নাম সংশোধন
নাম সংশোধন করতে গিয়েছিলাম, রামছাম বুঝিয়ে ১ সপ্তাহ ঘুরাইছে, তারপর দালালের মাধ্যমে ১ দিনে সংশোধন করে দিছে। বিদেশ যেতে হবে বিধায় বাধ্য হয়ে ঘুষ দিয়ে ঠিক করাইছি,,নাহলে ঘুয দিতাম না!
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৭,৭৪৩ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
নাম সংশোধন করতে গিয়েছিলাম, রামছাম বুঝিয়ে ১ সপ্তাহ ঘুরাইছে, তারপর দালালের মাধ্যমে ১ দিনে সংশোধন করে দিছে। বিদেশ যেতে হবে বিধায় বাধ্য হয়ে ঘুষ দিয়ে ঠিক করাইছি,,নাহলে ঘুয দিতাম না!
পাসপোর্ট তৈরি করতে টাকা চেয়েছিল প্রথমে দিতে অস্বীকার করার ফলে । কাগজ জমা নেয়নি পরে টাকা নিয়ে কাগজপত্র জমা নিয়েছে এবং পাসপোর্ট করতে পেরেছি
সৌদি আরবের জেদ্দায় অবস্থিত, বাংলাদেশ দূতাবাসে ই- পাসপোর্ট করার জন্য এপয়েন্টমেন্ট নিতে গেলে ২/৩ মাস পরে তারিখ পাওয়া যাচ্ছে। ২০০ রিয়াল= ৬৬০০ টাকা দিলে ১ দিনের মধ্যেই ফিঙ্গার দেওয়া যায়। অনেক মানুষ বাধ্য হয়ে অতিরিক্ত টাকা দিয়ে করতেছে।”
We went passport office but passport rejected our application due to color id card and student id card but we have black white id card. When we leave the passport office, a person of their as agent contact with me and he wants 4000 tk for passports and provide an token number. When we again submitted same file with that token the passport officer didn't ask any queries and approved these files.
পাসপোর্ট রেনু আমাকে বলছে জদি টা না দেন তাহলে ফাইল জমা হবেনা দুই তিন ঘন্টা ঘুরে আবার আমার কাছে আসবেন পরে একটু হয়রানী হইতে হইছে
আমি প্রথম পাসপোর্ট বানাতে দেয়ার পর verification এর জন্য শান্তি নগর office এ গিয়ে আনতে সময়ে verification officer বলে কিছু দিয়ে গেলেন না তারপর আমি 500 টাকা দিলে বলে 1000 tk দেন, তারপর ওই টাকা দিয়ে ই আসতে হয়েছিলো .নয়তো অপমানজনক পরিস্থিতি সৃষ্টি করতে চেয়েছিল.
Dammam pasporot office sobai mile durniti kore
Passport korar jonno niyesilo, ami nije theke 2 din try koresi but hoyni, pore ghush dile ar kono issue hoyni, perfacet vabe passport korte parsi
Broker asked me to pay 65000 taka for urgent process. So I regret to pay and I went to the passport office and within a few hours I got my mother renew passport with the cost of 300 taka.
দালালের মাধ্যমে করলে ১৫০০০ টাকা,কোন ঝামেলা ছাড়া করে দিবে।লিগ্যাল ওয়েতে প্রায় ৭০০০ টাকা।তবে সে ক্ষেত্রে দীর্ঘ সময়,কাগজপত্র নিয়া হয়রানি ইত্যাদি পোহাতে হয়।ধন্যবাদ।
আমি ঢাকার উত্তরা অফিসে পাসপোর্ট তৈরি করতে গিয়েছিলাম।অনলাইনে যা যা কাগজপত্র চেয়েছিল সেই মোতাবেক সমস্ত কাগজপত্র নিয়ে গিয়েছিলাম। কিন্তু ওখানে রিসিপশনে যে বসা ছিল সে আমাকে বলল পাশে যে আনসার সদস্যরা আছে তাদের কাগজ দেখান। আমি যথারীতি কাগজ দেখালাম। তারা বলল আপনার কাগজ কিছুই ঠিক হয়নি। আমি বললাম কোথায় ভুল আছে। তারা তা সদ উত্তর দিতে পারল না। তারা শুধু একটি কথাই বলল আপনার কাগজ কিছুই ঠিক নেই। শুধু একজন কানে কানে বলল পাসপোর্ট অফিসে তো সিসিটিভি ক্যামেরা আছে ওই বাথরুমের নির্দিষ্ট যাদের পনেরশো টাকা রেখে আসুন কাজ হয়ে যাবে। আমার নিরুপায় হয়ে ১৫০০ টাকা রেখে আসতে হল, পাসপোর্ট তৈরি করার কাজে নাম্বার দিয়ে দেওয়া হলো, দেন সমস্ত কাগজপত্র ঠিক হয়ে গেল। আমার পাসপোর্ট হয়ে গেল।
স্থায়ী ঠিকানা চাঁদপুর থেকে পুলিশ বিকাশে ঘুষ চায় পাসপোর্ট ভেরিফিকেশন করার জন্য।
আমি পাসপোর্ট করার জন্য বাইরে থেকে অনলাইনে আবেদন করে পাসপোর্ট অফিসে যাই সেখানে গিয়ে হয়রানির শিকার হই। তারা বলে তাদের কাছ থেকে অনলাইন করিনি তাই তারা ওটার আর কোন কাজ করবে না। ঐদিন সারাদিন ঘুরাইছে পরে বাড়িতে চলে আসি। দেন পরের দিন আবার যাই সেখানে গিয়ে একটা লোককে ধরে 2400 টাকা দেই। তারপরেসে এক ঘন্টার মধ্যে পাসপোর্ট এর যাবতীয় কাজ করে দেয়
Dhaka Jurain alakai passport police varification er somoi apnak fon diye bolbe apnar passport er varification korar jonno ei document golo bikrumpur or ei market er niche niye ason. Je kono akta address dibe. Then bolbe taka din tee/nasta khete. 1,2,3,4 hazar taka ditei hobe. Manos boje tara taka adai kore. Noito voi dekhai passport pabe na. Vlo report dibe na.
আমার বাচ্চার পাসপোর্ট নবায়নের সময়, আমি যখন পাসপোর্ট জমা করি নিজে নিজে অনলাইনে পূরণ করে লাইনে দাঁড়িয়ে চট্টগ্রাম পাঁচলাই পাসপোর্ট অফিসে জমা করি, তখন আমাকে বলেন নতুন করে কমিশনার সার্টিফিকেট জমা দিতে হবে, আগের সার্টিফিকেট হবে না, যদিও এটি তার দ্বিতীয় পাসপোর্ট ছিল। অথবা একটা লোকের নাম দিয়ে বলল যোগাযোগ করার জন্য, পরে আমি যোগাযোগ করে ওর সাথে জানতে পারি তাকে ৩৫০০/- হাজার টাকা দিতে হবে, তাইলে নতুন করে সার্টিফিকেট প্রয়োজন হবে না। পাসপোর্টটি আমার জরুরী প্রয়োজন হয় আমি তাকে ৩৫০০ /-টাকা দিয়ে দিলাম, সাথে সাথে আমার বাচ্চার ছবি তোলা সহ পাসপোর্ট প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে। বাংলাদেশের জন্ম করায় আমাদের অপরাধ।
অবশ্যই। কথাগুলো একটু পরিষ্কার, ভদ্র ও প্রভাবশালীভাবে সাজিয়ে দিলাম: আমার স্ত্রীর পাসপোর্ট জমা দেওয়ার জন্য চট্টগ্রাম আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিসে গিয়েছিলাম। সেখানে বিভিন্ন ভুল-ত্রুটির কথা বলে তারা পাসপোর্টের আবেদন জমা নেয়নি। কিন্তু পরবর্তীতে অফিসেরই একজন লোক আমাদের সঙ্গে যোগাযোগ করে জানান, ১২,০০০ টাকা দিলে কোনো ধরনের কাগজপত্রের ঝামেলা ছাড়াই পাসপোর্টের কাজ করে দেওয়া হবে। বিষয়টি আমার কাছে অনৈতিক ও অত্যন্ত হতাশাজনক মনে হয়েছে। তাই আমি শেষ পর্যন্ত কোনো কাগজপত্র জমা দিইনি; বর্তমানে আমার সব কাগজপত্র আমার কাছেই আছে।
ঠাকুরগাঁও পাসপোর্ট অফিসে আমার মায়ের পাসপোর্ট ইস্যুর জন্য আবেদন করেছিলাম। সে সময় আমার মায়ের স্মার্ট আইডি কার্ড হারিয়ে যায়। আর ওরা ফাইলের সাথে মূল আইডি কার্ড দেখতে চায়। কিন্তু সেটা হারিয়ে যাওয়াতে দেখানো সম্ভব হচ্ছিল না। যদিও মূল আইডি কার্ডের কোন প্রয়োজন ছিল না, ফটোকপিটাই যথেষ্ট ছিল। কারণ, আইডি কার্ড ভেরিফাই করার ব্যবস্থা তাদের কাছে থাকে। কিন্তু তারা নাছোড়বান্দা। আর এ অজুহাতে সে সময় অতিরিক্ত ১২০০ টাকা ঘুষ হিসাবে দিতে বাধ্য হয়েছিলাম।
২০২১ সালে ৪ হাজার টাকা নিয়েছিল এবং কাবিননামায় কাবিন পরিমান কম থাকার প্রশ্ন করেছিল কাবিনের টাকা এত কম কেন যেখানে কাবিন নামার প্রয়োজন ই ছিলনা। এবং যে ফাইল প্রথমে রিজেক্ট করা হয়েছিল বিভিন্ন ভুলের কারণে সেই ফাইল দিয়েই পাসপোর্ট সম্পুর্ণ হয়। এবং পুলিশ ক্লিয়ারেন্স প্রথম বার 2500 টাকা অনলাইনে আটকে গেছে বলে আরো 1000 টাকা। BRTA Driving licence বি,আর,টি,এ যে কমপক্ষে 5 বার প্রতি বার 5/8 হাজার।
ঘুষ দিতে বাধ্য করা হয়।
ঘুষ দিয়ে সেবা নিতে হয়েছে