Bed pawar Joanne
Amar chotovai onek sick silo. Eijonne ore hospital e niye gasilam but bed Pai nai. Erpore akjon stuff ese amader Kase proposal dey j 1000 taka dile bed dibe naile onno kothao dekhbe. Then koyekbar request kore 500 te agree kore.
নাগরিকদের জমা দেওয়া ২০,৪৪৭ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
Amar chotovai onek sick silo. Eijonne ore hospital e niye gasilam but bed Pai nai. Erpore akjon stuff ese amader Kase proposal dey j 1000 taka dile bed dibe naile onno kothao dekhbe. Then koyekbar request kore 500 te agree kore.
সরকারি প্রতিষ্ঠানে সাধারণত সেবা বিনামূল্যে পাওয়া অপরিহার্য। সেখানে দাবি করা হলে গ্রহণযোগ্য নয়। হাসপাতাল হতে হবে দালালি মুক্ত
ঢাকা পঙ্গু হাসপাতালে রুগি নিয়ে যাওয়া পরে, বেডা খালি থাকাতেও আমাদের বল হয় বেড খালি নাই। পরে ওয়াড ভিতরে যারা থাকে ওদের সাথে কথা বলার পরে ১ হাজার টাকা বিনিময় ওয়াডে সিট পাইছি এবং হসপিটালের ভিতরে ঔষুধ কম্পানি লোক প্রেসক্রিপশন ছবি তুলে নিয়ে যায়
রুগি হাতে ব্যাথা পেয়েছিলো। রক্তক্ষরণ হওয়ায় বহির্বিভাগ এর ডাক্তার ওটি তে নিতে বলেছিলো। ফাইল এর টাকা পরিশোধ করে যখন ওটি তে গেলাম আমার থেকে ওষুধ এর নাম করে ২৫০০ চাইছিলো পরে ১০০০ দিয়ে স্যাটেল করি।
ডোপ টেস্টের রিপুট আনতে গিয়ে এই টাকা দিতে আমাকে বাধ্য করা হয়।
চর কুকুরী মুকরী একটি বিছিন্ন এলাকায় হওয়ায় এখানে যাতায়াতের প্রধান মাধ্যম হলো খেয়া। আওয়ামী সরকার আমলে এখানে খেওয়া ভাড়া লগতো ৪০ টাকা পরে ৫০ টাকা। কিন্তু ২৪ পটভূমিতে সরকার পরিবর্তন হওয়ায় এখানে তিনটি সরকারি ভাবে বি আই ডব্লিউ টি তে তিনটি খেওয়া অনুমোদন পায়, তারা ভাড়া করলো ৭০-/ টাকা পরে তিনটি খেওয়া সমঝোতা ভিত্তিতে ভাড়া নির্ধান করলো কখনো ৮০ আবার কখনে ৯০/- টাকা অথচ সরকারি নিয়মে ভাড়া হয় জনপ্রতি ২০-/ টাকা।
ভোগান্তির আরেক নাম দিনাজপুর মেডিকেল কলেজ এখানে ইচ্ছাকৃত ভাবেই, মাত্র ৫০ টি আলট্রা দিনে করানো হয় যেখানে রোগী সংখ্যা ৫০০+(আল্ট্রা করানোর ডিমান্ড) সিটি স্ক্যান এম আর আই এর মত সুবিধা নেই বা বন্ধ রেখেছে, সাধারণ রোগীকে বাইরে গিয়ে উচ্চদামে টেস্টগুলো করাতে হচ্ছে, এ ব্যাপারে কোন সন্দেহ নেই যে হাসপাতালে কর্তৃপক্ষ বাইরের ডায়াগনস্টিক সেন্টার গুলোর সাথে ভালোই আর্থিক লেনদেনের মাধ্যমে সরকারি ভাবে টেস্টগুলো বন্ধ রেখেছে, এতে স্বাভাবিক রোগীর অনেক কষ্ট হচ্ছে, এবং উচ্চ দামে টেস্টগুলো করাতে হচ্ছে! স্বাভাবিকভাবে বসার মত বহির্বিভাগ গুলোর সামনেও কোন সুন্দর ব্যবস্থা নেই, টয়লেট সহ অন্যান্য সমস্যার কথা তো বাদ ঈ দিলাম! আল্টা করানোর সময় সিরিয়াল টাকার বিনিময়ে আগে পিছে করে, (১০০-১৫০)
আমার অনুরোধটা হল কোন একটা রোগী যদি চট্টগ্রাম সরকার হাসপাতালে যায় প্রথম তার থেকে তলির জন্য গুষ্দি তে হবে তারপর কোন একটা নার্স যদি যেকোনো কাজের জন্য ডাকা হয় তারা তো বিয়ে করবে যে ওইটা দেখলে মনে হয় এরা দেশের প্রধানমন্ত্রীর কেউ রিলেশন হবে আর ওখানে খাওয়ার এগুলো হচ্ছে রোগীকে আরো অস্বস্তিকর করে তুলে এসব বিষয় নিয়ে একটু যদি যাচাই করতেন তাহলে অনেক নিরীহ মানুষের জীবনটা বেঁচে যেত কারণ হসপিটালের আশেপাশে সভা হচ্ছে দালাল
Giving bribe is a must over here unfortunately.
> সরকারি নির্দেশনা মোতাবেক ০৭ জুলাই ২০২৬ থেকে ৩১ ডিসেম্বর ২০২৬ পর্যন্ত সকল সরকারি হাসপাতালে ডেঙ্গু NS1 পরীক্ষা সম্পূর্ণ ফ্রি করার নির্দেশ থাকা সত্ত্বেও, বিরল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে আমার কাছ থেকে NS1 পরীক্ষার জন্য ৫০ টাকা নেওয়া হয়েছে। সরকারি আদেশ অমান্য করে টাকা নেওয়া স্পষ্ট দুর্নীতি ও অনিয়ম। বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য অনুরোধ করছি।
বহির্বিভাগ থেকে নিয়ম অনুযায়ী ২০ টাকা দিয়ে টিকিট কাটার পর (সেখানেও লম্বা লাইন ছিল) ডাক্তার দেখানোর জন্য লাইনে দাঁড়াই। রোগীর দীর্ঘ ও লম্বা লাইন ছিল। লাইনে দাঁড়িয়ে থাকা অবস্থায় লক্ষ্য করলাম, কিছু অসাধু ব্যক্তি বা দালাল চক্র সাধারণ রোগীদের কাছ থেকে অতিরিক্ত ১০০ টাকা দাবি করছে এবং টাকা দিলে লাইনের তোয়াক্কা না করে তাদের আগে ডাক্তার দেখানোর জন্য ভেতরে ঢুকিয়ে দিচ্ছে। টাকা না দেওয়ায় সাধারণ রোগীরা ঘণ্টার পর ঘণ্টা লাইনে দাঁড়িয়ে কষ্ট পাচ্ছেন, যা অত্যন্ত দুঃখজনক।
সরকারি মেডিকেল বিভিন্ন পদে চাকরি নিয়োগ, ওদের কথা টাকা দাও ,চাকরি নাও।
আমি একজন পুলিশ কর্মকর্তা হয়ে মামলা তদন্তের জন্য হাসপাতাল থেকে ভিক্টিমের মেডিকেল সনদ নিতে পরিশোধ করতে হয়েছে।
I paid them extra for the straecher 50-100 taka everyday to get the stretcher Per day dressing purpose 200 taka I didn't get any test form the hospital like x-ray,blood test. When we see we not getting the careful treatment we take the release letter.after we leave the hospital One the dressing stuff call me for some money.
১৬-০৯-২০২৬ইং। জেলা: টাংগাইল, উপজেলা: কালিহাতী। কালিহাতী সদর হাসপাতালে সকাল ১০ টার পর, টিকাদান কক্ষে গেলাম, বাচ্চার শিশুটিকা কার্ড করার জন্য। কর্মরত ব্যক্তি দুই ঘন্টা অপেক্ষা করতে বলল, এবং আশ্বাস দিলো যে ভিড় কমলে বাচ্চার টিকাকার্ড করে দিবে। দীর্ঘক্ষণ অপেক্ষা করলাম এবং ভির কমলো। প্রায় ১ টার দিকে আবার গেলাম কথা বলতে। ঐ ব্যক্তি ৫০ টাকা চাইল। আমি বললাম, ""কেন, টাকা তো লাগে না?"" টাকা না দিলে বলে টিকাকার্ড করায় দিবে না। বাধ্য হয়ে টাকা দিলাম। টাকা নেওয়ার পরেও আমাকে অরিজিনাল শিশুটিকা কার্ড দেয়নি, টিকা কার্ডের ফটোকপি কাগজ দিছে। এমনকি, পরবর্তী টিকা কখন দিতে হবে সেটাও বলে নাই। ব্যবহারও খারাপ ছিল। এই আমার সোনার বাংলাদেশ ?
সিটি স্ক্যানের জন্য ট্রলি চাইলে বলে দুইশ টাকা দিলে ট্রলিতে রোগী উঠাবে। আবার রোগীর ছুটির পর ট্রলি চাইলে বলে একশ টাকা দিলে ট্রলি পাবেন। বাধ্য হয়ে পরিশোধ করতে হয়েছে।
আমরা জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টীটীউট এ আমার বাবাকে ভর্তি করাই। ওয়ার্ডবয়গুলো চা-নাস্তার নামে ৩০০টাকা, হুইল চেয়ারের জন্য ৫০০টাকা, আর এঞ্জিগ্রামের সিরিয়ালের জন্য ১০০০ টাকা চায়
জুলাই আন্দোলনের সময় আমার বাবা হোঁচট খায়, সরকারি পঙ্গু হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সিএনজি থেকে তাকে হুইল চেয়ারে নেয়া হয়, চিকিৎসা শেষে হুইল চেয়ার থেকে আবার সিএনজিতে নেয়া হয়। যদিও আমি নিজেই হুইল চেয়ার টেনে নিয়ে যাই,তার জন্য ৩০০-৪০০ টাকা আদায় করে নেয় outsource এর লোক। এক্স রে টেকনোলজিস্ট বাবার পায়ের এক্সরে রিপোর্ট দেয়ার কথা বলে এক্সরে রুমের ঝুঁকি পূর্ণ পরিবেশে আমাকে ডেকে নেয়, ১০০-২০০ টাকা আদায় করে নেয়। সরকারি ফ্রি প্লাস্টার ,কটন রোল ছিলো। কিন্তু তার জন্য আয়া বুয়া প্রায় ১০০০ টাকা দাবি করে। ইত্যাদি ইত্যাদি।
জিপিএফ এর অগ্রিম উত্তোলনের জন্য ৭০০০ টাকা নিয়েছে আমার কাছ থেকে। বলেছে খরচ লাগবে এটা।
২০২৪ সালের সেপ্টেম্বর, আমার আম্মার হঠাৎ করেই ক্যান্সার ধরা পড়ে, এবং আমরা ঢাকার জাতীয় ক্যান্সার হাসপাতালে ডাক্তার দেখাই। তারা বেড নিয়ে ভর্তি হতে বলে অপারেশনের জন্য। কিন্তু সিট পাওয়া যায় না। প্রতিদিন এসে ফাইল জমা দিতে বলে, সিট ফাকা হলে দেবে। এদিকে আমরা গ্রাম থেকে এসেছি। থাকার তো তেমন জায়গা নেই, তার উপর তাড়াতাড়ি অপারেশন করা দরকার। ওখানে একটা ছেলে ফ্রিল্যান্সিং চাকরি করে। ও ৫০০০ টাকার কথা বলে, সিট ম্যানেজ করে দেবে। আমি অনেক জোরাজোরি করে 3000 টাকা দিয়ে ৩ দিন পর সিট নেই। তাছাড়া ক্যান্সার হাসপাতালে টাকা ছাড়া সহজে সিট পাওয়া যায় না।