ট পাচ্ছিলাম না
২০২৪ সালের ১৮ই সেপ্টেম্বর পাসপোর্ট করার জন্য আমি পটুয়াখালী সরকারি পাসপোর্ট অফিসে যাই, আবার লক্ষ্য ছিল প্রবাসে আসবো, পাসপোর্টটা আমার খুবই জরুরি ছিলো,পাসপোর্ট করতে দিলে ৩০০০টাকা আমার কাছে ঘুস চায়,,যেটা দিয়েই আমি পাসপোর্ট করতে পারতো বাদ্য হই।
পাসপোর্ট পেতে গেলে দেয়া লাগবে
পাসপোর্ট জমা নে না আলাদা মার্কা ছাড়া
২টা নতুন পাসপোর্ট এর জন্য আবেদন করতে গেছি বলে এভাবে হবে না। প্রতি পাসপোর্ট এর জন্য ১৫০০ টাকা করে লাগবে। তাহলে সপ্তার মধ্যে পাসপোর্ট পেয়ে যাবে। না হলে নাকি পাসপোর্ট এর কাগজপত্র জমা নিবে না। বিভিন্ন অজুহাত দেখিয়ে প্রত্যাখ্যান করে।
২ টা এন আই ডি ভেরিফিকেশনের জন্য ৫০০ টাকা নিয়েছে এই কথা বলে যে এখন এই প্রক্রিয়াটি বন্ধ থাকা সত্ত্বেও আমি আপনাকে করে দেবো ৫০০ টাকা দিতে হবে
অনলাইনে আবেদন, ব্যাংকে টাকা জমা, সব কাগজ ঠিক থাকার পরও পাসপোর্ট অফিসে আমাকে ফিরিয়ে দেওয়া হলো বিদ্যুৎ বিল নিয়ে নানা অজুহাতে হয়রানি করা হলো। অথচ বাইরে কম্পিউটারের দোকানে ২,০০০ টাকা দেওয়ার পর একটি সিল দিয়েই কাজ হয়ে গেল! প্রশ্ন হলো—সরকারি বেতন পাওয়ার পরও ঘুষ ছাড়া কেন নাগরিকের কাজ হবে না? “ঘুষ দেবেন না”—বলা সহজ; কিন্তু ঘুষ না দিলে যদি কাজই আটকে থাকে, তাহলে সাধারণ মানুষ যাবে কোথায়?
কাগজপত্রের নাম ঠিক নাই স্বাক্ষর ঠিক নাই এ সমস্ত আবোল তাবোল কথা বলে ১৫ টাকা এক্সট্রা দাবি করছে। পনেরশো টাকা দিলে আর কিছু লাগবে না তারা সব কাজ ওকে করে দিবে। ১৫০০ টাকা না দিলে চেয়ারম্যানের কাছে গিয়ে সিগনেচার আনতে হবে অনেক কিছু কাগজপত্র জমা দিতে হবে
ফাইলের সবকিছু ঠিক থাকা সত্ত্বেও জমা না নিয়ে ফেরত দেয় তখন এক আনসার সদস্য আমার সাথে এসে কথা বলে এবং টাকা দাবি করে আমি টাকা দিলে সবকিছু সমাধান হয়ে যায় পরবর্তীতে আমার ফিঙ্গার হয় এবং আমি পাসপোর্টটা ২২ দিনের মাথায় পাই. টাকাটা দেওয়ার পরে একটা পেপার এর উপরে ইন্সট্রাকশন দিয়ে দেয় যেটাকে চিহ্ন বলে তখন ওই ফাইলটা আর কেউ আটকে রাখে না।
আমি পাসপোর্ট এর জন্য ব্যাংক ডাব করে অনলাইনে পাসপোর্ট এর জন্য আবেদন করি আবেদন করা শেষে সেই পেপারগুলো নিয়ে পাসপোর্ট অফিসে যাই অফিসে ঢোকার সময় দরজার পাশে একজন কর্মকর্তা টেবিল নিয়ে বসে আছে উনি পেপারগুলো দেখে সবগুলা ঠিক আছে কিনা।এরপর সে আমার পেপার গুলার উপরে বাম পাশে একটি সিল মেরে দেয় বলে আপনি সামনের দিকে যান। মূল কথা হচ্ছে যে ওনার কোন কাজই নেই এখানে উনি শুধু দেখে দালালের সাথে কোন সংযোগ আছে কিনা তার জন্য সে পেপারগুলো ভালোভাবে দেখে কোথাও দালালের কোন সাইন বা কোন লোগো আছে কি না যদি দেখে আছে তাহলে সে পেপারগুলোর উপরে বাম পাশে ছিল বসিয়ে দেয় আর যদি দালালের সাথে সংযোগ না থাকে তাহলে মাঝখানে ছিল দেয়। আর যদি দেখে দালালের সাথে কোন সংযোগ নেই তাহলে বিভিন্ন ভুলের অজুহাত দেখিয়ে বের করে দেয়।
আমি পাসপোর্ট করতে গেলে বলে একজন লোকের সাথে কথা বলেন। আমি কথা বললাম সেই লোক বার হাজার টাকা চাইল। আমি না দিয়ে নিজে নিজে অনলাইনে আবেদন করলাম ৫৮০০ চার্জ মাত্র পরে যথা সময়ে পাসপোর্ট পেলাম পুলিশ বেরি ফিকেশন করার জন্য কল দিল ১০০০ টাকা দেয়া লাগলো একজন কে পুলিশের প্রতিনিধি নাকি।
বার বার কাগজ পাতি ঠিক থাকার পরেও ভুলে বলে ফেরত দিচ্ছে, গেটের বাহিনী দালাল বলছে ২০০০ টাকা দিলে কাজ করে দিবে।
আমাকে বলেছিল আপনার পাসপোর্ট জব কমপ্লিট হয়নি আপনার পাসপোর্ট এর জব কমপ্লিট করাইতে হবে। জব কমপ্লিট করাইতে আপনাকে আগরতলা যেতে হবে অন্যতায় আমাদেরকে দিয়ে করালে ২৫০০ টাকা দিতে হবে। আমি বললাম এত টাকা কেন ওই লোকটি বলল আমি মাত্র ৫০০ টাকা পাবো বাকি অন্যগুলা স্যাররা পাবে। আমার ছুটি শেষ হওয়ার ২০ দিন বাকি ছিল এমতাবস্থায় আমার আর কোন উপায় ছিল না তাই আমি 2500 টাকা দিয়েছি
নতুন পাসপোর্ট করতে গিয়ে সবকিছু ঠিক থাকা সত্ত্বেও বার বার আমাকে ফিরানো হয়, স্থানীয় ঠিকানা বেশি বড় লেখা হয়ছে, আমি পড়াশোনা করি আমি কেনো আন এমপ্লয় দিয়েছি, আরো ছোট বড় অনেক, এর পড়ে ওখানে থাকা আনসার সদস্য আমাকে সাইটে ডাকে বলে ১৫০০ টাকা দিলে সে ফাইল জমা নিবে, আমি গতো তিন দিন ধরে বিরক্ত হয়ে শেষ মেশ তার কাছে দেয়, এবং আমার সেই বাতিল হওয়া কাগজ নিয়ে গিয়ে জমা করে এবং সেই সময় এ সমস্যা শেষ এতো সমস্যা এক মিনিটে শেষ ৫ মিনিট এ আমার কাগজ নিয়ে ছবি তুলে ফিঙ্গার নিয়ে নেয়, আমি গতো ৩ দিন ধরে গিয়ে গিয়ে ঘুরতেছি আমার এটা সমস্যা ওটা সমস্যা টাকা দিয়া মাত্র ১ মিনিট এ সমস্যা শেষ, আর বাহিরে গিয়ে তারদের বেতন এর জন্য রেমিট্যান্স পাঠায় আমরা
১০০০ টাকা না দেওয়াতে আমাকে ৩ দিন ঘুরায়। বলে এই কাগজ লাগবে ওই কাগজ লাগবে। তারপর ১০০০ টাকা দিই। দেওয়ার সাথে সাথে আমার কাজ হয়ে যায় শুধু মাত্র এনআইডি কার্ড দিয়
আমার কাগজে তেমন কোন ভুল হয় নি ।আমি দালাল দিয়ে আবেদন করাই নি নিজে আবেদন করছি এটাই আমার ভুল সহকারী অফিসার কে যখন জানাই সে বলে সব খানেই ঘুষ চলে আর কর্মকর্তা আর আনসারদের যে ব্যবহার তা আর নাই বলি
দাবির ধরন হলো চ্যানেল চ্যানেল ছাড়া পাসপোর্ট আবেদন রিজেট করে দেবে তাই দাবি করে
আমি পাসপোর্ট করেছি আমার লেপটপ দিয়ে, টাকা দিসি বিকাশের মাদ্দমে, তারপরও আরো বেস্তি টাকা দিতে হয়েছে নয়তো আমার পাসপোর্ট করতে দিবে না বল্লেন
আমি পাসপোর্ট করতে গেলে তারা বলে যে কোন এজেন্সি বা দোকানের মাধ্যমে করতে হবে। অন্যথায় আমার পাসপোর্ট আবেদন নেয়া হবে না এবং তারা নেয়না। পরবর্তীতে এজেন্সির মাধ্যমে বা কোন দোকানে আবেদন করে জমা দিলে তারা সেটা জমা নিতে রাজি আছে এবং নিয়েছে।
পাসপোর্ট অফিসের গেটে যেতেই পাহারারত পুলিশ বলে কোথয় যাবেন আমি বললাম আমার পাসপোর্টের মেয়াদ শেষ রিনিও করালাগে। আমার হাত থেকে কাগজ গুলো নিয়ে বলে আপনি পারবেন না আমাকে মোট ৮০০০ দিলে আপনি আজকের মধ্যেই সব কাজ সেরে যেতে পারবেন। আমার পাসপোর্ট অফিসের অভিজ্ঞতা ভালোছিল না তাই সব কিছু বিবেচনা করে বাধ্য হয়ে দেই । কারণ পাসপোর্ট আমার জরুরি ছিল।