নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৭,৩২৬ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
শান্তি বিনোদন ভাতার জন্য গোটা বাংলাদেশের সকল সরকারি কর্মচারির থেকে, তাদের নিজ অফিস ১০০০-৩০০০ টাকা ঘুষ নেই। এছাড়া শান্তি বিনোদন ভাতা প্রধান সহকারী/ প্রশাসনিক কর্মকর্তারা সার্ভিস বুকে এন্ট্রি করে দেয় না এবং বিল ও ছুটি নিয়ে ও ঘোরাই। সর্বপরি বিল ও ছুটি মঞ্জুর করে না।
Tk sara kno official kaj korte chay na.. joining theka retairment all time tk hay ..ROSHID shaheb, account hesabe ase..chor sala akta,store kipper o , medicine o mere day
ঢাকা মেডিকেল কলেজে আমার বাবা মেডিসিন ওয়ার্ডে ভর্তি ছিলেন। অবস্থার অবনতি হলে তাকে আই সি ইউ তে ভর্তি করতে বলা হয়। কিন্তু আই সি ইউ তে কোন সিট ছিলো না। পরবর্তীতে এক দালাল জানায় একটি সিট ম্যানেজ করে দেবার জন্য তাকে ১০ হাজার টাকা দিতে হবে। এরমধ্যে ৬ হাজার এডভান্স। আমি ৬ হাজার টাকা দেবার কিছুক্ষণ পর আমাকে জানায় ৮/৯ ঘন্টার মধ্যে সিট পাওয়া যাবে। কিন্তু এর মধ্যে আমার বাবার অবস্থা অবনতি হলে প্রাইভেটে ভর্তি করি।
আমি একজন সরকারী চাকরিজীবী গত ৯ আগস্ট আমার তিন বছর চাকরির মেয়াদ হওয়ায় শ্রান্তি বিনোদন ভাতার প্রাপ্য হই।কিন্তু অফিসের প্রধান সহকারী আমার মত আরো পাঁচজনের কাছ থেকে জন প্রতি ২ হাজার টাকা দাবি করেন। তার দাবি বাজেট আনতে এক হাজার এবং অ্যাকাউন্টস অফিসে এক হাজার টাকা ঘুষ দিতে হবে তার নাকি কোনো লাভ নাই।
চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল এখানে প্রতিদিন হাজার হাজার রোগী চিকিৎসা নিতে আসেন। সেখানে ঘুষ নেয়ার ১নাম্বার আপনি যখন এম্বুলেন্স বা গাড়ি থেকে নামবেন রোগীর আনা নেওয়া করার জন্য ট্রলি থাকে ১০০ বা ২০০ টাকা না দিলে আপনার রোগী নিয়ে যাবে না তারা (২নং)২০ টাকা বা ৫০ টাকা না দিলে লিফট মেন আপনার রোগী নিয়ে যাবে না(৩নং)ওয়ার্ড বয় কে টাকা না দিলে আপনি সিট পাবেন না( ৪নং) আয়া এবং মাসি তাদেরকে দিয়ে কোন কাজ করাতে হলে ১০০ টাকা ২০০ টাকা ছাড়া কোন কাজ করবে না (৫নং) গেটে বসে থাকা আনসার সদস্য ২০ টাকা না দিলে আপনাকে ওয়ার্ডে ঢুকতে দিবে না।৬নং আপনি এক্সরে বা কোন পরীক্ষা করতে গেলে কর্তব্যরত কর্মকর্তা আপনার থেকে ২০ টাকা ৫০ টাকা বেশি নিবে মুলত এই হাসপাতালের পরিচালক অসাধু এবং ঘুষখোর সে কিন্তু সেনাবাহিনীর লোক
টেস্ট করার সিরিয়াল আজকের মত শেষ এজন্য পরেরদিন আসতে হবে, আরো কয়েকজন রোগীর সাথে কথা বলে বুঝলাম টাকা না দিলে পরেরদিন ও একইভাবে ফেরত পাঠানো হবে তবে দায়িত্বরত আনসার কে টাকা দিলে আজকেই MRI test করার যাবে,জিয়া মেডিকেল কলেজ।
আমি গত ১০/৮/২০২৬ তারিখে দুপুর ১২ টার সময় সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজে বহির্বিভাগে চিকিৎসা নিতে গেলে টিকেট কাউন্টারে দেখা যায় আর টিকেট দিচ্ছ না , ২ টার পর্যন্ত টিকেট বিক্রিথ কথা থাকলে ও তারা বলে বলে দুপুর বার টার পর টিকেক দেওয়া হয় না , হাসপাতালের ভেতরে গিয়ে দেখার যায় অনেক রুগী দালালদের টাকা দিয়ে টিকেট নিচ্ছে, রুগীদের সাথে কথা বলে জানা যায় বহির্বিভাগে বি, সি এস সরকার ডাক্তারদের পরিবর্তে ইন্টারনীদের দিয়ে রুগী দেখা হচ্ছে, সব ওষুধ দেওয়া হচ্ছে না শুধু পেরাসিটামল ছাড়া সব ওষুধ বহির থেকে নিতে বলা হচ্ছে, কেন বিসি এস সরকারী মেডিকেল অফিসার নাই প্রশ্ন করে কর্মচারী বলের তাদের মাসে পরামর্শ নেওয়া জন্য পাশ্ববর্তী পোপোলার, মেডিনোভা, ইত্যাদি চেম্বারে যেতে হবে।
Wardboy ড্রেসিং করার পর ৫০ টাকা বকশিস দাবি করেছিলো।
আমার মা হার্ট এ্যাটাক করলে ন্যাশনাল হার্ট ডিজিজ হাসপাতালে গিয়ে জরুরী বিভাগে নিতেও ওখানকার আনসর ট্রলি দেয় নি। হাটিয়ে নিয়ে গেছি। পরে যখন ভর্তি করা হয় তখন জরুরী থেকে ওয়ার্ডে নেওয়ার জন্য ট্রলি বাবাদ ৪০০-৫০০ টাকা চায়। আমি ৩০০ দিতে রাজি হয় তখন তারা ট্রলি নিয়ে আসে। বেড খালি পরে থাকলেও টাকা না দিয়ে দিতে চায় না। তার আগে নয়। এছাড়া রোগী দেখা, বা অন্য যেকোনো বিষয়ে সেখানে কর্মরত প্রায় সবাই (ডাক্তার বাদে) ঘুষের সাথে সরাসরি সম্পৃক্ত। কিন্তু দেখার কেউ নেই। আর ওখানকার আনসার, আয়া আর নার্সরা সবচেয়ে খারাপ। এদের ব্যবহার অত্যন্ত খারাপ।
চাঁদপুর সদর হাসপাতালের জরুরি বিভাগে আমার ভাতিজাকে নিয়ে যাই। গাছ থেকে পড়ে ওর হাত ভেঙ্গে যায়। ডাক্তারের পরামর্শে ওর হাত প্লাস্টার করতে হয়। এতে প্লাস্টারের যাবতীয় সরঞ্জামাদি আমি নিজে ক্রয় করি। এবং ডাক্তারের পরামর্শে প্লাস্টার করি। কিন্তু প্লাস্টার করানোর পর, যেই ব্যক্তি প্লাস্টার করেছেন ও এই কাজে সহায়তা করেন তাদের ঘুস দেওয়ার জন্য বলেন। পরে জানতে পারি এই কাজে সবার কাছ থেকে বাধ্যতা মূলক ৩০০-৫০০ টাকা নেওয়া হয়। এটি একটি অলিখিত রেওয়াজ। পরে বাধ্য হয়ে তাকে ৩০০ টাকা দিতে হয়। এভাবে আমকর ভাতিজাকে ২০-০৮-২০২০ ইং থেকে ২৪-০৮-২০২৬ ইং পর্যন্ত ৩বার প্লাস্টার করা হয়। এবং প্রতিবার ৩০০ টাকা করে দিতে হয়।
কিছু দিন আগে, প্রায় ২০ দিন আগে আমার মার পা কেটে গিয়েছিল, আমরা ঢাকা মেডিকেলে গিয়েছিলাম, তাদের ওইখানে প্রতি স্টেপেই লোকদের বকসিস নাম করে টাকা নিচ্ছে,, সামান্য একটা wheel chair নিতে পতারা বাধা দেয়, কেন দেয় তা জানি না, কিন্তু ৭-৮ টা খালি পরা ছিল। পরে আমাকে বাইরে ঠেকে ১০০ টাকা দাবি করে পরে ৫০ টাকা দেওয়াতে তারপর দিছে। আবার, X-ray করতে গিয়েছিলাম, X-ray করার পর ২০০ টাকা দিতে বলে, আমি বল্লাম ২০০ টাকা কি X-ray এর জন্য? তারা বলে হ্যা। আমি টাকা দিলাম আর স্লিপ চাইলাম, কিন্তু আমাকে দিলো না বরং তারা তারাহুরা দেখিয়ে আমাকে Room থেকে বার করে দিল, আমিও কিছু বলি নাই কারন Emergency ছিলো।
ঢাকার শ্যামলীতে জাতীয় হৃদরোগ ইন্সটিটিউট এ আমার বাবা কে ভর্তির জন্য ও অন্য অন্য সেবা পেতে ওখানের স্টাফ, গার্ড দের বখশিশের নামে ঘুষ দেওয়া লেগেছিলো।
জরুরি বিভাবে রোগী নিয়ে গিয়েছিলাম, তারপর রোগীকে যখন বেড এ নিয়ে যাবে তখন হুইল চেয়ারে করে নিয়ে যাওয়ার জন্যে ১৫০ টাকা চার্জ চেয়েছিলো, পরে টাকাটা দিতে হয়েছিলো বাধ্য হয়ে।
without Ghush Geganel bed will never empty
আমি নিজে একজন সরকারি চাকরিজীবী। হবিগঞ্জ সদর হাসপাতালে কর্তব্যরত আছি। চাকরির তিন বছর অন্তর অন্তর যে শ্রান্তি বিনোদন দেওয়া হয় সেই বিনোদন ভাতা উত্তোলন করতে গিয়ে অফিসের স্টাফদের ১০০০ টাকা করে ঘুষ দেওয়া লাগছে। আপনারা চাইলে আমি নাম সহ প্রমাণ দিব
আমাকে কুকুরে কামড় দেওয়ার পরে আমি রায়পুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে গেলে ডাক্তার IG এবং rabies টিকা লিখে দেন টিকাদান রুমে যাওয়ার পরে উনি আমার থেকে সর্ব মোট ১১০০ টাকা দাবি করেন আমি পকেটে পূর্ণ টাকা না থাকায় ৭০০ টাকা দেই নিরুপায় হয়ে।
৩ বছরে ডিপ্লোমা নার্সিং পাশ করার পর হাসপাতালে ৬ মাস ইন্টার্নশিপ করতে হয়। সেখানে প্রতিমাসে ৬ হাজার টাকা ভাতা পাওয়ার কথা। কিন্তু ৫ মাস চলছে তাও কোন টাকা পাইনি। এসবের জন্য নাকি খরচ দিতে হয় পরিসংখ্যান বিভাগে যে কাজ করবে তাকে। আমরা ৬৯ জন শিক্ষার্থী মিলে ১৮ হাজার টাকা দেই কিন্তু এখনোও কোন ভাতা আমাদেরকে দেয়নি।
wheel chair ar jonno amar kache taka niyacilo
আমি রংপুর সরকারী মেডিকেলে গেছিলাম এক পরিচিত রে দেখতে। সে সেখানে ভর্তি আছে ঠিকই কিন্তু বেড পায়নি। আরেক দালাল আমায় এসে বলবো, বেডের জন্য তো রুগী অসুস্থ হয়ে যাবে। বেড লাগলে কইয়েন। উপ্রের স্যারদের বলে ব্যবস্থা করে দিবো।
thik moto rugi na dekhe tongi hospital er dr. jar jar adda / mobile tipay busy. Pasapasi hudai ulta palta oproyojonio test dey, esob test sorkari hospital e kora jay na. Bairer private faltu hospital e kora lage + tara vua report dey.