নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৭,৩২৬ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
পাশে ডেকে নিয়ে টাকা চেয়েছিলো তখন দিনি পরে দিতে হয়েছে নাহয় পাসপোর্ট পাচ্ছিলাম না
২০২৪ সালের ১৮ই সেপ্টেম্বর পাসপোর্ট করার জন্য আমি পটুয়াখালী সরকারি পাসপোর্ট অফিসে যাই, আবার লক্ষ্য ছিল প্রবাসে আসবো, পাসপোর্টটা আমার খুবই জরুরি ছিলো,পাসপোর্ট করতে দিলে ৩০০০টাকা আমার কাছে ঘুস চায়,,যেটা দিয়েই আমি পাসপোর্ট করতে পারতো বাদ্য হই।
দাবির ধরন হলো চ্যানেল চ্যানেল ছাড়া পাসপোর্ট আবেদন রিজেট করে দেবে তাই দাবি করে
আমি পাসপোর্ট করতে গেলে বলে একজন লোকের সাথে কথা বলেন। আমি কথা বললাম সেই লোক বার হাজার টাকা চাইল। আমি না দিয়ে নিজে নিজে অনলাইনে আবেদন করলাম ৫৮০০ চার্জ মাত্র পরে যথা সময়ে পাসপোর্ট পেলাম পুলিশ বেরি ফিকেশন করার জন্য কল দিল ১০০০ টাকা দেয়া লাগলো একজন কে পুলিশের প্রতিনিধি নাকি।
পাসপোর্ট পেতে গেলে দেয়া লাগবে
পাসপোর্ট জমা নে না আলাদা মার্কা ছাড়া
বার বার কাগজ পাতি ঠিক থাকার পরেও ভুলে বলে ফেরত দিচ্ছে, গেটের বাহিনী দালাল বলছে ২০০০ টাকা দিলে কাজ করে দিবে।
২টা নতুন পাসপোর্ট এর জন্য আবেদন করতে গেছি বলে এভাবে হবে না। প্রতি পাসপোর্ট এর জন্য ১৫০০ টাকা করে লাগবে। তাহলে সপ্তার মধ্যে পাসপোর্ট পেয়ে যাবে। না হলে নাকি পাসপোর্ট এর কাগজপত্র জমা নিবে না। বিভিন্ন অজুহাত দেখিয়ে প্রত্যাখ্যান করে।
আমি যায় পাসপোর্ট করতে আমার সব কিছু ঠিক ছিল । কিন্তু চেকার আমাকে বলে ট্রেড লাইসেন্স এর অরজিনাল কপি আনতে ,ফটোকপি হবে না ।আমার ব্যবসা ছিল ঢাকায় তাই সম্ভব নয় । পরে বাহিরে অনেক দালাল ঘুরে আমি যদিও করতে চাচ্ছিলাম না কিন্তু আমার বন্ধু কথা বলে দালালের সাথে ,পরে একটা কম্পিউটার দোকান নিয়ে যায় । সেখানে শুধু আমার ইমেইল চেঞ্জ করে তাদের ইমেইল দেয় । তারপর আর কোন সমস্যা হয় নি
আমাকে বলেছিল আপনার পাসপোর্ট জব কমপ্লিট হয়নি আপনার পাসপোর্ট এর জব কমপ্লিট করাইতে হবে। জব কমপ্লিট করাইতে আপনাকে আগরতলা যেতে হবে অন্যতায় আমাদেরকে দিয়ে করালে ২৫০০ টাকা দিতে হবে। আমি বললাম এত টাকা কেন ওই লোকটি বলল আমি মাত্র ৫০০ টাকা পাবো বাকি অন্যগুলা স্যাররা পাবে। আমার ছুটি শেষ হওয়ার ২০ দিন বাকি ছিল এমতাবস্থায় আমার আর কোন উপায় ছিল না তাই আমি 2500 টাকা দিয়েছি
পাসপোর্ট তৈরি করতে যাওয়ার পরে পাসপোর্ট এর কাগজপতির দ্রুত সাবমিট করার জন্য ১৫০০ টাকা দাবি করেন তারা বলেন এই টাকা পরিশোধ করলে আপনার দ্রুত কাগজ পাতি কমপ্লিট করা হবে। এরপর পুলিশ ভেরিফিকেশন এর জন্য পুলিশ মোটা অংকের কিছু টাকা দান করেন সেটা আমরা দিতে অনিচ্ছুক প্রকাশ করি তারপরও বাধ্য হয়ে 500 টাকা দিতে হয়। এরপরে সেখান থেকে পরবর্তী সব কিছু কমপ্লিট হওয়ার পরে রাজশাহী ফিঙ্গারপ্রিন্ট দিতে গিয়ে সেখানে ৫০০ টাকা দাবি করেন তাছাড়া ফিঙ্গারপ্রিন্ট করা সম্ভব নয় সেখানে সেই টাকা পরিশোধ করার পরে সবকিছু ওকে হলো
আমি পাসপোর্ট আবেদন করার পরে সকল কাগজ নিয়ে জমা দিতে চাই।তারা নামের বানানে ভুল ধরে।আমাকে বলা হয় হেড অফিস বরাবর আবেদন করতে।তারা যদি অনুমোদন দেয় তবেই আমি ছবি উঠাতে পারবো।আমাকে বলা হয় সেটাতে অনেক সময় লাগবে।আমি বাইরে দিয়ে কম্পিউটার এর দোকানে গিয়ে বলতেই তারা বলে ১৫০০ টাকা লাগবে।বাকি সব করে দিবে।আমি ১৫০০ টাকা দিলাম আমার কাজ ১০ মিনিটের মধ্যে হয়ে গেল। আমি ঢাকায় থাকি একবার রাজশাহী গেলে অন্তত ৩০০০ টাকা খরচ হবে ভেবে কোন উপায় না পেয়ে ১৫০০ টাকা দিয়ে কাজ টা করিয়েছিলাম
অভিযোগের বিষয়: পাসপোর্ট পুনরায় করতে অতিরিক্ত ১২,০০০ টাকা প্রদান আমার পাসপোর্ট হারিয়ে যাওয়ার পর নতুন পাসপোর্টের জন্য আবেদন করতে গিয়ে সরকারি নির্ধারিত ফি’র বাইরে অতিরিক্ত ১২,০০০ টাকা দিতে হয়েছে। সংশ্লিষ্ট সেবা পাওয়ার প্রক্রিয়ায় এই অতিরিক্ত অর্থ নেওয়া হয়েছে। অতিরিক্ত টাকা দেওয়ার কারণ বা সরকারি কোনো বৈধ ফি হিসেবে এর প্রমাণ আমাকে দেওয়া হয়নি। বিষয়টি তদন্ত করে অতিরিক্ত অর্থ গ্রহণের সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার অনুরোধ করছি।
আমি পাসপোর্ট করেছি আমার লেপটপ দিয়ে, টাকা দিসি বিকাশের মাদ্দমে, তারপরও আরো বেস্তি টাকা দিতে হয়েছে নয়তো আমার পাসপোর্ট করতে দিবে না বল্লেন
আমি পাসপোর্ট করতে গেলে তারা বলে যে কোন এজেন্সি বা দোকানের মাধ্যমে করতে হবে। অন্যথায় আমার পাসপোর্ট আবেদন নেয়া হবে না এবং তারা নেয়না। পরবর্তীতে এজেন্সির মাধ্যমে বা কোন দোকানে আবেদন করে জমা দিলে তারা সেটা জমা নিতে রাজি আছে এবং নিয়েছে।
পাসপোর্ট অফিসের গেটে যেতেই পাহারারত পুলিশ বলে কোথয় যাবেন আমি বললাম আমার পাসপোর্টের মেয়াদ শেষ রিনিও করালাগে। আমার হাত থেকে কাগজ গুলো নিয়ে বলে আপনি পারবেন না আমাকে মোট ৮০০০ দিলে আপনি আজকের মধ্যেই সব কাজ সেরে যেতে পারবেন। আমার পাসপোর্ট অফিসের অভিজ্ঞতা ভালোছিল না তাই সব কিছু বিবেচনা করে বাধ্য হয়ে দেই । কারণ পাসপোর্ট আমার জরুরি ছিল।
কাগজপত্র থাকা সত্ত্বেও বিভিন্ন ভুল ধরে রিজেক্ট করছিলো, পরে বলছে ১৫০০০ টাকা দিলে আবেদন ফর্ম জমা নিবে।
৪ টা নতুন পাসপোর্ট করেছি বিনিময়ে ২৫০০ টাকা করে মোট ১০০০০ টাকা দিতে হয়
জেমন আমার আগের পাসপোটে নাম চিলো mohammod এই নামটা সংখেপে দিতে হবে md আগের পাসপোট টা তারাই করচে আমার আইড়ি কার্ড় দেখে কিন্তু এখন আবার তারাই টাকা চাইতেচে
২০২৫ সালের জুন মাসে পাসপোর্ট তৈরির জন্য পাসপোর্ট অফিসে গেলে তারা কাগজপত্র আনতে বলে। আর যদি বাইরে তাদের কম্পিউটারের দোকান থেকে আবেদন করি তাহলে শুধু নিজের এল আইডি কার্ড দিয়ে আবেদন করলেই হয়ে যাবে এইদিকে বাইরের কম্পিউটারের দোকানে সরকারি ফি থেকে ২০০০ টাকা বেশি দাবি করা হচ্ছিল অন্যথায় তা যদি না করি আমার পাসপোর্ট তৈরি করতে অনেক লেট হতে পারে এইগুলা বলে।পরে কাজটি দ্রুত করার জন্য কম্পিউটারের দোকান থেকেই করি