সব রিপোর্ট

নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৭,৭৪৩ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।

২,০৭২ টি রিপোর্ট পাওয়া গেছে
ঘুষ রিপোর্ট করুন
পাসপোর্ট অফিস

Passport renew 10 years এর

আমার কাছ থেকে ৮ হাজার টাকা দাবি করে তারপরে আমি দিতে চাই নাই কিন্তু আমি বাধ্য হয়েছি ৮ হাজার টাকা দিতে কারণ আমি চলে যাব দেশের বাহিরে এর ভিতরে না করে নিয়ে যাই তাহলে আমার জন্য সমস্যা হবে এবং আমার হাতে সময় নেই তাই দিতে বাধ্য হয়েছি কিন্তু তাও বলেছে যে ২১ থেকে ২৫ দিন লাগবে এমন নয় যে ৮ হাজার টাকা দিয়ে ৮ বা ৫ দিনে দিবে তা নয় এভাবে কষ্ট লাগতেছে যেন নরমাল দিনে অনুযায়ী যদি আমাকে আমার পাসপোর্ট দেয় তাহলে কেন এত আর্জেন্ট ছিল বেশি এই তো পরিমাণ টাকা নিবে সে আমি যতটুকু জানি যে ৫০৫০ টাকা ফি কিন্তু ওই তুলনায় সে আমার থেকে অনেক বেশি নিয়েছে টাকা তবে আমি জানিনা কতদিন এভাবে চলতে থাকবে বাংলাদেশের অবস্থা কেননা এই টাকা তো সরকার পাইনি পেয়েছে একটি দালাল মহল যেদিন দালাল দেরকে নির্মূল করবে সরকার ঐদিনই একটু শান্

ঘুষ দিইনি
ব্রাহ্মবাড়িয়ায় ৳৮.০ হাজার
২৫ আগস্ট ২০২৬
মন্তব্য
পাসপোর্ট অফিস

নতুন পাসপোর্ট

আমার সব ডকুমেন্টস ঠিক ছিল, তবুও পাসপোর্ট অফিসে রিসিপশনে একজন চশমা পড়া অফিসার আমারকে বললো এখানে কিছু একটা গডমিল, আছে আমি জিজ্ঞেস করলাম কি, তিনি বললেন..নিজেনখুজে নেন, এবাবে দু-তিনবার যাওয়ার পর ওনি বললেন একজমের সাথে দেখা করো, আমি দেখা করার পর ওনি ৩০০০টাকা খুজলেন, টাকা দেওয়ার পর আমাকে আর কোনো সিরিয়াল এ দাড়াতে হলো না। সবার আগে আমি বায়োমেট্রিক দিলাম।

ঘুষ দিয়েছি
বান্দারবান আনচলিক পাসপোর্ট অফিস ৳৩.০ হাজার
২৫ আগস্ট ২০২৬
মন্তব্য
পাসপোর্ট অফিস

পাসপোর্ট নবায়ন

আমি পাসপোর্ট নবায়নের জন্য গাজীপুর সিটি কর্পোরেশনে জয়দেবপুর রোডের অবস্থিত আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিসে পাসপোর্ট নবায়ন করতে যাই। পাসপোর্ট নবায়নের জন্য সরকারি নির্দিষ্ট ফি 25শ টাকা সহ আমি ফরম পূরণ করে নিয়ে গেলে, বেশ কয়েকবার আমার ডকুমেন্টসের ভুল ধরেআমার দেওয়া পেপার্স গুলো প্রত্যাখ্যান করে। পরবর্তীতে পাসপোর্ট অফিসের পাশে গড়ে ওঠা বিভিন্ন কম্পিউটারের সঙ্গে আমি যোগাযোগ করি। তারা পাসপোর্ট ফি জমা দিয়ে, বাড়তি দাবি করে। আমি অফিস থেকে প্রত্যাখ্যাত হওয়ার পরে তাদের কাছে অতিরিক্ত আরো ৫০০০ টাকা দেয়। তাদের কাছে অতিরিক্ত ৫ হাজার টাকা জমা দেওয়ার পরে তারা আমার পেপারগুলো অর্থাৎ দালালেরা আমার পেপারসগুলো অফিসের সাবমিট করার পরে আমার পেপারসগুলো গ্রহণ করে। সে পেপারগুলো আমার দেওয়া পেপারের অনুরূপ।

ঘুষ দিয়েছি
গাজীপুর সিটি ৳৭.৫ হাজার
২৫ আগস্ট ২০২৬
মন্তব্য
পাসপোর্ট অফিস

নতুন পাসপোর্ট করার জন্য

পাসপোর্ট করার জন্য দালালের মাধ্যেমে 8000 হাজার টাকা দিয়ে করিয়েছি। দালাল ছাড়া গেলে হয়রানি করে। কাগজপত্র শর্ট ইত্যাদি কথা বলে।

ঘুষ দিয়েছি
সাতক্ষীরা ৳৮.০ হাজার
২৫ আগস্ট ২০২৬
মন্তব্য
পাসপোর্ট অফিস

নতুন পাসপোর্ট

দালাল এর মাধ্যমে কেননা সময় মত পাস্পোর্ট পাব না! তারা তাদের অনলাইন আবেদন কপির মাধ্যমে গোপন কোড লিখে দেয়!

ঘুষ দিয়েছি
ব্রাহ্মনবাড়িয়া ৳১৫.০ হাজার
২৫ আগস্ট ২০২৬
মন্তব্য
পাসপোর্ট অফিস

নতুন বা রিনিউ

যে কোনো নতুন পাসপোর্ট বানাতে বা রিনিউ করতে গেলে এই টাকা দেওয়া লাগে। তাছাড়া কাজ হয় না। টাকা আগে পরে কাজ। না হলে ৭-৮ দিন পর ডাকে। সাধারণ মানুষকে ঘুরাই।

ঘুষ দিয়েছি
চাপাইনবয়াবগঞ্জ ৳১.০ হাজার
২৫ আগস্ট ২০২৬
মন্তব্য
পাসপোর্ট অফিস

New Passport

আনুমানিক ২০১৯ সালে ফেনী পাসপোর্ট অফিসে সব কাগজপত্র জমা দেওয়া সত্ত্বেও কর্তৃপক্ষ তা জমা নিতে অস্বীকৃতি জানায়। পরবর্তীতে সেখানকার সিন্ডিকেটের মাধ্যমে ফেনী শহরের ভেতরের এক দালাল দ্রুত পাসপোর্ট বানিয়ে দেওয়ার কথা বলে ৩,০০০ টাকা নেয়।

ঘুষ দিয়েছি
Feni ৳৩.০ হাজার
২৫ আগস্ট ২০২৬
মন্তব্য
পাসপোর্ট অফিস

Passport করতে

Nid কার্ডের আমার বাবার নাম — ছিলো আর আমার বাবার Nid কার্ডে — শুধু মাত্র ইংরেজি একটি অক্ষর Z আর J. এর জন্য টাকা দিয়ে করাতে হয়েছিল

ঘুষ দিয়েছি
ফরিদপুর ৳১.৫ হাজার
২৫ আগস্ট ২০২৬
মন্তব্য
পাসপোর্ট অফিস

Pasport Making

আমার ছোট ভাগ্না বয়স ২ বছর।তার চিকিৎসা র জন্য দেশের বাইরে যেতে চাচ্ছিলাম এবং সবার পাসপোর্ট এর জন্য ঘুস চেয়েছে।সবার জন ঘুষ দিলেও বাচ্চার জন্য দেইনাই তাই বাচ্চার পেশা ভুল ধরে এবং তার জন্য ও টাকা নেয়

ঘুষ দিয়েছি
Rajshahi ৳১.৫ হাজার
২৫ আগস্ট ২০২৬
মন্তব্য
পাসপোর্ট অফিস

ই পাসপোর্ট তৈরি করতে

আগের পাসপোর্ট এর সাথে জন্ম তারিখ এর মিল না থাকায় এই টাকা দাবি করা হয়। না দিলে পাসপোর্ট এর ফাইল জমা দেওয়া হবে না। তখন বাধ্য হয়ে দিতে হয়েছে কারণ ১.৫ মাস পরে ফ্লাইট।

ঘুষ দিয়েছি
ফেনী ৳১২.০ হাজার
২৫ আগস্ট ২০২৬
মন্তব্য
পাসপোর্ট অফিস

নতুন পাসপোর্ট বানানো

আমি অনলাইনে আবেদন করে কাগজপত্র নিয়ে গেছিলাম, যাওয়ার পর অফিসার আমার কাগজপত্র দেখল তারপর আমাকে বলল যে আমার বাবার নামে শুরুতে মৃত লাগালাম কেন, এই রীতি তো বাতিল হয়ে গেছে, মৃত লাগাতে মৃত ডেথ সার্টিফিকেট লাগবে, এভাবে করে আমার প্রথম দিন শেষ, এরপরে দু এক দিন পরে আমি আবার ডেথ সার্টিফিকেট নিয়ে যাই, যাওয়ার পরে বলে যে আমার এন আইডি লে ম্যানেটিং করা লাগবে, ল্যাবরেটিং করে আনার পরে আমাকে আরো দুই তিন ডেক্স ঘুরাইলো, ঐদিনও সময় শেষ পাসপোর্সট অফিস সময় মতো বন্ধ হয়ে গেল, এ কাহিনী যখন আমি আমার এক ছাত্রকে বললাম তখন সে যে বলল দালালের মাধ্যমে যাইতে, তারপরে পাসপোর্ট অফিসের পাশেই যে সকল দোকান থাকে বাহিরে সেসব দোকানে গিয়ে আমি একজন দালালের মাধ্যমে গেলাম ব্যাস আধা ঘণ্টায় কাজ শেষ হয়ে গেল।

ঘুষ দিয়েছি
কুমিল্লা ৳১.০ হাজার
২৫ আগস্ট ২০২৬
মন্তব্য
পাসপোর্ট অফিস

পাসপোর্ট নবায়ন

আমি পাসপোট নবায়ন করতে জাই, আমাকে নানা কারন দেখিয়ে আমার ফাইলটি ফেত দেয় বারবার,আমি বাহিরে আসলে আমাকে একজন আনসার ইশারা করে বলে আমি করে দিতে পারবো টাকা লাগবে 2000 হাজার

ঘুষ দিয়েছি
মুন্সীগঞ্জ ৳২.০ হাজার
২৫ আগস্ট ২০২৬
মন্তব্য
পাসপোর্ট অফিস

পাসপোর্ট করতে

জি,যথাযথ কাগজ নিয়ে গেলেও বলে আপনার কাগজে ঝামেলা আছে পরে আসুন,, কিছুক্ষণ পর দালালকে ১৫০০টাকা দিলে,, আর ঝামেলা না দেখিয়ে ফাইল রিসিব করে,, এবং কাজ সম্পাদন হয়,,, মোবাইল —

ঘুষ দিয়েছি
নরসিংদী ৳১.৫ হাজার
২৫ আগস্ট ২০২৬
মন্তব্য
পাসপোর্ট অফিস

পার্সপোট রেনিউ করতে দিয়েছিলাম।

পার্সপোট অফিসে সরাসরি টাকা নেয় না।অফিসের লোক শুধু আবেদন পত্রে ভুল ধরার ফাদ পেতে থাকে।ভুল ধরতে পারলেই টাকা।অবাক করার বিষয় হলো পার্সপোট অফিসের সরাসরি ঘুষ খায় না।মাধ্যম হয়ে খায়।সারা বাংলাদেশের যতো কম্পিউটারের দোকান আছে যারা পার্সপোট এর আবেদন করে দেয় তাদের সাথে যোগসাজশে কাজ গুলো সংগঠিত হয়ে থাকে।২০২১ সালে যখন আমি প্রথম পার্সপোট করতে যাই দালাল ছাড়া করতে গেয়েছিলাম অহেতুক হয়রানি হয়ে কম্পিউটারে দোকানে বাড়তি ২০০০ টাকা ঘুষ দিয়ে আবেদন জমা দিয়েছিলাম। এবার ২০২৬ সালে আগে থেকেই ঘুষের টাকা রেডি করে রাখছিলাম যাতে ভোগান্তি পোহাতে না হয়।যে কথা সেই কাজ কোন ঝামেলা হয় নাই।আগেই কম্পিউটার এর দোকানে ২০০০ টাকা দিয়া আসছিলাম।আমি শুধু অফিসে যেয়ে বাকি কাজ গুলো করে এসেছি।আমার আশা সরকার যদি কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণ করে।

ঘুষ দিয়েছি
টাংগাইল ৳২.০ হাজার
২৫ আগস্ট ২০২৬
মন্তব্য
পাসপোর্ট অফিস

পাসপোর্ট আবেদন সংক্রান্ত

নরসিংদী আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিসে পাসপোর্টের আবেদন জমা দিতে গিয়ে হয়রানি ও অনিয়মের অভিযোগ রয়েছে। কাগজপত্র ও তথ্য ঠিক থাকার পরও আবেদনকারীকে এক কক্ষ থেকে অন্য কক্ষে পাঠানো, “আবেদন হয়নি” বা “বড় স্যারের কাছ থেকে ভেরিফাই করে আসেন”—এ ধরনের কথা বলা হয়, অভিযোগ অনুযায়ী, সংশ্লিষ্ট কক্ষে যাওয়ার পর আবার বাইরে থেকে নতুন করে আবেদন করে আনতে বলা হয়। আবেদন জমা নেওয়ার পরও দীর্ঘক্ষণ বসিয়ে রেখে “সার্ভার সমস্যা” দেখিয়ে পরের দিন আসতে বলা হয়। সবচেয়ে গুরুতর অভিযোগ হলো, অফিসের বাইরে থাকা কিছু আনসার সদস্যের মাধ্যমে ৫০০–৭০০ টাকা দাবি করা এবং টাকা দিলে দ্রুত কাজ করে দেওয়ার প্রস্তাব দেওয়া। এমনকি টাকা দেওয়ার পর অল্প সময়ের মধ্যেই বায়োমেট্রিক সম্পন্ন করে দেওয়ার হয়!

ঘুষ দিইনি
নরসিংদী ৳২.০ হাজার
২৫ আগস্ট ২০২৬
মন্তব্য
পাসপোর্ট অফিস

পুলিশ ভেরিফিকেশন

আমার পুলিশ ভেরিফিকেশনের সব কাগজ পত্র ঠিক ছিলো; তবুও এসবি অফিসের লোক, তার সব কলিগের সামনেই নাস্তার টাকা খোজে. আমি ঝামেলা এড়ানোর জন্য 200 দিতে চাইলে নিচ্ছিলো না, পরে 500 দিতে হয়. সেখানে সবাই ঘুষ খায়, সে নির্লিপ্তভাবেই চেয়েছিল; আমি প্রতিবাদ করলে বরং হয়রানি হতাম.

ঘুষ দিয়েছি
ফেনী ৳৫০০
২৫ আগস্ট ২০২৬
মন্তব্য