17,326 bribery reports filed by citizens — search, filter, and switch between list and grid.
চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ এখানে হাজার হাজার মানুষ সেবা নিতে আসে এদের মধ্যে বেশিরভাগই গরীব এবং কেটে খাওয়া মানুষ তবে এখানে অনেক বছর ধরে চলে আসা সেই ঘুসের রমরমা ব্যবসা চলছে এখানে প্রতিটা দেওয়ালে পর্যন্ত ঘুস খাই প্রতি গেইটে ঢুকতে টাকা বাইর হলে টাকা টাকা চারা কোন কথা নেই আর আছে সিন্ডিকেট বানিজ্য সব ধরনের ল্যাব এখানে থাকলেও তারপরও বলে বাইরের থেকে করে নিয়ে আসো দূর ব্যবহার তো আছেই
এটা হর হামেশাই হয়ে থাকে,। ঔষধ কোম্পানির প্রতিনিধিদের কাছ থেকে জোর করে আউটারে যাওয়ার নামে, পিকনিক করার নামে। ইফতার পার্টি করার নামে। পরিচালকেরা প্রতি কোম্পানি থেকে কম করে লাখ টাকা দাবি করেন। (বড় কোম্পানি থেকে আরো বেশি) টাকা না দিলে ডাক্তারদের সাথে দেখা করা ভিজিট করা বন্ধ থাকে। এই ঘুষ বন্ধ করার সাধ্য কার??? আওয়ামী লীগের সময় স্বাধীনতা চিকিৎসক পরিষদ। এখন বিএনপির সময় ড্যাব। কারো নাম বলে কাউকে ছোট করছি না।
সরকারি ফি এর চেয়ে ১০০ টাকা বেশি চেয়েছিল।
আমার পোষা বিড়াল কাপড় দেয়ার পর, আমি মহাখালি ইনফেকশনের ডিজিজ হাসপাতালে যাই সরকারি সেবা ১০ টাকায় পেতে, কিন্তু ডাক্তার দেখানোর পর, RiG দেয়ার কক্ষে, যে ইঞ্জেকশন দেয়, তার পাশের ব্যাক্তি আংকেল কিছু হাদিয়া দেন বলে চেয়ে বসে, আমি বাধ্য হয়ে ৫০৳ দেই। আমি এটি আশাকরিনি। আমার মত শত শত রুগি সেখানে যায়, ৫০/৪০/৬০ করে তুললে প্রতিদিন কত টাকা উঠে হিসাব টা মিলিয়ে নিন।
NICU শিশু বাচ্চার খুজ নিতে,বা আপডেট নেওয়ার জন্য
ECG-80 tk ১০০টাকার নোট দিল বলে ভাংতি নাই।বেড নিতে গেলে দালাল ছাড়া / আয়া বুয়া ছাড়া পাওয়া যায় না।৫০০-১০০০টাকা নেয়। ব্লাড টেস্ট ও কিছু গুরুত্বপূর্ণ টেস্ট এ ৩০০/৪০০/৫০০ টাকা দিল আগে আগে দেয় না হলে বলে আজকের হবে না।কালকে আইসেন ।ওয়ার্ড থেকে ডা: /নার্স বলে দিচ্ছে আজকে হবে বা সেম্পল টেনে দিচ্ছে কিন্তু যারা টেস্ট এক্সামিন করে তারা তা টাকা ছাড়া নেয়না।তারা নিলে রুগির কি অবস্থা যেনে হয়তো তারাতাড়ি চিকিৎসা পাওয়া যাইতো বা রিলিজ হলে ঐখানে আবার নতুন কেউ বেড পাইতো।শুধু অফিস স্টাফদের গাফলতিতে অনেক টাইম নস্ট হয়/ হচ্ছে।
সোহরাওয়ার্দী হাসপাতালে দরপত্র সাবমিটের পর স্টোর ইনচার্জ আমাকে দেখা করতে বলেন। দেখা করার তিনি আমাকে ডিডি'র কাছে নিয়ে যান। এরপর আমাকে বলেন ২৫ লাখ টাকা না প্রদান করলে দরপত্র আমরা পাবো না। ডকুমেন্টস যতো ওকে থাকুক ননরেসপন্সিভ করা হবে। আমি মেনে নিইনি। এরজন্য স্হানীয় উৎপাদনকারী হওয়া সত্বেও আমরা বাদ পড়েছি।
সরকারি হাসপাতালে প্রত্যেকটি কর্মচারী কর্মকর্তাদের বেতন নির্ধারণ করা হয়েছে তাহলে জরুরি বিভাগে কোন সেবা নিতে গেলে সেখানকার কর্মচারীরা রোগীদের কাছে এক্সট্রা টাকা দাবি করেন। যেমন সেটা হতে পারে একটু সেলাই করা লাগতে পারে বা ব্যান্ডেজ করতে হবে এরকম কিছু কাজ করলেই তাদেরকে ৫০ টাকা ১০০ টাকা বা দুইশ টাকা চার্জ দেওয়া লাগে। আমার দাবি হচ্ছে যেহেতু তারা সরকারি বেতনভুক্ত তারা সরকার থেকে বেতন পায় তাহলে আমাদের কাছে বা এই রোগীদের কাছে কেন সে এক্সট্রা টাকা দাবি করবে। এ বিষয়ে আমি উপরোক্ত কর্মকর্তাদের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি।
আমার ছোট ভাইয়ের ওয়াইফ, প্রেগনেন্ট। তার হঠাৎ বমি পায়খানা তার সাথে খিচুনি মারাত্মক অবস্থা, জরুরী ভিত্তিতে আমরা ঢাকা মেডিকেল কলেজে নিয়ে যাই সেখানে কোন হুইল চেয়ার বা গাড়ি পাচ্ছিলাম না অবশেষে একটা হুইল চেয়ার পাই সেই হুইল চেয়ারের জন্য ৫০০ টাকা চায় আমরা দেইনি। পরবর্তীতে কোলে করে তাকে নিচতলা থেকে উপরে উপরে থেকে নিচে নিয়ে দৌড়াদৌড়ি করা হয়েছে। যেটা খুবই দুঃখজনক,
কক্সবাজার সদর হাসপাতালের ভর্তি রোগীর জন্য সিট দেওয়ার ক্ষেত্রে ঘুষ দাবির অভিযোগ আমি কক্সবাজার সরকারি টেকনিক্যাল স্কুল অ্যান্ড কলেজের একজন ছাত্র। আমি অটোমোবাইল অ্যান্ড অটো ইলেকট্রিক বেসিক বিষয়ে পড়াশোনা করি। অসুস্থ হওয়ার কারণে আমি কক্সবাজার সদর হাসপাতালের বহির্বিভাগে চিকিৎসকের পরামর্শ নিই। চিকিৎসক আমাকে কয়েক দিন হাসপাতালে ভর্তি থেকে চিকিৎসা নেওয়ার পরামর্শ দেন। এরপর আমি হাসপাতালে ভর্তি হই এবং আমার ভর্তি প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়। ভর্তি সম্পন্ন হওয়ার পর আমাকে থাকার জন্য একটি সিট দেওয়ার কথা বলা হয়। হাসপাতালের সিট দেওয়ার দায়িত্বে থাকা একজন ব্যক্তিকে আমি একটি সিট দেওয়ার জন্য অনুরোধ করি। তিনি আমাকে সিট দেবেন বলে অপেক্ষা করতে বলেন। এরপর প্রায় চার ঘণ্টা ধরে আমি বারবার জানতে চাইলে তিনি শুধু
উসমানী মেডিকেলে ১ টার পরে ঔষধ আনতে গেছিলাম , একজন পরিচ্ছন্নতা কর্মী আমাকে বলে যে এখন ঔষধ দেওয়ার সময় শেষ , কিন্তু আমাকে এক হাজার টাকা দিলে আমি এনে দিতে পারবো, পরে আমি টাকা দেই নি ।
হুইল চেয়ারে রোগী নিয়ে যাওয়ার ৫০ টাকা দিতে বাধ্য করছিল
আমার নাকের অপারেশন জন্য ভর্তি হবার জন্য ডাক্তার বলেছেন কিন্তু ডাক্তার সাথে যে লোক থাকে সে আমাকে ডাক্তার কাছে যেতে দেয় না, বলে আজ না সামনে সপ্তাহে আসো, তার পর আসলে আবার পরের সাপ্তাহের কথা বলে। এভাবে একমাস অতিবাহিত হবার পর ভর্তি করে ঠিকি কিন্তু আমার কাছে টাকা দাবি করে ঐ ডাক্তার সাথে থাকা লোকটি পরে আমি ১৫০ টাকা দিয়ে বলি আমার কাছে আর বেশি টাকা নাই আমি বেকার, চাকরির জন্য চেষ্টা করছি আর অনেক কিছু বলে বুঝাতে সক্ষম হই।
একজন মুমূর্ষু রুগীর জন্য হাসপাতাল বেড ব্যবস্থা করার জন্য হাসপাতাল সংশ্লিষ্ট আনসার ও আয়াদেরকে বেড বরাদ্দের জন্য টাকা দিতে হয়েছে এবং নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা লাল পোশাকধারী ব্যক্তিকেও আলাদাভাবে খুশি করতে হয়েছে।
আমার একজন আত্মীয় অসুস্থ হয় তাকে নিয়ে যাই সদর হাসপাতালে সেখানে বেড এ ভর্তি করাই, একদিন থাকার পর পরের দিন ফাইনাল রিপোর্ট দিবে ডাক্তার ছাড়পত্র সে টা নিতে ৩০০ টাকা দাবি করে এবং আমাকে অপ্রক্ষা করতে বলে অন্যের জায়গায় সে রিপোর্ট নিয়ে আসে অনেক দেরিতে আর পরে বুঝতে পারলাম ওরা দুর্নীতি করছে তখন জোর করে টাকা নেয়
গাজীপুর সদর সরকারি ভেটেরিনারি হাসপাতালে, কুকুর ও বিড়ালের জন্য Rabies ও Flu vaccine বিনামূল্যে দেওয়ার কথা থাকলেও, দায়িত্বপ্রাপ্ত ডাক্তার প্রতি ভ্যাকসিনের জন্য ১৫০০ টাকা করে দাবি করেন। দুইটি ভ্যাকসিনের জন্য ৩০০০ টাকা দাবি করা হলেও পরে দর-কষাকষির মাধ্যমে প্রতি ভ্যাকসিন ৮০০ টাকা নেওয়া হয়। মোট ৪টি ভ্যাকসিন প্রয়োজন হওয়ায় প্রতিবারই এই টাকা দিতে হচ্ছে। আমি এ পর্যন্ত বেশ কয়েকটি বিড়াল ও কুকুরকে সেখানে ভ্যাকসিন ও চিকিৎসা করিয়েছি এবং প্রায় প্রতিবারই বিভিন্ন সেবার জন্য অতিরিক্ত টাকা দিতে হয়েছে। এমনকি সম্পূর্ণ ফ্রি ক্রিমি লবণের জন্যও দপ্তরিকে ২০ টাকা দিতে হয়। ভ্যাকসিন দেওয়ার জন্য প্রতি ভ্যাকসিন ১০০ টাকা বকশিশ না দিলে ভ্যাকসিন দেওয়া হয় না
আমি গত কয়েকদিন আগে বাংলাদেশ বঙ্গবন্ধু মেডিকেল হাসপাতাল যার পূর্বা নাম ছিল পিজি হসপিটাল আমার স্ত্রীকে নিয়ে টাইফয়েড এর চিকিৎসাধীন ছিলাম এবং তাকে জরুরি ভিত্তিতে হাসপাতালে ভর্তি করানোর প্রয়োজন ছিল ওখানকার জরুরী বিভাগে দেখানোর পর ডাক্তার রোগী ভর্তির লিভ দিয়েছিল কিন্তু সেখানে শত ঘুরাঘুরি করেও কোন ওয়ার্ড কেবিন কোনটারই সিট পাওয়া যায়নি, অথচ সেখানে কিছু টাকা ঘুষ প্রদান করলে হয়তো আমি সেখানে সিট অথবা কেবিন পেতাম কিন্তু আমি সেটা প্রত্যাখ্যান করেছি এরপর আমি প্রাইভেট হসপিটালে এসে চিকিৎসা গ্রহণ করি এ হচ্ছে আমাদের বর্তমান পিজি হসপিটালের অবস্থা। এখানে দালাল চক্র অনেক বেশি।
শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিকেল কলেজ/হাসপাতাল: হাসপাতালে একটি বেড দেওয়ার জন্য দায়িত্বপ্রাপ্ত নার্স আমার কাছে ৫০০ টাকা ঘুষ দাবি করেন। এছাড়া সরকারি ব্যবস্থায় বিনামূল্যে দেওয়ার কথা থাকা ভ্যাকসিনের জন্যও প্রতি ভ্যাকসিন ২০০ টাকা করে দাবি করা হয়।
কুলিয়ারচর সরকারি হসপিটালের ডাক্তার তারা সব সময় টাইম মতো হসপিটালের আসে না, আসলে ও বেশি ভাব ডাক্তার কুলিয়ারচর বাজারে যে ছোট ছোট হসপিটালের আছে তাদের কাছে পাঠিয়ে দেয় পরিক্ষা করার জন্য কারন ডাক্তার রা পার্সেন্টেজ পাই এবং সরকারি হাসপাতালের ভিতরে যে কোন সমস্যা হলে দুইটাই ওষুধ দেয় নাপা ও প্যারাসিটামল আর কোন ওষুধ দেয় না তারা এক থেকে দেড় ঘন্টা রোগী দেখার পর বেশিরভাগ ফার্মেসিকেল লোকগুলো এসে ডাক্তারের সাথে তা বলে এবং ডাক্তাররা সে ফার্মেসিকেলের ওষুধ গুলা লিখে দেয় বলে ফার্মেসি থেকে কিরে খাওয়ার জন্য তার মানে কি হলো সবকিছু যদি কিনে তাহলে সরকারি হসপিটাল কেন পাইভেট হসপিটালে রক্ত পরীক্ষার জন্য ১২ শ বারোশো টাকা দিতে হয়েছে আমাকে
আর্থিক অবস্থা খারাপ থাকার কারনে সরকারি হাসপাতালে আমার ছেলেকে চিকিৎসা করাতে পারি নাই৷ ৩০০০০ হাজার টাকা দিতে পারলে ভর্তি করতে পারতাম। বর্তমানে আমার ছেলে অন্ধ।