পাসপোর্ট নবায়ন
৪ বছর আগে হয়েছিল। কোন ভাবেই পাসপোর্ট খুজে পায় নি। পরে টাকা দেবার পরে সাথে সাথেই খুজে পায়।
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৮,৫৩১ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
৪ বছর আগে হয়েছিল। কোন ভাবেই পাসপোর্ট খুজে পায় নি। পরে টাকা দেবার পরে সাথে সাথেই খুজে পায়।
তারা সরাসরি টাকা চাই না, পাসপোর্ট অপিসের পাসে যে কম্পিউটার এর দোকান গুলো থাকে তাদের সঙ্গে যোগ থাকে, তারা ফাইল দিয়ে ফোন করে বলে দেই এই নাম গালো,অপিসারেরা খুজে নেই।
serial newer jonno tk niyece noy serial dey na
আমার মেয়ের পাসপোর্ট রিনিউ করার জন্য টাকা দাবি করে, বলে আমার জন্মস্থান আট মেয়ের জন্মস্থান এনআইডি তে এক না, এক আনসার এর মাধ্যমে পাসপোর্ট অফিস এর এক জন কে টাকা দিলে সব করে দেয় সাথে সাথে।
amake passport kore cicchilo na problem dekhay e.. but amr sob ei sothik chilo .. kintu extra 4 hazar tk dwebar o sei file ei accept korce.. tk ta dalal er maddhome tara ney
e-Passport with 48 pages and 10 years validity Regular delivery: TK 5,750 সেখানে এমন সিন্ডিকেট করা যে, কেও চাইলে ও নিজে এপ্লিকেশন সাবমিট করতে পারবেন না। দালাল ছাড়া গেলে আবেদন জমা নেয়না। বাইরে এসে দালাল কে ৮৫০০ টাকা দিলে উনারা জাস্ট একটা মেসেজ করে দেয়...(আবেদনে হাজার ভুল থাকলে ও জমা নেয়)।
নোয়াখালি লক্ষীপুরের পাসপোট অফিসে ঘুষ ছাড়া কোন কাজ হয় না। ওইখানে যারা এপ্লিকেশন জমা নেয় বা ডেলিভারি করে, সবাইকে ঘুষ না দিলে হয়রানির চরম স্বীকার হতে হয়। অনেক লোক দূরদুরান্ত গ্রাম থেকে কষ্ট করে আসে পাসপোট অফিসের সেবা নিতে। কেউ হয়তো ওমরাহ বা হজে যাবে, কেউ হয়তো বিদেশ যাবে চাকরির উদ্দেশ্যে। সবার সাথেই একই আচরণ। পাসপোট অফিসের বাইরে কম্পিউটারের দোকানগুলোর সাথে কর্মকুত্তাদের যোগসাজোসে এই ঘুষ কার্জ বছরের পর বছর চলছে। অভিযোগ করারও কোন জায়গা নেই। ফলে বাধ্য হয়েই ঘূষ দিয়ে পাসপোট করাতে হচ্ছে। ঘূষ সহ একটা পাসপোট করতে লক্ষীপুরে খরচ হয় ১০,০০০ থেকে ১৫,০০০ টাকা পর্যন্ত।
Ami file joma dite gachilam passport korar jonno pore Amar kas takhe 1000 tk Dani kore ansar er Lok bolche 1 hajar tk dile file joma hobe pore Ami 1000 tk dicho
New passport New passport
Nid card এর তথ্য ভুল ছিল সেটা সংশোধন করা হয়েছিল।সার্ভারে আপডেট হয়নি সেই জন্য ব্যাক এন্ডি ডাটা ইনপুট দেয়ার জন্য সার্ভারের তথ্যের সাথে বাস্তবে মিল না পাওয়ার জন্য।
পাসপোর্ট করতে গেলে পাসপোর্ট অফিসার নানান ধরনের ভুল ধরা শুরু করে পরবর্তীতে পিওনকে ধরিয়ে দেয়। পিয়ন সমস্যার সমাধানের জন্য টাকা দাবি করে। বিষয়টি এখনো ওই অবস্থাতেই আছে।
টাকা না দিলে নামের ভূল ধরে, বাবা মা এন আইডির সাথে নিজের এন আইডির অমিল ধরে টাকা দিলে কোন সমস্যা নাই, পুলিশ ভেরিফিকেশন এর সময় ৫০০ টাকা দিছি
সকল ডকুমেন্টস সঠিক থাকার পরও দুইবার বিভিন্ন অজুহাত দেখিয়ে জমা নেয়নি। বাধ্য হয়ে দালালের মাধ্যমে টাকা দেয়ার পরে ইচ্ছা করে একটা কাগজ না দেয়ার পরও সব ঠিক বলে গণ্য হয় এবং পাসপোর্ট পাই। ই্হাই আমার সোনার বাংলাদেশ।
আমি গত 16/08/2026 তারিখে ভোলা আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিসে যাই সেখানে আমাকে বেলা ১১ঃ০০ টার দিকে ঢুকতে পারি পাসপোর্ট এর আবেদন জমা দেওয়ার জন্য জমা দেওয়ার পর আমাকে জানানো হয় আপনার বাবা-মায়ের আইডি কার্ডের ফটোকপি গোলা তাই নতুন করে ফটোকপি করে জন্য বলে তো আমি কম্পিউটার দোকান থেকে ফটোকপি করার পর আবার নতুন করে রাইনে দাঁড়াতে হয় লাইন অনেক লম্বা থাকায় বেলা একটা বেজে যায় আমার কাগজে কোন ভুল ছিল না আমাকে আবার বলা হয় আপনার বাবাকে এখানে আনতে হবে আমার ন্যাশনাল আইডি কার্ড অনুযায়ী আমার সবকিছু ঠিক ছিল কিন্তু তারা বলতেছে আপনি আপনার বাবাকে আনতে হবে এখন আমার বাড়ি থেকে ভোলা আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিস 85 কিলোমিটার দূরে তাই এই অল্প সময়ের ভিতরে তাকে হাজির করা আমার পক্ষে সম্ভব ছিল না এবং দুইটার পরে এন্টি বন্ধ এটা বলে
পাসপোর্ট আবেদন এর যাবতীয় কাগজপত্র ঠিক থাকার পরও চেয়ারম্যান সার্টিফিকেট এর একাধিক মূলকপি চাচ্ছিল। দিতে না পারায় আমি 1200/- ঘুষ দিতে বাধ্য হয়েছি। আমার আশংকা হচ্ছিল, যদি আমি চেয়ারম্যান সার্টিফিকেট এর একাধিক মূল কপি সংগ্রহ করে নিয়েও যাই তবুও যদি অন্য ভাবে আমাকে আটকায়।
আমাদের স্খায়ী ঠিকানা কুমিল্লায়। বর্তমান ঠিকানায় চট্টগ্রাম আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিস, মনসুরাবাদ পাসপোর্টের আবেদন করলে রিজেক্ট করে দেয়। কারন দেখায় বর্তমান ঠিকার সাপেক্ষে কমিশনার সার্টিফিকেট লাগবে। পরে সেটাও জমা দিলেও রিজেক্ট করে দেয়। পাসপোর্ট কর্মকর্তা জানায় আপানাদের বাড়ি কুমিল্লা, সেখানে গিয়ে করেন, চট্টগ্রামে হবে না। পরবর্তীতে সেখানে দায়িত্বরত পুলিশ/আনসারদের সাথে আলাপ করে জানতে পারলাম, আমরা কোন এজেন্সির মাধ্যমে না এসে সরাসরি নিজেরায় আবেদন করাতে জমা নিচ্ছেনা। তারা জানালো এজেন্সির মাধ্যমে পাসপোর্ট অফিসের কর্মকর্তা প্রতি পাসপোর্টের আবেদন ২৫০০ টাকা পায়। তাই নিরুপায় হয়ে উক্ত পুলিশ কর্মকর্তার মাধ্যমে ২৫০০ টাকাসহ যে অফিসার রিজেক্ট করে দিল তার কাছেই জমা দেয়। পুলিশ ভাইকে ৫০০ টাকা দিতে হয়েছে।
আমার পাসর্পোট এর পুলিশ ভেরিকেশন হয়,। সেজন্য আমাকে একজন পুলিশ কর্মকর্তা থানায় ডেকে ১০০০ টাকা দাবি করে । যদি টাকা না দেয় তাহলে আমার পাসর্পোট এর আবেদন ক্যান্সল করে দিবে এই ভয় দেখায় ।আমি ছাত্র মানুষ তাই ৫০০ টাকা দিতে রাজি হয় । তখন ওনি মসজিদে ঢুকবে এই সময় বলল ৫০০ টাকাই দেওয়ার জন্য । আমি ৫০০ টাকা দেওয়ার পর ওনি মসজিদে নামাজ পড়তে চলে যায় । এই হলো বাংলাদেশের পুলিশ ।
যখন আমি নিজে নিজে নতুন পাসপোর্ট তৈরি করতে যায়। আমি নিজে অনলাইন এ আবেদন করে নিয়ে যায়, যখন জমা দি, তখন একজনে দেখে বলে যে সব কিছু আনছ কিনা? আমি বলি জ্বি, তারপরও উনি আমাকে একটি কক্ষে যেতে বলে, যেয়ে দেখি কেও নাই। অনেক্ষণ দাড়িয়ে থাকার পর একজন ব্যাক্তি এসে উনি উনার কাজ করতেছে আমার দিকে তাকাইতেছে না, যখন আমি মোবাইল বের করি তখন উনি আমার দিকে তাকিয়ে বলে কেন আসছ, মোবাইল বের করছ কেন? ভিডিও করবা? এর মাঝে আমার পিছনের আরও কয়েকজন আসছে, তখন কিছু কথা কাটাকাটি হয়, এর পর বের হয়ে একজন জিজ্ঞেস করছি আর উনি বলে টাকা দেন নাই তাই ঘুরাইতেছে, তখন আমি বলি কত দিতে হবে, তখন 1500 টাকায় চায় আমি 1400 দিয়ে করতে হইছে।
আমি অন্য জেলার লোক বিধায় বগুড়া পাসপোর্ট করতে ৮০০০ টাকা লাগবে৫ বছর মেয়াদ।
কেরানিগঞ্জ পাসপোর্ট অফিসে ঘুষ ছাড়া কেউই পাসপোট এপ্লিকেশন জমা করতে পরে না। কোন না কোন একটা ডকুমেন্টের বাহানায় ওরা প্রথমে এপ্লিকেশন জমা নেয় না। পরে পাসপোট অফিসের বাইরে ওদের মনোনিত কম্পিউটারের দোকানগুলো থেকে দালালদের মাধ্যমে একই ফরম পুনরায় ফিলাপ করে ৪০০০টাকার বিনিময়ে তারপর জমা করানো হয়েছে। সেই ক্ষেত্রে VIP সার্ভিস দিয়েছে। কোন লাইন নাই। কোন হয়রানি নাই। এই ৪০০০ টাকার মধ্যে পাসপোট অফিসের ভিতরের কর্মকর্তাদের ভাগও আছে।