পার্সপোর্ট করা
ফ্রম নিজে পূরণ করে নিজে জমা দেয়াই, ভূল হইছে বলে বাতিল করে, পরে পরবর্তীতে ৬৫০০ দফা রফায় ইন্সট্যান্ট ছবি তুলে ১০দিনের ভিতর পার্সপোর্ট ডেলিভারি দেই।
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৭,৭৪৩ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
ফ্রম নিজে পূরণ করে নিজে জমা দেয়াই, ভূল হইছে বলে বাতিল করে, পরে পরবর্তীতে ৬৫০০ দফা রফায় ইন্সট্যান্ট ছবি তুলে ১০দিনের ভিতর পার্সপোর্ট ডেলিভারি দেই।
আমার পাসপোর্টের ভেরিফিকেশনের জন্য নিযুক্ত কর্মকর্তা আমার সকল কাগজ-পত্র ও তথ্য সঠিক থাকা সত্ত্বেও আমার কাছে ১০০০/- টাকা চা নাস্তা বাবদ বিল চেয়েছিলো। আমি দিতে অস্বীকার করায় উনি রাগ দেখান ও উল্টা পাল্টা ভয় দেখানোর চেষ্টা করেন। পরবর্তীতে আমি ৫০০/- টাকায় উনার হাত থেকে মুক্তি পাই।
আমি পাসপোর্ট করতে গিয়ে এ হয়রানি হয়েছিল কারন কর্মকর্তা আামার সব সঠিল ফাইল থাকার পরও ওনি বললেন এটা হবে না ওটা আনতে হবে ,তার পর দালালের মাধ্যমে আমাকে বলছে যে ৫০০০ হলেই সব ঠিক ,
নিউ পাসপোর্ট করার সময় আমাকে অযথা কিছু কাগজ নেই বলে ফিরিয়ে দেয় অফিসার। তারপর আনসারকে ২৫০০ টাকা দিয়ে আমি পাসপোর্টটা করি। ওই আনসার র সাথে পাসপোর্ট অফিসের লোকেরা জড়িত। এটা কদমতলী যাত্রাবাড়ী পাসপোর্ট যৌন অফিস।
আমি ঢাকা শহরে থাকি। ঢাকায় আমার বর্তমান ঠিকানা আর নওগাঁয় আমার স্থায়ী ঠিকানা। ভেরিফিকেশন এর সময় ঢাকায় চা পানি বলে মুলিয়ে মালিয়ে ৫০০ নিয়েছে নইলে দেরী হবে এই হবে সেই হবে। আর নওগাঁয় ঠিকানায় না গিয়ে অফিসে ডেকে সরাসরি বলেছে যাদের পাস্পর্ট অন্য বিভাগে বা অন্য জেলায় ৪৫০০ করে জমা করে নিশ্চিন্তে চলে যান। নইলে একটাও আগাবে না। (সাল - ২০২৪)
Passport renewal extra money 2000/-
নারায়ণগঞ্জ পাসপোর্ট অফিস এ দালাল ছাড়া হয় না আর হলেও অনেক সময় লাগে শুধু ঘুরায় আমি নিজে 1800 টাক
পাসপোর্ট লাইনে দাড়ায়া হবে না তাই বলল পনেরশো টাকা দেন
আমি পাসপোর্ট পুলিশ ভেরিফিকেশন করতে গেলে চা নাস্তা বাবদ ৪০০০ টাকা দাবি করে পরে আমি ১৫০০ টাকা দেই দেন আমাকে ভেরিফিকেশন করে দেন
আমাকে তাড়াতাড়ি করে দিবে বলেছে। কোন হ্যাসল হবে না এসব বললো।
আসলে পাসপোর্ট অফিসে যাওয়ার পর আমার থেকে বিভিন্ন ধরনের কাগজপত্র চেয়েছিল কিন্তু আমার কাছে কতগুলো কাগজ ছিল না হয়তোবা তারা টাকা নেওয়ার জন্যই এতগুলো কাগজের কথা বলেছিল যেগুলো লাগত না সেগুলোও বলেছিল পরে আমার একটা আনসার বাহিনীর লোকের সাথে দেখা হয় সে ছিল উপরে যেখানে কোন সিসিটিভি ক্যামেরা ছিল না সে আমার সাথে ১৫০০ টাকার চুক্তি করে কিন্তু শেষমেষ আমি ১ হাজার টাকায় রাজি হই এবং সেও রাজি হয়
আমার নাম শুধু — / কিন্তু পাসপোর্ট এ কিন্তু দ্রুত নাম শেষ নাম দিতে হই আমি দ্রুত নাম এস.এম. আর শেষ নাম — দিয়াচি পুরন হয় গেলে আক জাইগা কোলে এসে তাই — না হয় —(—) এ রোকম হোয়েসে থেকে নাম a ta dekhale passport ofice polat a red color astece hobe na bole dice আমি বললাম একন আমার করোনিও কি সে এক কথা বলেতেসে এক মানুষ আসে পাশে তাই সে এক দুকান আর কথা বলে যে ওয় দুকান থেকে আবেদন ভালো লাগে আনো স্যার আর থেকে তাই কোরে আনো কোরে দিবানি আমি বুজতে পেরে ওই দুকান এ না যেয়ে অন্নো দুকান থেকে কোরে নে আয়চি আমার কাজ 100 টাকা আমি হয় গেসে oi dukan a gele amar minimum 1000 tk lagto pore sunlam ak jon ar kace amar sathe kotha bolar somoi aunno ak jon ar kaj kortacilo de
আগে যখন নতুন পাসপোর্ট করার জন্য পুলিশ ভেরিফিকেশন সিস্টেম ছিল। তখন নতুন পাসপোর্ট এর জন্য আবেদন করি এবং পুলিশ ভেরিফিকেশন প্রক্রিয়াটি হয়। পুলিশ ভেরিফিকেশনে যে অফিসার ছিল তারা আমার কাছ থেকে ৭০০ টাকা দাবি করেছিল এবং বলেছিল এই ৭০০ টাকা না দিলে আমার ফর্ম ঢাকাতে যাবে না। কোন উপায় না দেখে আমাকে এই ৭০০ টাকা দিতে হয়েছিল এবং তারপরেই আমার ফর্মটা ঢাকাতে পৌঁছে ছিল এবং আমি পাসপোর্ট হাতে পায়।
আমি একজন প্রাইভেট প্রতিষ্ঠানে চাকরি করতাম তাই প্রফেশনাল সেল্ফ ইম্পলোয়েড দিয়েছিলাম। ওইটার ভুল ধরিয়ে বলে হবে না। ঠিক করে নিয়ে আসেন আর ওরা জানে যে ঠিক করা যায় না। পরে বাইরে দালাল রাই বললো ১৫০০ টাকা দেন সব ঠিক। পরে টাকা দিলাম ভিতরে গেলাম দেখি ফোন দিয়ে দালাল বলে দিছে তাই আমার নাম লিখে রাখছে পরে পাসপোর্টের ফিংগার নিছে।
পাসপোর্ট করার জন্য, নরসিংদী আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিসে টাকা দিতে হয়ছে ব্যাংক ড্রাইব থেকে ১৫০০ টাকা বেশি দিতে হয়।
আমার এম আর পি পাসপোর্ট আমার জন্ম নিবন্ধন জমা দিছি সে আইডি কার্ড চাইছে। এ ছাড়া হবেনা। কিন্তু দালাল ঠিক করে দিছে।
আমি পাসপোর্ট করাবো এজন্য পাসপোর্ট অফিসে গিয়েছিলাম পাসপোর্ট খুব দ্রুত করাবে এজন্য ১০ হাজার টাকা অতিরিক্ত চেয়েছিল। পরবর্তীতে আমার পাসপোর্ট করানো হয়নি আর
আমি পাসপোর্ট করতে গিয়েছি পাসপোর্ট করার জন্য উক্ত টাকা দাবি করে না হলে নানান ভুলত্রুটি ধরে পরে টাকা পরিশোধ করার পরে আর কোন ভুল ধরে নাই এবং পাসপোর্ট হাতে পেয়ে যায়
নতুন পাসপোর্ট ইস্যু করার জন্য
আমি একজন প্রবাসি, এম্বাসিতে ও এত কষ্ট হয়না যতটুকু কষ্ট হচ্ছে নিজ শহর কিশোরগঞ্জে সেবা নিতে। পাসপোর্ট রিনিউ করতে এসে আমার এই পেপার অই পেপার্স এটা সেটা লাগবে সব কিছু দেয়ার পর বলে অর্জিনিয়াল লাগবে। এখন আমার NID অর্জিনিয়াল কপি নির্বাচন কমিশনে যদি থাকে আমিতো PDf কপিই দেখাতে হচ্ছে। আমার মেরিড স্টেটাস মেরিড দেখানোর জন্যে কাবিন নামা কপি দিয়েছি তারা সেটাও মানেনি, আবার পরিচালককে রিকোয়েস্ট করেছি তিনিও কাজটি করে দেয়নি। বাহিরে দালালরা বলতেছে ভাই ১৫০০ টাকা দিন কাজ হয়ে যাবে নো টেনশন এমন সমস্যা আমি নয় বহু লোকের সাথেই হচ্ছে মানুষজন কেউ সমস্যার প্রতিবাদ করতে সাহস পাচ্ছেনা ঝামেলায় না ঝরিয়ে ১৫০০-২হাজার বড় সমস্যা ৫/১০/১৫/২০ হাজার পর্জন্ত গড়াচ্ছে ঘোষের ফাইল। আমার মত সেবাগ্রহীর সাথে আলাপ করে এমনটি জানা যায়।