SB Verification
ভূলে বিবাহিত এর জায়গায় অবিবাহিত ছিলো।
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৮,৫৩১ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
ভূলে বিবাহিত এর জায়গায় অবিবাহিত ছিলো।
নিজে নিজে সব কাগজ করে নিয়ে গেলে বিভিন্ন ভুল ধরে আাবার আসতে বলে,তাই পাশের কম্পিউটার দোকান থেকে ২০০০হাজার টাকা বেশি দিয়ে একটা সিল নিয়ে দেখানের পর সাথে সাথে কাজ হয়ে গেছে।
১০০০ টাকা দিলে কাজ হয়ে যাবে
আমি অনলাইনে আবেদন করে কাগজপত্র নিয়ে গেছিলাম, যাওয়ার পর অফিসার আমার কাগজপত্র দেখল তারপর আমাকে বলল যে আমার বাবার নামে শুরুতে মৃত লাগালাম কেন, এই রীতি তো বাতিল হয়ে গেছে, মৃত লাগাতে মৃত ডেথ সার্টিফিকেট লাগবে, এভাবে করে আমার প্রথম দিন শেষ, এরপরে দু এক দিন পরে আমি আবার ডেথ সার্টিফিকেট নিয়ে যাই, যাওয়ার পরে বলে যে আমার এন আইডি লে ম্যানেটিং করা লাগবে, ল্যাবরেটিং করে আনার পরে আমাকে আরো দুই তিন ডেক্স ঘুরাইলো, ঐদিনও সময় শেষ পাসপোর্সট অফিস সময় মতো বন্ধ হয়ে গেল, এ কাহিনী যখন আমি আমার এক ছাত্রকে বললাম তখন সে যে বলল দালালের মাধ্যমে যাইতে, তারপরে পাসপোর্ট অফিসের পাশেই যে সকল দোকান থাকে বাহিরে সেসব দোকানে গিয়ে আমি একজন দালালের মাধ্যমে গেলাম ব্যাস আধা ঘণ্টায় কাজ শেষ হয়ে গেল।
পার্সপোট অফিসে সরাসরি টাকা নেয় না।অফিসের লোক শুধু আবেদন পত্রে ভুল ধরার ফাদ পেতে থাকে।ভুল ধরতে পারলেই টাকা।অবাক করার বিষয় হলো পার্সপোট অফিসের সরাসরি ঘুষ খায় না।মাধ্যম হয়ে খায়।সারা বাংলাদেশের যতো কম্পিউটারের দোকান আছে যারা পার্সপোট এর আবেদন করে দেয় তাদের সাথে যোগসাজশে কাজ গুলো সংগঠিত হয়ে থাকে।২০২১ সালে যখন আমি প্রথম পার্সপোট করতে যাই দালাল ছাড়া করতে গেয়েছিলাম অহেতুক হয়রানি হয়ে কম্পিউটারে দোকানে বাড়তি ২০০০ টাকা ঘুষ দিয়ে আবেদন জমা দিয়েছিলাম। এবার ২০২৬ সালে আগে থেকেই ঘুষের টাকা রেডি করে রাখছিলাম যাতে ভোগান্তি পোহাতে না হয়।যে কথা সেই কাজ কোন ঝামেলা হয় নাই।আগেই কম্পিউটার এর দোকানে ২০০০ টাকা দিয়া আসছিলাম।আমি শুধু অফিসে যেয়ে বাকি কাজ গুলো করে এসেছি।আমার আশা সরকার যদি কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণ করে।
আমার বাবার নাম,,,আমার এনআইডি সাথে মিল ছিল না,,,তাই,,,তবে তেমন বেশি না,,,বানানে,,,
আমার ছোট ভাগ্না বয়স ২ বছর।তার চিকিৎসা র জন্য দেশের বাইরে যেতে চাচ্ছিলাম এবং সবার পাসপোর্ট এর জন্য ঘুস চেয়েছে।সবার জন ঘুষ দিলেও বাচ্চার জন্য দেইনাই তাই বাচ্চার পেশা ভুল ধরে এবং তার জন্য ও টাকা নেয়
আমার পুলিশ ভেরিফিকেশনের সব কাগজ পত্র ঠিক ছিলো; তবুও এসবি অফিসের লোক, তার সব কলিগের সামনেই নাস্তার টাকা খোজে. আমি ঝামেলা এড়ানোর জন্য 200 দিতে চাইলে নিচ্ছিলো না, পরে 500 দিতে হয়. সেখানে সবাই ঘুষ খায়, সে নির্লিপ্তভাবেই চেয়েছিল; আমি প্রতিবাদ করলে বরং হয়রানি হতাম.
নতুন পাসপোর্ট করতে বিগত ১৪ মে, ২০২৬ আমি সিরাজগঞ্জ আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিসে যাই, সেখানকার কর্তব্যরত আনসার আমার থেকে ৫০০/- টাকা দাবি করে। তার ভাষ্যমতে, ৫০০/- না দিলে ফাইল ঠিক টাইমে প্রসেসিং হবে না। যথাযথ সময়ের থেকে দেরী হবে। পরবর্তীতে আমি আমার পরিচিত এক ভাই যিনি পাসপোর্ট অফিসে কর্মরত তার থেকে নিশ্চিত হই যে, ঐ আনসার সদস্য ঘুষ দাবি করেছে এবং টাকার সাথে ফাইল প্রসেসিং এর কোনো সম্পর্ক নেই।
আগের পাসপোর্ট এর সাথে জন্ম তারিখ এর মিল না থাকায় এই টাকা দাবি করা হয়। না দিলে পাসপোর্ট এর ফাইল জমা দেওয়া হবে না। তখন বাধ্য হয়ে দিতে হয়েছে কারণ ১.৫ মাস পরে ফ্লাইট।
যে কোনো নতুন পাসপোর্ট বানাতে বা রিনিউ করতে গেলে এই টাকা দেওয়া লাগে। তাছাড়া কাজ হয় না। টাকা আগে পরে কাজ। না হলে ৭-৮ দিন পর ডাকে। সাধারণ মানুষকে ঘুরাই।
না দিলে করে দিবে না দেখে দিতে হয়ছে। যদিও ফরম submission এর সময়ও অনেক ঝামেলা করছিলো টাকা খাওয়ার জন্য ।
জি,যথাযথ কাগজ নিয়ে গেলেও বলে আপনার কাগজে ঝামেলা আছে পরে আসুন,, কিছুক্ষণ পর দালালকে ১৫০০টাকা দিলে,, আর ঝামেলা না দেখিয়ে ফাইল রিসিব করে,, এবং কাজ সম্পাদন হয়,,, মোবাইল —
নতুন পাসপোর্ট করতে পুলিশ ভেরিফিকেশনে ১০০০ টাকা এবং পাসপোর্ট অফিসে ১২০০ টাকা দিতে হবে বলে জানিয়েছে।
পাসপোর্ট নিতে গিয়ে ৯০০০ টাকা ঘুস চাইছে
In June 2026, I applied for a new passport at the Rajshahi Passport Office. Although I completed every legal step and provided all required documentation, I was initially subjected to unnecessary delays and conflicting information. I had to visit the office repeatedly over several days. After much persistence, they finally accepted my application. While the initial process was frustrating, some staff members later demonstrated exemplary behavior."
আমি এবং এখানে যেই পাসপোর্ট করেছে সর্বনিম্ন 1300 টাকা ঘুষ ব্যতীত কোন ফাইল যায় না আমাদের ডকুমেন্ট সবকিছু ঠিক থাকলেও বারবার বারবার শুধু ভুল দেখায় পাসপোর্ট অফিসার পাসে কয়েকটি কম্পিউটার এর দোকান আছে এরাও এদের সাথে জড়িত আছে ওদের ওদের মাধ্যমে টাকা চাওয়া হয় 1300 টাকা দিছি সব কিছুই ঠিক হয়ে গেছে এই ঘুষ বাংলাদেশ থেকে কবে বন্ধ হবে আমি চাই এই কাজটি দ্রুততার সাথেই বন্ধ করা হোক লালমনিরহাট পাসপোর্ট অফিসের বেহাল দশা
আমি এখন দেশের বাহিরে পড়াশোনা করছি, ২০২০ এর ঘটনা মুন্সিগঞ্জ পাসপোর্ট অফিসে গেলে আমার এপ্লিকেশনে দালাল দের মার্ক না থাকায়, তা ফেরত দেয়া হয়, এবং তথাকথিত চ্যানেলের মাধ্যমে আবেদন করতে বলা হয়। যাতে ৫০০০ টাকা এক্সট্রা লেগেছিল। এছাড়াও পুলিশ ভেরিফিকেশনে ঘুষ দিতে অস্বীকার করায় আমার আবেদন টানা ৩ বার রিজেক্ট করে দেয়া হয়।
নিয়ম অনুযায়ী ফরম জমা দিতে গেলে বারবার ফেরত পাঠায় বিভিন্ন ডকুমেন্টস চায়,যাদের মাধ্যমে ফর্ম পূরণ করা হয়ছে তারা আগেই বলে জমা নিবে না টাকা না দিলে পরে বাধ্য হয়ে দিতে হয়ছে।আমার মতো সবার অবস্থা সেম ঘটেছে।
প্রথমদিন যাওয়ার পর ১.৫ ঘন্টা লাইনে দাড়ানোর পর সব কাগজপত্র থাকার পর ও বলেছিলো NID কার্ডের অনলাইন কপি লাগবে। পরেরদিন অনলাইন কপি সহ আবার ১.৫-২ ঘন্টা লাইনে দাঁড়িয়ে উপরে যাওয়ার পর বলে এখন চেয়ারম্যান সার্টিফিকেট লাগবে। নিচে যেয়ে একজন আন্সার কে ধরলে সে ২৫০০ টাকা দাবী করে। ওই টাকা দেওয়ার পর NID কার্ডের অনলাইন কপি ও লাগেনি। পাসপোর্ট রিনিউয়ালের ছবি তুলতেও ৩০ মিনিটের বেশি লাগেনি