17,326 bribery reports filed by citizens — search, filter, and switch between list and grid.
পাসপোর্ট করতে বাড়তি ১২০০-১৮০০ টাকা দিতে হয় দালাল কে না হলে কতো রকম সমস্যা। আমাকে বলে আপনার ফাইল সাবমিট হয়নি যে পুরন করছে তাকে ফোন দেন।বাহিরের দোকানে যেয়ে সাবমিট করেন ইত্যাদি কতো রকম বাহানা। সাবমিট হয়েছে বল্লে বলর বেশি বুঝেন বসেন সাবমিট হলে আপনাকে ডাকবো।পরে আমি যখন একটু যোর গলায় বল্লাম সমস্যা কী আপনাদের আমার ফরম সাবমিট না হলে একটু লিখে দেন ফরম সাবমিট হয়নি।আর আমার কাগজ ফিরিয়ে দেন তখন আমার কাগজ এপ্রুফ করে।
অনলাইনে আমি নিজেই পাসপোর্ট এর জন্য আবেদন করি। আমার আবেদন ফরমে আমার কোন তথ্যে ভুল ছিল না। আবেদন ফরমের সঙ্গে উল্লেখিত প্রয়োজনীয় ডকুমেন্টসহ যখন আমি কাউন্টারের জমা করি, তখন তারা বিভিন্ন ধরনের অপ্রাসঙ্গিক নথিপত্র চেয়ে বসে। প্রেসার প্রমাণ পত্র, বিবাহিত হলে কাবিননামা ইত্যাদি ইত্যাদি। ডকুমেন্টগুলো সংগ্রহ করে নিয়ে যাওয়ার পর আবার শুরু হয় নানা ধরনের তালবাহানা। হতাশাগ্রস্ত হয়ে বাইরে এসে দাঁড়ালাম, পাশে এসে এক লোক দাঁড়ালো এবং দশ হাজার টাকা দাবি করল। এবং নতুন করে আবেদন ফরম তৈরি করে দিল। এখন আর অতিরিক্ত কোন ডকুমেন্ট লাগেনি শুধুমাত্র আবেদন ফরম নিয়ে কাউন্টারে জমা দিলাম। তখন সাথে সাথেই আমার ফিঙ্গারপ্রিন্ট নিয়ে নিল। অতিরিক্ত কোন কথা না বলেই আমাকে ছবি তোলার জন্য অন্য রুমে পাঠিয়ে দিল।
কুমিল্লার পাসপোর্ট অফিসে আমি নিজে করতে চেয়েছিলাম,সত্যায়িত করা সহ আমাকে ৪ বার ফেরত পাঠানো হয়েছিলো।শেষে পাসপোর্ট অফিসের বাহিরে ফটোকপির দোকানদারদেরকে ২ হাজার টাকা দেওয়ার পর তারা একটি ছোট স্টিকার লাগিয়ে দিয়েছে,আর কাগজ গুলা সিরিয়াল করে দিয়েছিলো।এগুলা পরে সিরিয়ালে জমা দেওয়াতে ইজিলি প্রাথমিক ভ্যারিফিকেশন হয়ে গেলো,আর স্টিকারটাও ওরা রেখে দিলো। তাছাড়া সিরিয়াল অনেক বড়ো থাকতো,যারা আনসারকে ৫০০ টাকা দিতো,তাদেরকে আগেই ঢুকার সুযোগ করে দিতো।পুরা পাসপোর্ট অফিস করাপ্টেড,বাহিরে যে চেক করে ঢুকায় সে,আনসার বাহিনী থেকে শুরু করে সবাই।ভিতরের লোকজন জানি না পার্মেন্টেজ পায় কি না,তবে আনসার সদস্য আর বাহিরের চেক কারী সম্পূর্ণ জড়িত। আমার নিজে নিজে পাসপোর্ট করা আর হলো না,এখনও মনে হয় আমি হেড়ে গেছি,হেড়ে গেছি দূর্নীতির কাছে।
অনলাইনে পাসপোর্ট আবেদনের পর পুলিশ ভেরিফিকেশন এর সময় বর্তমান ঠিকানার থানা থেকে ফোন আসে আমার কাগজপত্র নিয়ে যেতে। সেখানে এক হাজার টাকা রাখে। তারপর আমার স্থায়ী ঠিকানা থেকে একজন ফোন দেয় এবং এবং বিকাশে খরচ পাতি চায়। আমি যেই টাকা অফার করি সেটা শুনে ঘ্যানঘ্যান করে ফোন রেখে দেয়। পরে সেটার দ্বিগুন টাকা করলে আমার ভেরিফিকেশন সম্পন্ন হয়।
জামালপুর জেলা পাসপোর্ট অফিসে কাগজপত্র যাচাইয়ের নামে হয়রানি। টাকা দিলে সবই মানি।
আমি নতুন পাসপোর্ট এর জন্য আবেদন করি, যখন আমি আমার পাসপোর্ট এর ফাইল সাবমিট করি, ওই কর্মকর্তা আমার ফাইলটি দেখার পরে বললেন আমার পেশা পাইভেট সার্ভিস দেয়া হয়েছে ওইটি সংশোধন করে দিতে, তখন আমি তাকে অনেকভাবে বুঝানোর চেষ্টা করি তিনি আমাকে আমার ফাইল রাখলেন না, তখন আমি পাসপোর্ট অফিসের বাহিরে যাই তখন এক ব্যক্তি আমাকে বললেন কি সমস্যা তখন আমি আমার সমস্যা বললাম তিনি বললেন কোন সমস্যা নাই তখন তিনি দাম বললেন ২০০০ টাকা লাগবে তখন আমি ওনার সাথে দামাদামি করে ১৫০০ টাকা করি, তখন আমি আগেরই ফাইল আবার নিয়ে যাই সবকিছু ঠিকঠাক রেখে কোন সংশোধনী করি নাই তখন অফিসার আমার ফাইলটি গ্রহণ করেন আমাকে আর কোন কিছু প্রশ্ন করেন নাই।
পাসপোর্ট রিনিউ করেন কিংবা নতুন করেন সব অবস্থাতেই পার পাসপোর্ট ১৩০০/১৫০০ দিতে হবে। না হলে এমন এমন ভুল বের করবে যেটা ঠিক করা পসিবল না। যেমন, নাগরিক সনদ অনলাইন লাগবে, অরিজিনাল কাবিন নামা লাগবে, বাবা, মায়ের অরিজিনাল কার্ড শো করাতে হবে ইত্যাদি ইত্যাদি। আর টাকা পে করলে কিছুই লাগেনা। ভুল থাকলেও সেটা চশমার উপর দিয়ে পড়ে সাইন দিয়ে দিবে।।
পাসপোর্ট অফিসে এ গিয়ে দেখি অনেক ভিড়। দীর্ঘ সময় দাঁড়ানোর পর অবশেষে আমার পালা আসলো । আমার nid কার্ড ডিজিটাল না হওয়ায় তারা আমার আবেদন রিজেক্ট করে দেয় । বিষন্ন চেহারায় বাইরে বের হওয়ার সময় কিছু আনসার আমায় বলে আপনার পাসপোর্ট করে দিতে পারব আমরা খুবই স্বল্প সময়ের মধ্যেই । পাসপোর্টের জন্য আমারও খুব তাড়া ছিল, তাই দ্বিধা না করে ১৫০০ টাকার বিনিময়ে আনসার ও অফিসার লোকদের যোগসাজসে আমার পাসপোর্ট আবেদন সফলভাবে সেদিনই সম্পন্ন হয় ,যদিও কিছুক্ষণ পূর্বে ডিজিটাল nid না থাকার কারণে তারাই আমার আবেদন বাতিল করে দিয়েছিল ।
নতুন পাসপোর্ট এর জন্য ঢাকা মোহাম্মদপুর এ। বার বার অফিসে গিয়ে প্রত্যাখ্যাত হয়েছি, বিভিন্ন ধরনের কাগজ আনতে বলে। পরে দালাল দিয়ে সহজেই করে ফেলি।
পাসপোর্ট এপ্লাই করার সময় আমার নামে একটু ভুল হয়েছিল এর জন্য তারা দুই হাজার টাকা দাবি করেছে এবং আমি পরিশোধ করতে বাধ্যক আমি কারণ আমি একজন প্রবাসী আমার হাতে অতটা সময় ছিল না তাই তারা এটাই সুযোগ টা কাজে লাগিয়েছে
প্রথমে স্বাভাবিকভাবে উল্লেখিত ডকুমেন্টস নিয়ে যাই জকা দিতে, তারা নেয় না, বিভিন্ন কারন দেখায়। অথচ গাইডলাইনে যা উল্লেখিত ছিলো সবই আনার সাথে ছিলো। পরবর্তীতে, বের হয়ে আসি, গেট এর বাহিরে লোক দাঁড়ানো ছিলো, আমাকে দেখে সমস্যা জিজ্ঞাস করে। খুলে বললে বলে ৩০০০ টাকা দিতে হবে সব ওকে হয়ে যাবে। জিজ্ঞাসা করলাম আমার তো ডকুমেন্টস চাচ্ছে আরো অনেক কিছু, সেগুলা তো নাই। বলে সমস্যা নাই শুধু টাকা দিবেন সব ওকে। পরে উপায় না পেয়ে রাজি হই। আমাকে বলে ডকুমেন্টসগুলা ২০২২ এ যেয়ে বলবেন ১২০৭ অথবা ৩০০৪ এই টাইপের একটা নাম্বার বলতে বলে। যেভাবে বলে, বলি। এবার সেই একই কর্মকর্তারা আমার ডকুমেন্টস চেইক দেয় কিন্তু কোনো প্রশ্ন নাই। শুধু বললো নাম কি? বললাম পুরা নাম বল্লো ওকে। পরের দিনই পাসপোর্ট রেডি।
Ghotonati younus sorkarer somoy passport korte gesi tara nana rokom documents chay r vul dekhay r bahire computer er dokan ache okhane gele tara choto kore akta number likhe abr akta nirdishto jaygay tik mark dey er por niye gele tara kono kagoj pati dekhe na oidin e finger niye documents submit kore. Dekhe kharap lagsilo 70+ boyosh er ek uncle re tara saradin ghuriyese but taka deyni dekhe finger ney ni sathe aro bolese kisu documents niye ashen. Ami dhaka theke nije kore niye gesilam jantam na bishoy ta amr documents jokhn ferot dilo tokhn ak vai amy deke bolese computer er dokane jan r bistarito bollo
টাকা না দিলে পাসপোর্ট দিতে লেইট হবে বলে দুটি পাসপোর্টের জন্য ১০,০০০/- টাকা নেয় এজেন্ট । এজেন্ট তারপর কাকে টাকা দেয় সেটা জানার চেস্টা করিনি
আমার প্রথম পাসপোর্ট হারিয়ে যাওয়ার কারণে ৩০০০ হাজার টাকা নেয়
Nije Online a application kore Passport office a jai Photo and finger er jonno. Kinto Passport e Nijer barir name dey nai bole reject kore dise. Othocho Barir name deya optional and amar certificate and sob kisur sathe sync rakhte esb deya hoy nai. Othocho pasei oneker passport nicchilo, pore dalal er maddhome 1500tk deyate kono question porjonto kore ni. Passport office manei ritimoto hoyranir ekta jayga. Police k j janabo police o ei chokrer moddhe kaj kore.
আমার মামাতো ভাই পাসপোর্ট করতে গেছিলাম। অনেক হয়রানী করছে। ডিডি — শালা একটা বেশ্যার দালাল। টাকা না খেয়ে দিলোই না।
NOC দেয়ার পরও আমার ফাইল জমা নিচ্ছিলো না। পরে দালালের মাধ্যমে ১৫০০টাকা দিয়ে একই মানুষের কাছে ফাইল জমা দিয়েছি পরের দিন।
২০২৪ এর ঘটনা। পাসপোর্ট নবায়ন এর আবেদন করি অনলাইনে কিন্তু প্রথম appointment মিস করি। অফিসার বল্লো কোন ভাবে সম্ভব না। অনলাইন পোর্টালেও এই ধরনের সমস্যা সমাধানের সহিজ কোন উপায় নেই। দালাল কে ১৫০০টাকা দেয়ার পর ঠিকই সাবমিট করে দিল কোন সমস্যা ছাড়া। এর পর সব সাভাবিক তবে কিছুদিন পর একজন নিজেকে ইন্সপেক্টর দাবি করে খরচা চাইলো, ৫০০ দেয়ার পর আরো ২০০০ চাইলো, এর অনেকদিন পর নিজ জেলা থেকে একজন মহিলা নিজেকে কর্মকরতা দাবি করে আবার টাকা চাইলো, তাকেও ৩০০০ টাকা দিলাম। বিদ্র : তাদের টাকা দেয়ার পর যথারিতি এসএমএস ও ফাইল স্টাটাস আপডেট হয়েছিল। আমি সময়ের অনেক আগেই কোন ঝামেলা ছাড়া নতুন পাসপোর্ট পেয়েছি। পাসপোর্টের বর্তমান ঠিকানা ও বৈবাহিক অবস্থা পরিবর্তন করা হয়েছে। কোথাও কেউ আটকায়নি বরং কিছু ক্ষেত্রে লাইনের আগে দিয়ে
পাসপোর্ট এর সকল কাগজ ঠিক থাকার পরে ও বাহানা করে বাতিল করা হয়, পরে অফিস থেকে বের হইবার সময় বাহিরে দায়িত্বরত কিছু পুলিশ আমাকে ডেকে পাশে নিয়ে বলে এইগুলো কোনো ব্যাপার ই না ১৫০০৳ দিলে তোমার কোনো লাইনে ও দারাতে হবে না সোজা গিয়ে ছবি তুলবা ও fingerprint দিয়ে চলে আসবা। আমার দেখা মতে ১০ জনের ভিতরে ৭-৮ জন ই সেইম সিস্টেম এ হয়রানি হচ্ছে।
First name: Md xxxxxx and last name: xxxxx হবে। কিন্তু আবেদনের সময় ভুল সব লাস্ট নেমে চল যায় ফাস্ট নেম ফাকা থাকে। জমা দিতে গেলে শুরুতে আইডি কার্ডের সার্ভার কপির জন্যো আবেদন নেইনা। পরে বাইরব্র দোকান থেকে ১৫০ টাকা দিয়ে কপি এনে দিলে এবাএ বলে নামে সমস্যা জমা হবেনা। অথচ এইটা সহকারী পরিচালক ঠিক করে দিতে পারে। কাউন্টারের ব্যাক্তি বলে এইটা হবেনা আপনি আবেদন বাতিল করে আবার নতুন করে আবেদন নিয়ে আসেন। এরপর বাইরে কম্পিউটারের দোকানে গেলে বলে আবেদন বাতিল হতে ৩ কর্মদিবস পর্যন্ত সময় লাগতে পারে। কিন্তু পরেরদিনই আমার ঢাকা ফেরত আসতে হবে। তখন দোকানদার বলে সমস্যা নাই ১৫০০ টাকা দেন লাইন করে দিচ্ছি। এরপর টাকা দিলে উনি আমাকে নিয়ে ভিতরে যেয়ে ওই ব্যাক্তির থেকে সিল মেরে পরিচালক এর রুমে পাঠায়। এরপর পরিচালক সমস্যার সমাধান