পাসপোর্ট নবায়ন
অনলাইন সাবমিশন করা হয়েছিল কিন্তু একটা স্পেস থাকায় বাতিলযোগ্য বলেছিল। দালাল কর্তৃক দাবিকৃত টাকা পরিশোধ করা হলে একদিনের মধ্যে পাসপোর্ট রেডি হয়ে যায়।
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৮,৮৮৬ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
অনলাইন সাবমিশন করা হয়েছিল কিন্তু একটা স্পেস থাকায় বাতিলযোগ্য বলেছিল। দালাল কর্তৃক দাবিকৃত টাকা পরিশোধ করা হলে একদিনের মধ্যে পাসপোর্ট রেডি হয়ে যায়।
হজ্ব এর সময় কাছাকাছি আসতেই সময় মতো পাসপোর্ট দিতে গড়িমসি করায় উপায় না পেয়ে ঘুষ তারা নিয়েছিল।
আমার বউয়ের পাসপোর্ট করার জন্য বরগুনা সদর অফিসে গিয়েছিলাম। যেহেতু আমি পাসপোর্ট ফরম বাসা থেকে ফিলআপ করে নিয়ে গিয়েছি এতে করে ওনাদের সমস্যা হয়ে গিয়েছে। দুই ঘণ্টা সিরিয়াল ধরে ফিংগার রুমে যাওয়ার পর সেখান থেকে ফরম এ মিডল নাম কেন ফার্স্ট নামের সাথে লিখেছি তাই পাসপোর্ট হবেনা। অথচ পাসপোর্ট অফিস দ্বারা যেভাবে ওয়েবসাইটে বলা আছে সেভাবেই করেছি। পরে গেলাম পরিচালকের রুমে, সেও দেখি একই কথা বলতেছে, পরে বললো বাহিরে কম্পিউটার দোকানে যেতে, সেখানে গেলে বলে ২৫০০ টাকা দিলে সব ঠিক করে দেবে। বুঝলাম এই ২৫০০ টাকার ভাগ পরিচালকের পকেটে যায়। টাকা না দিয়ে চলে আসলাম। পরিচিত মিডিয়ার বড় ভাইকে দিয়ে পরিচালককে ফোন করলাম, পরে বলল সব ঠিক করে দেবে। বিকাল ৫ টা পর্যন্ত বসিয়ে রাখল, পরে বলল কাল কে আসেন আজকে সময় নাই
তথ্য সব ঠিকই ছিল কিন্তু ভুল দেখানো হহেছিল
অনলাইনে সব কিছু পূরণ করে, ফিঙ্গার প্রিন্ট দিতে লাইনে দাঁড়ালে বারবার ফাইলে বিভিন্ন রকম অপ্রয়োজনীয় ত্রুটি ধরে ফাইল রিজেক্ট করে দেয় কিন্তু গোপনে ১৫০০-১৮০০ টাকা করে দিলে তখন কোন ত্রুটি ধরেনা। সাথে সাথে ফিঙ্গার নিয়ে নেয়।
পাসপোর্ট ইনকুয়ারী ২০১৯ সালে।বিদেশে যাওয়ার আগে পাসপোর্ট করেছিলাম।১৫০০টাকা বিকাশের মাধ্যমে নিয়েছে।কোন ইনকোয়ারী করেনি।থানার দারোগাকে বিকাশে টাকা দিলেই ইনকোয়ারী হয়ে যায়।পাসপোর্ট ও টাইমমত পাওয়া যায়।তা নাহলে দারোগা পাসপোর্টকারীর বিপক্ষে পাসপোর্ট অফিসে খারাপ রিপোর্ট জমা করে পাসপোর্ট আটকিয়ে দেয়।আমার কাছে সেই দারোগার ফোন নাম্বার আছে। দারোগার প্রাইভেসির জন্য ফোন নাম্বার উল্লেখ করিনি।
আমি অনলাইনে আবেদন করেছিলাম। সকল কিছু ভালোভাবে দেখেশুনেই আবেদন করেছি। কোথাও কোনো গ্যাপ রাখিনি। তবে অপশনাল একটা ঘর পূরণ করিনি। তাই আবেদন বাতিল করে দিল। বললাম, এটা তো অপশনাল। অফিসার বলল, অপশনাল বলতে কোনো কথা নাই। দিতেই হবে। আবেদনটা বাতিল করে দিতে বললাম, সেটাও করল না। তখন পাসপোর্ট পাওয়া আমার খুব জরুরি ছিল। কোনো উপায় না পেয়ে দালালকে বললে সে দুই ঘণ্টার মধ্যে ২২০০ টাকা নিয়ে আবেদন জমা করিয়ে ছবি তুলিয়ে দেয়।
I needed to go to India for emergency medical condition. I didn't have a passport. When I went to the passport office, someone at the gate demanded 11000 tk to make my and my son's passport within 3 days. It was a life and death emergency so I paid and I did got our passport after 3 days.
Passport er jonno police clearance e police amr theke 2000tk nieche.
আমার পাসপোর্ট নবাশন করতে ৫০০০ টাকা ঘুসদিতে হয়েছে। কারন হিডেবে বলা হয়েছে এখানে টিকানা সংশোধন করা হয়েছে
আমাকে বলা হয়েছিল পাঁচ হাজার টাকা না দিলে পাসপোর্ট হবে না আমি ঢাকা থেকে গিয়েছিলাম বলে পরিশোধ করেছি আমার পক্ষে বারবার যাওয়া সম্ভব ছিল না
প্রথম দিন দালাল দিয়ে না করানোর কারণে সাড়ে পাঁচ ঘণ্টা লাইনে দাঁড়ানোর পরেও আমার ফরম ছুঁড়ে ফেলে দেওয়া হয়। কারণ দেখানো হয় আমার ফর্মে ভুল আছে। কিন্তু ফর্মে কোনো ভুল ছিলনা সবকিছু এনআইডি মাফিক ঠিক ছিল। পরেরদিন দালাল দিয়ে সম্পুর্ণ কাজ করাতে লাগে দশ মিনিটেরও কম ( ফর্ম জমা+ছবি তোলা)। আমার থেকে নেওয়া হয়েছিল ১০৫০০ টাকা নতুন ফর্ম ফিলাপ আর বাকি প্রসেস করার কথা বলে। এই সিস্টেমের কাছে জিম্মি হয়ে আমিও অন্য ভক্তভোগীদের মতো দালালের মাধ্যমে কাজ করাতে বাধ্য হই। যিনি আগেরদিন আমার ফর্ম ছুঁড়ে মেরেছিলেন তিনিই পরেরদিন আমাকে ডেকে নিজে সব কাজ করান। এই সিস্টেমে দৈনিক শত শত মানুষ এই কুমিল্লা পাসপোর্ট অফিসে কাজ করায়।
আমি পাসপোর্ট এর জন্য আবেদন করেছিলাম। তারা আমাকে সিরিয়াল (ডেইট) দিয়ে বাড়িতে পাঠেয়ে দেয়। পরবর্তী তে গেলে পেশা কি প্রমাণ দেখান, বাকি সব ওকে, প্রমাণের ছবি দেখাছি হবে না ফিজিক্যাল আনতে হবে, আইডি কার্ড ফটোকপি নিয়ে গেছি, বলে অরজিনিয়াল টা সো করতে হবে NIDW থেকে ডাওনলোড করে লেমেনেটিন করে নিছি, ওরা বলে আপনি যে ফটোকপি জমা দিছেন, ওটার সাথে প্রদান এর তারিখ এর মিল নেই। বাড়ি থেকে নিয়ে আসেন, বাহিরে পুলিশ কনস্টেবল বলে ৩০০০ টাকা দিলে করে দিবে। আমি দিই নাই। পরে বাড়ি থেকে আইডি কার্ড এনে সো করি।
আমার জরুরি ভিত্তিক পাসপোর্ট টা নবায়ন করা লাগবে জন্য আমি অনলাইনে নিজেই আবেদন করি এবং পেমেন্ট টা অনলাইনে করি। কাগজ পত্র জমা দিতে গিয়েছি, যাচাই বাছাই কর্মী আমার একটা ছোট ভুল ধরে, সেটি হলো,(,) চিহ্ন টা আমার ঠিকানায় ব্যবহার করছি তাই। পরে বলে ঠিক করে আসতে। আমি বাহিরে কম্পিউটার দোকানে গেলাম তারা বললো এটা ক্যান্সেল হবে না, এটা অনলাইন পেমেন্ট তাই। পরে তারা আমাকে ২০০০ দাবি করে, বলে যে ৫ মিনিটে কাজ হবে। পরে আমি অফিসারের কাছে যায়, তিনি তার হিস্ট্রি বলতে লাগলো। বললো আমিও কিন্তু দালাল ধরে পাসপোর্ট করছি। পরে বলে আপনি থাকেন কই, আমি বললাম ঢাকাতে। পরে বলে আপনি এটা আগারগাঁও থেকে করেন সবচেয়ে ভালো হবে। এটা এখানে কোনোভাবে ঠিক হবে না। তারপর আমি বাধ্য হয়ে তাদের ২০০০ টাকা দিয়ে কাজ টি করায়।
পাসপোর্ট তৈরির জন্য যখন পাসপোর্ট তৈরীর জন্য নিয়োজিত ব্যাক্তিদের কাছে জানতে চাই তখন তারা ওখানকার আনসার সদস্যদের দেখিয়ে দেয়। তখন ঐ আনসাররা প্রয়োজনের চেয়ে অতিরিক্ত টাকা নেয়। তারপর পাসপোর্ট তৈরি করে।
পাসপোর্ট বানাইবার লাগি এক্সট্রা দেওয়া লাগছে নাইলে ফাইলও নিছিলো না ফরে টাকা দিলে নিছে
পাসপোর্ট বানাতে গেছিলাম, সেখানে আমার কাছে ৩০০০ টাকা ঘুষ চায়। আমি বাইরে পুলিশের কাছে বিচার দিলে আমাকে এডি (AD) স্যারের রুমে পাঠায়। সেখানে গিয়ে আমি যখন বলি যে আমি ব্যবস্থা নিব, আমার কাছে ঘুষ চাওয়ার ভিডিও আছে, তখন এডি স্যার রুম থেকে সবাইকে বের করে দিয়ে ওই পুলিশকে ডেকে আনে। এরপর তারা অনেক জোরাজুরি করে আমার ফোন কেড়ে নেয় আর ভিডিওটা ডিলিট করে দেয়। এসব টানাটানিতে আমার বোরকা পর্যন্ত ছিঁড়ে যায়। আমারে শরীরের এমন জায়গায় হাত দিছে আমি বলতেও পারছিনা! আমি এতিম, উল্টা আমাকে হুমকি দিয়ে বলছে যে আমি যদি আর উল্টাপাল্টা কিছু করি তাহলে আমার এমন অবস্থা করবে যে জীবনে আর বিয়ে হবে না।
পাসপোর্ট আবেদন সবকিছু ঠিকঠাক ছিল।ওনাদের এত বড় সিন্ডিকেট অফিসে আপনি প্রতিবাদ করলে আপনাকে মেরেও ফেলতে পারে পরা।ভিতরে বাইরে সবটাই উনাদের লোক।তো প্রথমবার ফিঙ্গার দেয়ার জন্য লাইনে দাঁড়ালাম অফিসার স্টেটাস প্রাইভেট দেয়ার কারনে বাতিল করে দিয়ে বললো ঠিক করে আনো।এর আগে লাইনের মধ্যেই দালালরা সিল নিয়ে ঘুরে ২০০০ টাকার বিনিময়ে সিল দেয়।ঐ সিল থাকা কাউরে আটকা না।তারপর বের হয়ে বাইরে থেকে সিল নিলাম আর ভেতরে সব ঠিক।
আমি তিনটা পাসপোর্ট নবায়ন করতে দেবো আমার কাছে থেকে ২৪ হাজার টাকা চেয়েছে দালাল। অফিস কাজ করে না সেজন্য দালালকে ধরা।
আমি নিজে নিজে আবেদন করে জমা দিতে গিয়েছিলাম। তারা জমা নেয় নাই, কি কি নাকি ভুল আছে। পরে ডিজির সাথেও কথা বলেছিলাম। কোনো লাভ হয় নাই। পরের দিন যাওয়ার আগে ১৫০০ টাকা দিয়ে গিয়েছিলাম দালালের মাধ্যমে।ওইদিন আর কোনো সমস্যা ছাড়াই করে দিয়েছে।