লাইসেন্স
১০০০ টাকা দিলে কাজ হয়ে যাবে
18,531 bribery reports filed by citizens — search, filter, and switch between list and grid.
১০০০ টাকা দিলে কাজ হয়ে যাবে
আনুমানিক ২০১৯ সালে ফেনী পাসপোর্ট অফিসে সব কাগজপত্র জমা দেওয়া সত্ত্বেও কর্তৃপক্ষ তা জমা নিতে অস্বীকৃতি জানায়। পরবর্তীতে সেখানকার সিন্ডিকেটের মাধ্যমে ফেনী শহরের ভেতরের এক দালাল দ্রুত পাসপোর্ট বানিয়ে দেওয়ার কথা বলে ৩,০০০ টাকা নেয়।
আমার ছোট ভাগ্না বয়স ২ বছর।তার চিকিৎসা র জন্য দেশের বাইরে যেতে চাচ্ছিলাম এবং সবার পাসপোর্ট এর জন্য ঘুস চেয়েছে।সবার জন ঘুষ দিলেও বাচ্চার জন্য দেইনাই তাই বাচ্চার পেশা ভুল ধরে এবং তার জন্য ও টাকা নেয়
আমি পাসপোট নবায়ন করতে জাই, আমাকে নানা কারন দেখিয়ে আমার ফাইলটি ফেত দেয় বারবার,আমি বাহিরে আসলে আমাকে একজন আনসার ইশারা করে বলে আমি করে দিতে পারবো টাকা লাগবে 2000 হাজার
না দিলে করে দিবে না দেখে দিতে হয়ছে। যদিও ফরম submission এর সময়ও অনেক ঝামেলা করছিলো টাকা খাওয়ার জন্য ।
নরসিংদী আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিসে পাসপোর্টের আবেদন জমা দিতে গিয়ে হয়রানি ও অনিয়মের অভিযোগ রয়েছে। কাগজপত্র ও তথ্য ঠিক থাকার পরও আবেদনকারীকে এক কক্ষ থেকে অন্য কক্ষে পাঠানো, “আবেদন হয়নি” বা “বড় স্যারের কাছ থেকে ভেরিফাই করে আসেন”—এ ধরনের কথা বলা হয়, অভিযোগ অনুযায়ী, সংশ্লিষ্ট কক্ষে যাওয়ার পর আবার বাইরে থেকে নতুন করে আবেদন করে আনতে বলা হয়। আবেদন জমা নেওয়ার পরও দীর্ঘক্ষণ বসিয়ে রেখে “সার্ভার সমস্যা” দেখিয়ে পরের দিন আসতে বলা হয়। সবচেয়ে গুরুতর অভিযোগ হলো, অফিসের বাইরে থাকা কিছু আনসার সদস্যের মাধ্যমে ৫০০–৭০০ টাকা দাবি করা এবং টাকা দিলে দ্রুত কাজ করে দেওয়ার প্রস্তাব দেওয়া। এমনকি টাকা দেওয়ার পর অল্প সময়ের মধ্যেই বায়োমেট্রিক সম্পন্ন করে দেওয়ার হয়!
নতুন পাসপোর্ট করতে বিগত ১৪ মে, ২০২৬ আমি সিরাজগঞ্জ আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিসে যাই, সেখানকার কর্তব্যরত আনসার আমার থেকে ৫০০/- টাকা দাবি করে। তার ভাষ্যমতে, ৫০০/- না দিলে ফাইল ঠিক টাইমে প্রসেসিং হবে না। যথাযথ সময়ের থেকে দেরী হবে। পরবর্তীতে আমি আমার পরিচিত এক ভাই যিনি পাসপোর্ট অফিসে কর্মরত তার থেকে নিশ্চিত হই যে, ঐ আনসার সদস্য ঘুষ দাবি করেছে এবং টাকার সাথে ফাইল প্রসেসিং এর কোনো সম্পর্ক নেই।
পাসপোর্ট করার জন্য দালালের মাধ্যেমে 8000 হাজার টাকা দিয়ে করিয়েছি। দালাল ছাড়া গেলে হয়রানি করে। কাগজপত্র শর্ট ইত্যাদি কথা বলে।
দালাল এর মাধ্যমে কেননা সময় মত পাস্পোর্ট পাব না! তারা তাদের অনলাইন আবেদন কপির মাধ্যমে গোপন কোড লিখে দেয়!
নতুন পাসপোর্ট করতে গেলে ফাইল জমা নেয়ার সময় বলে ফরমের এখানে ভুল, ওখানে ভুল, ঠিক করে নিয়ে আসো। দ্বিতীয় বার গেছে আরও নতুন করে গেলে বলে আবারও বলে এটা ঠিক করে নিয়ে আসো, ওটা হবে না ইত্যাদি। তাই বাধ্য এক দালাল ধরে ৩৩০০ টাকা বেশী দিয়ে পাসপোর্ট করেছি।
Nid কার্ডের আমার বাবার নাম — ছিলো আর আমার বাবার Nid কার্ডে — শুধু মাত্র ইংরেজি একটি অক্ষর Z আর J. এর জন্য টাকা দিয়ে করাতে হয়েছিল
পার্সপোট অফিসে সরাসরি টাকা নেয় না।অফিসের লোক শুধু আবেদন পত্রে ভুল ধরার ফাদ পেতে থাকে।ভুল ধরতে পারলেই টাকা।অবাক করার বিষয় হলো পার্সপোট অফিসের সরাসরি ঘুষ খায় না।মাধ্যম হয়ে খায়।সারা বাংলাদেশের যতো কম্পিউটারের দোকান আছে যারা পার্সপোট এর আবেদন করে দেয় তাদের সাথে যোগসাজশে কাজ গুলো সংগঠিত হয়ে থাকে।২০২১ সালে যখন আমি প্রথম পার্সপোট করতে যাই দালাল ছাড়া করতে গেয়েছিলাম অহেতুক হয়রানি হয়ে কম্পিউটারে দোকানে বাড়তি ২০০০ টাকা ঘুষ দিয়ে আবেদন জমা দিয়েছিলাম। এবার ২০২৬ সালে আগে থেকেই ঘুষের টাকা রেডি করে রাখছিলাম যাতে ভোগান্তি পোহাতে না হয়।যে কথা সেই কাজ কোন ঝামেলা হয় নাই।আগেই কম্পিউটার এর দোকানে ২০০০ টাকা দিয়া আসছিলাম।আমি শুধু অফিসে যেয়ে বাকি কাজ গুলো করে এসেছি।আমার আশা সরকার যদি কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণ করে।
জি,যথাযথ কাগজ নিয়ে গেলেও বলে আপনার কাগজে ঝামেলা আছে পরে আসুন,, কিছুক্ষণ পর দালালকে ১৫০০টাকা দিলে,, আর ঝামেলা না দেখিয়ে ফাইল রিসিব করে,, এবং কাজ সম্পাদন হয়,,, মোবাইল —
নানান অজুহাত দেখিয়ে ঘুরানোর পর দালারের মাধ্যমে জমা দেওয়া
In 2022, I applied for my first passport at the Thakurgaon Sadar Regional Passport Office. Although I submitted all required documents correctly, the passport officer rejected my first application because my e-challan had “Md” without a dot, following the bank officer’s advice. I reapplied with “Md.”, only to be questioned again by the same officer about the dot. I later discovered that the officer was reportedly refusing applicants who had not applied through a nearby photocopy shop, where applicants were required to pay extra cash. I was ultimately forced to pay the amount to have my application accepted.
মাদারীপুর নিজ এলাকায় পাসপোর্টের ছবি তুলতে যাই, দিনটি ছিল বৃহস্পতিবার। ছবি তুলে ঢাকায় ফিরতে হবে। তাই সকাল সকাল গিয়েছিলাম। এবং সিরিয়াল প্রথম ৫ এই ছিলাম। যে ভদ্রলোক ফিঙ্গার নিয়েছে,, উনি বারবার বলতেছে লেবু ঘষে আসুন,, আপনার ফিঙ্গার নিচ্ছে না। এইভাবে আমাকে বিকেল প্রর্যন্ত নিয়ে গেছে। তখন বয়স কম হওয়াতে অনেক কিছু বুঝিনি। শেষমেশ যখন বুঝতে পেরেছি, ফোনে ভয়েস রেকডিং করে নিয়ে এসেছিলাম। কিন্তু মজার ব্যাপার হলো, সেই টাকাটা পাসপোর্ট হাতে পাবার পরে,, রেকডিংয়ের ভয় দেখিয়ে তুলে নিয়ে এসেছিলাম। ২য় টি, উত্তরা আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিসে। ২/৩ ঘন্টা লাইনে দাড়ানোর পরে, প্রত্যাক্ষিত হয়েছি, বলা হলো আপনার পার্মানেন্ট জেলায় গিয়ে করতে হবে। বের হলাম,, একজন আনসার সদস্যকে ধরে ২০০০ টাকায় রফাদফা করলাম, ৫ মিনিটে কার্যক্রম ডান।
ট্রেড লাইসেন্স লাগবে। যখন এটা লাগবে না তখন বলে তাহলে টাকা লাগবে। আমি টাকা লাগবে কেন? শেষ পর্যন্ত পরিচালকের সাথে কথা বলে উদ্ধার হই।
গ্রামের বাড়িতে পাসপোর্টের ভেরিফিকেশনে থানার অফিসার বিকাশে ১০২০ টাকা চেয়েছিল; ঝামেলা করবে বলে তাকে ৫০০ টাকা পর্যন্ত নগদে অফার করা হয়েছিল, সে নেয় নাই। সে বিকাশেই ১০২০ নিবে। ২ মাসের বেশি আটকে ছিল ভেরিফিকেশন।
আমি এখন দেশের বাহিরে পড়াশোনা করছি, ২০২০ এর ঘটনা মুন্সিগঞ্জ পাসপোর্ট অফিসে গেলে আমার এপ্লিকেশনে দালাল দের মার্ক না থাকায়, তা ফেরত দেয়া হয়, এবং তথাকথিত চ্যানেলের মাধ্যমে আবেদন করতে বলা হয়। যাতে ৫০০০ টাকা এক্সট্রা লেগেছিল। এছাড়াও পুলিশ ভেরিফিকেশনে ঘুষ দিতে অস্বীকার করায় আমার আবেদন টানা ৩ বার রিজেক্ট করে দেয়া হয়।
নিয়ম অনুযায়ী ফরম জমা দিতে গেলে বারবার ফেরত পাঠায় বিভিন্ন ডকুমেন্টস চায়,যাদের মাধ্যমে ফর্ম পূরণ করা হয়ছে তারা আগেই বলে জমা নিবে না টাকা না দিলে পরে বাধ্য হয়ে দিতে হয়ছে।আমার মতো সবার অবস্থা সেম ঘটেছে।