নতুন পাসপোর্ট ইস্যু
1500 টাকা ছাড়া কারোর কাজ করে দিচ্ছে না
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৮,৯১৪ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
1500 টাকা ছাড়া কারোর কাজ করে দিচ্ছে না
আমার মামানি ও মামাতো ভাই যার বয়স তখন ৩ বছর ছিল। সালটা ২০২৩ সাল। আমার মামা বিদেশে থাকেন তো উনি উনার ফ্যামেলিকে উনার কাছে নেয়ার জন্য পাসপোর্ট এর আবেদন করেন। আবেদনে উনার স্ত্রীর প্রফেশন ও বাচ্চার প্রফেশন দেয়া হয় নি। তো পাসপোর্ট অফিসের কর্মকর্তা এটা গ্রহণ করেন নি, বললেন ঠিক করে নিয়ে আসেন, এটা ভুল, আমরা তখনও জানতাম না যে ভুলটা কোন জায়গায়? তারপর উনাদের বললাম যে ভুলটা কী,উনি বললেন সেটা আপনারাই জানেন,তারপর উনি একটা নাম্বার দিলেন ফন করার জন্য,তো আমরা উনার সাথে কন্ট্রাক্ট করলাম,উনি আসলেন,কি যেনো লিখলেন! ব্যাস কাজ হয়ে গেছে,একই কাগজ,একই আবেদন। তখন আমাদের পাসপোর্ট করটা জরুরি ছিলো তাই আমরা এক্সট্রা ৪ হাজার টাকা ঘুষ দিয়ে সেটা করিয়েছিলাম।
বরগুনা পাসপোর্ট অফিসে সব কাগজ ঠিক থাকার পরেও আমার ফাইল জমা নিচ্ছিল না, বলে আপনার বাবা মায়ের নামের মিল নেই, তারপরে দালাল আসে পনেরশো টাকা চায় আমি পরিশোধ করে দেই, এরপর ফাইল জমানেয় ও পাসপোর্ট হয়ে যায়, এরপর পুলিশ ভেরিফিকেশনে ১০০০ টাকা নেয়। মোট ২৫০০ টাকা বেশি নিয়েছে
অনার্সের স্টুডেন্ট। বয়স প্রায় ২২ বছর। সব ধরনের এভিডেন্স দেওয়ার পরও। বরিশাল পাসপোর্ট অফিস ও জন্মনিবন্ধন অফিস যোগসাজশ করে ১৭ বছর বয়স দিয়ে নতুন জন্মনিবন্ধন করে পাসপোর্ট করে।
দালাল ছাড়া আমার ফাইল হাতেই নেয় নি। তার পর দালাল ধরার পর তারা পাসপোর্ট করেছিল। পাসপোর্ট অফিস না শুধু, পুলিশ ক্লিয়ারেন্স এর জন্য পুলিশকেও টাকা দিতে হয়েছিল
আমার ছোট ভাইয়ের পাসপোর্ট করতে গিয়ে নানান তালবাহানা করেছে এবং সর্বশেষ আমাকে দালাল ধরতে বাধ্য করা হয়েছিলো এবং ২,৫০০.০০ টাকা অতিরিক্ত নিয়েছে।
সময়টা ২০২৬ সালের ঈদের পরের ঘটনা। আমার বাবার আইডি কার্ডের নামের সাথে ssc/hsc সার্টিফিকেটের নামের একটু বানানে অমিল ছিলো সেইজন্য তারা ২৫০০ টাকা দাবি করে। শেষে উপায়ন্তর না পেয়ে ১৭০০ তে চুক্তি হয়। শেষে পাসপোর্ট এর কাজ সম্পন্ন করতে পারি। আমার কথা হচ্ছে যদি মিল না থাকলে আসলে পাসপোর্ট করতে সমস্যাই হয়ে থাকে তবে টাকা দিলে সেটা নিমিষেই কীভাবে কাজ করলো? আর পুলিশ এর হাতে এত কি ক্ষমতা যে সে নিমিষেই নামের অমিলকে তুচ্ছ করে পাসপোর্ট করে দিলো?
for new passport need to pay 10000, because it was urgent for um rah purpose. without bribe that was so long and time consuming and lots of trouble
আমার পাসপোর্ট এপ্লিকেশন ফর্ম সব ঠিক থাকা সত্ত্বেও ভুল বলে ৮০০০ টাকা দাবি করে।
আমার পাসপোর্ট টা জরুরি ছিলো। কিন্তু তারা অযথা পুলিশ ভেরিফাই নামে ৩ সপ্তাহ আটকিয়ে রাখছিলো।পরবর্তীতে আমি ২০০০/ টাকা দিলে আমার পাসপোর্ট হয়।
In July 2026, I attended the Basila Passport Office for biometric submission (fingerprints and photograph) following my online renewal application. The presiding officer advised that additional documentation—namely a marriage certificate and a councillor-issued address certificate—was mandatory, despite my previous passport already listing a "married" status. Upon exiting, several intermediaries approached me, asserting that these documents were unnecessary. They offered to expedite the process on the same day for a fee of 3,000 BDT, which I negotiated to 2,000 BDT. Following this payment, the same officer proceeded with my renewal without any further remarks or requests for the previously.
পাসপোর্ট এর নবায়ন করতে গেলে আগের পাসপোর্ট এবং NIDএর সাথে মায়ের নামের অমিল থাকায়, তারা ঠিক করবে এজন্যে ঘুষ চায়।
আমি আমার পাসপোর্ট করতে পাসপোর্ট অফিসে গিয়েছিলাম এবং অফিসের নিয়ম অনুযায়ী সকল কাগজপত্র জমা দিই। কিন্তু তারা একটি পর একটি ভুল ধরতে থাকে। আমি বারবার সংশোধন করে দিয়েছি, সত্যিকার অর্থে ওগুলো তেমন কোনো ভুলই ছিল না। তারা অন্যভাবে আমার কাছে ২০০০ টাকা দাবি করে আমি কোন টাকা দিইনি না দিয়ে কাগজপত্র গুলো জমা দেই এভাবে করে আমি প্রায় দুই দিন সেখানে অপেক্ষা করি এবং বারবার আমার কাগজপত্র গুলো সংশোধন করে দেই। শেষ পর্যন্ত আমি তাদের কাছে হার মেনে বিরক্ত হয়ে যাই বাধ্য হয়ে আমি তাদেরকে ২০০০ টাকা জমা দিয়ে আমি পাসপোর্ট আবেদন করে আসি।
আমি পাসপোর্ট আবেদনের ফাইল জমা দিতে গিয়ে পরপর কয়েকদিন ঘুরে আসি। নানান অজুহাতে আমাকে ঘুরিয়ে দেয়া হয়, একদিন রীতিমতো বাকবিতণ্ডা হয় আমার সাথে। পরে এক পরিচিত ব্যক্তির মাধ্যমে পাসপোর্ট অফিসের সামনের এক অনলাইনের দোকানে যোগাযোগ করি। তারাই টাকার অফার করে, আমারও জরুরি দরকার থাকাতে সেটা দিই। পরে সেদিনই আমার ফাইলও জমা হয়ে যায় আর বায়োমেট্রিক এনরোলমেন্টও।
২০১৬ সালে।আমার পাসপোর্ট সবকিছু ঠিক ছিল। এমনকি পাসপোর্ট প্রস্তুত হয়ে চলেও এসেছিল। পাসপোর্ট নিতে গেলে আমার বয়সের সাথে চেহারা মিলেনা বলে পাসপোর্ট দিতে চাইনি।পাসপোর্ট নিতে গেলে ১৫০০ টাকা দাবি করেছিল। পরে অনেক রিকুয়েষ্ট করে বাড়ি থেকে টাকা নিয়ে ৭০০ টাকা দেয়ার পর সাথে সাথে পাসপোর্ট দিয়ে দিয়েছিল।
পবিত্র হজ্জ পালনের জন্য ২০১২ সালে পাসপোর্ট করার আবেদন করি, সাভার থানায় ভেরিফিকেশন এলে একজন এস আই আমাকে কল করেন, থানায় গিয়ে সৌম্য দর্শন, সাদা পাজামা পাঞ্জাবি পরিহিত বয়স্ক এস আই এর দেখা পাই । তিনি পাসপোর্ট প্রতি এক হাজার টাকা দাবি করেন । কথা প্রসঙ্গে জানা গেল তিনি আমার গ্রামের বাড়ির এলাকার বাসিন্দা, সেই সুবাদে দাবিকৃত টাকা কমিয়ে ৭০০/ করে নেন । হজ্জের কথা উল্লেখ করলে বলেন তিনি এস বি থেকে উল্লেখিত টাকার বিনিময়ে ভেরিফিকেশন এনেছেন তাই মকুফ করার সুযোগ নেই।
দালালের কাছে দিতে হয়েছিলো।
পাসপোর্ট করা জন্য আমি নিজে অনলাইনে আবেদন করেছি, আমি নিজে জমার দেওয়ার জন্য পাসপোর্ট অফিসে গিয়েছি, কিন্তু আমার ডকুমেন্ট জমা নেয় না, কয়েকটা ভুল ধরে আমাকে ফেরত দিয়ে দিছে, পরবর্তী 1 ঘন্টা পর দালালকে 1500 টাকা দিয়েছি, দালাল আমার ডকুমেন্টে একটা সাইন করে দিয়েছে, তারপর জমা নিয়েছে।
টাকা না দেওয়ায় শুধু ঘুরায়।
পাসপোর্ট হাতে পাওয়ার জন্য পুলিশ ভ্যারিফিকেশনে চা নাস্তার টাকা চাইছিল। শেষ মেশ ৯০০ টাকা নাস্তার বিল দিয়ে পাসপোর্ট হাতে পাইছিলাম ২০২২ সালে৷ 😐