নোয়াখালী জেনারেল হসপিটাল।
কিছুদিন আগে আমার ওয়াইফের সরকারী হাসপাতালে সিজার হয়, সিজারের পর একজন সিনিয়র নার্স আমাকে বললেন কিছু চা নাস্তার জন্য টাকা দিলে তিনি আমাকে সরকারী সব ঔষধ দিবেন। পরে ২০০ টাকা দিয়ে ঔষধ গুলা নেওয়া লাগছে। তাও সব ঔষধ পেলাম না
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৭,৭৪৩ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
কিছুদিন আগে আমার ওয়াইফের সরকারী হাসপাতালে সিজার হয়, সিজারের পর একজন সিনিয়র নার্স আমাকে বললেন কিছু চা নাস্তার জন্য টাকা দিলে তিনি আমাকে সরকারী সব ঔষধ দিবেন। পরে ২০০ টাকা দিয়ে ঔষধ গুলা নেওয়া লাগছে। তাও সব ঔষধ পেলাম না
ঘটনাটি ২০২৪ সালের মার্চ মাসের, সে বছরটি ছিল আমার জীবনের সবছেয়ে বড় কস্টের বছর। ৩/৩/২০২৪ সালে আমার ছেলের ব্রেইন টিউমার ও হাইড্রোসেফোলাস মানে দুটি রোগ ধরা পড়ে। আমার আর্থিক অবস্থা কাবার বলে প্রাইবেট চিকিৎসা করাতে পারি নাই। প্রাইভেট চিকিৎসার জন্য ৭.৫ লাখ খরছ হবে বলে ডাক্তার বলেছিল। তাই ঢাকার আগারগাঁও নিউরোসাইন্স হাসপাতালে নিয়ে দুই সপ্তাহ দৌরাদৌরি করে ভর্তি করতে পারি নাই। ১৫ দিনের মাজে কেউ একজন বলেছিলো ৩০০০০ হাজার টাকা দিলে ভর্তি করে দিতে পারবে। তা আমি দেইনি। পড়ে ফেইসবুকের একটি গ্রুপে মানবিক পোস্ট করলে সেখানকার একজন ডাক্তারের সহযোগীতায় পিজি হাসপাতালে ভর্তি করি। ১৫ দিন পড় আমার ছেলের একটি অপারেশন হয়। সময় মত অপারেশন করাতে পারি নি বলে আজ আমার ছেলে সম্পুর্ন অন্ধ৷
আমি একজন শিশুর জর অবস্থায় হাসপাতালে নিলে সরকারি ডাঃ রোগীকে না দেখে ১০ ফিট দুরে রেখে ৫ টা পরীক্ষা লিখে দেন। যা দরকার ছিলনা, যা ছিল অবহেলা।
আপনি খুশি হয়ে আমাকে চা নাস্তা খাওয়ার জন্যে ২০০ টাকা দেন ছাড়পত্র এখনি দিয়ে দিচ্ছি।নয় তো অপেক্ষা করতে হবে।
ঘটনা হচ্ছে ২০২৬ সালের ঈদুল আযহা (কোরবানি) এর দিন। গরু কাটতে গিয়ে পায়ে ছুরি লেগে কিছু কেটে যায়। আমাকে একটা সেলাই করতে হয়। ঐদিন দ্রুত গেলাম হাটহাজারী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে। ডাক্তারের অ্যাসিস্ট্যান্ট দেখে একটা পায়ে সেলাই করে দিল। মজার ব্যাপার হচ্ছে ডাক্তার দেখলোও না। ডাক্তার শুধু অ্যাসিস্ট্যান্ট থেকে বর্ণনা শুনে একটা প্রেসক্রিপশন লিখে দিল। আসার সময় আমার কাছে দাবি করল ওনারা (ডাক্তার, এসিস্ট্যান্ট, অন্যান্যরা) ছুটির দিনে মানুষের সেবা করছে। উনাদেরকে একটু খুশি করি। এসিস্ট্যান্ট এর হাতে ১০০ টাকা দিয়ে বিদায় হতে চাইলাম। তাতে তারা নাখোশ হলেও পরবর্তীতে এসিস্ট্যান্ট আমার কাছ থেকে ওই টাকা নিয়ে ডাক্তারের কাছে দিয়ে দিল। প্রশ্ন হলো, ছুটির দিনে ডিউটি করলে সরকার কি ওদের টাকা দেয় না?
ডোপ টেস্ট পরীক্ষা, নিজ জেলা না হওয়ায় আমার জেলায় করতে বলে,, টাকা দিলে আবার করে দিসে,,
বাম হাতের কবজি পর্যন্ত কেটে পরে গেছে,হাত থেকে রক্ত পরছে আমাদের কা্ন্নার রোল পরে গেছে,হাসপাতালে আসার পরে ডক্টর রোগীকে ধরতেছে না, একজন পাশে থেকে সে বলল ৫০০০টাকা দেও, এখনি যা যা লাগে করে দিতেছি🥲🥲
I needed my dope test report for applying driving licence. And someone from the authority said to give extra 300 for the test report.
ডাক্তারের সিরিয়াল নিয়ে দিবে আর ভর্তি করে দিবে
আমার দুঃসম্পর্কের এক ভাইয়ের শাশুড়ির জরায়ু টিউমার ,তো তার বেড পড়েছে 4তলায় আর উনি বয়স্ক তাই বেশি হাঁটতে পারেন না,জরায়ু টিউমার গুরুতর অবস্থায় পৌঁছানোর পরে রংপুর মেডিকেলে ভর্তি করালে শুধু 4তলায় নিয়ে যাইতে ট্রলি ভাড়া 200আবার নিচ তলায় প্যাথলজি পরীক্ষার জন্য নিয়া আশা 200টাকা,এখন এইসব ট্রলি সরকারি হওয়া সত্ত্বেও ট্রলি গুলা দখল করে আছে যুগের পর যুগ কারো কোনো হস্তক্ষেপ নেই,একটা দরিদ্র পরিবার যার এক দিনের দিনমজুরি 400 থেকে 500টাকা তাকে শুধু এই ট্রলির কাছেই মাথানত করে 400টাকা দিতে হচ্ছে,এই সিস্টেম কি আদৌ পরিবর্তন হবে,এ কোন দেশে বসবাস করি,মাদারবোর্ড বড়লোক এমপি মন্ত্রী ra তো কখনও এমন সরকারি হাসপাতালে সেবা নেয় না,নিলে বুঝত কেমন হয়রানির শিকার সাধারণ পাবলিক।
বাংলাদেশের সবচেয়ে পরিচিত ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বহি:বিভাগে আমার মা কে ডাক্তার দেখাতে যেয়ে দেখলাম লম্বা লাইন। লাইন সামনে আগায় না৷ পরে টিকিট কাউন্টারে যেয়ে বলায় উনি বললেন ৫০০ দিন। ডাক্তার দেখাই৷ পরে ৫০০ দেয়ার পর উনি আমাদের পিছনের দরজা দিয়ে ডাক্তার দেখান। সেখানে বের হয়ে আসার সময় আবার ডাক্তারের সহকারী ২০০ টাকা চেয়ে নিয়ে নিল নাহলে প্রেসক্রিপশন দিচ্ছিল না৷
sobar kas teke x-ray report deyar somoy ar serial age deyar jonno taka ney sobar kas teke.
Serial pete 1 mas somoy lagbe bolcilo Pore 500 taka dile kalke serial paowa jabe bolcilo
এক্সিডেন রুগি নিয়ে গেছিলাম রংপুর মেডিকেলে, নার্স ওটিবয়রা জোড় করে, ১০ হাজার টাকার, সুই, সেলাইয়ের সবকিছু গজ কাপর সাদা, ইনজেকশন, ওষুধসহ সবকিছু বাইরে থেকে কিনতে বলছে, তারপর ওটিবয় হাসপাতাল থেকেই চোখের সামনে ফার্মেসিতে, সবকিছু বিক্রি করছে। তারপর ওগুলোই কিনছি।। ১০ হাজার টাকা এভাবে আমি প্রতারিত হয়েছি।।
আমার মায়ের অসুখ এর জন্য আমি আমার মাকে নিয়ে বিএসএমএমইউ (পিজি) হাসপাতাল এ যাই, করা গেছেন তারা জানেন সেখানে সব কিছু তেই অতিরিক্ত সিরিয়াল । ডাক্তার দেখাবেন সিরিয়াল, তবে যদি নার্সদের অথবা আনসার দের টাকা দিয়ে ম্যানেজ করতে পারেন আপনি আগে দেখাবেন, রোগী প্রতি ২০০০ থেকে ৩০০০ টাকা । এবার আপনি ডাক্তার দেখালেন আপনাকে টেস্ট দেয়া হলো, টেস্ট করাতে গিয়ে দেখলেন টেস্ট করানো পর্যন্ত যেতে আপনাকে কয়েক ধাপে , সম্ভবত ৩ ধাপে সিরিয়াল দিয়ে টেস্ট এর সম্পোল দেয়ার জায়গা পর্যন্ত যেতে হয় এই ৩ ধাপ আপনাকে সহজ করে দিবে আনসার সদস্যরা যদি আপনি ১০০০- ২০০০ টাকা খরচ করেন প্রতি ধাপে টেস্ট এর খরচ ৬০০ টাকা সাথে আরও ৬০০০ টাকা আপনার ঘুষ দিতে হলো । আপনি ভাবতে পারেন ঘুষ দিবনা সিরিয়াল এ দাঁড়িয়েই টেস্ট করাবো, সে গুড়ে বালি।
তো একটা মামলার মেডিকেল সার্টিফিকেট নিতে গিয়ে দিতে হয়েছে। এছাড়া থানাতেও পুলিশেরা আমাদের কাছ থেকে হুমকি ধামকি দিয়ে প্রায় ২০০০০ টাকা নিয়েছে।
হাসপাতালে গিয়ে টেস্ট করানোর লাইনে গেলে তারা বলে যে এই সপ্তাহে হবে না। ১০ দিন পরে এই টেস্ট করা হবে। অথচ হাসপাতালের বাইরে হাসপাতালের এক কর্মচারি ৬০০০ টাকার বিনিময়ে করে দিতে পারবে বললেন। তাই টেস্ট না করে চলে আসি।
অসুস্থ রোগিট চিকিৎসা নিতে গিয়ে পরীক্ষার জন্য অতিরিক্ত টাকা চেয়েছিল
হাসপাতাল প্রধান ঘুষ বাণিজ্য করে,,সেটা কেউ যানেনা,,তিনি নিজেই পার্সেন্টেন্স(%) খায়।।।।।ওনি সবার সামনে পীরজাদা সেঁজে বড় বড় কথা বলেন,,কিন্তু দিন শেষে ওনি আবার ভাগ করেন সব,,,(প্রত্যক্ষদর্শী)
আমার বাবাকে নিয়ে হাসপাতালে জাই সেখানের আয়া এবং কিছু নার্স আমাকে বলে টলি নাই হাতে উঠান বাবার জন্য কষ্ট লাগলে আর না হলে চার্জ দেন আমি বললাম কিসের চার্জ বললো এটা এখানের নিয়ম জানেননা ধমকের সহিত অত:পর টলির জন্য ১০০০ হাজার টাকা নেয়।