পাসওয়ার্ড বানানো
১| আমার জন্ম নিবন্ধন এর বয়স বাড়িয়ে একটি আইডি কার্ড বানানো হবে, তারপর আইডি কার্ড বানানোর পরে আমার একটি পাসপোর্ট বানানো হবে, সেই সুবাদে আমার থেকে প্রথমে ২৫ হাজার টাকা দাবি করে, পরে দর কষাঘষির পরে ২৩ হাজার টাকা তো রাজি হয়
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৮,৮৮৬ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
১| আমার জন্ম নিবন্ধন এর বয়স বাড়িয়ে একটি আইডি কার্ড বানানো হবে, তারপর আইডি কার্ড বানানোর পরে আমার একটি পাসপোর্ট বানানো হবে, সেই সুবাদে আমার থেকে প্রথমে ২৫ হাজার টাকা দাবি করে, পরে দর কষাঘষির পরে ২৩ হাজার টাকা তো রাজি হয়
পাসপোর্ট ভেরিফিকেশন করার সময় আমার কাছ থেকে ৫০০ টাকা নিছে এবং পাসপোর্ট আনার সময় তারা বলে যে ৫০০ টাকা না দিলে পাসপোর্ট দিবেনা
সব কাগজপত্র ও ফি জমা দিয়ে পাসপোর্ট অফিসে গেলে কর্মকর্তা ওয়েবসাইটের নিয়ম ভেঙে নাগরিকত্ব সনদের মূল কপি চান এবং সত্যায়িত কপি ফিরিয়ে দেন। হতাশ হয়ে সামনের দোকানে গেলে দোকানদার জানান, টাকা ছাড়া কাজ হয় না। বাধ্য হয়ে ২ হাজার টাকা দেওয়ার পর দোকানদার ভেতরের আনসার সদস্যের WhatsApp-এ ফাইল পাঠালে কোনো কাগজপত্র যাচাই ছাড়াই সরাসরি ছবি তুলে নেওয়া হয়। এর ১৫ দিন পর পাসপোর্ট হাতে পাই।
পাসপোর্ট করার পর আমার নাম জনিত কিছু সমস্যা থাকার কারনে আমি পাসপোর্ট অফিসে যাই। তারপর অফিসের কর্মকরতা সাথে সব সমস্যার বিস্তারিত কথা বলি।তখন এক কমকর্তা বলেন নাম পরিবর্তন করতে টাকা লাগবে। আমি বললাম কত লাগবে ঐ লোক টা ১ম বার ৩০ হাজার টাকা লাগবে। আমি বললাম এতো কেনো। ঐ লোকটা বললো করলে কর না করলে এখন আসতে পারেন। পরে আর কি আমি রাজি হইয়াগেছি পাসপোর্ট টাও দার ছিলো। আমার কথা হলো নাম পরিবর্তন করার জন্য ৩০ হাজার টাকা কেন লাগবে।
তেজগাঁও পাসপোর্ট অফিসে নতুন পাসপোর্ট করেছি, ৩০১ নাম্বার রুম থেকে। এক্সপ্রেস ডেলিভারিতে খরচ ৮০৭০ টাকা, আমার কাছে টাকা নিয়েছে ১২৫০০/- টাকা কিন্তু সরাসরি অফিসার নেয়না, টাকা নেয় কম্পিউটার দোকানদার। ওদের সিন্ডিকেট আছে। ওদের দোকান থেকে সিন্ডিকেটের মাধ্যমে করলে সেবা ভালো পাওয়া যায়। খরছ আনুমানিক ৪০০০+ বেশি লাগে। অন্যথায় আপনি বেশ কয়েকদিন ঘুরেও পাসপোর্ট হাতে পাবেন না। আপনার সময় নষ্ট হবে। অফিস থেকে কি বার বার এরকম ছুটি দিবে? তাই আমি বলি কি, তাদের সেবা নিন, ভালো থাকুন, সময় বাচান।
আমি পাসপোর্ট করার জন্য প্রয়োজনীয় সকল কাগজপত্র সহ পাসপোর্ট এর আবেদন পত্র জমা দেওয়ার জন্য দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে ময়মনসিংহ পাসপোর্ট অফিসে প্রাথমিক যাচাই-বাছাইয়ের জন্য জমা দেই। আবেদন পত্র ও অন্যান্য কাগজপত্র সঠিক থাকা সত্ত্বেও তারা আমাকে কাগজপত্রের বিভিন্ন ঘাটতি দেখিয়ে বিভিন্ন টেবিলে ঘোরাঘুরি করিয়ে নাস্তানাবোদ করে। পরে আনসার কে ও অন্য আরেকজনকে ৫০০ টাকা দেওয়ার পরে আমার পুরাতন কাগজ দিয়েই কাজটি সম্পন্ন হয়।
প্রথম সব ডকুমেন্ট জমা দেয়ার পরেও উনি আমার কাছ থেকে এক্সট্রা পেপার চায় যেগুলা অপশনাল. এমনকি সে বলে বাবা মায়ের nid কার্ড এর তথ্য কেনো দেইনাই এপ্লাই এর সময়. এইগুলা সব optional but he reject করে দেয়. পরে একলোক বললো সে kore দিতে পারবে but 2000 tk extra লাগবে. Tk দেওয়ার পর ওই লোক নিজেই টোকেন নিয়ে আসলো আমাদের লাইনে ও দাড়ানো লাগে নাই.
সব কাগজ পএ ঠিক ছিল কিন্তু তারা বলতেছে, এগুলো হবে না, চেয়ারম্যান সাটিফিকেট লাগবে বাপের নামের বানান ভুল, কিন্তু পরবর্তী তে টাকা নেওয়ার পর সেইম কাগজ দিয়ে, পাসপোর্ট ফিঙ্গার করে,সাবমিট করে দিছে, টাকা নিছে বাহিরের দালালের মাধ্যমে, দালাল কাগজ এর মধ্যে ভিন্ন রকম একটা দাগ দিয়ে দিছে কাজ হয়ে গেছে,
আমি সাধারণ ডেলিভারির পাসপোর্টের আবেদন করি পরে অফিসে ফিঙ্গার দিতে গিয়ে দেখি আমার আবেদন নিচ্ছে না তাদের কম্পিউটারে দেখাচ্ছে আরো টাকা লাগবে পরে আমি সেই টাকা পরিশোধ করে ৬ দিন ঘুরে আজকে ডেলিভারি স্লিপ নিয়ে আসলাম। তারা আমাকে প্রতিদিনি বলত সার্ভার বন্ধ।
স্বাভাবিক প্রক্রিয়ায় আবেদন করেছিলাম। বারবার অনুমোদনের জন্য গেলেও তারা বিভিন্ন ভুল ত্রুটি ধরেছিল। প্রায় দুই মাস ঘোরার পরে আর না পেরে তাদের মাধ্যমে করা হয় কাজটি। পুলিশ ভেরিফিকেশনে পুলিশ ২০০০ টাকা নিয়ে গেছে। মোট ১২০০০ টাকা দিতে হয়েছে ঘুষ।
ব্যাংক ড্রাফ ফি ছিল ৫৭৫০ টাকা দিয়ে আমি নিজে নিজে কোন দালাল ছাড়াই গিয়ে জমা দেই জমা দেওয়ার সময় ওরা আমার ফাইলটি রিজেক্ট করে দেয় এই প্রবলেম ওই প্রবলেম বলে । তারপর আমি দালালের সহযোগিতায় সেইম ফাইলটি আরো ২২৫০ টাকা এক্সট্রা দিয়ে যখন জমা দেই তখন তারা আমার ফাইলটি একসেপ্ট করে
“নতুন পাসপোর্ট করার সময় আমার কাছে ১৫০০ টাকা বেশি দাবি করছে,এক টাকা কম হলেও নাকি হবেনা, পাসপোর্ট টা যেহেতু আমার খুব প্রয়োজন, তাই করেই ফেলছি।”
Pass port nobayon korar jonno 3k tk dabi kore. Without this cannot renew my passport.
১ সপ্তাহ ধরে নীলফামারী আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিসে এপ্লিকেশন জমা দিতে পারি নাই। একেক দিন একেক ভুল ধরে। শেষে NID সত্যায়িত পর্যন্ত করাইছে তারপরও এপ্লিকেশন জমা নেয়নি। পরে পাশে একটা ফটোকপির দোকানে গেলে বলে এতকাগজপত্র কিছু লাগবে না, শুরু এপ্লিকেশন টা দেন।তারপর দিন পাসপোর্ট অফিসে গিয়ে Biometric করে আসি
After applying i was going to passport office. They didn't speak to me and roaming me several times but after help of dalal all is ok. 3000 tk given to dalal for 2 passport
আমার ভাইগ্না পাসপোর্ট এর আবেদন করে সৌদিআরব যাওয়ার জন্য I তাকে দেখতে তার সঠিক বয়সের চাইতে ছোট মনে হয় I আমরা আবেদন করে ফিঙ্গার প্রিন্ট দিতে গেলে ব্রাহ্মণবাড়িয়া অফিস ফিঙ্গার প্রিন্ট না নিয়ে আমাদের ডিডি এর সাথে দেখা করতে বলে I ডিডি প্রথমে আমাদের সাথে অফিসিয়াল কথা বলে না করে দেয় I কিন্তু আসার সময় সে একজন লুকের নাম বলে, আমরা তার সাথে যোগাযোগ করি এবং সে আমাদের কাছে ৩০০০০ টাকা দাবি করে I অনেক কথা বলে ২১০০০ এ রফা দফা করি এবং সে বলে এখান থেকে ১৫০০০ টাকা DD কে দিতে হবে I
পাসপোর্ট করতে গেলে, অফিসের দেওয়া সময় মোতাবেক উপস্থিত হই, দ্রুত করার জন্য ওখানকার সিকিউরিটি দায়িত্ব থাকা একজন আমার কাছ থেকে টাকা দাবি করে, কি আর করার টাকা কাজ শেষ করে আসি।
আবেদনের একটি ভুল ছিল সংশোধন করার জন্য তিন হাজার টাকা দিতে হয়েছে
আমার ই-পাসপোর্ট করার জন্য আবেদন করি, বাবার নামে সামান্য ভূল থাকার জন্য ৫০০০ টাকা পরিষোধ করতে হয়।
স্টুডেন্ট পাসপোর্ট আবেদন করছিলাম আমার সার্টিফিকেট সব কিছু সো করছিলাম তাতে না কি হবে আমার আমাকে বলে কলে থেকে পিলছিবলের স্কাকর নিয়ে আরছে হবে তাহলে হবে না হয়লে হবে না।পরে 1100টাকা দাবি করে তখন আমি টাকা দেই তখন হয়। লালমনিরহাট পাসপোর্ট অফিসে