নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৭,৩২৬ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
বিষয়টি ছিল খুবই মমাত্নিক । আমার বাবা সিলেট উসমানি মেডিকেল ভর্তি ছিল । পরে অপারেশন হয়। যদিও 3/4 ডেইট তারা মিস করে। তো অনেক বড় বড় সমস্যা হয়েছিল । বাট একটা ছোট সমস্যা শেয়ার করি বিষয় টা ছিল ছোট মাত্র - 250 টাকার কিন্তু আমি অনেক ব্যাতিত হয়েচিলাম। 1। আমার বাবা অপারেশনের দিন সম্বতব 3 তলা তেকে 5 তলায় উটানো লাগে অপরেশনের জন্য । তো আমি সকাল সকাল 5 তালায় উটাতে যাই । । তো এক ভদ্রলোক (টলিম্যান)বাবার ট্রলি নিয়ে যাচ্ছিলো + আমিও ছিলাম যাইহউক অনেক কথা তো 5 তলা উটার পর আমার কাছে 100 টাকা চাইলো আমি বললাম কি অনেক কথা দিয়ে দেই তারে 100 আর অপরেশনের পর রেস্ট রুমে বিছানা পাল্টায়া দিবে + নতুন আরকটি বিছারা দিবে বলে 150 টাকা দাবি কলে অনকে কথা আমি দিয়ে দেই ।
পিজি হাসপাতালে আমার ওয়াইফের আলট্রাসনোগ্রাম করতে গিয়ে ৪০০ টাকার আলট্রাসনোগ্রাম করতে গিয়ে আরো ৪০০ টাকা ঘুষ দিতে হয়েছে
যৌক্তিক ট্রেনিংয়ের যোগদানের জন্য ট্রান্সফারের এপ্লিকেশনে অগ্রায়ন না করা, এবং এ কাজটি উনি সকলের সাথেই করেন।যার ক্ষমতা আছে তিনি হয়তো পার পেয়ে যান, না হয় উনাদের খুশি করার জন্য টাকা পয়সা খরচ করতে হয়।
ভর্তির সময় খালি সিট স্টাফ রা বিক্রি করে ।
কিডনি রোগীদের একটা টেস্ট আছে যেটা কিডনি অপারেশন আগে, পরে করা হয়, যেটার নাম রেনোগ্রাম,যেটা করতে নিউক্লিয়ার মেডিসিন লাগে, এটা করানোর জন্য আগে থেকে সিরিয়াল নিতে হয়, সিরিয়াল নিতে গেলে, যে লোক সিরিয়াল নেয়,সে কোন না কোন ভাবে বুঝাবে এখন মেডিসিন নাই, তাই পরিক্ষা বন্ধ, আপনি আমার সাথে যোগাযোগ রাখবেন,মেডিসিন আসলে আপনাকে আমি বলবো, প্রতি সাপ্তাহিক কল দিতে বলে, কিছুদিন এই ভাবে চলতে থাকে তার পরে বলে, অনেক লাম্বা সিরিয়াল কিছু খরছ পাতি হবে যদি আপনি করতে চান, টেস্ট হচ্চে ৩ হাজার টাকা, তখন ৫ হাজার দিতে বলে, এখন আমার অপারেশন করতে হবে চট্টগ্রাম এই টেস্ট আর কোথাও করানো হয় না, তাই আমি ৫ হাজার দিয়ে এই টেস্ট করতে বাধ্য। এই পযন্ত আমি ৩ বার টেস্ট করছি,৬ হাজার টাকা বেশি দিতে হয়ছে না হলে সিরিয়াল দেয় না। যত রোগী আসে সবার
প্রথমে ডিজি (স্বাস্থ্য) থেকে বরখাস্ত হই। তারপরে আদালতে রায় আমার পক্ষে আসে,কিন্তু সেই আদেশ বাস্তবায়নের জন্য আমাকে দীর্ঘদিন চরম ভোগান্তি পোহাতে হয়। শেষমেষ দাবিকৃত টাকা দিয়ে আমার কার্য্য সম্পাদন করি।
রোগি নিয়ে গেলে ট্রলি দরকার সেখানে দালাল রা টাকা ছাড়া ট্রলি দেয় না।
২০২৬ সালের মার্চ মাসে আমার ছেলের নয় মাস বয়স পড়ে। ব্যাংকের চাকরির সুবাদে তখন আমার পোস্টিং চট্টগ্রামে। বাড়ির কাছাকাছি হাসপাতাল ছিল "১০ শয্যা বিশিষ্ট কর্নেল হাট মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্র"। তো ৯ মাস বয়সের শিশুদের সরকারিভাবে বিনামূল্যে হামের টিকা দেয়া হয় কিন্তু সেই হাসপাতাল আমার ছেলেকে টিকা দেয়ার জন্য ৫০ টাকা ঘুষ চায়। আমার বাবা ঘুষের টাকা দিয়ে আমার ছেলেকে টিকা দিয়ে নিয়ে আসে।
ভাঙ্গা পায়ে ব্যান্ডেজ করতে গেছিলাম। ওখানে যারা ব্যান্ডেজ করে তারা নামাজ আদায় করে এসে বলে 200 টাকা ছাড়া ব্যান্ডেজ করবে না। কোনো কোনো রোগীর থেকে 300-350 ও আদায় করছিল বাধ্য করেছিল।
আমি রংপুর সুপার মার্কেটের সামনে মোটরসাইকেলেএক্সিডেন্ট করি ডান পা কেটে যায়। পরে রংপুর মেডিকেলে এমার্জেন্সিতে নেওয়া হলে চিকিৎসকরা ১ ঘন্টা বসিয়ে রাখে।বলে সেলাই সুতা নাই সেটা আমার নিজেকে কিনে নিতে হয়েছে। এন্টিবায়োটিক সহ যাবতীয় ঔষধ লিখে দিয়েছে এবং সেটা নাকি দিবে পরের দিন।অসুধ,ইঞ্জেকশন সব আমি কিনে নেই এবং হাসপাতাল থেকে চলে আসি।
পরিসংখ্যান বিভাবে একজন তৃতীয় শ্রেনির কর্মকর্তা বদলি করানোর কথা বলে আমার কাছে ১০০০০০ টাকা দাবি করে কিন্তু পরবর্তী আমি দিতে প্রত্যাখ্যান করি বলে আমার বদলি হলো না।আমার শারীরিক অসুস্থতার কারণে বদলি হতে চেয়েছিলাম।
হাসপাতালে আমার ভাবির সিজারের পর বাচ্চাটিকে অপারেশন থিয়েটার থেকে আনার সময়, অপারেশন এর গেটে থাকা আনসার বাচ্চা হওয়ার খুশির ভাগ দাবি করে, নাহলে নাকি বাচ্চা নিয়ে বেরোতে দেবে না। ওটির আয়াকে বাধ্য হয়ে টাকা দিতে হয়েছিলো, বাচ্চা মুছে দেয়ার জন্য ৫০০ টাকা।
এক্সিডেন্ট এর একজন রোগী নিয়ে আমি টাঙ্গাইল মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ইমারজেন্সিতে যাই।সেখানে আমার রোগীর সিলাই দেয়ার পর সিলাই বাবদ ১০০০ টাকা দাবী করে এবং পরিস্থিতি বিবেচনায় আমি পরিশোধ করতে বাধ্য হই।
টাকা দিলে ফ্লোরের বদলে সীটে বরাদ্দ দেয়।তাছাড়া দায়িত্বরত ওয়ার্ডবয় আর আনসার সদস্যরা হুদাই টাকা নেয়
বেশ কিছুদিন আগে আমার দাদিকে নিয়ে বরিশাল হসপিটালে গিয়েছিলাম, ওখানে যতগুলো টেস্ট দিয়েছে সবগুলো আমার বাহিরে করানো লাগছে, বাহিরে যেতে হলে হুইল চেয়ার বা ট্রলি ভাড়া নিতে হয়, সেখানে ১৮ দিনে প্রায় আমার তিন হাজার থেকে চার হাজার টাকার মধ্যে চলে গেছে শুধু একটা বিষয় বাকিগুলো তো বাদই দিলাম
অস্থায়ী চাকুরি দিবে ৪০০০০০ টাকা দিতে হবে চাকুরি কনফার্ম
আমি আমার আমমাকে নিয়ে রিদরোগ হাসপাতালে যাই।ওনি ছিলেন হাঁপানি রোগী সাথে হার্টের রোগীও,ওনাকে ওখানে ভর্তি করি।ওনার জন্য বেড চাই আয়ারা বলে বেড খালি নাই,বেড পাইতে হলে টাকা দিতে হবে ১৫০০ টাকা।
আমাদের একটি ভেজা বেড এবং যেখানে ফ্যান ছিল না এমন একটি জায়গা দেওয়া হয়েছিল রোগীকে পরবর্তীতে চেঞ্জ করে দিতে বললেও আমাদের কথায় কান দেয় নি।১০০ টাকা হাতে দেয়ার পর সে সমস্যা সমাধান করেছে। ডেঙ্গু ওয়ার্ডের ঘটনা।
শুধু টলি ওয়ালেকেই আমার 600 টাকা দিতে হয়েছে আর কোন চিকিৎসা করাইতে পারি নাই টাকা দিয়ে সিট না কিনতে পেরে বা কোন ক্ষমতা বান ব্যাক্তি দিয়ে ফোন না দিতে পেরে। আমার পরে জারা গেছে ম্যানেজ করে তারা সিটের ব্যবস্থা নিছে। আমার কাছে টাকা ছিলো না কিন্তু টলি ওয়ালা খুব খারাব ব্যবহারের কারনে এম্বুল্যান্স ড্রাইভারের কাছ থেকে হাওলাদ নিয়ে দিতে হইছে। তেমন কিছু না তবে আমি আমার মনের রাগ টা ঝারলাম এখানে
ময়মনসিংহ মেডিকেল হাসপাল ঘুষ এবং দুর্নীতির আখড়া , আনসার বাহিনী ,ওয়াড বয়, ডাক্তার ও বহিরাগতরা জড়িত , সিটিস্ক্যান করতে ২০০০ টাকা এক দালাল চাইছিলো , দ্রুত সময়ে করিয়ে দিবে । এক্সিডেন্টে রোগি ছিলো । এই বিষয় টা সকলেই খোজ নিয়ে দেখেন ।