রোগী ভর্তি
টাকা দিলে ফ্লোরের বদলে সীটে বরাদ্দ দেয়।তাছাড়া দায়িত্বরত ওয়ার্ডবয় আর আনসার সদস্যরা হুদাই টাকা নেয়
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৭,৭৪৩ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
টাকা দিলে ফ্লোরের বদলে সীটে বরাদ্দ দেয়।তাছাড়া দায়িত্বরত ওয়ার্ডবয় আর আনসার সদস্যরা হুদাই টাকা নেয়
বেশ কিছুদিন আগে আমার দাদিকে নিয়ে বরিশাল হসপিটালে গিয়েছিলাম, ওখানে যতগুলো টেস্ট দিয়েছে সবগুলো আমার বাহিরে করানো লাগছে, বাহিরে যেতে হলে হুইল চেয়ার বা ট্রলি ভাড়া নিতে হয়, সেখানে ১৮ দিনে প্রায় আমার তিন হাজার থেকে চার হাজার টাকার মধ্যে চলে গেছে শুধু একটা বিষয় বাকিগুলো তো বাদই দিলাম
অস্থায়ী চাকুরি দিবে ৪০০০০০ টাকা দিতে হবে চাকুরি কনফার্ম
আমি আমার আমমাকে নিয়ে রিদরোগ হাসপাতালে যাই।ওনি ছিলেন হাঁপানি রোগী সাথে হার্টের রোগীও,ওনাকে ওখানে ভর্তি করি।ওনার জন্য বেড চাই আয়ারা বলে বেড খালি নাই,বেড পাইতে হলে টাকা দিতে হবে ১৫০০ টাকা।
শুধু টলি ওয়ালেকেই আমার 600 টাকা দিতে হয়েছে আর কোন চিকিৎসা করাইতে পারি নাই টাকা দিয়ে সিট না কিনতে পেরে বা কোন ক্ষমতা বান ব্যাক্তি দিয়ে ফোন না দিতে পেরে। আমার পরে জারা গেছে ম্যানেজ করে তারা সিটের ব্যবস্থা নিছে। আমার কাছে টাকা ছিলো না কিন্তু টলি ওয়ালা খুব খারাব ব্যবহারের কারনে এম্বুল্যান্স ড্রাইভারের কাছ থেকে হাওলাদ নিয়ে দিতে হইছে। তেমন কিছু না তবে আমি আমার মনের রাগ টা ঝারলাম এখানে
আমাদের একটি ভেজা বেড এবং যেখানে ফ্যান ছিল না এমন একটি জায়গা দেওয়া হয়েছিল রোগীকে পরবর্তীতে চেঞ্জ করে দিতে বললেও আমাদের কথায় কান দেয় নি।১০০ টাকা হাতে দেয়ার পর সে সমস্যা সমাধান করেছে। ডেঙ্গু ওয়ার্ডের ঘটনা।
শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজে চিকিৎসা নেয়ার পর ড্রেসিং করতে গেলে , , তখন ওখানে নাকি গ্লাভস দেওয়া হয় না । কিনে নিয়ে আসতে হবে । আমাকে একটা চিরকুট দেওয়া হলো, ওখানে সিরিয়াল নাম্বার উল্লেখ করা ছিলো। একটা দোকান দেখায় দিলো ওখান থেকে নিয়ে এসে তাপর আমার কাজ করলো। আমি নিয়ে আসছি টাকা দিয়ে আমি ঐখানে দায়িত্বরত জন কে বলায় যে কেনো কিনে নিয়ে আসব এখন আমাকে , আমার রিপোর্ট হাতে ধরা দিয়ে পাঠায় দিচ্ছি বলার জন্য ওখানে করেনি এবং ব্যবহার ছিল খুবই খারাপ ।
ময়মনসিংহ মেডিকেল হাসপাল ঘুষ এবং দুর্নীতির আখড়া , আনসার বাহিনী ,ওয়াড বয়, ডাক্তার ও বহিরাগতরা জড়িত , সিটিস্ক্যান করতে ২০০০ টাকা এক দালাল চাইছিলো , দ্রুত সময়ে করিয়ে দিবে । এক্সিডেন্টে রোগি ছিলো । এই বিষয় টা সকলেই খোজ নিয়ে দেখেন ।
চাকরির প্রলোভন দেখিয়ে টাকা হাতিয়ে নিয়েছে।
আমার বাবা হার্ড এ্যাটাক হওয়ার পড়ে তাকে জাতীয় হৃদরোগ ইনিস্টিটিউট এ নিয়ে যাই সেখানে ক্যাথ ল্যাবে টেম্পোরারি প্রেসমেকার লাগাতে এ টাকা দিতে বাধ্য হই
রাজধানীর মহাখালী তে অবস্থিত ডিএনসিসি হাসপাতালের হেড ক্লার্ক। কর্মরত মেডিকেল অফিসার দের দাপ্তরিক কাজে চরম অসহযোগীতা মূলক আচরণ করে, অহেতুক ভোগান্তির শিকার অধিকাংশ মেডিকেল অফিসার। কিন্তু তার চাহিদা মত টাকা দিলে মিলে পিতৃসুলভ আচরণ। এ ব্যাপারে হাসপাতাল প্রশাসন কমবেশি অবগত থাকলেও অজ্ঞাত কারণে বছরের পর বছর কোন ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়নি।
ঢাকা মেডিকেল কলেজে ঘুষ ছাড়া রোগী ভর্তি করে সিট পাওয়া অসম্ভব। আমি একজন গরীব রোগী নিয়ে ভর্তি করে ৫০০০ টাকা ঘুষ দিয়ে একটা সিট পেয়েছি তার জন্য।
A G office hote bill charanor jonno dite haiche
আমার এনআইডি কার্ডের নাম সংশোধনের জন্য আবেদন করেছিলাম দীর্ঘ এক মাস অপেক্ষা করার পর আমি চলে যাই আইডি কার্ড সংশোধন অফিসে তখন তারা নানান জাতের সমস্যা বলছে পরে যখন আমি জানতে পারি দালাল ছাড়া এটি ঠিক হবে না তখন বাধ্য হয়ে ২৫ হাজার টাকা দিয়েছি সংশোধন করার জন্য এবং তা একদিনের ভিতর সংশোধন হয়ে গেছে
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরে সরকারি চাকরির জন্য আমার আব্বা তার হেড অফিসের খুব পরিচিত এক ঊর্ধ্বতন কর্ম কর্তাকে আমার চাকুরীর জন্য সুপারিশের অনুরোধ করেন। ওই কর্মকর্তা আব্বাকে বলেন এই চাকরি পেতে গেলে অনেক টাকা দরকার। আমার ভবিষ্যতের কথা চিন্তা করে আব্বা তার সারা জীবনের সৎ পথে উপার্জনের টাকা এবং লোণ করে ১৫লাখ টাকা তার হাতে তুলে দেন। কিন্তু চাকরি তো হলনা উল্টা আমার আব্বাকে বিভিন্ন মামলা ও হয়রানির শিকার হতে হয়েছে। আব্বা যেহেতু সরকারি চাকরি করেন তাই কোন মামলায় পড়তে চাননি। আমি আব্বাকে ভাল করে জানি। আব্বা কোনদিন অন্যায় করেননি। অবৈধ ভাবে এক পয়সাও ইনকাম করেননি। আমাদের শরীরে হালাল পয়সার খাবার দিয়েছেন। আমরাও কোন দিন কোন অভিযোগ করিনি। সেই বাবাকে আমি নীরবে কতদিন চোখের পানি ফেলতে দেখেছি। আমাদের অবস্থা খুব খারাপ গেছে।
মিটফোর্ড হাসপাতালে আল্ট্রাসনোগ্রাম করার জন্য নির্ধারিত কাউন্টারে টাকা জমা দিয়ে রশিদ নিয়ে আল্ট্রাসনোগ্রাম করাতে গেলে টাকা জমার রশিদ জমা দিলে সিরিয়াল অনুযায়ী নাম ডাকে না। আল্ট্রাসনোগ্রাম রুমে দায়িত্বপ্রাপ্ত দের আলাদা খুশি করার টাকা না দিয়া পর্যন্ত সিরিয়াল আসে না। পরবর্তীতে আমি এক প্রকার বাধ্য হয়ে রোগীর অবস্থা সিরিয়াস থাকায় তাদেরকে খুশি করি এবং পরবর্তী পাঁচ মিনিটের ভিতরেই আমার আল্ট্রাসনোগ্রাম কমপ্লিট হয়ে যায়।
কোনো রোড এ্যাকসিডেন্ট বাহ দূর্ঘটনা কবলিত রুগিকে যদি হাসপাতালের ইমারজেন্সি রুমে নিয়ে গিয়ে সেলাই করা বাহ ডেসিং করা হয় তাহলে তারা ১০০-৫০০ টাকা পযন্ত নিয়ে তার পর ছাড়ে। যদি টাকা না দেওয়া হয় তাহলে টিকিট দেয়না।
ডাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে গিয়ে ছিলাম,ডাক্তারএর সহকারী আমার কাছ থেকে 50+50 দুই দিনে নিয়েছিলো।
শিশুকে অক্সিজেন সিলিন্ডার সহ ইমার্জেন্সি থেকে শিশু ওয়ার্ড পর্যন্ত নিতে আমাকে ২০০ টাকা দিতে হয়েছে। আবার যখন অন্য হাসপাতালে নিয়ে যাই তখন শিশুকে অক্সিজেন সহ বের করতে ১৫০ টাকা দিতে হয়েছে ওয়ার্ড বয়কে।
সরকারি হাসপাতালে যে কোন রুগী হোক টাকা ছাড়া ওয়াড বয় তার শরীরে হাত দেয় না সট্রেচারে উঠায় না নিচ তলা থেকে উপরতলা নেয় না পরে নগদ টাকা দিয়ে সেবা নিতে হয়েছে