আনসার ও কর্মকর্তা ঘুষ খেয়েছে
আনসার সদস্য পাসপোর্ট অফিসের কর্মকর্তারা ও শালিখা থানা পুলিশ
18,531 bribery reports filed by citizens — search, filter, and switch between list and grid.
আনসার সদস্য পাসপোর্ট অফিসের কর্মকর্তারা ও শালিখা থানা পুলিশ
মৌলভীবাজার পাসপোর্ট অফিসে একটি পাসপোর্ট করতে গিয়েছিলাম। পেশা উল্লেখ করার কারনে তারা সনদপত্র দেখতে চায়। আমি দেখাতে পারিনি। বিধায় পাসপোর্ট অফিস থেকে ফেরত আসি। পাসপোর্টের কাজ করেন এমন একজন বড় ভাইয়ের সাথে আলাপ করে তাকে অতিরিক্ত ১৫০০ টাকা দিলে তিনি কাজটি কোন সনদপত্র ছাড়াই করে দেন।
পাসপোর্ট করার জন্য সংশ্লিষ্ট অফিসে যাওয়ার পর আমার সকল প্রয়োজনীয় কাগজপত্র যাচাই করা হয়। কাগজপত্র যাচাই শেষে আমাকে জানানো হয় যে, আমার ফিঙ্গারপ্রিন্ট Rohingya Database-এর সঙ্গে ম্যাচ করেনি এবং এ কারণে আমাকে ৭ দিন পর আবার যোগাযোগ করতে বলা হয়। আমি জানাই যে, আমি নারায়ণগঞ্জের বাসিন্দা এবং এ কারণে উক্ত ডাটাবেসে আমার তথ্য/ফিঙ্গারপ্রিন্ট ম্যাচ না হওয়াটাই স্বাভাবিক। তারপরও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি আমাকে জানান যে, সেদিন আমার পাসপোর্টের প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা সম্ভব হবে না এবং ৭ দিন পর যোগাযোগ করতে হবে। পরবর্তীতে সংশ্লিষ্ট একজন ব্যক্তি আমাকে জানান যে, ৩,০০০ টাকার বিনিময়ে কোনো ধরনের সমস্যা ছাড়াই সেদিনই আমার পাসপোর্টের কাজ সম্পন্ন করে দিতে পারবেন। বাধ্য হয়ে আমি উক্ত ৩,০০০ টাকা প্রদান করি।
দাবী করা ব্যাক্তি পাসপোর্ট অফিসের একজন অফিসার। নিজের পাসপোর্ট করতে তাকে ঘুষ দিতে হইছে। এটাই বাংলাদেশ
আমাকে দূত্ব সেবা দিবে
নতুন পাসপোর্ট করার জন্য অনলাইনে এপ্লাই করা হয়েছিল, সকল ডকুমেন্টস রেডি করে জমা দিতে গেলে অনেক ভুল ধরা হয় কিন্তু ঘুষ দিলে আর কোন ভুল সংশোধন করা লাগবে না বলে জানানো হয়। এছাড়াও বলা হয় যে ঘুস দিয়ে ৯৫% লোকের কাজ হয়, ঘুস ছাড়া ৫% কিন্তু অনেক হয়রানির পর।
আমার নতুন পাসপোর্ট বানানো আবেদনে পেশা ভুল হয়েছিল। আবেদন টি বাতিল করে দেয় কিন্তু কর্মরত আনসার আমাকে বলে ২০০০ টাকা দিলে সে আবেদন টি করে দিতে পারবে আর আমি একই দিনে ফিঙ্গারপ্রিন্ট দিতে পারব।
আমার বিদেশে যাবার উদ্দেশ্য নিয়ে পাসপোর্ট তৈরি করতে গিয়েছিলাম। নানা রকম অজুহাত দিয়ে আমাকে 2 দিন ঘুরানো হয়েছিলো। আমার বাসা বাকেরগঞ্জ থেকে পাসপোর্ট অফিসের দুরত্ব 2 ঘণ্টার পথ। এতো দুরত্ব পাড়ি দিয়ে দ্বিতীয় দিন যে যে ডকুমেন্ট চেয়েছে সব নিয়ে যাবার পর বলে আরও document লাগবে, পরবর্তী একজন আনসার আমাকে ডেকে নিয়ে 4000 টাকা দাবি করেন। বিনিময়ে তিনি সকল কাজ করে রাখবেন বলে জানিয়েছিলেন।
২০১৮ তে খুলনায় পাসপোর্টের জন্য আবেদন করি। আমি ভেরিফিকেশনের জন্য খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশ কার্যালয়ে যাই এবং সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাকে ভেরিফিকেশনের ব্যাপারে জানাই। ভদ্রলোক আমাকে অপেক্ষা করতে বলে নামাজে যায়। নামাজ থেকে এসে তিনি আমার পাসপোর্টের আবেদনের সকল তথ্য নেন এবং চা নাশতা খাওয়ার তাগিদে ১০০০ টাকা দাবি করেন। আমি ওনাকে বলি, এরকম তো চা নাশতা খাওয়ার টাকা নেওয়ার নিয়মাবলি ওয়েবসাইটে বলা নাই। ঐ মুহুর্তে আমার কাছে ৩০০ টাকা ছিলো। আমি বলি আপনি এই ৩০০ টাকা নেন। উনি অনেক অযুহাত দিয়ে থাকেন। আমার এ জায়গায়, ঐ জায়গায় টাকা দিতে হবে, না দিলে কাজ কেউ করবে না। আমি বললাম আমার কাছে ৩০০ টাকাই আছে। উনি সব তথ্য নিলেন ঠিকই কিন্তু ৩০০ টাকা নিলেন না। পরবর্তীতে ২ বছর পর চট্টগ্রামে ভেরিফিকেশন করিয়ে ১ মাসের মধ্যে পাসপোর্ট নেই।
Passport office e gele ghuriye dey . jokhon 3k khoroch kore akta email chap diye and kolomer duita chihno niye gesi tokhon kore dise. aitai service.
এটা হচ্ছে আমাদের আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিস জামালপুর যেখানে আমি একটা পাসপোর্ট করতে যাই আমার নিজের জন্য আসলে বাইরে যাওয়ার জন্য কোন উদ্দেশ্যে নয় বাংলাদেশে দরকার একটু ব্যাংকিং কাজে দরকার অনলাইনে কাজ করি এজন্য আর কি পাসপোর্টটা দরকার ছিল আমি যখন পাসপোর্ট করতে যাই তখন তারা আমি গাড়ি থেকে নামতে দেরি সেখানে তারা আমাদেরকে টানা হেচা শুরু করে দেয় এবং কলেজে আমরা পাসপোর্টটা করে দেবো ৮০০০ টাকা দিয়েন সাত হাজার টাকা দিয়েন কেউ আবার সাড়ে ছয় হাজার টাকা চায় মানে যায় যেভাবে চাচ্ছে যখন আমরা ভিতরে যাই দেখি আমরা চেষ্টা করি তখন তারা বলে বাইরে থেকে আবেদন করে আসতে হবে আবেদন করে যদি আমরা যেতে চাই আসলে তখন বাইরে তারা এর চেয়ে নিচে আসে না মানে দালাল যারা আসে এবং সরকারি ফিস হচ্ছে চার হাজার পঁচিশ টাকা এবং ৪৮ পৃষ্ঠা তখন
অফিসের সেখানে কিছু পুলিশ অফিসার আছে তারা মানুষের থেকে ঘুষ নিয়ে তাদেরকে আগে সিরিয়ালে পাঠিয়ে দেয় আর যারা গরিব তাদেরকে সিরিয়ালে কষ্ট করে দাঁড়িয়ে তারপর অনেকক্ষণ পর তাদের সিরিয়াল আসে কিন্তু যারা বড়লোক তাদেরকে টাকা দিয়ে আগে আগে সিরিয়ালে চলে যায় এবং তারা খুব সহজেই পাসপোর্ট বানিয়ে নেয় টাকার বিনিময়ে তাদের কোন কষ্ট হয় না আর মেন অফিসার ও বসে বসে গুস খায় ছোফায় বসে বসে জাদের পকেটে মাল আছে তাদের সাথেই দেখা করে আর গরিপ দের প্রবলেম হলে ঘন্টার পর ঘন্টা বসিয়ে রাখি এবং দেখাও করে না।
tk na dile passport hobe na ata bolsilo
আমার পাসপোর্ট রিনিউ করতে 5,750 টাকার জায়গায় ৯০০০ টাকা দিয়ে রিনিউ করতে হয়েছে
পাসপোর্ট এর সকল কাগজ রেডি করে সকাল ৮:০০ টা থেকে বিকাল ৫:০০ পর্যন্ত দাড় করিয়ে রাখা হয়েছিল সার্ভার ডাউন বলে। এরপরে আলাদা ভাবে অফিসের একজন জানায় এইভাবে নাকি হবে না। কিছু টাকা দিলে তারা করে দিতে পারবে। পরে রাজি হই এবং সকল কাগজপত্র তারা রেখে দেয় অফিসের ২য় তালার একটা রুমে। এরপর পরের দিন সকালে অফিস খোলার আগে সকাল ৭ টার সময় ছবি তোলার জন্যে ডাকে। পরের দিন সকাল ৭ টার আগে চলে গেলে, পিছনের গেট দিয়ে ঢুকিয়ে ছবি তুলা হয়, সাইন নেওয়া হয়, এরপর ১৫০০ টাকা দিয়ে চলে আসি।
I am a Portuguese citizen, and my three children are also Portuguese citizens. We came to Bangladesh last month for a 55-day holiday and received a one-month tourist visa upon arrival. On 16 August 2026, I visited the Immigration Department office in Dhaka and submitted my visa extension application online after paying all the required fees. The following day, a person called me and asked me to send him money, saying that he would provide a good report so that our visas could be approved. He claimed to be a police officer from Malibagh Thana. I have a voice recording of the conversation and can provide it as evidence. I am reporting this matter as a normal citizen and respectfully request
পাসপোর্টের প্রয়োজনীয় কার্যক্রম সম্পন্ন করতে সংশ্লিষ্ট অফিসে গেলে কোনো দালালের মাধ্যমে অতিরিক্ত অর্থ বা কমিশন না দেওয়ায় আমাকে বিভিন্নভাবে হয়রানির শিকার হতে হয়েছে। সরাসরি দালাল ধরতে বলা না হলেও বারবার “এটা হবে না”, “ওটা লাগবে”, “কাগজ ঠিক নেই” ইত্যাদি অজুহাতে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র থাকা সত্ত্বেও আমাকে দীর্ঘ সময় এক জায়গা থেকে অন্য জায়গায় ঘোরানো হয়। বিপরীতে, দালালের মাধ্যমে আসা আবেদনকারীদের তুলনামূলক দ্রুত ও গুরুত্ব দিয়ে সেবা দিতে দেখা যায়। একই সরকারি সেবায় সবার জন্য সমান নিয়ম ও আচরণ নিশ্চিত করা উচিত। দালালের মাধ্যমে অতিরিক্ত অর্থ প্রদানকারীরা অগ্রাধিকার পেলে এবং সাধারণ আবেদনকারীরা হয়রানির শিকার হলে তা সেবার স্বচ্ছতা ও নিরপেক্ষতা নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন তোলে। আমার আশঙ্কা, আর্থিক সুবিধার উদ্দেশ্যে সাধারণ
আমি 2024 সালে নিজের পাসপোট নিজে করতে যাই সরকারী ফি 5750 টাকা পরিশোধ করেছি এবং সকল তথ্যাদি সঠিক, কাগজপত্র নিয়ে গেছি অফিসে, আমি লম্বা লাইনে দাড়িয়ে দীর্ঘ 2.45+ঘন্টা পর ফাইলটা নিয়ে সেখানকার কর্মকর্তাদের সামনে যাই তারা বলে কিছু বল রয়েছে এবং আমাকে পিরিয়ে দেয়, পরবর্তীতে অফিসের বাহিরে কয়েকজন মানুষকে ডাকাডাকি করে বলে কী সমস্যা কী সমস্যা আমি সমস্যার কথা বলি এবং তারা বলে এটা ঠিক করে দিবো 1800 টাকা লাগবে, আমি টাকাটা দেই তারা কিছু একটা লিখে দেয় এবং কোন লাইনে না দাঁড়িয়েই আমাকে কর্মকর্তার সামনে দিয়ে যায় এবং আমার কাজটি হয়।
পাসপোর্ট করতে গিয়েছিলাম, সকল কাগজপত্র ঠিক থাকার পরও আমাকে বারবার ফেরত দিচ্ছিল। যখন পাসপোর্ট করতে গিয়েছিলাম তখন কোন তত্ত্বাবধায়ক সরকার — এর শাসনামলে, নাগরিক সনদপত্র চাইতেছিল, নাগরিক সনদপত্র আনার পরও আর অনেক কাগজপত্র চাইতেছিল, পরে বাহির থেকে একজন বলল কিছু টাকা দেন আর কোন কাগজপত্র কিছুই লাগবে না আপনার পাসপোর্ট রেডি হয়ে যাবে। টাকার এমন বলতে দাবি করছিল তিন হাজার টাকা। আমি একজন স্টুডেন্ট মানুষ এত টাকা না থাকার কারণে মুলামুলি করে দুই হাজার টাকা বলেছিলাম শেষমেষ ২৫০০ টাকায় রাজি হয়েছে। টাকা হাতে কাজ করার পর দেওয়ার কথা ছিল। সেই লোকটি ভিতরের কোন এক কর্মকর্তাকে ফোন দিয়ে বলে দিয়েছে আমি যাওয়া মাত্রই আর কোন কাগজপত্র চাইনি। কমেন্ট ছাড়াই আমার পাসপোর্ট এর ফিংগার ভেরিফিকেশন করে দিয়েছে।
বিদেশি দের ভিসা নবায়ন করতে প্রতি পাসপোর্ট এর বিপরীতে ১৫০০ টাকা করে ঘুষ দিতে হতো। কোম্পানি এইটাকা দিতো আমি ও পরিশোধ করতাম। না দেবার কোনো উপায় ছিলো না, এক সময় কাজ করতে করতে জানতে পারি এই টাকা উপর মহলে ও যায় বন্টন হয়।