নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৭,৩২৩ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
২০২২ এর একটি সার্কুলার দেখিয়ে আমাকে বলা হয়েছে স্বাস্থ্য সচিব ওনার চাচা আর উনি দায়িত্ব নিয়ে বলেছিল তিন মাসের মধ্যে আমার জইনিং কনফার্ম করে দেবে। এক বছর পর সরকারীকরণ করে দেবে। আমার কাছ থেকে অগ্রিম 2 লক্ষ বারো হাজার টাকা নিয়েছিল। যার ব্যাংক রিসিট আমার কাছে আছে।
i have an accident. i need stich. The Word boy demand 200tk. I have to pay.
আমি এক জন রুগি কে নিয়ে ঢাকা মেডিকেল হাসপাতালে যাই ডাক্তার দেখানোর পরে রোগীকে ভর্তি করে দেয় এখন কোন সিট পাইনি বলে কেবিন খালি আছে কেবিন নিতে হবে কিন্তু কেবিনে ভাড়া অনেক তারা অনেক গরিব মানুষ ছিল অনেক চেষ্টার পরে একটি বেড ম্যানেজ করে দিবে বলছেন কিন্তু টাকা দিতে হবে।
খুলনা মেডিকেলের ওয়ার্ড বয় সিস্টার আর ডাক্তার এদের ব্যবহার খুবই খারাপ
আমি আমার আপনজনের চিকিৎসার জন্য গিয়ে প্রয়োজনীয় ঔষধ পথ্য পাইনি।
আমার মা কে জরুরী ভর্তি করার প্রয়োজন ছিলো। ভর্তি করার পর বেড থাকা সত্ত্বেও দেয়া হচ্ছিল না,টাকা দাবী করেছিলো কর্তব্যরত নার্স,আয়ার একটি চক্র।বাধ্য হয়ে টাকা দিয়ে বেড পেয়েছিলাম 😰
চশমা মাপার সময় ডেট দিয়েছিল চার মাস পরে। এ সময় চক্ষু বিভাগের একজন ডাক্তারের সহকারী মহিলা, একজন মহিলা, বয়স্ক মহিলা এসে আমাকে বলে যে তোমার এটা আমি আজকে চোখের চশমার পাওয়ারটা মাপিয়ে দেবো। বিনিময়ে 100 টাকা দেওয়া লাগবে।
Govt.Hospital e doctor er bodole compounder surjery korse and tk dabi korse
আমার চাচা আহত অবস্থায় মানিকগঞ্জ জেলার দৌলতপুর সরকারি হাসপাতালে ভর্তি হন তাকে এমবিবিএস ডাক্তার দেখে নি বা চিকিৎসাপত্র দেয়নি নার্সরা শুধু নরমাল ঔষধ দিয়ে ২ দিন পরে ছাড়পত্র দিবে বলে জানায় এবং ছাড়পত্রের জন্য ২০০০ টাকা দাবি করে টাকা না দেয়ার ছাড়পত্র দেয় নি এবং দুব্যবহার করে
পঞ্চগড় সদর হাসপাতালে রোগী ভর্তি করানোর সময় সিট পেতে হলে টাকা দিতে হয় দালালকে, অন্যথায় মেঝেতে শুতে হয়।
আমার মাকে নিয়ে আগারগাঁও জাতীয় চক্ষু হাসপাতাল গিয়েছিলাম। সকাল ৯ টার কাছাকাছি এই সময় পৌঁছায় সেখানে টিকিট কেটে লাইনে দাঁড়িয়ে নীচে ডাক্তার দেখালাম তারপরে সে কিছু পরীক্ষা দিল যেটা করাতে করাতে প্রায় ৪টার মতো বেজে গেল, যেহুতু আমার ডায়াবেটিস ছিল সেই কারণে অনেক গুলো পরীক্ষা দিয়েছিল, যখন রিপোর্ট গুলো ডাক্তার কে দেখাতে গেলাম গেটে দাঁড়ানো আনসার সদস্য বলছে এখন আর রিপোর্ট দেখবে না সময় শেষ! আমি বললাম ভাই ভিতরে তো ডাক্তার আছে তাহলে কেনো দেখবে না সে বললো স্যার এর সময় শেষ। পরে চলে যাওয়ার সময় আনসার সদস্য আমাকে ডেকে বললো সাইডে আসেন পরে সে বলছে আমাকে কিছু খরচ দেন এখনই রিপোর্ট দেখার ব্যবস্থা করে দিচ্ছি! পরে আর কোনো উপায় না পেয়ে বাধ্য হয়ে ২০০ টাকা দিলাম কিন্তু সে কিছুতেই মানলো না পরে ৫০০ টাকা নিল
আমাকে এজেন্সির লোক বলেছে যদি তুমি ১৯ হাজার টাকা দাও তাহলে তোমাকে সব কিছু ঠিকঠাক করে দিবে আর যদি তুমি না দাও তাহলে তুমি ফিট থাকার পরেও তোমাকে হয়তো আনফিট দেখাতে পারে এজন্য আমি ঘুষ দিতে বাধ্য হয়েছে
ঢাকা পিজি হাসপাতালে আমার আঙ্কেলের জন্য আইসিইউ ব্যবস্থা করতে ৮০০০টাকা দিতে হইছিলো
৫০০ টাকা না দিলে বেড দেয় না, অপরিষ্কার নোংরা ফ্লোরে থাকতে দেয়, নার্সদের টাকা না দিলে রোগীদের ঠিকমতো দেখেনা, পরিচ্ছন্ন কর্মী তাদেরকেও টাকা দেওয়া লাগে। ডাক্তারদের দালাল থাকে তাদেরকে টাকা না দিলে ডাক্তার দেখেনা, ওষুধ দেয় না।
হাসপাতালে ডাক্তার দেকাতে গেলাম টিকিট কাইতে গিয়ে সিরিয়াল ১ জন বললো ২০০ টাকা দেন টিকিট কেটে দিচ্ছি বহু ভোগান্তি হল, আমার পাশে ২ জনের মোবাইল চুরি হলো আনসার ও নিরাপত্তা বাহিনী কেউ কিছু করলে না। খুবই দুর্গন্ধ এবং বাজে পরিবেশ পরে পরে টেস্ট দিল ১ দালাল বললো এখানে দেরি হবে বাইরে ৮০০ টাকা দিয়ে করে দেই। আমার কাকা ভর্তি হলো পেইং বেড নিলো পরে ৩০০০ টাকা নিল ১ দিন থাকার পরে টাকা ফেরত পাওয়া যায় নাই ডাক্তার গণ সরকারি হাসপাতে চিকিৎসা দেয় কম। কিন্তু সারাদিন বেসরকারি হাসপাতালে তারা চিকিৎসা দেয়। ময়মনসিংহে শহরে শত শত বেসরকারি হাসপাতাল যারা টেস্ট বাণিজ্য করে।
আমি জলাতঙ্ক টিকার জন্য চট্টগ্রাম জেনারেল হাসপাতাল আন্দরকিল্লাতে যাই,তো সেখানে টিকিট কাটি তারপর এ টিকা নিতে অন্য আরেক রুমে যাই,তো একটা নার্স আমাকে টিকা দিলো Rabies এর,তারপর হঠাৎ কোথা থেকে একটা লোক আসলো-সে ডাক্তার না আবার নার্সও না,সে বলে নাস্তা খাইতে টাকা দেন যা পারেন,সব ডাক্তার - নার্স সামনেই আছে- তারপর কিছু না বলে টাকা দিলাম।কি বলবো কারণ বলে লাভ নাই সবাই এই টাকার ভাগ পায়।পুরা দেশেই দুর্নীতি।
শিশু ডাক্তার দেখানোর জন্য টোকেন সংগ্রহ ডাক্তারের সিরিয়াল পেতে 100+200 টাকা পরিশোধ করা লাগছে
আমাকে বলে বেট খালি নাই। বেট মেনেজ করে দেওয়া জাবে 1500 টাকা লাগবে পরে আমি প্রত্যখান করেছি।
আমি একজন রোগীকে চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে নিয়ে যাই এবং রোগীকে ভর্তি করানো হয়। কিন্তু রোগীকে ওয়ার্ডে নেওয়ার পর কোনো বেড দেওয়া হয়নি। বরং রোগীকে নিচে থাকতে বলা হয়। এছাড়া রোগীর কোনো ফাইলও খোলা হয়নি। পরবর্তীতে বিষয়টি নিয়ে আমি কথা বললে ৪০০ টাকা দাবি করা হয়। শেষ পর্যন্ত টাকা না দিলে কোনো উপায় নেই—এমন পরিস্থিতিতে পড়ে টাকা দিতে বাধ্য হই। টাকা দেওয়ার পর প্রয়োজনীয় কাজগুলো করা হয়। এই ঘটনাটি হাসপাতালের Male Ward No. 13-এ ঘটে। একজন রোগী ভর্তি হওয়ার পরও এভাবে বেড না দেওয়া, ফাইল না খোলা এবং অতিরিক্ত টাকা দাবি করা অত্যন্ত দুঃখজনক ও অনাকাঙ্ক্ষিত। বিষয়টি যথাযথভাবে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি।
মেডিকেলে বেড নিতে হলে ৫০০ টাকা প্রতিরাত দিতে হবে।নাহলে রোগী মেঝেতে থাকবে।