17,324 bribery reports filed by citizens — search, filter, and switch between list and grid.
আমি ময়মনসিংহ মেডিকেলে ডাক্তার দেখায়ছি ডাক্তার একটা আন্ট্রাসনোগ্রাম দিছে। বাইরে করতে ৪০০০হাজার লাগে।মেডিকেলে করতে ৫০০।কিন্তু, মেডিকেলে সিরিয়াল পাওয়া যায় না। আগের দিন থেকে ওইহানে শুয়ে থাকতে হয়।তাই আমাকে এটা করতে ১০০০টাকা ঘুষ দিতে হয়েছে।
সরকারের সবচেয়ে দুর্নীতির হয় মনে হয় এই সেক্টরে। আমি বদলির জন্য মেনে হয় ২০২২ সাল থেকে এখন পর্যন্ত ৫০ টি আবেদন করেছি এখন পর্যন্ত আমরা বদলি হয় নি। অথচ আমাদের বদলির জন্য শর্ত আছে, এক জায়গায় মিনিমাম ৩ বছর থাকতে হবে সেখানে আমি ৬ বছর ধরে পরে আছি তাও বদলি হচ্ছে না। অথচ যাদের বদলির আবেদনের যোগ্যতা নাই তাদের বদলি হচ্ছে। আমার কাছেও একজন ডিজিএন অফিসের কর্মকর্তা টাকা চেয়েছে,বলছে ৩,০০,০০০ (তিন লক্ষ) টাকা দেন বদলি করে দিচ্ছি। আমাদের পেশায় যখন মানব সেবা করা তখন আমাদের সেবা নিতেই ঘুষ দিতে হয় এরচেয়ে লজ্জার আর কি আছে। আমি ছোট ছোট ২টা বাচ্চা নিয়ে খুব হতাশায় দিন কাটাচ্ছি। জানিনা কি করব,
আমি ডাক্তার দেখানোর জন্য চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে যখন যাই তখন আমাকে দেখার পর ডাক্তার বিভিন্ন রকম পরীক্ষা দেন তার মঝে ছিল আল্ট্রাসাউন্ড আমি ডাক্তার সাহেব আমাকে বলেন ১৫ নং ওয়ার্ডে যাওয়ার জন্য যাওয়ার পর যখন টিকিট কাটার জন্য যাই আমাকে টিকিট না দিয়ে ওই খানে অবস্থানরত একজন আয়া কে দিয়ে টেস্টের জন্য পাঠান । অনেক খন বসার পর টেস্ট করানো হয় । করানোর পর আমার কাছে ৩০০ টাকা চাওয়া হয় আমি তখনো যানতাম না যে টেস্টের দাম ২২০ টাকা পরে ৩০০ টাকা দিয়ে আসার পর অন্য একজন এর কাছে শুনতে পাই টেস্টের দাও মাত্র ২২০ টাকা।
আমি ২০২২ সালে আমার আম্মু কে নিয়া সিলেট এম জি ওসমানী মেডিকেল কলেজ নিয়ে ভর্তি করি নিউরো সার্জারি বিভাগে,,ভর্তি হওয়ার পর আমাদের কে বেডের নিচে ফ্লোরে সিট দেওয়া হয় তখন আমার আম্মার অবস্থা খুব খারাপ ছিল, তখন একটা বেড দরকার ছিল তার পর আমি একজন ওয়ার্ডবয় কে বেডে স্থানান্তর করার কথা বলি উনি আমার কাছে ৫০০ টাকা চায় আমি প্রথমে দিতে চাইনি,, কিন্তু মায়ের অবস্থা দেখে শেষ মেষ ৫০০ টাকা দিতে বাদ্য হই, তার পর যখন বিছানার নতুন চাদর চাই আরো ১০০ টাকা দিতে হয়েছিল,সেটা ছিলো মেডিকেলের , পুরান বিল্ডিং ৪ তলা ৬ নাম্বার ওয়ার্ডে,,নিউরো সার্জারি বিভাগ,,,
আউটডোর ডাঃ দেখানোর টিকেট দাম দশ টাকা কিন্তু কোন কথা ছাড়া নিচ্ছে বিশ টাকা, দৈনিক ৫/৬ হাজার রোগী আসলে ৫০/৬০ হাজার টাকা,আর রোগীকে ট্রলি করে যে কোন ওয়ার্ডে নিলে ১০০ টাকার উপরে দিতে হয়,যদি তদন্ত করা হয় সরকারি হাসপাতালে তৃতীয় শ্রেণীর কর্মচারীর দ্বারা হয়রানির শিকার হয় তা বেরিয়ে আসবে।
রোগীকে নিজতলা থেকে দ্বিতীয় তলায় তুলার জন্য হুইল চেয়ার দিতে রাজি হয় নাই। ২৫০ টাকা দাবি করে।
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হসপিটাল সিট পেতে ৩০০০ টাকা নিয়েছে।
সাতক্ষীরা নার্সিং ইনস্টিটিউট। শিক্ষার্থীদের লাইসেন্স পরীক্ষার জন্য সরকার থেকে নির্ধারণ করে দেওয়া হয়েছে ২০০০ টাকা কিন্তু সেখানকার কর্তৃপক্ষ তাদের কাছ থেকে ২৪২০ টাকা ও অতিরিক্ত নিয়েছে। তারা বিভিন্নভাবে বিভিন্ন রকম চার্জ এর নাম অতিরিক্ত অর্থ আদায় করে। আমাদের একটি ম্যাডাম অবসর নিবেন সেই জন্য নাকি তাকে সোনার কানের দুল এবং সোনার চেন বানিয়ে দিতে হবে। সেই অর্থ আমাদের কাছ থেকে চাঁদা উঠিয়ে নিয়েছেন। ২০২৬ সালে এই যে লাইসেন্স পরীক্ষা হবে সেই লাইসেন্স পরীক্ষা দেওয়ার পরে, সাতক্ষীরা নার্সিং ইনস্টিটিউটে এসে আমাদের ৫০০০ টাকা জমা দিতে হবে, না হলে নাকি কোন সার্টিফিকেট বা কাগজপত্র দিবেন না। আমাদের সিনিয়ার আপুরাও টাকা দিয়েছে। এই সকল কাজের সাথে ইনস্টিটিউটের ইনচার্জ ম্যাডাম যুক্ত রয়েছে।
টলি নিয়ে এসেছেন তাকে দুইশত টাকা, ক্যাটার পরিয়ে দিয়েছে 400 টাকা, প্যাথলজিক্যাল টেস্টে নিয়ে যাওয়া সহাপ্য আবার ২০০ টাকা, সার্জিক্যাল পণ্য ৮০০ শত টাকা, ফুসফুসে জমানো পানি পরীক্ষার জন্য যক্ষার জন্য ৫০০শত টাকা দিতে হয়েছে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে
আমার আব্বাকে গত 1/9/2026 সকাল ১০ ঘটিকায় ফ্যাক্টরিতে কাজ করা অবস্থায় বাম হাতের দুইটা আংগুল বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়, থানা সদর হসপিটালে ইমার্জেন্সি থেকে রেফার্ড করে সিরাজগঞ্জ সরকারি মেডিকেল কলেজ হসপিটালে রেফার্ড করে, তাদের ইমার্জেন্সিতে ৫ ঘন্টা বসিয়ে রেখে সময় ক্ষেপন করে ডাক্টার আসবে আসতেছে এমন করে ষ্টাফ কর্তৃক ১০০০ টাকা ঘুষ আদায় ও ১২৬০ টাকার মত টেষ্ট মত করেও রিপোর্ট ও সার্জারী পেতে পেতে সন্ধ্যা হবে বলায় ,রোগিকে তাদের দেখানো পার্শ্ববর্তি বেসরকারি মেডিকেলে ১৫০০০ টাকায় অপারেশন করানো হয়... কিন্তু দেরি হওয়ায় বিচ্ছিন্ন আংগুল আর জোড়া দেওয়া সম্ভব হবে না বলে ডাক্তার জানায়। যদি এটাই কারন হয় তবে কেন ৬ ঘন্টা রক্ত পরা অবস্থায় রোগিকে ৬ ঘন্টা বসিয়ে রাখা হলো?
আমার বাবার এঞ্জিওগ্রাম করার জন্য ৫ হাজার ৫০০ টাকা চায়,হাসপাতালের কার্ডিওলজি বিভাবে কর্তব্যরতরা, এটা এঞ্জিওগ্রাম খরচ, আমি রাজী হই, তারপর ও কবে করবে তার কোন সঠিক তারিখ দিচ্ছিলো না, পরে একটা লোক আমাকে বললো এক্সট্রা কিছু টাকা দিয়ে দাও করে দেবে, আমি বাবা অস্স্থুতার কথা চিন্তা করে রাজী হই। এবং সাড়ে হাজার টাকায় এঞ্জিওগ্রাম করাই, করানোর পরে যে সরকারি রশিদ পেয়েছি তাতে ২ হাজার ৫০০ টাকা উল্লেখ করা, আজ দেড় মাস হলো আমি রিপোর্ট হাতে পাইনি আরো টাকা দেইনা বলে। যে আমার কাছ থেকে টাকা নিয়েছে সে এন্জিওগ্রাম যেখানে করে সেইখানে ডাক্তাদের সাথে থাকে নাম সো,,,,ল, সেই ব্যক্তি ঘুষ লেনদেন করে, টাকা দিলে রিপোর্ট দেয় নয়তুবা রিপোর্ট আটকে রাখে, ঠিক আমারটার মত।
কুষ্টিয়া ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে রোগীদের দ্রুত ডাক্তারের কাছে পাঠিয়ে দেন (দীর্ঘ লাইনে দাড়িয়ে থাকা রোগীদের) দালাল চক্র। তারা উক্ত প্রতিষ্ঠানের কর্মরত। যদিও টাকার পরিমাণ খুব বেশি নায় কিন্তু এটা তো অবৈধ।
ঘটনা ৩০ এপ্রিল ২০২৩। পাসপোর্ট অফিস জানায়, আমার পাসপোর্ট রিনিউ করতে আবার ফিঙ্গারপ্রিন্ট নেবে এবং ১০ টাই দিতে সক্ষম না হলে একটি মেডিকেল সার্টিফিকেট জমা দিতে হবে বাকি কাগজের সাথে। পরে আমি যাই National Institute of Traumatology and Orthopaedic Rehabilitation এ, যেখানে শুরুতে আমাকে একজন গার্ড ২ ঘণ্টা ঘুরান এই বলে যে এখানে এরকম কোনো সার্টিফিকেট দেওয়া হয়না । যখন উনি বুঝেন যে আমার অনেক দরকার তখন সাইড এ নিয়ে বলেন ৫k দিলে উনি ব্যাবস্থা করে দিবেন। আর উপায় না পেয়ে ওইদিন তাই করতে হয়েছিল, তবে মনে একটা খটকা থেকেই গেল, সামান্য congenital condition এর জন্য ঘুষ দিয়ে একটি সার্টিফিকেট তোলা লাগলো! এই ছিলো ঘটনা।
ঢাকা ওমুডকেল কলেজ হাসপাতাল। আমরা যখন রোগী নিয়ে যাই ষ্ট্রেচারে উঠালেই টাকা দিতে হবে ভতী করলে সিট পাওয়া যায় না যদি অপাশেন থাকে সেখানে আর ও ভয়াবহ অবস্থা, রোগী বের হলে ২০০ বা ৫০০ টাকা দিতে হবে না দিলে রোগি দেখতে দেয় না আর ও আছে ডাঃ তো একটা কাগজ দেয় ঔষধের আনার জন্য আবার ডাঃ সহযোগি যারা আছে, তারা আবার লম্বা লিষ্ট ধরে দেয় যেটা তাদের পকেটে যায়। হাসপাতালে মানুষ অসহায় হয়ে যায়,
HRIS আপডেট এর জন্য অফিস সহকারি ঘুষ দাবি করেন।
আমার মা এক জন সরকারী চাকুরীজীবি। তার অবসর গ্রহণ করার পর পেনশনের টাকা তুলার সময় অত্র হাসপাতালের ক্যাশিয়ার কে ৭০০০০ টাকা দিতে বাধ্য হয়
ডাক্তার দেখাতে গিয়েছিলাম কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে। অনেক কষ্টে বউয়ের জন্য একটা টিকিট সংগ্রহ করি। তারপর ১০৫ নাম্বার রুমে যেতে বলে। সেখানে গিয়ে আবার সিরিয়াল দিতে হয়। সিরিয়াল নেয় যে লোকটা সে এত খারাপ ব্যবহার শুরু করে এবং সকাল বেলা যাওয়া সত্ত্বেও ৯০ নাম্বার সিরিয়াল দেয় আর বলে বেলা ১২ টার পরেও ডাক্তার দেখাতে পারবেন না বের করে দেয়। তারপর কিছুক্ষন পর একটা লোক ১০০ টাকা দাবি করে আর বলে সিরিয়াল ৩০ নাম্বারে এনে দিব। তাকে ১০০ টাকা দিলাম আর কোনো সিরিয়াল ছাড়াই আমার বউকে ডাক্তার দেখানোর সুযোগ করে দিলো। সে প্রতিটি রোগীর সাথেই এমন আচরণ করছিল।
one Dr. asked 2000 taka for given my father's death certificate :(
আমি পিজি হাসপাতালে ইউরোলজি ডাক্তার দেখিয়েছিলাম ডাক্তার টেস্ট দিয়েছিল সেই টেস্টের জন্য দুইদিন ব্যর্থ হওয়ার পরে 500 টাকার টেস্ট 750 টাকা ঘুস দিয়ে করেছি এবং আমার মত এরকম আরোও অনেকে ও ঘুষ দিয়ে করতে বাধ্য হয়েছে।
আমার বাবা ক্যান্সারে আক্রান্ত ছিলেন। শেষবার অসুস্থ হলে তাজউদ্দীন মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেয়ার পরে কর্তব্যরত ডাক্তার মৃত্যু ঘোষনা করেন। তখন বলা হয়েছিল পরে টিকিট দেখালে মৃত্যু সনদ দেয়া হবে। কিছুদিন পরে আমার প্রয়োজন হলে সনদ আনতে গেলে যিনি সনদ লেখেন তিনি ১৫০০ টাকা চাইছিলেন। অনেক কষ্টে ৫০০ টাকা দিয়ে নিয়েছি।