পাসপোর্ট রিনিউ
পাসপোর্ট রিনিউ করতে গেছিলাম আমার এক বোন এর ঠিকানা ভুল উল্ট পালটা বুঝে ঘুরে দিয়েছে পরে দালাল চক্র দেখে দিয়েছে ।
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৭,৭৪৩ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
পাসপোর্ট রিনিউ করতে গেছিলাম আমার এক বোন এর ঠিকানা ভুল উল্ট পালটা বুঝে ঘুরে দিয়েছে পরে দালাল চক্র দেখে দিয়েছে ।
৭ দিনের ভেতর পাসপোর্ট রিনিউ করে দেওয়া হবে। নইলে এপ্লিকেশন রিজেক্ট করা এবং নতুন নতুন কাগজ লাগবে বাহানা দিয়ে পাসপোর্ট বাতিল হয়ে যাবে বলা হচ্ছিল।
নতুন পাসপোর্ট করতে গিয়েছি। বলছে সমস্যা পাসপোর্ট হবে না। পরে এক হাজার টাকা দিলে করে দিছে। বিভিন্ন সমস্যা ধরতে থাকে টাকা না দেওয়া পর্যন্ত।
আমার বাবার পুরাতন পাসপোর্ট এর নাম্বার দিয়ে নতুন পাসপোর্ট করতে যাই। তো আবেদন এর সময় দেখি এন আইডি এর নাম্বার দিয়ে আবেদন দেখাচ্ছে যে অলরেডি আবেদন করা আছে। কিন্তু আমরা কোনো আবেদন করি নাই। পরে তারা বলল করে না থাকলে ৬ মাস অপেক্ষা ছাড়া সম্ভব না। এরপরে বাহিরে এসে দেখি দালাল বাইরে দাড়িয়ে ডাক দিয়ে বলল কি সমস্যা ।পরে বলার পর তিনি বললেন হবে এখন করে দেওয়া যাবে ১৫০০০ টাকা লাগব। আমার বাবার পাসপোর্ট বানানো জরুরি ছিল সে ক্ষেত্রে না দিয়ে উপায় ছিল না। ওনাকে কনফার্ম করার পর দেখি সাথে সাথে ওনি অফিস এর মেইন চেয়ারম্যান এর কক্ষে গিয়া আবেদন করলেন ভুল এন আইডি দিয়ে বললেন প্রিন্ট এর সময় সঠিক আসবে। ঠিক ১৭ দিন পরে দেখি সব ঠিক ভাবেই হল
আমার পাসপোর্টে সংশোধন ও ইমারজেন্সি সার্ভিস নেওয়ার জন্য আমাকে ১৮ হাজার টাকা দিতে হয়। ১০ থেকে ১২ হাজার সরকারি টাকার পরিমান বাকি টাকা অফিসারদের দালালরা নিয়েছে।
আমি পাসপোর্ট নবায়নের জন্য গাজীপুর সিটি কর্পোরেশনে জয়দেবপুর রোডের অবস্থিত আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিসে পাসপোর্ট নবায়ন করতে যাই। পাসপোর্ট নবায়নের জন্য সরকারি নির্দিষ্ট ফি 25শ টাকা সহ আমি ফরম পূরণ করে নিয়ে গেলে, বেশ কয়েকবার আমার ডকুমেন্টসের ভুল ধরেআমার দেওয়া পেপার্স গুলো প্রত্যাখ্যান করে। পরবর্তীতে পাসপোর্ট অফিসের পাশে গড়ে ওঠা বিভিন্ন কম্পিউটারের সঙ্গে আমি যোগাযোগ করি। তারা পাসপোর্ট ফি জমা দিয়ে, বাড়তি দাবি করে। আমি অফিস থেকে প্রত্যাখ্যাত হওয়ার পরে তাদের কাছে অতিরিক্ত আরো ৫০০০ টাকা দেয়। তাদের কাছে অতিরিক্ত ৫ হাজার টাকা জমা দেওয়ার পরে তারা আমার পেপারগুলো অর্থাৎ দালালেরা আমার পেপারসগুলো অফিসের সাবমিট করার পরে আমার পেপারসগুলো গ্রহণ করে। সে পেপারগুলো আমার দেওয়া পেপারের অনুরূপ।
আনসার কে ১৫০০ টাকা দিছি, সব কাজ করে দিছে। ২/৩ টা ডকুমেন্টস ছিলো না, তার পর ও সব ডকুমেন্টস ক্লিয়ার, কোন লাইনে দাড়াতে হয় নাই । VIP ট্রিটমেন্ট পাইছি। আমার সাথে অন্য একজনের ৪-৫ ঘন্টা লাগছে, আমার ৩০-৪৫ মিনিটে ছবি তোলা ও সকল কাজ শেষ।
আমি ৫ মাস পরে পাসপোর্ট উত্তোলন করতে গেসি, পরে বলে এটা অনেক আগের সময় নিয়ে খুজা লাগবে, কাগজ দিয়ে যান ২-৩ দিন পরে আইসেন, পরে ১০০০ টাকা অফার করসি উনি ২ মিনিটের মধ্যে খুঁজে হাসিমুখে পাসপোর্ট দিসে দুসে
Dalal Application Kore Sing kore Dile, kono kichu bole na, shathe shathe file receive kore. finger ne.
নতুন পাসপোর্ট কোন ভোগান্তি ছাড়া দ্রুত করায় দিবে বলে টাকা নিছিল।
Passport korte gale ip deta hobe...ai bole 1500 taka dabi kore...r na dela passport joma korte gala..joma nai na...r ip deya gala sate sate joma neya nai.
Dalal diye vore rakhe serial moto lok seba pay na dalal er jonno kaj korai mushkil poribesh kharap hoye gese ar sobcheye main twist jara kormokorta unader moddhe pray sobai e tader sathe jorito khub openly ei kaj cholche
সকল তথ্য সঠিক থাকার পরেও। ভালোভাবে গ্রহণ করতে বাধ্য হয়ে বারোশো টাকা দিয়ে ফাইল সাবমিট করেছএ।
আমার কাছ থেকে ৮ হাজার টাকা দাবি করে তারপরে আমি দিতে চাই নাই কিন্তু আমি বাধ্য হয়েছি ৮ হাজার টাকা দিতে কারণ আমি চলে যাব দেশের বাহিরে এর ভিতরে না করে নিয়ে যাই তাহলে আমার জন্য সমস্যা হবে এবং আমার হাতে সময় নেই তাই দিতে বাধ্য হয়েছি কিন্তু তাও বলেছে যে ২১ থেকে ২৫ দিন লাগবে এমন নয় যে ৮ হাজার টাকা দিয়ে ৮ বা ৫ দিনে দিবে তা নয় এভাবে কষ্ট লাগতেছে যেন নরমাল দিনে অনুযায়ী যদি আমাকে আমার পাসপোর্ট দেয় তাহলে কেন এত আর্জেন্ট ছিল বেশি এই তো পরিমাণ টাকা নিবে সে আমি যতটুকু জানি যে ৫০৫০ টাকা ফি কিন্তু ওই তুলনায় সে আমার থেকে অনেক বেশি নিয়েছে টাকা তবে আমি জানিনা কতদিন এভাবে চলতে থাকবে বাংলাদেশের অবস্থা কেননা এই টাকা তো সরকার পাইনি পেয়েছে একটি দালাল মহল যেদিন দালাল দেরকে নির্মূল করবে সরকার ঐদিনই একটু শান্
আমার মায়ের নাম তার জাতীয় পত্রে — ব্যবহার করা হয় ।আর আমার জাতীয় পত্রে আমার মায়ের নামের — ব্যবহার করা হয়। এই ভুল ধরে আমাকে হয়রানি করা হয় এবং আমি পরে বাড়িতে যাই বাহিরে তাদের অনেক দালাল থাকে তারা বলে যে আমাকে টাকা দিলে কাজটি এখন করে দিবে।
হিলি সৌরভ ফটোষ্টেড, জয়পুরহাট পাসপোর্ট অফিসসের নাম করে আবেদন ফি ৫৭৫০ টাকার কাজ ৮০০০ করে রাখে
আমার সব ডকুমেন্টস ঠিক ছিল, তবুও পাসপোর্ট অফিসে রিসিপশনে একজন চশমা পড়া অফিসার আমারকে বললো এখানে কিছু একটা গডমিল, আছে আমি জিজ্ঞেস করলাম কি, তিনি বললেন..নিজেনখুজে নেন, এবাবে দু-তিনবার যাওয়ার পর ওনি বললেন একজমের সাথে দেখা করো, আমি দেখা করার পর ওনি ৩০০০টাকা খুজলেন, টাকা দেওয়ার পর আমাকে আর কোনো সিরিয়াল এ দাড়াতে হলো না। সবার আগে আমি বায়োমেট্রিক দিলাম।
আমার এক ভাই এর থেকে ১০০০ টাকা নিয়েছে, সকল কাগজ পত্র ঠিক ছিলো, বিন্দু পরিমাণ ভুল ছিলো না, তারপর ও তারা আমাদের থেকে ১০০০ টাকা নিয়েছে বাড়তি।
আমার ডান চোখ নষ্ট থাকাই,,পাসপোর্ট করতে গিয়ে আইরিস আসে নাই ক্যামেরা তে,,তাই আমাকে একটা সিভিল সার্জন থেকে সার্টিফিকেট নেওয়া লাগছে,,,আমাকে বাধ্য করা হয়েছে ঘুষ দিতে,,না হয় তারা আমাকে কাগজ টা দিবে না আর আমার পাসপোর্ট ও হবে না।।। আমার অন্য ডা: এর সার্টিফিকেট ছিল,,কিন্তু এটা নাকি হবে না।। আর এটার সাথে পাসপোর্ট করতেও আমাকে প্রায় ৩ হাজার টাকা এক্সট্রা দেওয়া লাগছে, পুলিশ ক্লিয়ারেন্স নিতেও দেওয়া লাগছে।। ১০০০ টাকা টা নিছিলো সিভিল সার্জন এর কেরানি।
সব ঠিক ছিলো এর পরও টাকার জন্য বলসে ভুল আছে ইংলিশ ছিলে বাংলা তে স্পেলিং অন্য তাই