পাসর্পোট রিইসু করার জন্য অতিরিক্ত টাকা নেওয়া
আমার পাসর্পোট হারিয়ে ফেলি 2025 সালে নতুন করে যখন 2026-5-10 রিইসু করতে যাই আমার কাছে 8500 টাকা চাওয়া হয়। দামাদামি করে আমি 8000 টাকা দিয়ে নতুন করে পাসর্পোট করি
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৭,৭৪৩ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
আমার পাসর্পোট হারিয়ে ফেলি 2025 সালে নতুন করে যখন 2026-5-10 রিইসু করতে যাই আমার কাছে 8500 টাকা চাওয়া হয়। দামাদামি করে আমি 8000 টাকা দিয়ে নতুন করে পাসর্পোট করি
পাসপোর্ট এর পুলিশ ভেরিফিকেশন এ ঢাকা শহরে ৫০০ টাকা চাইছিল।
দালাল ছাড়া পার্সপোর্ট তৈরি করা যায় না দালাল টাকা পেয়ে ভাগ যায় অফিসের কর্মকর্তাদের কাছে তারপর কাজ হয়
২০০০ টাকা অতিরিক্ত না দিলে আমার পাসপোর্ট করে দিবেনা,, আমাকে আমার আমার জেলা থেকে করতে বলে যখন ২০০০ টাকা বেশি দিয়েছি তখন করে দিয়েছে
আমি এবং এখানে যেই পাসপোর্ট করেছে সর্বনিম্ন 1300 টাকা ঘুষ ব্যতীত কোন ফাইল যায় না আমাদের ডকুমেন্ট সবকিছু ঠিক থাকলেও বারবার বারবার শুধু ভুল দেখায় পাসপোর্ট অফিসার পাসে কয়েকটি কম্পিউটার এর দোকান আছে এরাও এদের সাথে জড়িত আছে ওদের ওদের মাধ্যমে টাকা চাওয়া হয় 1300 টাকা দিছি সব কিছুই ঠিক হয়ে গেছে এই ঘুষ বাংলাদেশ থেকে কবে বন্ধ হবে আমি চাই এই কাজটি দ্রুততার সাথেই বন্ধ করা হোক লালমনিরহাট পাসপোর্ট অফিসের বেহাল দশা
মাদারীপুর নিজ এলাকায় পাসপোর্টের ছবি তুলতে যাই, দিনটি ছিল বৃহস্পতিবার। ছবি তুলে ঢাকায় ফিরতে হবে। তাই সকাল সকাল গিয়েছিলাম। এবং সিরিয়াল প্রথম ৫ এই ছিলাম। যে ভদ্রলোক ফিঙ্গার নিয়েছে,, উনি বারবার বলতেছে লেবু ঘষে আসুন,, আপনার ফিঙ্গার নিচ্ছে না। এইভাবে আমাকে বিকেল প্রর্যন্ত নিয়ে গেছে। তখন বয়স কম হওয়াতে অনেক কিছু বুঝিনি। শেষমেশ যখন বুঝতে পেরেছি, ফোনে ভয়েস রেকডিং করে নিয়ে এসেছিলাম। কিন্তু মজার ব্যাপার হলো, সেই টাকাটা পাসপোর্ট হাতে পাবার পরে,, রেকডিংয়ের ভয় দেখিয়ে তুলে নিয়ে এসেছিলাম। ২য় টি, উত্তরা আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিসে। ২/৩ ঘন্টা লাইনে দাড়ানোর পরে, প্রত্যাক্ষিত হয়েছি, বলা হলো আপনার পার্মানেন্ট জেলায় গিয়ে করতে হবে। বের হলাম,, একজন আনসার সদস্যকে ধরে ২০০০ টাকায় রফাদফা করলাম, ৫ মিনিটে কার্যক্রম ডান।
লালমনিরহাট পাসপোর্ট অফিসের পাশে একটি দোকানের সাথে অফিসের লোকদের চুক্তি ছিল, যে সমস্ত লোক ওই দোকান বাদে অন্য কোথা থেকে অথবা নিজে নিজে পাসপোর্ট এর এপ্লাই করে কাগজপত্র নিয়ে আসতো তাদেরকে বিভিন্ন অজুহাতে ফেরত পাঠিয়ে দিত, আমাকে একবার ফেরত পাঠানো হয়েছে পরবর্তীতে আমি আবার একা একাই এপ্লাই করেছি, তখনো বিভিন্ন অজুহাত দেখিয়েছে বলেছে আপনার এটা ভুল ওইটা ভুল, অথচ কিছু ভুল হলে উনারা সহজেই ঠিক করে দিতে পারেন, তারপর একজন আমাকে একটি রুমে ডেকে নিয়ে যায় এবং বলে হুজুর চা খাওয়ার জন্য কিছু দেয়া লাগবে তাহলে আমরা করে দিতে পারব, তখন তিনি ১ হাজার টাকা দাবি করে আমি 500 টাকা দিয়ে কাজটা করিয়েছিলাম।
রাজশাহী পাসপোর্ট অফিসে দালাল ধরে না গেলে ফাইল নেয় না,,নানা ভাবে হয় রানি করে পাসপোর্ট অফিসের কমকর্তা দের নিজস্ব দালাল ছাড়া আছে কম্পিউটার দোকান গুলো গেলে জানতে পারবেন।
পাসপোর্ট করতে নামের ভুল
আমি পাসপোর্ট করার জন্য নিজেই সব প্রসেসিং করি অনলাইনে, কাগজ জমা দেয়া ছবি তোলা সবই ঠিক গেছে। কয়েক দিন পর পুলিশ ভেরিফাই করতে একটা এস আই কল দেয়। বলে যে ভেরিফাই করতে আসবে না কিছু টাকা দিলেই হবে, আমি বললাম এসে দেখে যান। এস আই বলছে না লাগবে না। পরে ৫০০ টাকা দিছি বিকাশে, টাকা দেয়ার পর কল দিয়া বলে ৫০০ টাকায় হবে না আরও ৫০০ দেন।
সরকারি নিদর্শনানুযায়ী পুরাতন পাসপোর্ট কপিসহ সবকাগজপত্র ছিল। কিন্তু দালালের চিহ্ন ছিল না। জমা নেওয়ার সময় বলে কাবিননামা কপি লাগবে। নিয়মানুযায়ী পুরুষের কাবিননামা লাগে না। ফর্ম জমা নেননি। বাহিরে একজন লোক দেখা দিয়ে বলে কথা বলতে। সে আমার কাছ থেকে ২৫০০টাকা দাবি করে। টাকা দিলে ব্যাবস্থা করে দেব। লক্ষ করে দেখলাম দালালদের চিহ্ন থাকলে কোনো ভুল থাকলে ও জমা নেন।
আমার স্ত্রীর পাসপোর্ট করতে যাই , ব্যাংক স্লিপে কিছু ভুল আছে বলে ব্যাংকে পাঠায় ঠিক করে নিয়ে আসার জন্য । ঠিক করে নিয়ে এসে দেখাই বলে লাঞ্চ করতে গেছে, তখন ১২ঃ৩০ বাজে। অপেক্ষা করতে থাকি ০২ঃ৩০ এ আনসারকে জিজ্ঞেস করি লাঞ্চ টাইম শেষ কখন? , আমাদের ফাইল জমা দেবো। তিনি একটা নোটিশ দেখায় সেখানে লেখা ০১ঃ০০ টা পর্যন্ত জমা নেয়। তাহলে আমরা ১২ঃ৩০ টা থেকে অপেক্ষা করতেছি , আমাদের টা কেনো নিলো না! তার পরে আনসার আমার কাজে আসে , ফাইল দেখে । আমাদের আবেদন এক্সপ্রেস ডেলিভারি ছিলো। তা দেখে বলে সে আমাদের জন্য রিকোয়েষ্ট করবে কিন্তু তার জন্য তাকে ১৫০০ টাকা দিতে হবে। আমার জরুরী পাসপোর্ট দরকার ছিলো তাই তাদের বাদির ১৫০০ টাকা দিয়ে দিলে আমার ফাইল জমা নেয়।
Passport renew application, Ami website theke nije nije application korechilam, Application desk a 2ta line chilo, Ami jokhon desk er samne chilam tokhon amar pasher liner 7~8 jon application submit kore chole jay. Sesh mesh kono vul na peye amay ask korlen amar baba ki koren, ami Jibito nei bolate uni bollen tahole babar occupation a "Onnano" diyechen keno, eita te to business hobe. Jan abar form fillup kore niye ashen. Bollam eita to apnader helpline theke confirm hoye diyechi, Tokhon bollo taile Help line a call kore submit kore den. Ar ei form ta jodi abar fillup kori tohole to OID number change hobe ar se khetre amake abar new OID te pay korte hobe. 3talay dekha koren bole uni line thek
Ami student and amr on-line registration a private service dise tai oita fixed korte 2500 tk chacche
টাকা চেয়েছিল অনেক কিন্তু আমি দেই নি।
একইসাথে আমরা দুই বন্ধু পাসপোর্ট করিয়েছিলাম কক্সবাজার পাসপোর্ট অফিস থেকে। পাসপোর্ট এর কাজ শেষে, একদিন পুলিশ ভেরিফিকেশন আসে। আমরা দুজনকে এক জায়গায় ডাকা হল, একটা ট্রাভেল এজেন্সির অফিস ছিল ওটা। গিয়ে দেখলাম, পুলিশ নামাজ পড়ছে। আহা।কত ভাল মানুষ।এমন পুলিশ হয়তো ঘুষ খাবেনা ধরে নিয়ে, এগোলাম। কিছুক্ষণ কথা হলো। বের হবার আগে বলে, কিছু খরচাপাতি হয়েছে, 2000 টাকা করে দিন প্রত্যেকে।। আমি অনেক অনুরোধ করে 1000 টাকায় এনেছি। আমি তো দিলেও, আমার বন্ধু কোন ঘুষ দেয়নি। পরে দেখা যায়, আমার পাসপোর্ট টা পাস হলেও, আমার বন্ধুর ঘুষ না দেয়ার কারনে পাস হয়নি। অগত্যা তার আবার কক্সবাজার পাসপোর্ট অফিস গিয়ে হেনস্তার শিকার হতে হল। টাকা পরে ঠিকই দিয়েই কাজ সেরেছে।
আমার দেশের বাইরে আমার হাসব্যান্ড থাকে। So উনার সাথে থাকার জন্য পাসপোর্ট করা আমার দরকার। আমি argent পাসপোর্ট যেটা যেটা করতে দিয়েছিলাম ২০২২ সালে। সব ডকুমেন্টস দালাল ছাড়া আমরাই করেছিলাম passport যে দিন নিবো ঐদিন থানা থেকে কল আসে সংগ্রহ করার জন্য। আমি আর আমার বোন যাই পাসপোর্ট নিতে। এর পর তার রুম এ ভালো ব্যবহার কি করি কেন যাবো এইগুলো নরমাল ব্যাপার ask করলো। But রুম থেকে যখন বের হলাম তখন টাকা দাবি করে বসলো ২ হাজার। আমরা বললাম এতো টাকা কোথায় পাবো। আমি স্টুডেন্ট 1000 টাকা রাখেন। দুইজন মেয়ে মানুষ বেশি প্রতিবাদ ও করতে পারি নি যদি কোনো ঝামেলা করে। তাই ১০০০ টাকা দিয়ে পাসপোর্ট নিয়ে এসেছি। যদিও মন থেকে দেই নি।
১০ বছর মেয়াদি পাসপোর্ট তৈরিতে ৭৫০০ টাকা নিয়েছে। সরকারি ফি কিন্তু ৫০০০
বিভিন্ন অজুহাত, ছবি মিলছে না, এনআইডি বানান পাসপোর্টের বানান ক্যাপিটাল আলাদ, মোহাম্মদ মো: লিখলে সার্বারে নেবে না ইত্যাদি, অপিসাররে বললে বললো দেখছি আর দেখে না।
আমি পাসপোর্ট অফিস নারায়ণগঞ্জ পাসপোর্ট করতে যাই ভুইঘর,সে খানে ১০১ নাম্বার রোমের ডাটা এন্টিওপারেটর যে প্রথম পাসপোর্ট ফাইল জমা নেয় সে আমার পাসপোর্ট নেবার সময় খুটি নাটি ভুল দেখায় নামে ফুলিস্টপ দিছি হবে না।তারপর বাহিরে কম্পিউটার এর দোকানদার এর কাছে ঠিক করতে গেলে সে বলে এটা আপনাকে হয়্রানি করবে ৪৫০০ টাকা দেন আমি করিয়ে দিচ্ছি।আমার যেহেতু পাসপোর্ট দরকার তাই আমি পাসপোর্ট করতে টাকা দেই পরে একই দিন অই লোক আমার ফাইল জাম নিলো কোন ভুল দরলো না। আর কম্পিউটার এর দোকান দার আমার ফাইলে চিহ্ন দিয়া দিছে এবং আমার ফাইল এর ছবি তার What's apps পাইছে।।তারপর আমি কয়েক দিনের ভিতর পাসপোর্ট পাই।