লাইসেন্স
১০০০ টাকা দিলে কাজ হয়ে যাবে
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৭,৭৪৩ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
১০০০ টাকা দিলে কাজ হয়ে যাবে
নতুন পাসপোর্ট করতে বিগত ১৪ মে, ২০২৬ আমি সিরাজগঞ্জ আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিসে যাই, সেখানকার কর্তব্যরত আনসার আমার থেকে ৫০০/- টাকা দাবি করে। তার ভাষ্যমতে, ৫০০/- না দিলে ফাইল ঠিক টাইমে প্রসেসিং হবে না। যথাযথ সময়ের থেকে দেরী হবে। পরবর্তীতে আমি আমার পরিচিত এক ভাই যিনি পাসপোর্ট অফিসে কর্মরত তার থেকে নিশ্চিত হই যে, ঐ আনসার সদস্য ঘুষ দাবি করেছে এবং টাকার সাথে ফাইল প্রসেসিং এর কোনো সম্পর্ক নেই।
আমার পুলিশ ভেরিফিকেশনের সব কাগজ পত্র ঠিক ছিলো; তবুও এসবি অফিসের লোক, তার সব কলিগের সামনেই নাস্তার টাকা খোজে. আমি ঝামেলা এড়ানোর জন্য 200 দিতে চাইলে নিচ্ছিলো না, পরে 500 দিতে হয়. সেখানে সবাই ঘুষ খায়, সে নির্লিপ্তভাবেই চেয়েছিল; আমি প্রতিবাদ করলে বরং হয়রানি হতাম.
Nid কার্ডের আমার বাবার নাম — ছিলো আর আমার বাবার Nid কার্ডে — শুধু মাত্র ইংরেজি একটি অক্ষর Z আর J. এর জন্য টাকা দিয়ে করাতে হয়েছিল
গ্রামের বাড়িতে পাসপোর্টের ভেরিফিকেশনে থানার অফিসার বিকাশে ১০২০ টাকা চেয়েছিল; ঝামেলা করবে বলে তাকে ৫০০ টাকা পর্যন্ত নগদে অফার করা হয়েছিল, সে নেয় নাই। সে বিকাশেই ১০২০ নিবে। ২ মাসের বেশি আটকে ছিল ভেরিফিকেশন।
পাসপোর্ট নিতে গিয়ে ৯০০০ টাকা ঘুস চাইছে
In June 2026, I applied for a new passport at the Rajshahi Passport Office. Although I completed every legal step and provided all required documentation, I was initially subjected to unnecessary delays and conflicting information. I had to visit the office repeatedly over several days. After much persistence, they finally accepted my application. While the initial process was frustrating, some staff members later demonstrated exemplary behavior."
ট্রেড লাইসেন্স লাগবে। যখন এটা লাগবে না তখন বলে তাহলে টাকা লাগবে। আমি টাকা লাগবে কেন? শেষ পর্যন্ত পরিচালকের সাথে কথা বলে উদ্ধার হই।
আমি এখন দেশের বাহিরে পড়াশোনা করছি, ২০২০ এর ঘটনা মুন্সিগঞ্জ পাসপোর্ট অফিসে গেলে আমার এপ্লিকেশনে দালাল দের মার্ক না থাকায়, তা ফেরত দেয়া হয়, এবং তথাকথিত চ্যানেলের মাধ্যমে আবেদন করতে বলা হয়। যাতে ৫০০০ টাকা এক্সট্রা লেগেছিল। এছাড়াও পুলিশ ভেরিফিকেশনে ঘুষ দিতে অস্বীকার করায় আমার আবেদন টানা ৩ বার রিজেক্ট করে দেয়া হয়।
নিয়ম অনুযায়ী ফরম জমা দিতে গেলে বারবার ফেরত পাঠায় বিভিন্ন ডকুমেন্টস চায়,যাদের মাধ্যমে ফর্ম পূরণ করা হয়ছে তারা আগেই বলে জমা নিবে না টাকা না দিলে পরে বাধ্য হয়ে দিতে হয়ছে।আমার মতো সবার অবস্থা সেম ঘটেছে।
নতুন পাসপোর্ট করতে পুলিশ ভেরিফিকেশনে ১০০০ টাকা এবং পাসপোর্ট অফিসে ১২০০ টাকা দিতে হবে বলে জানিয়েছে।
আমি যখন পাসপোর্ট বানাই তখন ৫০০০ টাকা ছাড়া কোনো ভাবেই সম্ভব ছিলো না কাজটা কমপ্লিট করা
নতুন পাসপোর্ট করতে টাকা নিয়েছে
Went to renew my passport but because of an operator input error with my information into the system. I was forced to pay for the renewal fee again as the operator did not want to request assistance from upper management to help solve the problem he did. At the end of the day I had to pay the price of another passport.
নানান অজুহাত দেখিয়ে ঘুরানোর পর দালারের মাধ্যমে জমা দেওয়া
আমার পাসর্পোট হারিয়ে ফেলি 2025 সালে নতুন করে যখন 2026-5-10 রিইসু করতে যাই আমার কাছে 8500 টাকা চাওয়া হয়। দামাদামি করে আমি 8000 টাকা দিয়ে নতুন করে পাসর্পোট করি
২০০০ টাকা অতিরিক্ত না দিলে আমার পাসপোর্ট করে দিবেনা,, আমাকে আমার আমার জেলা থেকে করতে বলে যখন ২০০০ টাকা বেশি দিয়েছি তখন করে দিয়েছে
প্রথমদিন যাওয়ার পর ১.৫ ঘন্টা লাইনে দাড়ানোর পর সব কাগজপত্র থাকার পর ও বলেছিলো NID কার্ডের অনলাইন কপি লাগবে। পরেরদিন অনলাইন কপি সহ আবার ১.৫-২ ঘন্টা লাইনে দাঁড়িয়ে উপরে যাওয়ার পর বলে এখন চেয়ারম্যান সার্টিফিকেট লাগবে। নিচে যেয়ে একজন আন্সার কে ধরলে সে ২৫০০ টাকা দাবী করে। ওই টাকা দেওয়ার পর NID কার্ডের অনলাইন কপি ও লাগেনি। পাসপোর্ট রিনিউয়ালের ছবি তুলতেও ৩০ মিনিটের বেশি লাগেনি
গোপালগঞ্জ জেলা পাসপোর্ট অফিসে গিয়েছিলাম পাসপোর্ট তৈরি করার জন্য ৪৮ পেজ ১০ বছর মেয়াদি তখন তারা দুই দিন ঘুরাইছে এই সমস্যা এন্ড সমস্যা বলে যেমন এনআইডির ভেরিফাই কপি লাগবে নিয়ে আসেন আর ডিজিটাল নাগরিক সনদ লাগবে নিয়ে আসেন পিতার এনআইডি নামের আগে এমডি নাই আপনার এনআইডি তে এমডি আছে । তারপর সরাসরি এক পুলিশ সদস্য ঘুষের টাকা চাইছে যে পাসপোর্ট করতে চাইলে ২৫০০ দেন এখন করে দিচ্ছি।
পাসপোর্ট এর পুলিশ ভেরিফিকেশন এ ঢাকা শহরে ৫০০ টাকা চাইছিল।