নতুন পাসপোর্ট
নিজে অনেকবার চেষ্টা করে পাসপোর্ট করতে না পেরে নিরুপায় হয়ে দালাল এর মাধ্যমে করতে হলো
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৮,৫৩১ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
নিজে অনেকবার চেষ্টা করে পাসপোর্ট করতে না পেরে নিরুপায় হয়ে দালাল এর মাধ্যমে করতে হলো
আমি পাসপোর্ট অফিসে গিয়ে দেখি গেটের বাইরে চায়ের দোকানগুলোতে অনেক লোক বসে আছে। তাদের কয়েকজন জানতে চাইলো আমি পাসপোর্ট করাবো কিনা। আমি বুঝলাম এরা দালাল। আমি চাইলাম আমি দালালের মাধ্যমে অতিরিক্ত টাকা দিয়ে পাসপোর্ট করব না। তাই তাদের কথা না শুনে গেলাম অফিসের গেটে। সেখানে একজন পোশাকপরা গেইটম্যানকে দেখে তাকে পাসপোর্ট করানোর কথা বলতেই সে খুব আগ্রহের সাথে আমার কথা শুনলেন আর আমার যা যা করণীয় সব বুঝিয়ে দিলেন। আমি ভাবলাম বুঝি দালালের হাত থেকে বেঁচেছি। তিনি অনেক কিছু নিজেই লিখে দিলেন। আর বললেন তার কাজ এক নম্বর। এক মাসের মধ্যেই পাসপোর্ট পেয়ে যাবা। কিন্তু কাজ শেষে তিনিও দালালরা যে ৬০০০ টাকা চেয়েছিল তাই চাইলেন। আমি তখন তাকে বললাম আমি তো জানি ৩০০০ টাকা। তিনি বললেন, ""এক মাস না, জীবনে পাসপোর্ট বাড়ি পৌঁছাবে না"।
আবেদন পত্রে ছোট খাট ভুল ক্রটি ধরে আবেদন ফিরায়ে দেয়। দালালের মাধ্যমে টাকা দেওয়ার পর ওই আবেদন পত্র আবার জায়েজ হয়ে যায়।
আমার বাড়ি বরিশালে, কিন্তু আমি আর আমার ছোটো ভাই পার্মানেন্ট ভাবে ঢাকায় থাকি,সেজন্য ছোটো ভাইয়ের পাসপোর্ট করার জন্য মোহাম্মদপুরের আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিসে যাই, এবং ঢাকায় ঠিকানায় পাসপোর্ট করার জন্য আবেদন করি, আবেদনের কাজ শেষ করে আমি জমা দিতে গেলে বলে এ-ই ঠিকানায় হবে না, আপনাকে বরিশাল থেকে একটা প্রত্যয়ন পত্র আনতে হবে, অথবা আমাদের হাতে অপশন আছে, আপনি যদি ৪০০০ টাকা দেন তাহলে এটা এখান থেকে অনলাইনের মাধ্যমে করে দেয়া যাবে। দাবি করা টাকা দিতে আমি অসম্মতি জানাই, এবং পরবর্তীতে উর্ধতন কর্মকর্তার সাথে কথা বলতে গেলে কথা বলতেও রাজি হয় না, কিন্তু এক পর্যায়ে যেভাবেই হোক কর্মকর্তার চেম্বারে গেলে একইরকম কথা বলে, এবং আমি তখনও বলি যে বরিশাল গিয়ে আমার যদি ছাড়পত্র আনতে হয়, তাহলে তো আমি বরিশাল থেকেই করতাম,পরে বাধ্য হয়
Incident Description: উক্ত ব্যক্তি পাসপোর্ট দ্রুত করে দেওয়ার নাম করে টাকা নিয়ে প্রতারণা করেছে। এটি একটি সতর্কবার্তা যাতে সাধারণ মানুষ তার সাথে কোনো প্রকার লেনদেন বা দলিলাদি আদান-প্রদান না করে। সে নিজেকে অনেক ক্ষেত্রে আইটি বিশেষজ্ঞ বা পাসপোর্ট অফিসের লোক হিসেবে পরিচয় দিতে পারে। Advice to Others: পাসপোর্টের জন্য কোনো দালালের শরণাপন্ন হবেন না। সরাসরি ই-পাসপোর্ট পোর্টালে আবেদন করুন এবং সরকারি ফি ব্যাংকে জমা দিন। এই নম্বরের কারো সাথে লেনদেন করে প্রতারিত হলে নিকটস্থ থানায় বা সাইবার ক্রাইম ইউনিটে অভিযোগ জানান।
আমি আগের পাসপোর্ট নারায়ণগঞ্জ থেকে করেছি নবায়নের সময় ঢাকায় আবেদন করেছি এ জন্য অতিরিক্ত টাকা লাগলো।
আমার দেশের বাড়ি নাটোর বর্তমানে চাকুরির জন্য ঢাকা থাকি। পাসপোর্টে আমার বর্তমান ও স্থায়ী ঠিকানা দেওয়া তাই ডকুমেন্ট নাটোরে গেলে এক পুলিশ আমাকে ফোন করে বলে এটা আমার বিকাশ নাম্বার এটাতে টাকা পাঠিয়ে দেন তাহলেই আপনার পাসপোর্ট ভেরিফাই হয়ে যাবে । ৪০০/- দেই। তার কিছুদিন পরে ঢাকাতে একজন পুলিশ মহাখালি পুলিশে স্টেশন থেকে ফোন দেয় আমি গিয়ে তার সাথে দেখা করি । পুলিশ ও ভাল ভাল কথা বলছিল। তারপর পুলিশ তার বাইকে আমাকে আমার বাসা পর্যন্ত পৌঁছে দেওয়ার কথা বলে আমি বলি বাসা কাছেই সমস্যা নাই আমি যেতে পারবো। আমি যেই রওনা দিলাম উনি বলে বসলেন যা নিয়ে আসছিলেন দিয়ে যান আমি ৫০০/- বের করে দেই। এটা ২০১৫ -২০১৬ সালের কাহিনী
সেবাটি ছিল পাসপোর্টের সরেজমিন তদন্ত সম্পর্কিত ! বর্তমান ও স্থায়ী ঠিকানায় তদন্তের নাম ৫০০ ও ১০০০ তথা সর্বমোট ১৫০০ টাকা ঘুষ দিতে হয়েছে। যার পুরো অর্থটাই নিয়েছে তদন্তের দায়িত্বে থাকা এস বি (ডিবি)র কাছে।
২০২৩ সালের সেপ্টেম্বর মাসে আমি পাসপোর্ট করার জন্য অনলাইনে আবেদন করি। পাসপোর্টের বাংলাদেশি ওয়েবসাইট অনুযায়ী সকল প্রয়োজনীয় কাগজ এবং সংযুক্তিগুলো নিয়ে আমি পাসপোর্ট অফিসে যাই। প্রথমদিন নাগরিক সনদ না থাকার কারণে আমার কাগজ গ্রহণ করা হলো না। আমি দ্বিতীয়দিন সনদ সহ আবার গেলাম এইবার আমাকে বলা হলো আগের মাসের বিদ্যুৎ বিল দেখাতে আমি নিযুক্ত কর্মচারীকে বলি যে বিল তো নেয় কারণ প্রিপেইড মিটার সে বলল যে নিজে ব্যবস্থা করেন। তৃতীয় দিন বিদ্যতের অনুমোদন সনদ সহ এবং বিলের স্ক্রিন শট নিয়ে যায় কিন্তু এইবার বাতিল কারণ নাকি সব তথ্য ঠিক নেয়। পরে এক আনসার আমাকে বলে ওনার অ্যাসিস্ট্যান্ট কে টাকা দিতে পরে ২৫০০ টাকা দেওয়া হয় এবং একদিনে আবেদন সহ বায়োমেট্রিক হয়ে যায়। আমার কাগজ পর হয় শিশু ও প্রতিবন্ধী সেকশন দিয
আবেদনের ফর্মে ভুল হওয়ায় সংশোধন এর জন্য D.D এর কাছে যাওয়া দরকার হয়, তখন আনসার কে ঘুষ দিতে হয়েছিল। ঘুষ ছাড়া তার কাছে যাওয়ার ওয়ে নাই৷ ঘটনা : জুলাই, ২০২৫ এর
আমার পাসপোর্ট পুলিশ ভেরিফিকেশন করার সময় আমার কাছে 5000টাকা ঘুষ চায় পুলিশ অথচ আমার কোনো ক্রিমিনাল রেকর্ড নেই, আমার কাগজে কোনো ভুল নেই। কিসের টাকা জানতে চাইলে জানানো হয় এটাই নিয়ম। এই টাকা উনি একা নেন না। ধাপে ধাপে সবাইকে দিতে হবে। তিনি বলেন টাকা না দিলে তিনি আমার ভেরিফিকেশন রিপোর্ট বাতিল করবেন তাই আমাকে আবার নতুন করে অ্যাপ্লাই করতে হবে তাতে আমার খরচ আরও বেশি হবে তার চেয়ে উনাকে 5000 টাকা দিলে এখানেই সমাধান হয়ে যাবে। পরে অনেক মিনতি করে 3500 টাকা দিতে হয়েছিল। এমনকি সেই ভেরিফিকেশন এ তিনি আমার বাসায় বা এলাকায় আসেন নাই এমনকি পুলিশ থানায় ও আমাকে ডাকেন নাই, তিনি আমাকে দিনাজপুরের লিলিরমোর এ আসতে বলেন এবং যাবতীয় সব কথা এবং লেনদেন সেখানেই করেন।
অবিবাহিত ব্যক্তি পাসপোর্টের আবেদন করলে তার কাছে বউয়ের কাবিন চাওয়া হয়েছে। না হলে কাবিন নিয়ে আগামী কাল আসেন। বাইরের কম্পিউটার দোকান, চা দোকান, বা রাস্তায় দালাল দাড়িয়ে আছে, তারা ডেকে বলছে কি সমস্যা, ১৩০০ দিন ফাইল ঠিক করে দিচ্ছি।
একই নম্বর দুই যায়গাতে থাকায়, ট্রেড লাইসেন্স ফটোকপি দেওয়া Rejected করে দেয় টাঙ্গাইল পাসপোর্ট অফিসের কাছে ফটোকপি দোকরন দার দাবি করে-2000, অফিসার কে ভেলকি দিয়ে কাজ কোরেছি, পরে অফিসার ফোন দিছিল দেখা করেত, করি নাই Block করে দিছিলাম, পরে পাসপোর্ট হাতে পাইলাম
পাসপোর্ট প্রসেসিং করার সময় মূল ফি এর অতিরিক্ত ১৭০০ টাকা নিয়েছিল।সব ডকুমেন্টস জমা দেওয়ার পর।
বিভিন্ন ধরনের পেপার যেমন এনওসি নাগরিক সনদপত্র এই পেপারগুলো চেয়েছে আমার পূর্বের আরেকটি পাসপোর্ট আছে তারপরও এগুলো আমার কাছ থেকে আবার নতুন করে চাইছে
নতুন পাসপোর্ট করতে গেলাম এই কাগজ সেই কাগজ লাগবে বাড়িতে না থেকে রাজশাহী কেন আছি এইসব প্রমান নাকি দিতে হবে আমি একজন ফ্রিল্যান্সার পরে জানলাম সবাইকেই এটাই বলতেছে টাকা ২০০০ ঘুষ দেয়া লাগবে তাইলেই হবে উপায় না দেখে দিতে হয়েছে
আমার বাবার নামে এনআইডি তে মো: ছিলো ও আমার পুরাতন পাসপোর্ট এ বাবার নামে মো: নাই তাই
জরুরী ভিত্তিতে পাসপোর্ট করার জন্য আবেদন করি।
আমি প্রথমে দরকারি সব ডকুমেন্টস প্রিন্ট করতে পাসপোর্ট অফিসের সামনের দোকান এ যাই। বের হয়ে আসার সময় তারা বলে যদি কাজ না হয় আমাদের কাছে আসবেন। তারপর আমি পাসপোর্ট অফিসে গেলে তারা বলে যে শুধু এইসব প্রিন্ট ডকুমেন্টস দিয়ে হবে না, সবকিছুর অরিজিনালও লাগবে। অথচ একই রকম ডকুমেন্টস দিয়ে আমার ছোট ভাই ঢাকাতে পাসপোর্ট করিয়েছে, কোন রকম অরিজিনাল ডকুমেন্টস কেউ চায় নাই। অতপর আমি বাধ্য হয়ে ঐ দোকানে যাই। তাদের ৪০০০টাকা দেই ৩টা পাসপোর্ট এর জন্য। তারা জমা দিয়ে আসে। এরপর আমি গেলে সেই একই ডকুমেন্টস দিয়ে কাজ হয়ে যায়।
সরকারি রেট অনুযায়ী সুপার এক্সপ্রেস ১০৩৫০ টাকা আমার ইমারজেন্সি লাগবে বলেছিলাম তাই আমার কাছ থেকে ১৫ হাজার টাকা নিয়েছে এবং বলছে এক টাকাও কম হলে কাজ হবে না