New passport Application
new passport korar jnno abedon abong onnano doc joma dite jai biometric korar jnno.amar kase 3 hajar tk ghush dabi kora hoy ses porjnto 2 hajar tk dile amar abedon joma niya biometric neya hoy
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৮,৫৩১ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
new passport korar jnno abedon abong onnano doc joma dite jai biometric korar jnno.amar kase 3 hajar tk ghush dabi kora hoy ses porjnto 2 hajar tk dile amar abedon joma niya biometric neya hoy
ভিসা ও টিকিট কাটা সম্পন্ন, ২০ দিন ফ্লাইট, হঠাৎ ব্যাক হাড়িয়ে পাসপোর্ট হাড়িয়ে ফেলি। পরে আর কি, গেলাম কম্পিউটার উপারেটর কিছু করতেই পারবে না, সাইডে কথা বলতে হবে, পুলিশ এই সেই জামেলা দেখাইলো, ভেতরের অফিসার এর সাথে দেখা করলাম, ওনার একি মন্তব্য সময় লাগবে, নয়তো ব্যবস্থা করুন।। দরজার সামনেই ইসারা, গেলাম টাকা লাগবে ৪৫০০০ হাজার সময় ৭ দিন।। কিছ্ছু করার নেই, দামাদামি করলে আরো টাকা বাড়বে।। বাদ্য হয়ে বোনের গয়না বন্ধক দিয়ে, টাকা দিতেই হলো।। তবে পাসপোর্ট এনে দিয়েছে ১১ দিন পর।।
পাসপোর্টের পুলিশ ভেরিফাই করাতে গিয়ে ১০০০ টাকা পুলিশ ঘুস নিছে,,,
পাসপোর্ট করতে গিয়ে সব ডকুমেন্টস ঠিক থাকা সত্বেও বারবার ফাইল ফেরত দেওয়া হয়। পরে অফিসের ভেতর ঘুরতে থাকা দালাল ধরে ১৪০০ টাকার বিনিময়ে মুহূর্তেই আবার একই কাগজপত্র দিয়ে পাসপোর্ট হয়েছে। এই ঘটনা আমার শহর বগুড়াতে..
আমার বাবার পাসপোর্টের মেয়াদ এখনও ১ বছর আছে। নতুন করে পাসপোর্ট করতে গেলে বলে ৭৫০০ টাকা হলে করে দেওয়া যাবে।
Amar sob document thik chilo but ora sudu bul dore . Dalal chara ekahne kaj kora jai na .
আমি ইতালির একটি দূতাবাসে সেম পারসোন সারটিফিকেট করতে গেলে ৫০০ইউরো ঘুস চাওয়া হয়
পাসপোর্ট রিনিউ আবেদন, একটি পুরোনো পাসপোর্টর সাথে আংশিক পরিবর্তন দরকার হয় , চাহিদা অনুযায়ী সকল কাগজপত্র জমা দেই , ছয় মাস ঘুরা ঘুরি করে সামাধান পেয়ে, এক পর্যায়ে বাধ্য হয়ে ঘুষ দিয়ে করতে হয়
আমি নতুন পাসপোর্ট করতে গেছিলাম আমার কাগজ পাতি সব ঠিক থাকা সত্ত্বেও তারা আমার পাসপোর্ট করে দেয়নি পরে আমার ইমারজেন্সি দরকার ছিল বাইরে থেকে দালালের মাধ্যমে পাসপোর্ট করি এবং পাসপোর্ট অফিসের লোক সেই দিনে আমার ছবি এবং ফিঙ্গারপ্রিন্ট নিয়ে পাসপোর্ট এর সিলিপ দিয়ে দেয়
আমি প্রথমে সরাসরি অফিসে গিয়ে ফাইল জমা দিতে চেয়েছিলাম। কিন্তু HSC সার্টিফিকেট সঙ্গে না থাকায় তারা আমার ফাইল জমা নেয়নি। পরে বাইরে এসে একজন দোকানদারের মাধ্যমে ১,৫০০ টাকা দেওয়ার পর, HSC সার্টিফিকেট ছাড়াই তারা সঙ্গে সঙ্গে আমার ফাইল জমা নিয়ে নেয়।
জামালপুর পাসপোর্ট অফিস যিনি passport application যাচাই - বাছাই করেন, সব ধরনের কাগজপত্র ঠিক থাকার পরেও application জমা নিচ্ছিল না এভাবে টানা ৩ দিন শুধু rejected করছিল এবং ৪ নম্বর দিন 1700 টাকা ঘুষ প্রদানের মাধ্যমে passport application বিশেষ চিহ্ন করা তখন কোনো ধরনের কাগজপত্র ছাড়া আমার passport application জমা নিয়েছে, মানে ঘুস এবং বিশেষ চিহ্ন ছাড়া তারা কোনো application জমা নেয় না, জামালপুর পাসপোর্ট অফিস যিনি আবেদন পত্র যাচাই বাছাই করেন আমি তার বিরুদ্ধে এই অভিযোগ গুলো করছি।
বাসার ঠিকানা একটু অসংগতি ছিল
Purpose of police varification
টাকা নাদিলে পাসপোর্ট পাব না কখনো
ময়মনসিংহ আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিসে বন্ধুর পাসপোর্ট আবেদন জমা দেওয়ার সাথে জন্য গিয়েছিলাম। অফিসের পাশে একটি দোকান থেকে অনলাইনে আবেদন ও সরকারি ফি পরিশোধ করার পর দোকানদার অতিরিক্ত ১,৫০০ টাকা দাবি করেন। তিনি বলেন, এই টাকা দিলে অফিসে কাগজপত্র জমা দিতে কোনো ঝামেলা হবে না। অতিরিক্ত টাকা না দিয়ে অফিসে গেলে কাগজ পত্র ঠিক থাকার পরও শিক্ষাগত সার্টিফিকেট চাওয়া হয় এবং বলে কাগজ পত্রে ঝামেলা আছে আরেকদিন আসেন, আসার সময় অফিসের একজন সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির কাছ থেকেও অতিরিক্ত টাকা দেওয়ার কথা বলা হয় এবং জানানো হয় এটা নাকি অফিস খরচ।শেষ পর্যন্ত অতিরিক্ত টাকা দিতে বাধ্য । বিঃদ্রঃ টাকা দেওয়ার পর আবেদন পত্রের উপরে সাংকেতিক চিহ্ন বা সাইন দেওয়া হয় দোকানেও দেখেছি যারা অতিরিক্ত টাকা দিচ্ছেন তাদের আবেদন পত্রের উপরে এমনটা।
তারা হাতে টাকা নেয় না.. দালালা মাধ্যমে টাকা
kono prokar jhamela chara passport kore debar jonno amar kach theke 10000 taka dabi korecilo,ami onk dama dami kore 5000 taka te koriyeci. er jonno amak kono ling maintain korte hoy ni.
কয়েকদিন আগে আমার আম্মা উমরাহ করার জন্যে যেতে চাইলে, আমরা নতুন পাসপোর্ট করার জন্য পাসপোর্ট অফিসে যাই, গিয়ে দেখি দালাল ছাড়া পাসপোর্ট করা সম্ভব নয়। বাধ্য হয়ে দালালকে সরকারি ফি ছাড়াও, ছয় হাজার টাকা দিতে হয়েছে। এবং দালালের কথা হলো এই টাকা সে একা নিবেনা, উপরমহল পর্যন্ত যাবে।
টাকা না দিলে জীবনে পাসপোর্ট পাবনা।
আমি আমার মোবাইল দিয়ে ই- পাসপোর্ট ওয়েবসাইটে একটি আবেদন করি ১০ বছর মেয়াদি ই পাসপোর্ট এর। সরকারি নির্ধারিত ফি ৫৭৫০৳ সোনালী ব্যাংকে জমা দিয়ে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র নিয়ে পাসপোর্ট অফিসে যাই। এমন কোনো ডকুমেন্টস নেই যা আমার কাছে অনুপস্থিত ছিল না, এক কথায় যা যা প্রয়োজন সব সাথে ছিল। কিন্তু পাসপোর্ট অফিসে আমার ফরম জমা না নিয়ে ফেরত দিয়ে একেবার একেকটা অহেতুক সমস্যা উল্লেখ করে। পরবর্তীতে আমার বড় ভাই অফিস সংলগ্ন এক দালান কে হেল্প করতে বললে সে বলে ১১০০ টাকা অফিস ফি আমাকে ৫০০ দাও আমার রেফারেন্স দিব সাথে সাথে সব কাজ হয়ে যাবে। যেই কথা সেই কাজ, আমার সেইম ফাইল অফিসে এক কর্মকর্তার নিকট জমা দিলে সাথে সাথে আমার ইনরোলমেন্ট হয়ে যায়। বি:দ্র: উক্ত অভিযোগ নতুন নয়। উপর মহলের ইশার দালাল আর অফিস কর্মকর্তার রমরমা ব্যবসা চলছে।