passport renewal l
1000 taka na dile passport renewal kore na.
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৮,৫৩১ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
1000 taka na dile passport renewal kore na.
পাসপোর্ট করার জন্য, নরসিংদী আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিসে টাকা দিতে হয়ছে ব্যাংক ড্রাইব থেকে ১৫০০ টাকা বেশি দিতে হয়।
আমি পাসপোর্ট করাবো এজন্য পাসপোর্ট অফিসে গিয়েছিলাম পাসপোর্ট খুব দ্রুত করাবে এজন্য ১০ হাজার টাকা অতিরিক্ত চেয়েছিল। পরবর্তীতে আমার পাসপোর্ট করানো হয়নি আর
আমার নাম শুধু — / কিন্তু পাসপোর্ট এ কিন্তু দ্রুত নাম শেষ নাম দিতে হই আমি দ্রুত নাম এস.এম. আর শেষ নাম — দিয়াচি পুরন হয় গেলে আক জাইগা কোলে এসে তাই — না হয় —(—) এ রোকম হোয়েসে থেকে নাম a ta dekhale passport ofice polat a red color astece hobe na bole dice আমি বললাম একন আমার করোনিও কি সে এক কথা বলেতেসে এক মানুষ আসে পাশে তাই সে এক দুকান আর কথা বলে যে ওয় দুকান থেকে আবেদন ভালো লাগে আনো স্যার আর থেকে তাই কোরে আনো কোরে দিবানি আমি বুজতে পেরে ওই দুকান এ না যেয়ে অন্নো দুকান থেকে কোরে নে আয়চি আমার কাজ 100 টাকা আমি হয় গেসে oi dukan a gele amar minimum 1000 tk lagto pore sunlam ak jon ar kace amar sathe kotha bolar somoi aunno ak jon ar kaj kortacilo de
আমার এম আর পি পাসপোর্ট আমার জন্ম নিবন্ধন জমা দিছি সে আইডি কার্ড চাইছে। এ ছাড়া হবেনা। কিন্তু দালাল ঠিক করে দিছে।
আগে যখন নতুন পাসপোর্ট করার জন্য পুলিশ ভেরিফিকেশন সিস্টেম ছিল। তখন নতুন পাসপোর্ট এর জন্য আবেদন করি এবং পুলিশ ভেরিফিকেশন প্রক্রিয়াটি হয়। পুলিশ ভেরিফিকেশনে যে অফিসার ছিল তারা আমার কাছ থেকে ৭০০ টাকা দাবি করেছিল এবং বলেছিল এই ৭০০ টাকা না দিলে আমার ফর্ম ঢাকাতে যাবে না। কোন উপায় না দেখে আমাকে এই ৭০০ টাকা দিতে হয়েছিল এবং তারপরেই আমার ফর্মটা ঢাকাতে পৌঁছে ছিল এবং আমি পাসপোর্ট হাতে পায়।
নতুন পাসপোর্ট ইস্যু করার জন্য
আমি পাসপোর্ট করতে গিয়েছি পাসপোর্ট করার জন্য উক্ত টাকা দাবি করে না হলে নানান ভুলত্রুটি ধরে পরে টাকা পরিশোধ করার পরে আর কোন ভুল ধরে নাই এবং পাসপোর্ট হাতে পেয়ে যায়
আসলে পাসপোর্ট অফিসে যাওয়ার পর আমার থেকে বিভিন্ন ধরনের কাগজপত্র চেয়েছিল কিন্তু আমার কাছে কতগুলো কাগজ ছিল না হয়তোবা তারা টাকা নেওয়ার জন্যই এতগুলো কাগজের কথা বলেছিল যেগুলো লাগত না সেগুলোও বলেছিল পরে আমার একটা আনসার বাহিনীর লোকের সাথে দেখা হয় সে ছিল উপরে যেখানে কোন সিসিটিভি ক্যামেরা ছিল না সে আমার সাথে ১৫০০ টাকার চুক্তি করে কিন্তু শেষমেষ আমি ১ হাজার টাকায় রাজি হই এবং সেও রাজি হয়
আমি একজন প্রবাসি, এম্বাসিতে ও এত কষ্ট হয়না যতটুকু কষ্ট হচ্ছে নিজ শহর কিশোরগঞ্জে সেবা নিতে। পাসপোর্ট রিনিউ করতে এসে আমার এই পেপার অই পেপার্স এটা সেটা লাগবে সব কিছু দেয়ার পর বলে অর্জিনিয়াল লাগবে। এখন আমার NID অর্জিনিয়াল কপি নির্বাচন কমিশনে যদি থাকে আমিতো PDf কপিই দেখাতে হচ্ছে। আমার মেরিড স্টেটাস মেরিড দেখানোর জন্যে কাবিন নামা কপি দিয়েছি তারা সেটাও মানেনি, আবার পরিচালককে রিকোয়েস্ট করেছি তিনিও কাজটি করে দেয়নি। বাহিরে দালালরা বলতেছে ভাই ১৫০০ টাকা দিন কাজ হয়ে যাবে নো টেনশন এমন সমস্যা আমি নয় বহু লোকের সাথেই হচ্ছে মানুষজন কেউ সমস্যার প্রতিবাদ করতে সাহস পাচ্ছেনা ঝামেলায় না ঝরিয়ে ১৫০০-২হাজার বড় সমস্যা ৫/১০/১৫/২০ হাজার পর্জন্ত গড়াচ্ছে ঘোষের ফাইল। আমার মত সেবাগ্রহীর সাথে আলাপ করে এমনটি জানা যায়।
পাসপোর্ট নবায়ন এর জন্য গিয়েছিলাম সিরাজগঞ্জ পাসপোর্ট অফিসে। সকল কাগজ দেয়ার পর, অনারা আগের পাসপোর্ট দেখে নবায়ন আবেদন রিজেক্ট করেন। কারণ আইডি কার্ডে আমার নামের প্রথমে (মোঃ) নাই, কিন্তু আগের পাসপোর্ট এ আছে। আমাকে জজ কোর্টে যেয়ে এফিডেভিড করে আনতে হয়েছে। অফিসার কে রিকুয়েস্ট করে, পাসপোর্ট নবায়ন আবেদন জমা দিলাম। তারপর দীর্ঘ ৩ মাস কোনও খবর নেই। আমি অফিসে গেলে, অনারা বলল কাজ চলছে, আরও কিছুদিন পর এসে খোজ নিয়েন। বার বার যেতে যেতে ৬ মাস হয়ে গেলো, তখন একজন লোক (দালাল) বলল, আপনার নবায়ন আবেদন ফেলে রাখা হয়েছে, ১০ হাজার টাকা দিলে, ৩ দিনের ভিতরে কাজ হয়ে যাবে। টাকা দেয়ার পর চলে আসলাম। দ্বিতীয় দিনেই মেসেজ আসলো, পাসপোর্ট হয়ে গেছে।
ফিংগার ও চোখের স্ক্যানের জন্য জন প্রতি ৫০০ থেকে ১২০০ টাকা নিয়েছে। যখন ছোট্ট কক্ষে ফিংগার নেওয়া হয় তখন ওখানের একজন থাকে যে টাকা চেয়ে নেয়।
২০২২ সালে আমার পাসপোর্ট যখন নবায়ন করা হয় তখন ডেলিভারি আনতে পাসপোর্ট অফিস মনসুরাবাদ গিয়েছিলাম চট্টগ্রামে অনেক কষ্টে লাইন ধরেছিলাম কিন্তু খেয়াল করলাম আমাদের সিরিয়াল আসতে আসতে কোথ থেকে যেন হঠাৎ অন্যান্য মানুষের নাম ভেসে আসে যারা লাইনে দাঁড়ায় নাই সকাল গড়িয়ে দুপুর হয়ে গেল তখন আবার ভার্সিটিতে পরীক্ষা আছে কিছু করতে না পেরে একজন পুলিশ ভদ্রলোক এর সাথে দেখা হয় দেখলাম তিনি সবার কাগজপত্র নিয়ে দৌড়াদৌড়ি করছেন ভদ্রলোক আমার চাহনি দেখে জিজ্ঞাসা করলেন কি সমস্যায় পড়ছেন বলেন আমি সব খুলে বললাম যে দেরি হয়ে যাচ্ছে পরীক্ষা আছে তিনি ৭০০ টাকা চাইলেন পরবর্তীতে স্টুডেন্ট বলে নেগোসিয়েশনের মাধ্যমে ৪০০ আনা হলো এবং তাকে টাকা দিলাম অবাক হয়ে গেলাম মাত্র ৮ মিনিট লাগলো আমার পাসপোর্ট পেতে!
পুলিশ দাবি করে আমার ডিভোর্স লেটার কোই অথচ আমার বিয়েই হয়নি, কিন্তু পুলিশ বলে না ডিভোর্স পেপার লাগবে
মাগুরা পাসপোর্ট অফিস এর সকল কর্মকর্তা ঘুষখোর
না দিলে ঘুরায়। পাসপোর্ট এর আবেদন পত্র নিয়ে ঘুরাবে। তাই টাকা দিয়ে করিয়েছি। কোনো ভুল বা মিথ্যা ডকুমেন্ট ছিলো না।
অনেক কিছু শশযযরঠররঠরঠরঠযঠঠযনঠনঠনঠনঠণ
New passport korar Jonno application nijei joma dite jai. But amar application e bhul ase bole amar application joma neina. Pore 2000 tk die same application joma nei
বাসায় ভেরি ভীষণ করতে আসছিল পাসপোর্ট অফিসে পাসপোর্ট রিনিউ করার জন্য জমা দেওয়ার পরে ভাষাতে পুলিশ হিসেবে ভেরিফাই করতে আসছিল তাকে আমাকে তিন হাজার টাকা দেওয়া লাগছিল
পাসপোর্ট অফিসে গিয়ে পাসপোর্ট করতে গিয়েছিলাম রিজেক্ট করেছে পরবর্তীতে আনসার ছিল যার করে দেওয়ার করেছিল তো আমি আরো চার বার ঘোরার পরে আমি আমার পাসপোর্টটি রিনিউ করতে সক্ষম হয়েছিলাম টোটাল আমার প্রায় ৭ মতো পাসপোর্ট অফিসে যাওয়া লাগছিল তাই ভুল দ্বিতীয় সপ্তাহে ভুল এই কাগজ নেই ওই কাগজ নেই এখান থেকে সংশোধন পরবর্তীতে আর সময় টিমের সাংবাদিক — তার পরিচয় দেওয়ার পরের দিন জমা নিয়েছেন।