পাসপোর্ট নবায়
অযৌক্তিক কারণ দেখে ফাইল আটকে রাখেন
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৮,৮৮৬ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
অযৌক্তিক কারণ দেখে ফাইল আটকে রাখেন
আমি পাসপোর্ট তৈরি করার সময় ছোটখাটো কিছু ভুল করেছিলাম পরবর্তীতে নামের অংশ এবং মায়ের নামের পরিবর্তন প্রয়োজন ছিল এন আইডির মত হুবহু মিল করার প্রয়োজন ছিল কিন্তু সেটা সম্ভব হচ্ছিল না এতে এনআইডি এবং পাসপোর্ট এর সঙ্গে মিল না হওয়াতে দুইবার আবেদন করলে দুইবারই রিজেক্ট হয় পরবর্তীতে তাদের সঙ্গে আলোচনা করলে তারা বলে বর্তমান পাসপোর্ট থেকে সম্পূর্ণরূপে ডিলিট করতে ১ লক্ষ ২৫ হাজার টাকা লাগবে তাহলে সার্ভার থেকে পাসপোর্ট ডিলেট করে নতুন করে আবার পাসপোর্ট এর আবেদন করা যাবে এই ঘটনাটি ঘটে ২০১৭ সালে ২০২০ সালে এবং ২১ সাল পর্যন্ত আপডেট নিয়ে দেখি একই রকম কোন পরিবর্তন ঘটে নি এ ধরনের যন্ত্রণা থেকে হয়রানি থেকে বাংলাদেশকে মুক্ত করা উচিত আসুন আমরা সবাই মিলে কাজ করি
আমি নির্ধারিত সময় পাসপোর্ট অফিসের সকল কার্ড কাগজপত্র নিয়ে পাসপোর্ট অফিসে যাই। সেখানে যাওয়ার পর দেখে অনেক লম্বা সিরিয়াল পেরিয়ে আমি যখন কাউন্টারে যাই তখন আমার কাগজপত্রগুলা সঠিক থাকা সত্ত্বেও এগুলা রিজেক্ট করা হয়। তারা আমাকে বলে আমি কি এখানে নিজে নিজেই আসছি নাকি কারো মাধ্যমে আসছি। আমি বললাম যে আমি নিজে নিজেই আসছি সবকিছু আমার ঠিক আছে এর পরে তারা বলল সঠিকভাবে করে নিয়ে আসতে তাই আমি কাগজপত্রগুলা সঠিকভাবে করে নিয়ে আসার পর আবার তারা রিজেক্ট করে দেয় আমাকে একজন বলল তাদের একটা সার্কেল আছে। তুমি কাগজ গুলা ঠিক করতে তাদের কাছে যাও যাওয়ার পর আমাকে বলা৩০০০ টাকা দেওয়ার জন্য পরে আমি বললাম আমার কাছে এত টাকা নেই তারা বলল যে আড়াই হাজার টাকার কম হবে না। পরে আমি নিরুপায় হয়ে ২৫০০ টাকা দিয়ে কাজটা করি।
The Police Asked for 1000 While I Offered 500 as I am a student. But He Refused. These Police Should Stop this as early as possible.
নতুন পাসপোর্ট করতে গেলে ওনারা বলে আজ ফাইল জমা দিলে ১৫ দিন পর ফিঙ্গার নেওয়া হবে আর যদি ১৫০০ টাকা দাও তাহলে আজ কেই সব করিয়ে দিব পরে আমি রাজী না হয়ে ১৫ পরেই ফিঙ্গার দিয়েছে
পাসপোর্ট অফিসের আনসার সদস্য আমার থেকে ৳1200 চেয়েছিল আমি দেইনি
সামনের ডেস্ক এর কম্পিঊটার এ বসে থাকা এক লোক ৩/৪ দিন ঘুরিয়ে এখন টাকা দাবী করছে নাম সংশোধন এর জন্য
পুলিশ ভেরিফিকেশন হচ্ছিল না।
আমি একটি নতুন পাসপোর্ট করতে যাই, কিন্তু দায়িত্বরত কর্মচারী আমার ফাইল কোন ভাবেই জমা নিচ্ছে না, বিভিন্ন ভূল ধরে ফিরিদিছিল, সেই একই ফাইল দালালের মাধ্যমে দেওয়ায় আর কোন ভূল ধরে নি
মেঝো ভাইয়ের পাসপোর্ট নবায়ন করতে গিয়েছিলাম, পাসপোর্টে কিছু নামের সংশোধন দরকার ছিলো। বাবা মায়ের নামের বানান ভুল ছিলো। উদ্দেশ্যে ছিলো নবায়ন এর পাশাপাশি নামের সংশোধনী করবো। কিন্তু ওখানে একের পর এক ভুল বের করত থাকে। সবশেষে উপায় না পেয়ে দালাল ধরে কাজ সম্পন্ন করি।
Diabari data centre e atke chilo 6 month lajbe bolche tk diye complete kora hoiche
নতুন পাসপোর্ট বানাতে গেলে বিভিন্ন ভাবে ঝামেলা করে পরে আর কি করব অই টাকা দিলে কোন ঝামেলা হবে না পরে দালালদের মারফাত করলাম।
পাসপোর্ট অফিসে পাসপোর্ট করতে গেছিলাম, সেখানে ১০ বছর মেয়াদে ৯ হাজার টাকা নিয়েছিল এই হলো। তারপরও দীর্ঘক্ষণ লাইনে দাঁড়িয়ে থাকা লাগছে, বায়োমেট্রিকের জন্য দাঁড়িয়ে থাকা লাগবে অনেক সময় ব্যয় পুরোটা দিন হয়রানি।
আমি পাসপোর্ট অফিস আমার জন্য পাসপোর্ট আবেদন করতে গেলে আমার সব কাগজপত্র ঠিক ছিল সামান্য ভুল ছিল না তার পর শুরুতে একজন বলছে বিদ্যুৎ বিলের পুরাতন কাগজ কেন নতুন লাগবে পরে নতুন টা নিয়ে যাই আর পর পাঠায় উপরে যাওয়ার জন্য উপরে গেলে বলে এখনো অনলাইন হয় নাই 1ঘন্টা পর আশেন 1ঘন্টা পর গেলে বলে হয় নাই আরো পরে আশেন এভাবে ঘুরাতে থাকে পরে একজন 1500টাকা দাবি করে অনেক কথা কাটাকাটি করে 1000দেওয়ার পর করে দিয়েছে
আগারগাঁও পাসপোর্ট অফিস থেকে ৩ টা পাসপোর্ট করতে ১২ হাজার টাকা ঘুষ দিতে হয়েছিলো ।
আমি নতুন পাসপোর্ট করতে যাই লক্ষ্মীপুর পাসপোর্ট অফিসে আমার জন্মসনদ হওয়ার কারণে আমাকে ২০৩ নাম্বার রুমে পাঠায়। সেখানের ২য় অফিসার আমাকে বলে জন্মসনদ দিয়ে পাসপোর্ট হবে না। পরে আমি বলি স্যার আমি বাহিরে পড়াশোনা করবো প্লিজ স্যার আমাকে হয়রানি কইরেন না পরে আমাকে বলে ঠিক আছে ১৫হাজার টাকা লাগবে আমি টাকা দিতে রাজি হইনি যার কারণে এই পাসপোর্ট বানাতে আমাকে ৮ মাস পাসপোর্ট অফিসে ঘুরা লাগছে আজকে এই ভুল কালকে ঐ কাগজ এমনি করে পরে পুলিশ ভেরিফিকেশনের জন্য পাঠানো হলো সেখানে তো অরেক হয়রানি সেখানে পুলিশকে ১৫শ টাকা দেওয়া লাগছে বাহিরে পড়াশোনা করতে যাবো একটা মেডিকেল করা লাগে সেখানে জেলা সার্জনের সই নিতে আবার ১৫শ টাকা দিয়ে হয়। আমার পদে পদে হয়রানির শিকার হতে হয়েছে।
The police came to my father’s place for verification. They asked him for some money for tea. They told my father that I’m a very good boy and all that bla-bla-bla. So, my father gave them some money. That was twice verification one was in 2008 and another was may be 2012.
কক্সবাজার আমি পার্সপোর্ট করতে গেছি পার্সপোর্ট করতে ২০ হাজার টাকা ঘুস নিছে এর আগে পার্সপোর্ট অফিসে ৪৫০০ দিছি বলতে গেলে ঘুস ছাড়া চলে না
আমার পাসপোর্ট এর এবং এনআইডি কার্ডের দুটিতেই নামের সমস্যা এনআইডি অনুযায়ী পাসপোর্ট বানাতে চাই আমাকে এক লক্ষ টাকা দিতে হবে
আমার সকল কাগজপত্র ঠিক থাকার পরেও আমার কাছে তিন হাজার টাকা দাবি করেছিল,