passport
passport korte gele taka chai
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৮,৫৩১ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
passport korte gele taka chai
ঢাকাতে ভাড়া বাসায় থাকার সুবাদে পুরাতন পাসপোর্ট নবায়ন করতে আগারগাঁও পাসপোর্ট অফিসে গেলে বলা হয় বাসা ভাড়ার চুক্তিনামা,বিদ্যুৎ ও পানির বিলের কাগজ এবং বাড়িওয়ালার হোল্ডিং ট্যাক্স প্রদানের কাগজ জমা দিতে। ভাড়ার চুক্তিনামা, বিদ্যুৎ ও পানির বিল বুজলাম আমার দায়িত্ব। কিন্তু বাড়িওয়ালার হোল্ডিং ট্যাক্স এর কাগজ তো বাড়িওয়ালা দিবে না। অগ্যত্যা দরবেশ বাবা ধরে ৬০০০ টাকা দিলে সেদিনই কোন লাইন ছাড়া ও চাওয়া কাগজ ছাড়া পাসপোর্টের আবেদন গ্রহণ ও বায়োমেট্রিক করা হয়।
হয়রানি করতেছে
আমি সৌদি তে হজ করার উদ্দেশ্যে পাসপোর্ট বানানোর জন্য যাই। আমার সব কাগজপত্র ঠিক ছিল। শুধু ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানের সার্টিফিকেটটা ছিল না। তো তারা আমাকে বলল এই সার্টিফিকেট নাকি লাগবে। যেকোনো ব্যক্তিগত কারণে আমি সেই কাগজটি আনতে ব্যর্থ হই। তারপর তারা আমার কাছে ৬ হাজার টাকা দাবি করে। এবং টাকা দেওয়ার পর আমি দেখলাম শুধু আইডি কার্ড দিয়ে আমার পাসপোর্টটা হয়ে গেল। যদি শুধু আইডি কার্ড দিয়ে পাসপোর্ট হয়ে যায় তাহলে এটা কেমন হয়রানি।
নতুন পাসপোর্ট করার জন্যে অনলাইনে ফরম পূরণ করে সাবমিট করেছি, বিকাশের মাধ্যমে পাসপোর্ট এর ফি জমা দিয়ে পাসপোর্ট আবেদন ফরম ডাউনলোড করে ফাইল বানিয়ে জমা দিতে গিয়েছি গোপালগঞ্জ সদর পাসপোর্ট অফিসে, কোন ভুল না থাকা সত্ত্বেও তারা দুটি খালি ঘরে দাগ দিয়ে বলেছে ভুল আছে পরে অডিট অফিসারের ওখানে যাওয়ার পর বললাম আবেদন ফর্মটি ওই দুটি জায়গা সংশোধন করে দেওয়ার জন্য, যেহেতু ফি জমা দেওয়ার পরে এক্সেস একমাত্র তাদের কাছেই থাকে সংশোধন করার, সেই অফিসার সাফ না করে দিলেন বললেন যেখান থেকে আবেদন করেছি সেখানে গিয়ে সংশোধন করতে যেটা কোনোভাবেই সম্ভব নয়, পরবর্তীতে সেই ভুল সংশোধন করার কোন প্রয়োজন হয়নি দুই হাজার টাকার বিনিময়ে সেই অফিসে ফাইল পাস করে বায়োমেট্রিক এবং ছবি উঠানোর কাজ শেষ করতে হয়েছে, ২০০০ টাকা ঘুষ নিয়েছ
Ami giyechilam passport office a tarpor amar kache get man anser tk nilo
আমি নিজে আবেদন করছি একা একা পাসপোর্ট করবো কিন্তু আমাকে দেওয়া হয়নি বিভিন্ন অজুহাতে আমার থেকে ২০০০টাকা নিয়ে তারপর পাসপোর্ট এর ফিংগার নিয়েছে
আমার এমআরপি পাসপোর্টে বাবার নাম মায়ের নাম নিজের নাম জন্মস্থান ভুল ছিল , মানে প্রথমবার দালাল পাসপোর্ট বানানোর সময় সব কিছু ভুল দিয়ে বানিয়েছিল , আমার লিগাল সবকিছু দিয়ে যখন আমি ই পাসপোর্ট করতে যাই , পাসপোর্ট অফিসের লোকেরা অফিসাররা বলে, আমার পাসপোর্ট হবে না। কিন্তু অফিসের সহকারি একজন ( তিনি ভিতরেও কাজ করেন এবং বাইরে তার দোকান আছে) তিনি আমাকে প্রথমে ২০ হাজার টাকার বিনিময় পাসপোর্টটা করে দিতে পারবে বলে , তারপর আমি ২০ হাজার টাকা দিলে প্রায় দেড় থেকে দুই মাস পর কিছুটা ধাপ এগিয়ে যায় , তারপরে একটা পর্যায়ে বলে আরও এক লক্ষ টাকা লাগবে , তারপর প্রায় চার মাস ঘুরার পর , এলাকার মেম্বার এবং গণ্যমান্য ব্যক্তিদের কে নিয়ে তার কাছে গেলে ৬০ হাজার টাকায় রাজি হয় ,কয়েকদিনের মধ্যেই পাসপোর্ট হাতে পাই ।
নাম সংশোধন করতে গিয়েছিলাম, রামছাম বুঝিয়ে ১ সপ্তাহ ঘুরাইছে, তারপর দালালের মাধ্যমে ১ দিনে সংশোধন করে দিছে। বিদেশ যেতে হবে বিধায় বাধ্য হয়ে ঘুষ দিয়ে ঠিক করাইছি,,নাহলে ঘুয দিতাম না!
২০২১ সালে চট্টগ্রাম পাঁচলাইশ পাসপোর্ট অফিসে কাগজপত্র জমা দেওয়া হয় সর্বপ্রথম উনি আমাকে বলে এই পেপার গুলো স্পষ্ট নয় তারপর বলে তুমি কোথায় কাজ করো এখানকার আইডি কার্ড লাগবে আমি বলতেছি আমি স্টুডেন্ট এখন বলে স্টুডেন্ট কার্ড লাগবে ওই মুহূর্তে আমি কার্ড কই পাব তারপর আমাকে ডেকে উনার পাশে প্রায় এক ঘন্টা পর্যন্ত দাঁড় করিয়ে রেখেছে পরবর্তীতে আমি বিরক্ত হয়ে ওখান থেকে বের হয়ে গেছি কাগজ নিয়ে ছোটাছুটি করতেছি একজন পুলিশ বলতেছে তুমি এজেন্সি ছাড়া আসছো তোমার কাজ হবে না তুমি কাজ করতে চাইলে আমার সাথে কথা বল তখন আমি উনাকে ২০০০ টাকা দিতে বাধ্য হয়েছি এরপর উনি আমাকে বাইরে একটা লোকের কাছে নিয়ে গেছে উনি কাগজপত্র যাচাই করে দেখে কাগজ গুলা সঠিক কিনা তারপর উনি একটা স্বাক্ষর দিয়েছে এরপর পুলিশ আমাক সবকিছু সহযোগিত
পাসপোর্ট তৈরি করতে টাকা চেয়েছিল প্রথমে দিতে অস্বীকার করার ফলে । কাগজ জমা নেয়নি পরে টাকা নিয়ে কাগজপত্র জমা নিয়েছে এবং পাসপোর্ট করতে পেরেছি
সৌদি আরবের জেদ্দায় অবস্থিত, বাংলাদেশ দূতাবাসে ই- পাসপোর্ট করার জন্য এপয়েন্টমেন্ট নিতে গেলে ২/৩ মাস পরে তারিখ পাওয়া যাচ্ছে। ২০০ রিয়াল= ৬৬০০ টাকা দিলে ১ দিনের মধ্যেই ফিঙ্গার দেওয়া যায়। অনেক মানুষ বাধ্য হয়ে অতিরিক্ত টাকা দিয়ে করতেছে।”
Dhaka Jurain alakai passport police varification er somoi apnak fon diye bolbe apnar passport er varification korar jonno ei document golo bikrumpur or ei market er niche niye ason. Je kono akta address dibe. Then bolbe taka din tee/nasta khete. 1,2,3,4 hazar taka ditei hobe. Manos boje tara taka adai kore. Noito voi dekhai passport pabe na. Vlo report dibe na.
We went passport office but passport rejected our application due to color id card and student id card but we have black white id card. When we leave the passport office, a person of their as agent contact with me and he wants 4000 tk for passports and provide an token number. When we again submitted same file with that token the passport officer didn't ask any queries and approved these files.
স্থায়ী ঠিকানা চাঁদপুর থেকে পুলিশ বিকাশে ঘুষ চায় পাসপোর্ট ভেরিফিকেশন করার জন্য।
আমি ঢাকার উত্তরা অফিসে পাসপোর্ট তৈরি করতে গিয়েছিলাম।অনলাইনে যা যা কাগজপত্র চেয়েছিল সেই মোতাবেক সমস্ত কাগজপত্র নিয়ে গিয়েছিলাম। কিন্তু ওখানে রিসিপশনে যে বসা ছিল সে আমাকে বলল পাশে যে আনসার সদস্যরা আছে তাদের কাগজ দেখান। আমি যথারীতি কাগজ দেখালাম। তারা বলল আপনার কাগজ কিছুই ঠিক হয়নি। আমি বললাম কোথায় ভুল আছে। তারা তা সদ উত্তর দিতে পারল না। তারা শুধু একটি কথাই বলল আপনার কাগজ কিছুই ঠিক নেই। শুধু একজন কানে কানে বলল পাসপোর্ট অফিসে তো সিসিটিভি ক্যামেরা আছে ওই বাথরুমের নির্দিষ্ট যাদের পনেরশো টাকা রেখে আসুন কাজ হয়ে যাবে। আমার নিরুপায় হয়ে ১৫০০ টাকা রেখে আসতে হল, পাসপোর্ট তৈরি করার কাজে নাম্বার দিয়ে দেওয়া হলো, দেন সমস্ত কাগজপত্র ঠিক হয়ে গেল। আমার পাসপোর্ট হয়ে গেল।
Dammam pasporot office sobai mile durniti kore
আমি প্রথম পাসপোর্ট বানাতে দেয়ার পর verification এর জন্য শান্তি নগর office এ গিয়ে আনতে সময়ে verification officer বলে কিছু দিয়ে গেলেন না তারপর আমি 500 টাকা দিলে বলে 1000 tk দেন, তারপর ওই টাকা দিয়ে ই আসতে হয়েছিলো .নয়তো অপমানজনক পরিস্থিতি সৃষ্টি করতে চেয়েছিল.
আমি পাসপোর্ট করার জন্য বাইরে থেকে অনলাইনে আবেদন করে পাসপোর্ট অফিসে যাই সেখানে গিয়ে হয়রানির শিকার হই। তারা বলে তাদের কাছ থেকে অনলাইন করিনি তাই তারা ওটার আর কোন কাজ করবে না। ঐদিন সারাদিন ঘুরাইছে পরে বাড়িতে চলে আসি। দেন পরের দিন আবার যাই সেখানে গিয়ে একটা লোককে ধরে 2400 টাকা দেই। তারপরেসে এক ঘন্টার মধ্যে পাসপোর্ট এর যাবতীয় কাজ করে দেয়
পাসপোর্ট রেনু আমাকে বলছে জদি টা না দেন তাহলে ফাইল জমা হবেনা দুই তিন ঘন্টা ঘুরে আবার আমার কাছে আসবেন পরে একটু হয়রানী হইতে হইছে