17,324 bribery reports filed by citizens — search, filter, and switch between list and grid.
অনলাইনে আবেদন করে আমি নিজে জামালপুর পাসপোর্ট অফিসে গিয়েছিলাম। অফিসের সামনে থাকা দালাল চক্র সাহায্য করতে চাইলে আমি তাদের ফিরিয়ে দিই। তারা তখন চ্যালেঞ্জ করে বলে, তাদের ছাড়া আমি কোনোভাবেই পাসপোর্ট করতে পারব না। ভেতরে ফাইল জমা দিতে গেলে কর্মকর্তা অযৌক্তিকভাবে আমার বাবা-মায়ের 'অরিজিনাল' এনআইডি কার্ড দাবি করেন এবং ফাইল আটকে দেন। নিরুপায় হয়ে বাইরে এসে ওই দালালদের ২,০০০ টাকা দিই। এরপর মুহূর্তেই সব বদলে যায়! পুনরায় ভেতরে গেলে কোনো ডকুমেন্টের কথা না তুলে, শুধু নাম জিজ্ঞেস করেই আমার কাজ সম্পন্ন করে দেওয়া হয়। পরে দালালদের কাছে জানতে পারি, অফিসটি নাকি স্থানীয় এক বিএনপি নেতার নিয়ন্ত্রণে চলে। তাদের ফোন বা ইশারা ছাড়া সাধারণ মানুষের কোনো কাজই সেখানে হয় না। একটি সরকারি অফিসে এমন প্রকাশ্য সিন্ডিকেট ও দুর্নীত
ঘটনা ছিলো পাসপোর্ট করার সময়৷ পাসপোর্ট অফিসের দারোয়ান থেকে শুরু করে পুলিশ / সরকারি অফিসার সবাই ভাগ পায়! আপনি যদি তাদের সাথে কন্টাক্ট না করেন তাইলে হয়রানিতে পড়বেন শিওর৷ আর তাদের সাথে কন্টাক্ট করসেন কিনা সেটাও ভেরিফাই করে খুব কিউট ভাবে৷ আবেদনের সময় ইমেইলে একটা কোড ইমেইল দেয়া হয়৷ যে অফিসার কাগজপত্র চ্যাক করে সে ইমেইলটা দেখলেই সব ঠিক! অথচ আমার পাসপোর্টে বাবার নামের একটা ইস্যু ছিলো! হ্যা, আমাকে এক্সট্রা টাকা দিয়ে কন্টাক্ট করেই পাসপোর্ট নিতে হইসে। তবে আমার দেশের বাইরে কাজ ছিলো তাই কিছু করার ছিলোও না!
“বাহিরে আবেদন করার পর যখন ভেতরে গেলাম টাকাত জমা দেওয়ার শেষে তখন তারা বলল এইটা দিয়ে হবে না কারণ আমার মায়ের নামে একটু সমস্যা বাইরে কম্পিউটার দোকানে 1500 টাকা দেয়ার পর না দেখেই সব ওকে”
প্রথমে বলল আমার এনআইডি কার্ডের মেয়াদ শেষ তারপরে বৌয়ের নামের ভুল ধরল আমি বললাম যা যা করার একবারে বলেন আমি করে নিয়ে আসি তারা বলল তা হবে না কিন্তু টাকা দিলে সব সম্ভব টাকা দেওয়ার পরে আমার আর একটু দেরী হয়নি কাজ হয়ে গেল
বাহিরে আবেদন করার পর যখন ভেতরে গেলাম টাকাত জমা দেওয়ার শেষে তখন তারা বলল এইটা দিয়ে হবে না কারণ আমার আম্মুর নামে একটু সমস্যা বাইরে কম্পিউটার দোকানে 1500টাকা দেয়ার পর না দেখেই সব ওকে
ঘুষ ছাড়া পাসপোর্ট নবায়ন করবে না, বিভিন্ন রকমের ভুল ইত্যাদি ইত্যাদি কারণ দেখিয়ে পাসপোর্ট নবায়ন বাতিল করেছে, পরবর্তীতে ঘুষ দিয়ে করতে পেরেছি
আমার বাবা মা এর পাসপোর্ট আবেদন আমি নিজে অনলাইনে করেছি এবং টাকা জমা দিয়েছি। আবেদনটি জমা দিতে গেলে তারা বলে আমার বাবার পিতার নামে ভুল। যেহেতু আমি টাকা জমা দিয়ে দিছি তাই তারা আমায় বলে আপনার আবেদন বাতিল হবে। পরে আমি সরকারি ওয়েবসাইট এ দেখলাম সামান্য ভুল থাকলে নাকি ওরা ঠিক করে দেয় যেমন : নামের আগে মো:, আমার ও এরকম ভুল ছিলো। আমার থেকে ১০০০ টাকার বিনিময়ে ঠিক করে দেয়।
Passport renew korte dewa hoyechilo. Legally kono dhoroner issues na thakay o unara false accusation kore, jar fole 2,000 taka ghush diye amake oi problem er solution kora lage, even though legally we were completely right. This is something happening every single day at the passport office, While working on my issue, I've noticed some other people having similar issues, shudhu matro ghush khawar jonno manush der false accusation er under e ana hoy. And unfortunately there's nothing much we could do about that.
Bribe for a new passport. Harassment to the general public.
For making new passport, I give 1500 for my police verification. I didn't want to give but if I didn't give my passport won't make.
পাসপোর্ট অফিসে সবকিছু ঠিক থাকার পরেও বারবার ঘুরিয়ে টাকা নিয়ে দালালের মাধ্যমে কাজ করে দিয়েছে। সিরাজগঞ্জ পাসপোর্ট অফিস।
আমার পাসপোর্টের নামের বানান সংশোধনের জন্য আগারগাঁও অফিসে আবেদন জমা দিই। কাগজপত্র পরীক্ষা করার পর কাউন্টারের একজন কর্মী আমাকে আলাদা করে বলেন, অতিরিক্ত টাকা দিলে সংশোধনের কাজ দ্রুত শেষ হবে, নইলে ফাইল অনেকদিন পড়ে থাকতে পারে। তিনি ১৮,৭৫০ টাকা চান। আবেদনটি জরুরি হওয়ায় এবং দেরির আশঙ্কায় আমি শেষ পর্যন্ত ওই অনানুষ্ঠানিক টাকা পরিশোধ করি। পরে আমার আবেদনটি গ্রহণ করে সংশোধিত পাসপোর্ট দেওয়ার সম্ভাব্য তারিখ জানানো হয়।
বায়োমেট্রিক দেওয়ার নির্ধারিত দিনে লাইনে দাঁড়িয়ে থাকার সময় একজন কর্মচারী আমাকে আলাদা করে বলেন, নিয়মিত সিরিয়ালে আজ আমার কাজ নাও হতে পারে। ১২,৮০০ টাকা দিলে দ্রুত আঙুলের ছাপ ও ছবি নেওয়ার ব্যবস্থা করবেন বলে তিনি জানান। অপেক্ষা ও যাতায়াতের সমস্যা থাকায় আমি শেষ পর্যন্ত চাওয়া টাকাটি দিয়ে দিই। এরপর অল্প সময়ের মধ্যেই আমার বায়োমেট্রিক সম্পন্ন হয়।
পাসপোর্টে মায়ের নামের বানান সংশোধনের আবেদন নিয়ে অফিসে যাই। আমার আবেদনটি দেখছিলেন এমন একজন ব্যক্তি বলেন, সংশোধনের ফাইল আলাদা করে খুঁজে অনুমোদনের জন্য পাঠাতে অতিরিক্ত ৯,৬৫০ টাকা লাগবে। তিনি এটিকে সরকারি ফি হিসেবে কোনো রসিদে দেখাতে পারবেন না বলেও জানান। ভুলটি দ্রুত ঠিক করা দরকার ছিল, তাই অনিচ্ছা সত্ত্বেও আমি টাকাটি পরিশোধ করি এবং সংশোধনের কাগজ জমা নেওয়া হয়।
আমার আবেদনটির অবস্থা জানতে কয়েকবার অফিসে যোগাযোগ করেও পরিষ্কার উত্তর পাচ্ছিলাম না। একদিন একজন দালাল আমাকে বলেন, সংশ্লিষ্ট ডেস্কে কথা বলে ফাইলের বর্তমান অবস্থা জানাতে এবং দ্রুত নড়াচড়া করাতে ১১,৯০০ টাকা দিতে হবে। আমি জানতাম এটি নির্ধারিত ফি নয়, কিন্তু দীর্ঘ অপেক্ষার কারণে রাজি হয়ে যাই। টাকা দেওয়ার পর তিনি আমাকে ফাইলের অগ্রগতি জানান এবং পরের সপ্তাহে নতুন বার্তা পাই।
পাসপোর্ট করতে গিয়েছিলাম
পাসপোর্ট নবায়নের আবেদন নিয়ে দ্বিতীয়বার অফিসে গেলে একজন মধ্যস্থতাকারী আমার সঙ্গে কথা বলেন। তিনি বলেন, ফাইলে ছোটখাটো অসঙ্গতি দেখিয়ে আবেদন ফেরত পাঠানো হতে পারে, কিন্তু ৬১,২৫০ টাকা দিলে ভেতরের কর্মী সেটি ঠিকভাবে এগিয়ে দেবেন। আমি বিষয়টি নিয়ে নিশ্চিত ছিলাম না, তবু দীর্ঘ বিলম্ব এড়াতে শেষ পর্যন্ত অনানুষ্ঠানিক অর্থ প্রদান করি। এরপর আমার আবেদনটি পরবর্তী পর্যায়ে পাঠানো হয়।
পাসপোর্ট এর এন আইডি ভেরিফিকেশন করে দেয়া
আমরা ৪ জন পাসপোর্ট ফাইল জমা দিতে যাই।নিজেরাই অনলাইন আবেদন করে।সব কাগজ ঠিক ছিল আমাদের । পাসপোর্ট অফিসের ১০১ এ ২ জন কর্মকর্তা রিজের্ট করেন ।দেখান যেন একজন আংকেল এর বাবার নাম উনার বাবা NId থেকে উনার NId একটা শব্দ আলাদা ছিল।তাই সবার আমাদের অন্য দিন এ ডেট দেন।পরে পরিচিত একজন আমাদের passport অফিসের পাসে কম্পিউটার দোকানে যেতে ড বলল।আমরা গেলাম ।তারা অফিসের সাথে কথা বলে ওইদিনে ফ্রিঞ্গার প্রিন্ট ও ছবি পাসপোর্ট অফিসের করে দিবে ।তবে যদি জনপতি১৩০০ টাকা দিই ।তবেই ওইদিন এ করে দিত
এখানে ঘুষের আদানপ্রদানটা হয় মূলত ওপেন সিক্রেট ভাবে। আপনি যদি পাসপোর্ট অফিসের সামনের ফটোকপির দোকান গুলো থেকে এক্সট্রা টাকা দিয়ে পেমেন্ট চালান স্লিপে কোড সিল মেরে না নিয়ে কাগজ জমা দিতে যান আপনাকে তারা প্রচন্ড হ্যারাস করবে। মূল কাবিননামা, সার্টিফিকেটের কপি, জাতীয়তা সনদ, যত রকম কাগজ চাওয়া পসিবল, সব চাইবে। আর যদি ১২০০ বা ১৫০০টাকা বেশি দেন, তাহলে সেই দোকান গুলো থেকে কাগজে একটা সিল দিয়ে একটা সাইন দিয়ে দিবে। আপনি বিনা বাধায় কাগজ জমা দিয়ে বের হয়ে আসতে পারবেন। আমার সামনে অন্তত ৫জনকে তারা ফিরিয়ে দিয়েছে নানান রকম কাগজ চেয়ে। সেখানে আমি ১২০০ টাকা বেশি দিয়েছিলাম তাই কোনো ঝামেলা ছাড়াই, শুধু স্মার্ট এনআইডির কপি দিয়ে কাজ সম্পন্ন করেছি।