মেডিকেল সার্জারী পারপাস
সেখানে যেকোন কাজ করতে হলেও টাকা দিয়ে করাতে হয়, যেমন অফিসের আয়া বা ওয়ার্ড যারা তাদেরকে দিয়ে রোগিকে কোথাও নিতে পে করতে হয়
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৮,৫৩১ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
সেখানে যেকোন কাজ করতে হলেও টাকা দিয়ে করাতে হয়, যেমন অফিসের আয়া বা ওয়ার্ড যারা তাদেরকে দিয়ে রোগিকে কোথাও নিতে পে করতে হয়
My mother was a cancer patient, after chemotherapy need a bed seat to go for operation. but everyday we submit documents in hospital in morning and reject after afternoon. 22days we done the same thing. but no seat arranged as a normal process. then contact with a ward boy, he claimed 8k for this purpose. and after the deal we get a seat. and paid him 8k.
Staff Nurse, Ward Boy, Duty Dr. Also involved with the percentage of that
Job er kotha bole 3 lak gus cai.bole govt hoea jabe.tk dia dukar por regular slary fai na.poti year job renew korte 70k gus dite hoi.
আমার মাকে নিয়ে আগস্ট মাসের ৮ তারিখে জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউটে যাই ভর্তি করি এবং চিকিৎসা সেবা পাওয়ার জন্য দেখি বেড নাই বেড পেতে হলে ৫০০ টাকা লাগবে ওয়ার্ডের লোক আমাকে বলে এবং আমি সেটা দিয়
আমার মা পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তরের একজন এফ ডব্লিউ এ। তিনি ২০২৩ সালে চাকরি থেকে অবসর গ্রহণ করেছেন। তার রিটায়ারমেন্টের টাকা তুলতে অফিসে অফিস সহকারি কে বিভিন্ন সময় ঘুষ দিতে হয়েছে। তিনি অতিরিক্ত খরচের কথা বলে এই টাকা গ্রহণ করেছেন। পুরো প্রসেস শেষ হতে প্রায় দেড় লক্ষ টাকার মত নিয়েছেন।
বদলি হবার কারনে ছাড়পএ দিচ্ছিলো না। ১০০০ টাকা চাইছিলো দেবার পর ছাড়পএ দিছে।এবং ট্রেজারি অফিসে এলপিসি দেবার জন্য ১০০০ টাকা নিছে না দেযা পর্যন্ত কাজ করেনি।অনেকদিন ঘুরিয়েছে।টাকা দেবার সাথে সাথে কাজ করে দিছে।আমরা তাদের কাছে যেন দিনদিন জিম্মি হয়ে যাচ্ছি।বিশেষ করে হাসপাতাল গুলোতে কোনো নার্সদের অফিসিয়াল কাজ করাতে গেলে টাকা ছাড়া যেন কথাই বলা যায়না।
সেবাটি ছিল মিটফোর্ড হাসপাতাল তেকে ঢাকা মোডিকেলে বদলি। একজন তয় গ্রেডের কর্মচারীর।তার অবসর সামনে এক বছর পর। সে ঐ মেডিকেলের ছাতৱ/ ছাতরী ছিল।চাকরীর শেষ সময়টুকু সে নিজের মেডিকেলে কাটাতে চেয়েছিল।কিন্তু মানবিক আবেদন রিজেক্টেড।বরঞ্চ পনের লক্ষ টাকা ঘুষ দাবী করে।
1.আমি আমার দাদাকে নিয়ে যাই ঐ হাসপাতালে নিয়ে যাই। 2.আমার কাছে 100টাকা চায় । ট্রলি ভাড়া, না দিয়ে উপায় নেই।পরে দিলাম। 3. এখন ভর্তির জন্য টাকা যদিও বা দশ টাকা। তারা আমার কাছ থেকে নিল একশো টাকা 4. এখন আবার বেড নিলে দিতে হবে ২০০ টাকা আর যদি বেড না নেই ফ্লোরে থাকতে হলে দিতে হবে ৫০ টাকা। 5. তারপরে আসলো ডাক্তার বুঝলাম না ডাক্তার কি দেখলো আর কি দেখল না ৩০ সেকেন্ডে দেখার পর দুটো পেজক্রিপসন দিল এবং বলল যে দোকান থেকে নিয়ে আসেন। অথচ ওইসব ওষুধ হসপিটাল কর্তৃপক্ষ দেওয়ার কথা। 6. তারপরে দেওয়া হল তিনটি টেস্ট মধ্যে হসপিটাল কর্তৃপক্ষ দেওয়ার কথা ছিল তিনটি । কিন্তু তারা একটিও দেয়নি। 7. এখন আবার অনেকগুলো ঔষধ লিখে দিল যা আমি প্রায় ৫ হাজার টাকা দিয়ে কিনে নিয়ে আসি। 8. দুইদিন পরে আমার দাদা মারা যায়। এখন
আমি ত হঠাৎ করে গেছি। কোন দিন যাই নাই৷ ত যেখানেই যাই টাকা চায় ওয়ার্টবয় রা। আরে খুব ভয়াবহ আবস্তা
আমি বয়স নির্ধারণ এর জন্য যশোর সিভিল সার্জন অফিসে আবেদন করি এবং সিভিল সার্জন অফিস ফরওয়ার্ড করে সদর হাসপাতাল এ পাঠায় এবং সেখানে আমার বিভিন্ন টেষ্ট কটেষ্ট করায় এবং বোর্ড বসায় ডাক্তার এর পর অফিস সহকারী দাবী করে ৮০০০০ হাজার টাকা নতুবা সঠিক রিপোর্ট না দিয়ে নেকেটিভ রিপোর্ট দিবে বলে তখন আমি বলিবলি যদি রিপোর্ট ঠিক থাকে তাহলে আমার পজিটিভ রিপোর্ট আসবেই তখন অফিস সহকারী বলে টাকা ই সব রিপোর্ট বোর্ড এগুলো কিছুই না। তখন আমি টাকা দেই এবং টাকা দেয়ার ডগুমেন্স রাখি। এরপর রিপোর্ট পাওয়ার পর তথ্য প্রমান সহ ঐ হাসপাতালে পরিচালক বরাবর অভিযোগ করি কিন্তু একমাস হলেও কোনো পদক্ষেপ নেননি পরিচালক তাতে।।
প্রথমে টেস্ট করানোর জন্য জমা দিছি, যে পরীক্ষা করতে ৩০ মিনিটও লাগবেনা, সেটির জন্য বলে পরের দিন আসেন। এখানেই মূলত ওদের কারসাজি। টাকা দিলে ৫ মিনিটের মধ্যেই রিপোর্ট রেডি। এরকম অহরহ নানান বিষয় এ ঘুষ বাণিজ্য চলতেছে৷ এটি সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ঘটনা।
আমি একজন আঘাতপ্রাপ্ত রোগী নিয়ে পঙ্গু হসপিটালে গেলে পঙ্গু হসপিটালে এক্সরে করানোর জন্য ৫০ টাকা ঘুষ জলের জন্য ৫০০ টাকা ঘুষ এবং অপারেশন থিয়েটারে ৩ হাজার টাকা ঘুষ নেই না হলে রোগে ফালায় রাখত
Ami akjn govt. doctor. Jkno legal official kaj krte gele hospital er nicher stor er lok der tk dte hoi ja khubi koster. Bises kre ofice sohokari gulo protita upazila theke bivagio hospital gulo te durnitir akhra baniye niyechen.
এক হাজার টাকা দিতে হবে। নোয়াখালি সরকারি হসপিটাল।
অত্র হাসপাতালে ডাক্তারের কাছে দেখানো হলে ডাক্তারের সাথে থাকা ওয়ার্ড বয় টাকা তোলে। জরুরি বিভাগের টিকিট কখনো ২০ টাকা, কখনো ৫০ টাকা এরকম ইচ্ছা মত নেয়। সঠিক টিকেট মূল্য হাসপাতালে কোথাও লীখে দেয়নি। এর সুযোগ নিচ্ছে কতিপয় কর্মচারী।
ঘুষ না দিলে নার্সরা আসে নাহ, আর ডাক্তার কোনো পরিক্ষা দিলে রুগী কে নিয়ে যাওয়ার জন্য চেয়ার গুলো নিলে টাকা দিতে হয়। আর রোগী সিটের জন্য টাকা লাগে, দালালরা সব জিম্মি করে রাখে, তাদের বাহিরে কথা বলা যায় নাহ ইত্যাদি
হৃদরোগ হাসপাতাল ঢাকা,রাতে রক্তের পরীক্ষা করার ক্ষেত্রে অতিরিক্ত ৫০০ টাকা দাবি করে টেস্ট এর রিপোর্ট দ্রুত দেয়ার কোথা বলে। এই টেস্ট এর রিপোর্ট নরমালি তখন দেয়ার কথা ।রুগি এর অবস্থা খারাপ থাকায় রুগীর সজনেরা তখন ৫০০ টাকা অতিরিক্ত দেয় যার কোনো রিসিট দেয় না তারা ।
রুগীকে নিয়ে যাওয়ার জন্য টেবিল গাড়ি থাকা সত্বেও দিতে রাজি হয় নি,,পরে ১০০ টাকার বিনিময়ে ১ ঘন্টার জন্য গাড়ি দিয়েছিলো,,সরকারি হসপিলে,।
নতুন চাকরিতে যোগদান, পে-ফিক্সেসন,ছাড়পত্র, বা অফিসিয়াল যে কোনো কাগজপত্র নিতে অফিসের বড় বাবু, কম্পিউটার অপারেটর, হিসাবরক্ষকে ঘুষ বা চা'র বিল না দিলে কাজ হয় না। ট্রেজারী অফিসও যুক্ত আছে।। কাজের গতি নাই, ফাইলে হাত দেয় না, টাকা না ফেলে। টাকা দিলে কাজ হয়ে যায়।