নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৭,৩২৬ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
আমার ভাতিজা (১২) গাছ থেকে পড়ে পা ভেঙ্গে যায়। আমি এবং ভাতিজার মা সহ ভাতিজাকে নিয়ে ঢাকা পঙ্গু হসপিটালে যাই ইমারজেন্সিতে দেখানোর পরে ওটিতে পাঠায়। তখন রাত 9 টা ডাক্তারদের সিফট চেঞ্জ হওয়াতে ওটিতে কোন ডাক্তার ছিল না। ওখানে থাকা সিকিউরিটি গার্ড আমাদের অফার করে ২০০০ টাকা দিলে সবার আগে আপনাদের কাজটা করে দিব। আমার ভাতিজার অবস্থা খুবই খারাপ তখন। উপায় না দেখে আমরা রাজি হই। এবং টাকা দিয়ে দেই। কিন্তু রাত বারোটা একটা বেজে যাচ্ছে সে ওটির বেডে নিচ্ছে না। তারপর রাত ২ঃ০০ টায় অপারেশন করার আগে বিভিন্ন সরঞ্জামা বাবদ আমার কাছ থেকে আরো ২৫০০ টাকা দাবি করে প্লাস্টার করার জন্য।আমি নিরুপায় হয়ে দিলাম।আমাকে বোঝায় এটা সেটা অনেক কিছু লাগবে কিন্তু অপারেশনের পরে দেখলাম তেমন বেশি কিছু লাগেনি।
পিজি হাসপাতালে গেছিলাম ফ্রি চিকিৎসা নিতে ফ্রি বলতে সরকারি খরচ যা আসে তাই। একটা ফোরা হইছিল তাই কাটাইতে ডক্টর দেখানোর পরে বলছে আমাদের এখানে হয় না ঢাকা মেডিকেলে যান এখন আমাদের আর কি করার আছে পরে বের হবো ওনাদের ই একজন বললো এভাবে হবে না আপনি ফোরা কাটাবেন আমার লোক আছে ৬০০০ টাকা লাগবে পরে আমি বললাম যে অন্য কোথাও নিয়ে যাবেন নাকি এখানে বলে এখানে আমি রাজি হলাম পরে পিজি হাসপাতালের ইমার্জেন্সি ফোরা কেটে পুঁজ বের করে দিলো। কথা হলো হাসপাতালের ইমার্জেন্সি সব হলো টাকার বিনিময় কেনো? আবার যিনি ওপরেশোন করছেন তিনি আবার আমাকে জিজ্ঞেসা করলো কতো টাকা চুক্তি করছেন আমি বললাম ৬ হাজার তার মানে সব কিছু এভাবেই চলে
টিকেট কাউন্টারে লোক নেবে আউটসোর্সিং নিতিমালায় চাকরি করতে চাইলে বলে ১৫০০০০টাকা দিতে পারলে আগামীকাল থেকেই জয়েন করতে পারবো। কারন জানতে চাইলে বলে এখানে অনেক অতিরিক্ত ইনকাম আছে এই চাকুরী করার জন্য নাকি ১০জন টাকা জমা দিয়ে রাখছে!!!কাজের বোয়া থেকে শুরু করে বিভিন্ন সেক্টরে প্রায় ১৭জন লোক নিছে কি পরিমান খেয়েছে ভেবে দেখেন।
বেডের জন্য টাকা নিয়েছে নার্স।
সরকারি হসপিটালে শুধুমাত্র ডক্টর এসে একটু দেখে যায় বাকি সব কিছু বাহির থেকে টেস্ট করাতে হয়। হসপিটালে ভিতরে কোন ধরনের পরীক্ষা করানো যায় না। হসপিটালে বাহিরে শত শত ডায়াগনস্টিক সেন্টার গড়ে উঠছে তারা রোগীদেরকে জিম্মি করে সমস্ত টেস্ট গুলি ওখান থেকে করাতে হয়। এবং নিয়ম অনুযায়ী হসপিটাল থেকে ওষুধ স্যালাইন গুলি প্রোভাইড করার কথা।কিন্তু নাপা ছাড়া আর বাকি যত ওষুধ আছে সবকিছু বাইরে থেকে কিনে নিয়ে আসতে হয়। সবার আচার হসপিটালের স্টাফদের খুবই বাজে খুবই খারাপ ব্যবহার করা করে। এবং আমার যে অভিজ্ঞতা হয়েছে রোগী অপারেশন থিয়েটারে নিতে টলি বয় কে টাকা দিতে হয়েছে আবার অপারেশন শেষে অন্যায় নিয়ে আসছে তাকে টাকা দিতে হয়েছে। এটা খুবই বাজে অভিজ্ঞতা ছিল। উল্লেখ্য এই ঘটনাটি গত মাসে ঘটেছে
সন্দ্বীপ উপজেলা একটি ভেটরেনারি হসপিটাল । যেখানে এটি মেইন শহরে থাকার কথা থাকলেও করা হয়েছে জঙ্গলে। উপকুল অঞ্চলে যে পশু হসপিটাল আছে এখানে অনেকে জানেনা।কিন্তু আমরা যারা জানি , তারা ভ্যাকসিন কিংবা পশু পাখির চিকিৎসা ও ভ্যাকসিন এর জন্য গেলে টাকা দাবি করা হয়। খামারীদের কে বাৎসরিক একটা প্ নোদনা দেয়া হয়। প্ তি বছর নাম লিস্ট হলেও ভাতা পাওয়া যায়না। ডাক্তারের বদলে এখানে চিকিৎসা দিতে আসে ঔষধ কোম্পানির পৃ তিনিধি। স্থানীয় মতে ওখানকার সাবেক প্রানী কর্মকর্তা এখানে জরিত। ওনার এক ছেলে ভেটেরেনারি ফারমেসি করে। আবার ওনি নিজেই দোকান করে। আবার এক ছেলে একমি পার্র্মসিউটিক্যালসের ভেটেরেনারি তে আছে। অন্য ২ ছেলে লোকাল পশু ডাক্তার। শহর থেকে অডিট আসলেও ওনার ঘরে নিয়ে গিয়ে ভালো করে খাইয়ে মসলা পকেটে দিয়ে মুখ বন্ধ রাখে।
ডাক্তার দেখানোর যা রিপোর্ট করতে বললেন। তা করার জন্য ডাক্তারের কম্পাউন্ডার জোরা জোরি শুরু করলেন, এবং সেটা করা লাগবে বাইরের কোন প্রাইভেট প্যাথলজিতে। এই টেষ্ট সরকারি তে করলে সর্বোচ্চ ৪/৫ শত টাকা লাগতো। বি.দ্র: টেষ্ট ছাড়া ওষুধ সেবনে আমি সুস্থ হয়েছি।
টিকিট পেতে ও ডা দেখাতে সুযোগ পাওয়া তে টাকা দাবি করে। জনগনের সাথে চরম খারাপ আচরন করে। রোগী সেবা পায় না।
আমার মা চাকরি থেকে রিটায়ার্ড করেন ২০১৪ সালে। তাকে লোকাল হাসপাতাল একাউন্টেন্ট সেসময় জিনি ছিলেন, তিনি সকল কার্য প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার জন্য ৫০, ০০০ টাকা চান। স্থানীয় নেতা দ্বারা ৩০, ০০০ টাকা নেয়ার জন্যও সুপারিশ করা হয় কিন্তু সে মায়া করেনি। ভুলভাল উল্টোপাল্টা রিপোর্ট করার ভয় দেখায় এবং ফাইল আটকে রাখে। সৎ মানুষদের এটা সহ্য করা অনেক কঠিন। আমলাতান্ত্রিক জটিলতাকে দেশের সংস্কৃতি হিসেবে মেনে নিয়ে, মাকে বুঝিয়ে তারপর ৫০, ০০০ টাকা ঘুষ দিয়ে তার কার্য প্রক্রিয়াগুলো সম্পন্ন করি। এই বিষয়টা আমাদের অনেক ব্যাতীত করেছে যায় সারা জীবন মনে রাখার মতো।
Amar babar akta test koraranor jonno.. Daily 10 ta kora. But ami jantam na kagoj joma deya lage. Ami daray aci, onarao jane j ami ager din aysa geci. Akn taka joma dey ni bole, amr ta korbe nh.. Pore bollo nastar taka dile koray dibe. Pore dilam.
Faridpur medical college hospital, gyne obs department --place labour ward --for every normal vaginal delivery --খালারা টাকা নেয় রোগীর লোক থেকে, 500-1000tk
.............., হিসাব রক্ষক, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে, লালমোহন ভোলা । তিনি যাদের কে টি এ ডি এ দেন প্রত্যেকের কাছ থেকে50%- 40% উৎকোচ নিতেন । কিন্তু আমি টিএ ডিএ পাওয়ার অর্ডার থাকা সত্ত্বেও দেন না। নামে বে নামে ভুয়া অফিস আদেশ দিয়ে টাকা তুলে নেন। ( উপরোক্ত 200000/- টাকা আনুমানিক দুই তিন বছরের)
রোগী দেখতে গেলে আনসার বাহিনী বলে ডুকার পারমিশন নাই, পরে টাকা চায়, দিলে যেতে দেয়।
আমার বোনকে পঙ্গু হসপিটাল ( নিটোর) এ নিয়ে যাই। ডাক্তার বলল যে আপনার বোনের অপারেশন লাগবে। আমি এভাবে অনেক সপ্তাহে গিয়েছি বাট অপারেশনের ডেট পায়নি। ওখানে কিছু দালাল আছে তারা বলল আমরা ডেট নিয়ে দিবো তবে খরচ দিতে হবে। আমি খরচ দিলে সে অপারেশনের ব্যবস্থা করে দেয়। এভাবে অনেক টাকা প্রতিদিন বিভিন্ন রোগীর নিকট থেকে তারা হাতিয়ে নিচ্ছে।
আমার স্যালারি একাউন্ট পরিবর্তন করার জন্য আবেদন করলে, একাউন্টস অফিসে দেওয়ার কথা বলে প্রধান সহকারী ৫০০ টাকা দাবী করে,। যা আমি দিয়েছিলাম। আমি উক্ত স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এর এমপ্লয়ী।
আমার মা হার্ট এর রোগী উনাকে সোহোরাওর্য়াদীর পাশে হৃদরোগ হাসপাতোলে নিয়ে যাওয়া হয় হার্টে রিং পরানোর জন্য প্রায় দেড় মাস হাসপাতালে থাকতে হয়।টিকেট থেকে শুরু করে,বেড,পানি,মেডিসিন,অপারেশন সব কিছুতে টাকা দেয়া লাগে।ওয়াড বয়,মহিলা সবার ব্যবহার প্রচন্ড খারাপ।আমার মা খুব অসুস্থ দেখেও টাকা না দেয়ার জন্য ধরেও নাই।অপারেশন শেষ হবার পরেও জায়গায় জায়গায় টাকা দিতে হইছে। ট্রলি,হুইল চেয়ার সব কিছুতে।অপারেশন শেষে বয়রা ক্যথ খোলে ব্যন্ড্যাজ খোলে হাজার টাকা না দিয়ে ভয় দেখায় কেউ রোগী দেখবেনা। এদের আগেও ধরা হইছে টিভিতে নিউজ হইছে কিছুই হয় নাই।টয়লেট এবং পরিবেশ সবই খারাপ ।আমাদের জায়গায় জায়গায় টাকা দিয়ে সেবা নিতে হইছে।জানিনা এর শেষ কোথায়।
করিমগঞ্জ মেডিকেলে রোগী নিয়ে যাওয়ার পর,,,নার্স দাবি করেছে ৩০০০ টাকা দিলে বাহির থেকে কিছু আনা লাগবে না,,, তারপর আমি না দেওয়াতে,, তারা নরমাল ডেলিভারির জন্য যা বলছে তাই বাইরে থেকে নিয়ে দেয়া হয়েছে,,, অথচ হসপিটালে সবকিছু আছে,,, লাস্টে তারা বলতেছে এখান থেকে একটি সুতা ইউজ করেছে সেলাইয়ের জন্য সেটার জন্য ৫০০ টাকা পরিশোধ করতেই হবে,,, না হলে রোগীর ক্ষতি হবে,,, লাস্ট আমি বাধ্য হয়ে পরিশোধ করেছি,,।
টাকা ছাড়া অনেক দেরি হবে, স্যার ঢাকা চলে গেছে।
ইউনিয়ন বাহ গ্রাম পর্যায়ে যে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স গুলা আছে বেশির ভাগ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স গুলাতে গরিব দুঃখী মানুষ ঔষধ নিতে গেলে ৫ টাকা করে দিতে হয়। আমার ওয়ার্ড একটি স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স আছে সেখানে ৫ টাকা নেয়। আমি টাকা নিয়ে গিয়েছিলাম না বলে ঔষধ পায় নাই।আমি বাহিরে এসে সবাই কে বলতে লাগলাম সবাই বললো ঔষধ নিতে হলে ৫ টাকা নিয়ে যেতে হবে তা ছাড়া ঔধষ পাওয়া যাবে নাহ।
আমি এখানে এক্সরে করাই এক্সরে রিপোর্ট নিতে গেছি বলে বকশিস দাও আমি বললাম কিসের দিব বললে বকশিশ না দিলে রিপোর্ট পাবেন না, আমি গেছিলাম চিকিৎসা নিতে ড্রেসিং করা দিও নাকি বক্স দিতে হয় ওখানে সেটা হল শ্যামলী নিটর হসপিটাল মানে হল পঙ্গু হাসপাতাল প্রত্যেকের কাছ থেকে ওরা চাই কিছু দিয়ে যান ওখানে পাবলিক গেছে সেবা নেওয়ার জন্য গরিব মানুষেরা তাদের কাছ থেকে হয়রানি করে টাকা নিচ্ছে অনেক মানুষ এরকম আমার কাছে কম আরো অনেকের কাছে অনেক কিছুই বলছে