নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৭,৩২৬ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
আমার বাবা হার্ড এ্যাটাক হওয়ার পড়ে তাকে জাতীয় হৃদরোগ ইনিস্টিটিউট এ নিয়ে যাই সেখানে ক্যাথ ল্যাবে টেম্পোরারি প্রেসমেকার লাগাতে এ টাকা দিতে বাধ্য হই
রাজধানীর মহাখালী তে অবস্থিত ডিএনসিসি হাসপাতালের হেড ক্লার্ক। কর্মরত মেডিকেল অফিসার দের দাপ্তরিক কাজে চরম অসহযোগীতা মূলক আচরণ করে, অহেতুক ভোগান্তির শিকার অধিকাংশ মেডিকেল অফিসার। কিন্তু তার চাহিদা মত টাকা দিলে মিলে পিতৃসুলভ আচরণ। এ ব্যাপারে হাসপাতাল প্রশাসন কমবেশি অবগত থাকলেও অজ্ঞাত কারণে বছরের পর বছর কোন ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়নি।
শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজে চিকিৎসা নেয়ার পর ড্রেসিং করতে গেলে , , তখন ওখানে নাকি গ্লাভস দেওয়া হয় না । কিনে নিয়ে আসতে হবে । আমাকে একটা চিরকুট দেওয়া হলো, ওখানে সিরিয়াল নাম্বার উল্লেখ করা ছিলো। একটা দোকান দেখায় দিলো ওখান থেকে নিয়ে এসে তাপর আমার কাজ করলো। আমি নিয়ে আসছি টাকা দিয়ে আমি ঐখানে দায়িত্বরত জন কে বলায় যে কেনো কিনে নিয়ে আসব এখন আমাকে , আমার রিপোর্ট হাতে ধরা দিয়ে পাঠায় দিচ্ছি বলার জন্য ওখানে করেনি এবং ব্যবহার ছিল খুবই খারাপ ।
চাকরির প্রলোভন দেখিয়ে টাকা হাতিয়ে নিয়েছে।
ঢাকা মেডিকেল কলেজে ঘুষ ছাড়া রোগী ভর্তি করে সিট পাওয়া অসম্ভব। আমি একজন গরীব রোগী নিয়ে ভর্তি করে ৫০০০ টাকা ঘুষ দিয়ে একটা সিট পেয়েছি তার জন্য।
A G office hote bill charanor jonno dite haiche
আমার এনআইডি কার্ডের নাম সংশোধনের জন্য আবেদন করেছিলাম দীর্ঘ এক মাস অপেক্ষা করার পর আমি চলে যাই আইডি কার্ড সংশোধন অফিসে তখন তারা নানান জাতের সমস্যা বলছে পরে যখন আমি জানতে পারি দালাল ছাড়া এটি ঠিক হবে না তখন বাধ্য হয়ে ২৫ হাজার টাকা দিয়েছি সংশোধন করার জন্য এবং তা একদিনের ভিতর সংশোধন হয়ে গেছে
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরে সরকারি চাকরির জন্য আমার আব্বা তার হেড অফিসের খুব পরিচিত এক ঊর্ধ্বতন কর্ম কর্তাকে আমার চাকুরীর জন্য সুপারিশের অনুরোধ করেন। ওই কর্মকর্তা আব্বাকে বলেন এই চাকরি পেতে গেলে অনেক টাকা দরকার। আমার ভবিষ্যতের কথা চিন্তা করে আব্বা তার সারা জীবনের সৎ পথে উপার্জনের টাকা এবং লোণ করে ১৫লাখ টাকা তার হাতে তুলে দেন। কিন্তু চাকরি তো হলনা উল্টা আমার আব্বাকে বিভিন্ন মামলা ও হয়রানির শিকার হতে হয়েছে। আব্বা যেহেতু সরকারি চাকরি করেন তাই কোন মামলায় পড়তে চাননি। আমি আব্বাকে ভাল করে জানি। আব্বা কোনদিন অন্যায় করেননি। অবৈধ ভাবে এক পয়সাও ইনকাম করেননি। আমাদের শরীরে হালাল পয়সার খাবার দিয়েছেন। আমরাও কোন দিন কোন অভিযোগ করিনি। সেই বাবাকে আমি নীরবে কতদিন চোখের পানি ফেলতে দেখেছি। আমাদের অবস্থা খুব খারাপ গেছে।
কোনো রোড এ্যাকসিডেন্ট বাহ দূর্ঘটনা কবলিত রুগিকে যদি হাসপাতালের ইমারজেন্সি রুমে নিয়ে গিয়ে সেলাই করা বাহ ডেসিং করা হয় তাহলে তারা ১০০-৫০০ টাকা পযন্ত নিয়ে তার পর ছাড়ে। যদি টাকা না দেওয়া হয় তাহলে টিকিট দেয়না।
আমার ছোটভাই, জরুরী বিভাগের রুগি নিয়ে ঢাকা মেডিকেল কলেজে গিয়েছিলো। সেখানে টাকা ছাড়া রুগী পরিবহনের ট্রলিগুলো পাওয়া যায় না।
ডাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে গিয়ে ছিলাম,ডাক্তারএর সহকারী আমার কাছ থেকে 50+50 দুই দিনে নিয়েছিলো।
শিশুকে অক্সিজেন সিলিন্ডার সহ ইমার্জেন্সি থেকে শিশু ওয়ার্ড পর্যন্ত নিতে আমাকে ২০০ টাকা দিতে হয়েছে। আবার যখন অন্য হাসপাতালে নিয়ে যাই তখন শিশুকে অক্সিজেন সহ বের করতে ১৫০ টাকা দিতে হয়েছে ওয়ার্ড বয়কে।
মিটফোর্ড হাসপাতালে আল্ট্রাসনোগ্রাম করার জন্য নির্ধারিত কাউন্টারে টাকা জমা দিয়ে রশিদ নিয়ে আল্ট্রাসনোগ্রাম করাতে গেলে টাকা জমার রশিদ জমা দিলে সিরিয়াল অনুযায়ী নাম ডাকে না। আল্ট্রাসনোগ্রাম রুমে দায়িত্বপ্রাপ্ত দের আলাদা খুশি করার টাকা না দিয়া পর্যন্ত সিরিয়াল আসে না। পরবর্তীতে আমি এক প্রকার বাধ্য হয়ে রোগীর অবস্থা সিরিয়াস থাকায় তাদেরকে খুশি করি এবং পরবর্তী পাঁচ মিনিটের ভিতরেই আমার আল্ট্রাসনোগ্রাম কমপ্লিট হয়ে যায়।
সরকারি হাসপাতালে যে কোন রুগী হোক টাকা ছাড়া ওয়াড বয় তার শরীরে হাত দেয় না সট্রেচারে উঠায় না নিচ তলা থেকে উপরতলা নেয় না পরে নগদ টাকা দিয়ে সেবা নিতে হয়েছে
সরকারি চক্ষু হাসপাতাল এখানে গেলে ডাঃ সরকারি ভাবে চক্ষু অপারেশন করে না থাকে বলে দেয় কম খরচে এই যায়গায় চলে এসো ওখানে তোমার চক্ষু অপারেশন করে দিব তাহলে সরকারি টাকা কেনো নিচ্ছে এই সমস্ত ডাঃ
আমার ভাতিজা (১২) গাছ থেকে পড়ে পা ভেঙ্গে যায়। আমি এবং ভাতিজার মা সহ ভাতিজাকে নিয়ে ঢাকা পঙ্গু হসপিটালে যাই ইমারজেন্সিতে দেখানোর পরে ওটিতে পাঠায়। তখন রাত 9 টা ডাক্তারদের সিফট চেঞ্জ হওয়াতে ওটিতে কোন ডাক্তার ছিল না। ওখানে থাকা সিকিউরিটি গার্ড আমাদের অফার করে ২০০০ টাকা দিলে সবার আগে আপনাদের কাজটা করে দিব। আমার ভাতিজার অবস্থা খুবই খারাপ তখন। উপায় না দেখে আমরা রাজি হই। এবং টাকা দিয়ে দেই। কিন্তু রাত বারোটা একটা বেজে যাচ্ছে সে ওটির বেডে নিচ্ছে না। তারপর রাত ২ঃ০০ টায় অপারেশন করার আগে বিভিন্ন সরঞ্জামা বাবদ আমার কাছ থেকে আরো ২৫০০ টাকা দাবি করে প্লাস্টার করার জন্য।আমি নিরুপায় হয়ে দিলাম।আমাকে বোঝায় এটা সেটা অনেক কিছু লাগবে কিন্তু অপারেশনের পরে দেখলাম তেমন বেশি কিছু লাগেনি।
আমার বাবা ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ICU তে ভর্তি ছিলেন। বাবার অবস্থা কিছুটা উন্নতি হলে জেনারেল ওয়ার্ডে transfer করা হয়। একজন ওয়ার্ডবয় বাবাকে হুইল চেয়ারে করে ওয়ার্ডে নিয়ে যান এবং আমার কাছে টাকা দাবি করেন। আমি থাকে ২০০ টাকা দেওয়ায় রেগে যান এবং আমি ৪০০ টাকা দিতে বাধ্য হই। হাসপাতালে ভর্তি থাকা অবস্থায় দেখলাম টাকা ছাড়া ওয়ার্ডবয় ও আয়াদের দ্বারা কোন কাজ করানো যায় না। এমনকি ICUতে রোগীদের সাথে দেখা করা বা খাবার পাঠাতে হলে আনসার ও ওয়ার্ডবয়কে টাকা দিতে হয়।
পুলিশ কেস তদন্ত সম্পন্ন করার জন্য মেডিকেল সার্টিফিকেট তোলার জন্য প্রতি মেডিকেল সার্টিফিকেট-এর জন্য ২০০০-৩০০০ টাকা দিতে হয়।
একজন ডাক্তারকে বাহিরে চেম্বারে আমার ওয়াইফ কে দেখাতাম তিনি ৮ মাসের গর্ভবতী হঠাৎ আমার বাচ্চা লারাচারা নেই তাই আবার উনাকে ১০০০ টাকা বিজিটে দেখাই উনি আল্টা লিখে দেয় দেখাই তারপর উনি বলে বাচ্চা মারা গেছে এখন ডেলিভারি করতে হবে উনি সরাসরি ময়মনসিংহ মেডিকেলে পাঠিয়ে দেয় ৩ দিন চলে যায় এভাবেই কিন্তু বাচ্চা খালাস করে না উনাকে ফোন দিই উনি শুধু ব্যস্ততা দেখায় তারপর এক দালালের মাধ্যমে উনাকে ৫ হাজার টাকার মাধ্যমে বাচ্চা খালাস করি
আমার ছোট ছেলে পাঁচ বছর বয়সী, তার কানের ভিতর খেলনার পিলাস্টিকের ছোট বল ঢুকিয়ে ছিলো, কানের ব্যথা অনুভব করাতে তাকে নিয়ে গিয়েছিলাম, নাক কান গলা ইনিসটিউট ও হাসপাতাল তেজগাঁওয়ে,ডাক্তার চিকিৎসা সেবা ভালো করেছেন, কিন্তু ইমার্জেন্সি ডিপার্টমেন্টের ওয়ার্ড বয় আমার কাছে পাঁচশ টাকা দাবি করে বলেন দিতে হবে, বাহিরে করলে অনেক খরচ হতো, তাই তাকে পাঁচশ দিতে হবে, সম্মান এর ভয়ে দিতে বাধ্য হই আমি।এই আমার দেশ।