নতুন পাসওয়ার্ড করতে গেছিলাম
১.বললো অন্যজনের জিমেইল ব্যবহার করে আবেদন কেন করেছেন...? আমি আবেদন করতে পারি না । ২.কর্মস্থলের সনদ ...? আমি ছোট একটি দোকানে চাকরি করি ছন্দ কোথায় পাবো । তার পর একজন কে ১৫০০ টাকা দিলাম পরে এই কাগজ পত্র ছারা ই হয়ে গেলো
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৭,৭৪৩ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
১.বললো অন্যজনের জিমেইল ব্যবহার করে আবেদন কেন করেছেন...? আমি আবেদন করতে পারি না । ২.কর্মস্থলের সনদ ...? আমি ছোট একটি দোকানে চাকরি করি ছন্দ কোথায় পাবো । তার পর একজন কে ১৫০০ টাকা দিলাম পরে এই কাগজ পত্র ছারা ই হয়ে গেলো
ঘটনা টি ২০১৯ সালের। পাসপোর্ট ভেরিফিকেশনের জন্য পুলিশ আমাকে কল দিয়ে দিন তারিখ দিয়ে অমুক জায়গায় দেখা করতে বলে। আমি সময়মতো উপস্থিত থাকি। ওনি হঠাৎ বাইকে আসে আর পরিচয় পেয়েই ২০০০ টাকা চায়। অনেক অনুনয় বিনয় ও অনুরোধ করে ১০০০ টাকা দিই। আসলে কিছুই করার ছিলো না।
পাসপোট করতে গিয়ে এই টাকা দিতে বাদ্য হয়েছি।
"প্রথমে আমি নিজেই চেষ্টা করি। তারা আমাকে নানাভাবে আটকানোর চেষ্টা করে, কিন্তু যখন কোনোমতেই আটকাতে পারল না, তখন আমার মায়ের আঙুলের ছাপ (ফিঙ্গারপ্রিন্ট) দিতে বলল এবং বলল যে, আমার মায়ের আঙুলের ছাপ মিলছে না। তখনই আমি বুঝতে পারলাম তারা আমাকে আটকানোর একটা উপায় পেয়ে গেছে। কারণ মনিটরটি তাদের দিকে ঘোরানো ছিল এবং আঙুলের ছাপ রিড করতে পারছে কি না, তা আমাদের পক্ষে বোঝার কোনো উপায় ছিল না। তারপর যখন টাকা দিলাম, তখন সব ঠিক হয়ে গেল।"
তিন বছর আগে পাসপোর্স করতে গিয়ে পুলিশ ক্লিয়ারেন্সের জন্য টাকা দিছি, তা না হলে ছাড়ে না।
আমার পাসপোর্ট তুলার সময় সেখানের এক কর্মচারী বলে আপনার পাসপোর্ট এখনো আসে নি, এরপর আমি অনলাইনে দেখি আমার পাসপোর্ট চলে এসেছে। এরপর আমাকে বলে ২দিন পর আসতে আমি যাই ২দিন পর এই রকম কয়েকবার ঘুরায় আমাকে এরপর সে আমাকে বলে কিছু টাকা দিতে হবে আপনার পাসপোর্ট পাওয়ার জন্য এরপর কত বললে তিনি বলেন ৪০০০ দিতে হবে । এরপর আমি অনুনয় বিনয় করে ২০০০ এ ঠিক করি। এরপর আমার পাসপোর্ট হাতে দেয় আমিও টাকা দিই।
পাসপোর্টের তত্ত্ব পুলিশ ভেরিফাই করানোর জন্য থানায় যাওয়ার পরে সব ঠিক থাকার পরও পুনরায় চেয়ারম্যানের সার্টিফিকেট আনতে বলে। আমি রিকোয়েস্ট করলেও আমাকে বিদায় করে দেয় এবং বলে চেয়ারম্যান সার্টিফিকেট আনতেই হবে নতুবা স্বাক্ষর করা যাবেনা। আমি যখন আবার গেলাম তখন ফটোকপি দোকানী বলল স্যারকে চা নাস্তার জন্য কিছু দিয়ে দেন তাহলে স্যার স্বাক্ষর দিয়ে দিবে আজকেই। তারপর আমি ফটোকপি দোকানীর মাধ্যমে ৫০০টাকা দিলে বলে ওকে, আমি আজকেই পাসপোর্ট অফিসে পাঠিয়ে দিব।
আমার মা ও আমি ২০১৭ সালে বরিশাল আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিসে আমাদের পাসপোর্ট করতে যাই। ফাইল জমা দিলে ফরমে ভুল দেখিয়ে ফেরৎ দিয়ে দেয় পাশে নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা পুলিশ সদস্য ডেকে তাদের মেসে/ থাকার রুমে নিয়ে যায় এবং ২৪০০ টাকা নিয়ে ঐ একই ফরমে আমাদের ফাইল জমা করে দেয়।
আমি দীর্ঘ ১০ বছর প্রবাস কাটিয়ে বাড়িতে কিছু দিন ছিলাম তারপরে আবার প্রবাসে যাওয়ার জন্য উদ্যোগ নেই আমি পাসপোর্ট করতে গিয়েছিলাম আমার আগের পুরাতন পাসপোর্ট কিছু ভুল ছিল সংশোধন করতে চেয়েছিলাম। আমি সংশোধনের জন্য আবেদন করি আমার পাসপোর্টটি আটকে দেওয়া হয়, আমার কাছ থেকে চা নাস্তার জন্য আবদার করে টাকা চাওয়া হয় আমি প্রথমে টাকা দেই নাই। পরবর্তীতে বাধ্য হয়ে টাকা দিয়ে পাসপোর্টটি নিতে হয়েছে।
পাসপোর্ট করতে গেছি, অফিসের লোক জন টাকা ছাড়া করে দিবেনা তাই বাধ্য হয়ে দেওয়া লাগছে
আমি নিজে নিজে আবেদন করে নতুন পাসপোর্ট বানানোর জন্যে সিলেটস্থ আলমপুর পাসপোর্ট অফিসে যাই, আমার যাবতিয় ডকোমেন্টস চেক করে আমার প্রত্যয়ন পত্রের কারণ দেখিয়ে আমাকে বাহির করে দেয়। বাহিরে এসে আমি দালালকে ধরে ২০০০ টাকা প্রধান করি এবং সে আমার আবেদনের কিছু Edite করে রেফারেন্স সহকারে আবেদন করে দেয়। পরের বার পুনরায় জমা করলে সাথে সাথেই আবেদনটি নিয়ে যায়। এবং আমার পাসপোর্ট যথারিতিতে ওকে হয়ে আসে।
ঘটনাটা এই বছরের নয় গত বছরের। আমার IELTS পরীক্ষার জন্য পাসপোর্টের প্রয়োজন ছিল। অনলাইনে আবেদন সাবমিট করে যেদিন ফিঙ্গার ও ছবি উঠানোর জন্য যাই সেদিন সমস্ত কাগজ ঠিক থাকার পরেও আমাকে ফেরত পাঠানো হয়। পরবর্তীতে আমার পরিচিত একজন আত্মীয়ের মাধ্যমে পাসপোর্ট অফিসের সামনে অবস্থিত কম্পিউটারের দোকানের মাধ্যমে উপরে উল্লেখিত নির্দিষ্ট পরিমাণ টাকা প্রদান করি। পরবর্তীতে জানতে পারি ওখানে অবস্থিত সকল টেক দোকানগুলোর কাজ হলো এটা।
আমার পাসপোর্ট এর আবেদন জমা দেওয়ার সময় অফিস কতৃপক্ষ জমা নেয় না, বলে একটা কাগজে সমস্যা, কিন্তু আমার সাথে পাসপোর্ট করতে আশা অন্য লোকদের দেখলাম আমার মতো কাগজ একই কিন্তু তাদের টা জমা নেওয়া হয়েছে, আমি তাদের জিজ্ঞেস করলাম আমার টা জমা নেয় না কেন কি সমস্যা, তখন একজন বললো তুমি কি দালাল ছাড়া আসছো, আমি বললাম হুম, তখন আমি বের হয়ে গেলাম এমনি এক দালাল বললো তোমার সমস্যা আমি সমাধান করে দিবো ২০০০ হাজার টাকা দিবা পরে আমি ১৫০০ টাকা দিবো বলে ঠিক করে তারপর উনি আমার আবেদন কপিতে একটা কিছু লিখে দিছে তারপর অফিস জমা নিছে।
আমার পাসপোর্ট করার দরকার ছিলো। প্রথমে অনলাইনে আবেদন করে পাসপোর্ট অফিসে যাই। উনারা প্রথমে বললো বিদ্যুৎ বিলের কপি লাগবে,তারপর বললো চেয়ারম্যান এর সনদ লাগবে। ৩ দিন ঘোরার পর দালাল ধরলাম। তারপর দালাল আবেদনের ছবি তুলে পাসপোর্ট অফিসের লোকের হোয়াটসঅ্যাপে পাঠাই দিলো আর আমাকে বললো ১০৪ নাম্বার রুমে গিয়ে কাগজ দেন আর কিছু লাগবে না। আমি তো অবাক, যেনারা এতদিন কাগজের কথা বলে ৩ দিন ঘুরাইলো আবেদন জমা নিলো না।তারাই কোনোরকম কাগজ বাদেই আবেদনটা জমা।নিলো। মুলকথা, দালাল ধরলে কোনো বাড়তি ডকুমেন্টস চাবে না, আর দালাল না ধরলেই দিনের পর দিন ঘুরাবে।
কাগজপএ সব ঠিক ছিলো কিন্তু স্যার বল্লো চেয়ারম্যান এর পরিচয়পএ অনলাইন করা নাই পরে কি করবো আমার বাসা অনেক দুরে আসা জাওয়া একটু ঝামেলা পরে বাহিরে অনেক লোক দারায় আছে কাগজ হাতে দেখলেই জিগায় কোনো সমস্যা থাকলে ১৫০০ টাকা দেন সমাধান করে দিবো প্রথমে করতে চাইনি পরে কি করবো বাসা ও অনেক দুরে জে জন্য টাকা দিয়ে করাইছি বি: দ্র: আমার কথা হচ্ছে চেয়ারম্যান এর পরিচয়পএ ছারা পাসপোর্ট জদি না ই হয়। তাহলে টাকা দেওয়ার পরে কাগজ টা ই লাগলো না কেনো
ভিসা ও টিকিট কাটা সম্পন্ন, ২০ দিন ফ্লাইট, হঠাৎ ব্যাক হাড়িয়ে পাসপোর্ট হাড়িয়ে ফেলি। পরে আর কি, গেলাম কম্পিউটার উপারেটর কিছু করতেই পারবে না, সাইডে কথা বলতে হবে, পুলিশ এই সেই জামেলা দেখাইলো, ভেতরের অফিসার এর সাথে দেখা করলাম, ওনার একি মন্তব্য সময় লাগবে, নয়তো ব্যবস্থা করুন।। দরজার সামনেই ইসারা, গেলাম টাকা লাগবে ৪৫০০০ হাজার সময় ৭ দিন।। কিছ্ছু করার নেই, দামাদামি করলে আরো টাকা বাড়বে।। বাদ্য হয়ে বোনের গয়না বন্ধক দিয়ে, টাকা দিতেই হলো।। তবে পাসপোর্ট এনে দিয়েছে ১১ দিন পর।।
new passport korar jnno abedon abong onnano doc joma dite jai biometric korar jnno.amar kase 3 hajar tk ghush dabi kora hoy ses porjnto 2 hajar tk dile amar abedon joma niya biometric neya hoy
পাসপোর্টের পুলিশ ভেরিফাই করাতে গিয়ে ১০০০ টাকা পুলিশ ঘুস নিছে,,,
পাসপোর্ট করতে গিয়ে সব ডকুমেন্টস ঠিক থাকা সত্বেও বারবার ফাইল ফেরত দেওয়া হয়। পরে অফিসের ভেতর ঘুরতে থাকা দালাল ধরে ১৪০০ টাকার বিনিময়ে মুহূর্তেই আবার একই কাগজপত্র দিয়ে পাসপোর্ট হয়েছে। এই ঘটনা আমার শহর বগুড়াতে..
আমি সৌদি আরব থাকি আমার দুই জমজ ছেলের পাসপোর্ট বানাতে গিয়ে কুমিল্লা পাসপোর্ট অফিসে আমার দুই ছেলের বর্তমান বয়স এক বছর দশ মাস কাগজপত্র সবকিছু ঠিকঠাক থাকার পরও আমার ওয়াইফ কে হয়রানি করা হয়েছে দুই সন্তানের পাসপোর্ট এর জন্য আড়াই হাজার টাকা ঘুষ নিয়েছে এবং তাদেরকে অনেক হয়রানি করেছে দুই তিন দিন তাদেরকে ঘুরিয়েছে তারা শুধু টাকার জন্য এক টেবিল থেকে আরেক টেবিলে তাদেরকে পাঠিয়েছে ঘুষ দেওয়ার পর আমার ছেলে সন্তানের এর আবেদন গ্রহণ করেছে