ঢামেক হাসপাতালের রুগি পরিবহনের "বিনামূল্য" টলি ফি ২০০ টাকা।
আমার ছোটভাই, জরুরী বিভাগের রুগি নিয়ে ঢাকা মেডিকেল কলেজে গিয়েছিলো। সেখানে টাকা ছাড়া রুগী পরিবহনের ট্রলিগুলো পাওয়া যায় না।
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৭,৭৪৩ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
আমার ছোটভাই, জরুরী বিভাগের রুগি নিয়ে ঢাকা মেডিকেল কলেজে গিয়েছিলো। সেখানে টাকা ছাড়া রুগী পরিবহনের ট্রলিগুলো পাওয়া যায় না।
A G office hote bill charanor jonno dite haiche
আমার ভাতিজা (১২) গাছ থেকে পড়ে পা ভেঙ্গে যায়। আমি এবং ভাতিজার মা সহ ভাতিজাকে নিয়ে ঢাকা পঙ্গু হসপিটালে যাই ইমারজেন্সিতে দেখানোর পরে ওটিতে পাঠায়। তখন রাত 9 টা ডাক্তারদের সিফট চেঞ্জ হওয়াতে ওটিতে কোন ডাক্তার ছিল না। ওখানে থাকা সিকিউরিটি গার্ড আমাদের অফার করে ২০০০ টাকা দিলে সবার আগে আপনাদের কাজটা করে দিব। আমার ভাতিজার অবস্থা খুবই খারাপ তখন। উপায় না দেখে আমরা রাজি হই। এবং টাকা দিয়ে দেই। কিন্তু রাত বারোটা একটা বেজে যাচ্ছে সে ওটির বেডে নিচ্ছে না। তারপর রাত ২ঃ০০ টায় অপারেশন করার আগে বিভিন্ন সরঞ্জামা বাবদ আমার কাছ থেকে আরো ২৫০০ টাকা দাবি করে প্লাস্টার করার জন্য।আমি নিরুপায় হয়ে দিলাম।আমাকে বোঝায় এটা সেটা অনেক কিছু লাগবে কিন্তু অপারেশনের পরে দেখলাম তেমন বেশি কিছু লাগেনি।
আমার বাবা ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ICU তে ভর্তি ছিলেন। বাবার অবস্থা কিছুটা উন্নতি হলে জেনারেল ওয়ার্ডে transfer করা হয়। একজন ওয়ার্ডবয় বাবাকে হুইল চেয়ারে করে ওয়ার্ডে নিয়ে যান এবং আমার কাছে টাকা দাবি করেন। আমি থাকে ২০০ টাকা দেওয়ায় রেগে যান এবং আমি ৪০০ টাকা দিতে বাধ্য হই। হাসপাতালে ভর্তি থাকা অবস্থায় দেখলাম টাকা ছাড়া ওয়ার্ডবয় ও আয়াদের দ্বারা কোন কাজ করানো যায় না। এমনকি ICUতে রোগীদের সাথে দেখা করা বা খাবার পাঠাতে হলে আনসার ও ওয়ার্ডবয়কে টাকা দিতে হয়।
পুলিশ কেস তদন্ত সম্পন্ন করার জন্য মেডিকেল সার্টিফিকেট তোলার জন্য প্রতি মেডিকেল সার্টিফিকেট-এর জন্য ২০০০-৩০০০ টাকা দিতে হয়।
আমার ছোট ছেলে পাঁচ বছর বয়সী, তার কানের ভিতর খেলনার পিলাস্টিকের ছোট বল ঢুকিয়ে ছিলো, কানের ব্যথা অনুভব করাতে তাকে নিয়ে গিয়েছিলাম, নাক কান গলা ইনিসটিউট ও হাসপাতাল তেজগাঁওয়ে,ডাক্তার চিকিৎসা সেবা ভালো করেছেন, কিন্তু ইমার্জেন্সি ডিপার্টমেন্টের ওয়ার্ড বয় আমার কাছে পাঁচশ টাকা দাবি করে বলেন দিতে হবে, বাহিরে করলে অনেক খরচ হতো, তাই তাকে পাঁচশ দিতে হবে, সম্মান এর ভয়ে দিতে বাধ্য হই আমি।এই আমার দেশ।
একজন ডাক্তারকে বাহিরে চেম্বারে আমার ওয়াইফ কে দেখাতাম তিনি ৮ মাসের গর্ভবতী হঠাৎ আমার বাচ্চা লারাচারা নেই তাই আবার উনাকে ১০০০ টাকা বিজিটে দেখাই উনি আল্টা লিখে দেয় দেখাই তারপর উনি বলে বাচ্চা মারা গেছে এখন ডেলিভারি করতে হবে উনি সরাসরি ময়মনসিংহ মেডিকেলে পাঠিয়ে দেয় ৩ দিন চলে যায় এভাবেই কিন্তু বাচ্চা খালাস করে না উনাকে ফোন দিই উনি শুধু ব্যস্ততা দেখায় তারপর এক দালালের মাধ্যমে উনাকে ৫ হাজার টাকার মাধ্যমে বাচ্চা খালাস করি
লিফট ম্যান,রোগীর সেবার বিনিময়ে টাকা চায়।
সন্দ্বীপ উপজেলা একটি ভেটরেনারি হসপিটাল । যেখানে এটি মেইন শহরে থাকার কথা থাকলেও করা হয়েছে জঙ্গলে। উপকুল অঞ্চলে যে পশু হসপিটাল আছে এখানে অনেকে জানেনা।কিন্তু আমরা যারা জানি , তারা ভ্যাকসিন কিংবা পশু পাখির চিকিৎসা ও ভ্যাকসিন এর জন্য গেলে টাকা দাবি করা হয়। খামারীদের কে বাৎসরিক একটা প্ নোদনা দেয়া হয়। প্ তি বছর নাম লিস্ট হলেও ভাতা পাওয়া যায়না। ডাক্তারের বদলে এখানে চিকিৎসা দিতে আসে ঔষধ কোম্পানির পৃ তিনিধি। স্থানীয় মতে ওখানকার সাবেক প্রানী কর্মকর্তা এখানে জরিত। ওনার এক ছেলে ভেটেরেনারি ফারমেসি করে। আবার ওনি নিজেই দোকান করে। আবার এক ছেলে একমি পার্র্মসিউটিক্যালসের ভেটেরেনারি তে আছে। অন্য ২ ছেলে লোকাল পশু ডাক্তার। শহর থেকে অডিট আসলেও ওনার ঘরে নিয়ে গিয়ে ভালো করে খাইয়ে মসলা পকেটে দিয়ে মুখ বন্ধ রাখে।
পিজি হাসপাতালে গেছিলাম ফ্রি চিকিৎসা নিতে ফ্রি বলতে সরকারি খরচ যা আসে তাই। একটা ফোরা হইছিল তাই কাটাইতে ডক্টর দেখানোর পরে বলছে আমাদের এখানে হয় না ঢাকা মেডিকেলে যান এখন আমাদের আর কি করার আছে পরে বের হবো ওনাদের ই একজন বললো এভাবে হবে না আপনি ফোরা কাটাবেন আমার লোক আছে ৬০০০ টাকা লাগবে পরে আমি বললাম যে অন্য কোথাও নিয়ে যাবেন নাকি এখানে বলে এখানে আমি রাজি হলাম পরে পিজি হাসপাতালের ইমার্জেন্সি ফোরা কেটে পুঁজ বের করে দিলো। কথা হলো হাসপাতালের ইমার্জেন্সি সব হলো টাকার বিনিময় কেনো? আবার যিনি ওপরেশোন করছেন তিনি আবার আমাকে জিজ্ঞেসা করলো কতো টাকা চুক্তি করছেন আমি বললাম ৬ হাজার তার মানে সব কিছু এভাবেই চলে
টিকেট কাউন্টারে লোক নেবে আউটসোর্সিং নিতিমালায় চাকরি করতে চাইলে বলে ১৫০০০০টাকা দিতে পারলে আগামীকাল থেকেই জয়েন করতে পারবো। কারন জানতে চাইলে বলে এখানে অনেক অতিরিক্ত ইনকাম আছে এই চাকুরী করার জন্য নাকি ১০জন টাকা জমা দিয়ে রাখছে!!!কাজের বোয়া থেকে শুরু করে বিভিন্ন সেক্টরে প্রায় ১৭জন লোক নিছে কি পরিমান খেয়েছে ভেবে দেখেন।
বেডের জন্য টাকা নিয়েছে নার্স।
ডাক্তার দেখানোর যা রিপোর্ট করতে বললেন। তা করার জন্য ডাক্তারের কম্পাউন্ডার জোরা জোরি শুরু করলেন, এবং সেটা করা লাগবে বাইরের কোন প্রাইভেট প্যাথলজিতে। এই টেষ্ট সরকারি তে করলে সর্বোচ্চ ৪/৫ শত টাকা লাগতো। বি.দ্র: টেষ্ট ছাড়া ওষুধ সেবনে আমি সুস্থ হয়েছি।
টিকিট পেতে ও ডা দেখাতে সুযোগ পাওয়া তে টাকা দাবি করে। জনগনের সাথে চরম খারাপ আচরন করে। রোগী সেবা পায় না।
সরকারি হসপিটালে শুধুমাত্র ডক্টর এসে একটু দেখে যায় বাকি সব কিছু বাহির থেকে টেস্ট করাতে হয়। হসপিটালে ভিতরে কোন ধরনের পরীক্ষা করানো যায় না। হসপিটালে বাহিরে শত শত ডায়াগনস্টিক সেন্টার গড়ে উঠছে তারা রোগীদেরকে জিম্মি করে সমস্ত টেস্ট গুলি ওখান থেকে করাতে হয়। এবং নিয়ম অনুযায়ী হসপিটাল থেকে ওষুধ স্যালাইন গুলি প্রোভাইড করার কথা।কিন্তু নাপা ছাড়া আর বাকি যত ওষুধ আছে সবকিছু বাইরে থেকে কিনে নিয়ে আসতে হয়। সবার আচার হসপিটালের স্টাফদের খুবই বাজে খুবই খারাপ ব্যবহার করা করে। এবং আমার যে অভিজ্ঞতা হয়েছে রোগী অপারেশন থিয়েটারে নিতে টলি বয় কে টাকা দিতে হয়েছে আবার অপারেশন শেষে অন্যায় নিয়ে আসছে তাকে টাকা দিতে হয়েছে। এটা খুবই বাজে অভিজ্ঞতা ছিল। উল্লেখ্য এই ঘটনাটি গত মাসে ঘটেছে
আমার মা চাকরি থেকে রিটায়ার্ড করেন ২০১৪ সালে। তাকে লোকাল হাসপাতাল একাউন্টেন্ট সেসময় জিনি ছিলেন, তিনি সকল কার্য প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার জন্য ৫০, ০০০ টাকা চান। স্থানীয় নেতা দ্বারা ৩০, ০০০ টাকা নেয়ার জন্যও সুপারিশ করা হয় কিন্তু সে মায়া করেনি। ভুলভাল উল্টোপাল্টা রিপোর্ট করার ভয় দেখায় এবং ফাইল আটকে রাখে। সৎ মানুষদের এটা সহ্য করা অনেক কঠিন। আমলাতান্ত্রিক জটিলতাকে দেশের সংস্কৃতি হিসেবে মেনে নিয়ে, মাকে বুঝিয়ে তারপর ৫০, ০০০ টাকা ঘুষ দিয়ে তার কার্য প্রক্রিয়াগুলো সম্পন্ন করি। এই বিষয়টা আমাদের অনেক ব্যাতীত করেছে যায় সারা জীবন মনে রাখার মতো।
Amar babar akta test koraranor jonno.. Daily 10 ta kora. But ami jantam na kagoj joma deya lage. Ami daray aci, onarao jane j ami ager din aysa geci. Akn taka joma dey ni bole, amr ta korbe nh.. Pore bollo nastar taka dile koray dibe. Pore dilam.
Faridpur medical college hospital, gyne obs department --place labour ward --for every normal vaginal delivery --খালারা টাকা নেয় রোগীর লোক থেকে, 500-1000tk
.............., হিসাব রক্ষক, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে, লালমোহন ভোলা । তিনি যাদের কে টি এ ডি এ দেন প্রত্যেকের কাছ থেকে50%- 40% উৎকোচ নিতেন । কিন্তু আমি টিএ ডিএ পাওয়ার অর্ডার থাকা সত্ত্বেও দেন না। নামে বে নামে ভুয়া অফিস আদেশ দিয়ে টাকা তুলে নেন। ( উপরোক্ত 200000/- টাকা আনুমানিক দুই তিন বছরের)
রোগী দেখতে গেলে আনসার বাহিনী বলে ডুকার পারমিশন নাই, পরে টাকা চায়, দিলে যেতে দেয়।