ঢাকা মেডিকেল রেডিওলজি বিভাগ
সিটি স্ক্যান করার সময় একটা মেডিসিন দিতে হবে এই কথা বলে এক্সট্রা ৩০০০ টাকা নিচ্ছে কিন্তু পরে ওই মেডিসিন দেয় নাই
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৭,৭৪৩ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
সিটি স্ক্যান করার সময় একটা মেডিসিন দিতে হবে এই কথা বলে এক্সট্রা ৩০০০ টাকা নিচ্ছে কিন্তু পরে ওই মেডিসিন দেয় নাই
স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজ ও মিটফোর্ড হাসপাতালে (২০১৮ ইং সালে) আমার বাবা ভর্তি ছিলেন। আমরা আগে ভর্তি হওয়া সত্ত্বেও টাকা দেইনি বলে বেড পাইনি। রোগীকে বেড দেওয়ার/ব্যবস্থা করার জন্য দায়িত্বপ্রাপ্ত একজন আয়া/ঝারুদার টাকা দাবি নিচ্ছিল।
সদর হাসপাতালে গেলেই সব সময় বাইরের ঔষধ কিনতে বলে। এবং তাদের খুশি করা লাগে। কিছু দিন আগে আবার বুকের ব্যথার জন্য সুনামগঞ্জ সদর হাসপাতালে নিয়ে গিয়েছিলাম, বুকের ব্যথার জন্য ইনজেকশন লিখে দিছে বাইরে থেকে কিনে আনলাম, একজন দায়িত্বরত নার্স (পুরুষ) ইনজেকশন পুশ করে দিয়েছেন তাই উনাকে খুশি করতে হবে। টাকা চেয়েছেন, কিন্তু আমি কৌশলে দেই নি। আমি প্রত্যাখ্যান করি এটি।
দাদীর টেষ্টের রিপোর্ট করতে গিয়েছিলাম হৃদরোগ ইন্সটিটিউট শ্যমলী তে, ইমার্জেন্সি ছিলো, হার্ট এটাক এর রোগী, রিপোর্ট এর জন্য কোনো মানি রিসিট না দিয়ে টেষ্টের কাগজের উপর লাল দাগ দিয়ে ছিলো, আড় এক্সট্রা টাকা নিয়েছিল। আবার হৃদরোগ এর আই সি ইউ তে রোগীর সাথে একজন থাকা লাগে, সেখানে ঢুকতে বের হতেও আনসার কে টাকা দেয়া লাগছে।
ঢাকা মেডিকেলে চিকিৎসা নিতে গিয়ে তিক্ত অভিজ্ঞতা গত ৫ আগস্ট বাইক দুর্ঘটনায় হাত ভেঙে ঢাকা মেডিকেলে যাই। চিকিৎসার বিভিন্ন ধাপে ঘুষ ও হয়রানির শিকার হতে হয়— টিকিট ও ডাক্তার দেখানোর সিরিয়াল: ১০০+১০০ টাকা এক্স-রে দ্রুত করাতে: ১০০ টাকা (সরকারি ফি ২০০) বেডের জন্য: প্রায় ১,০০০ টাকা; টাকা না থাকায় মেঝেতে থাকতে হয় হুইলচেয়ার: ১৫০ টাকা, ট্রলি: ১০০ টাকা ড্রেসিং: ৩০০ টাকা হাসপাতাল থেকে প্রয়োজনীয় সামগ্রী না পেয়ে প্রায় ১,৫০০ টাকার গজ, তুলা, প্লাস্টার কিনি। পরে দেখি, সেগুলো আলাদা রেখে সরকারি সামগ্রী দিয়ে প্লাস্টার করা হচ্ছে—ফলে আমার কেনা সামগ্রী অন্যত্র বিক্রি করা হতে পারে বলে সন্দেহ হয়। প্লাস্টারের পর: ২০০ টাকা বের হওয়ার সময় আনসারকে: ১০০ টাকা সবচেয়ে দুঃখজনক, ২০ আগস্ট পর্যন্ত অপারেশনের তারিখ দেওয়া হয়নি।
My mother was a cancer patient, after chemotherapy need a bed seat to go for operation. but everyday we submit documents in hospital in morning and reject after afternoon. 22days we done the same thing. but no seat arranged as a normal process. then contact with a ward boy, he claimed 8k for this purpose. and after the deal we get a seat. and paid him 8k.
সেখানে যেকোন কাজ করতে হলেও টাকা দিয়ে করাতে হয়, যেমন অফিসের আয়া বা ওয়ার্ড যারা তাদেরকে দিয়ে রোগিকে কোথাও নিতে পে করতে হয়
Staff Nurse, Ward Boy, Duty Dr. Also involved with the percentage of that
Job er kotha bole 3 lak gus cai.bole govt hoea jabe.tk dia dukar por regular slary fai na.poti year job renew korte 70k gus dite hoi.
Outsourcing e job korte 3 lak gus dite hoi.poti year renew korte 70k gus dite hoi.
আমার মা পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তরের একজন এফ ডব্লিউ এ। তিনি ২০২৩ সালে চাকরি থেকে অবসর গ্রহণ করেছেন। তার রিটায়ারমেন্টের টাকা তুলতে অফিসে অফিস সহকারি কে বিভিন্ন সময় ঘুষ দিতে হয়েছে। তিনি অতিরিক্ত খরচের কথা বলে এই টাকা গ্রহণ করেছেন। পুরো প্রসেস শেষ হতে প্রায় দেড় লক্ষ টাকার মত নিয়েছেন।
বদলি হবার কারনে ছাড়পএ দিচ্ছিলো না। ১০০০ টাকা চাইছিলো দেবার পর ছাড়পএ দিছে।এবং ট্রেজারি অফিসে এলপিসি দেবার জন্য ১০০০ টাকা নিছে না দেযা পর্যন্ত কাজ করেনি।অনেকদিন ঘুরিয়েছে।টাকা দেবার সাথে সাথে কাজ করে দিছে।আমরা তাদের কাছে যেন দিনদিন জিম্মি হয়ে যাচ্ছি।বিশেষ করে হাসপাতাল গুলোতে কোনো নার্সদের অফিসিয়াল কাজ করাতে গেলে টাকা ছাড়া যেন কথাই বলা যায়না।
আমার মাকে নিয়ে আগস্ট মাসের ৮ তারিখে জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউটে যাই ভর্তি করি এবং চিকিৎসা সেবা পাওয়ার জন্য দেখি বেড নাই বেড পেতে হলে ৫০০ টাকা লাগবে ওয়ার্ডের লোক আমাকে বলে এবং আমি সেটা দিয়
1.আমি আমার দাদাকে নিয়ে যাই ঐ হাসপাতালে নিয়ে যাই। 2.আমার কাছে 100টাকা চায় । ট্রলি ভাড়া, না দিয়ে উপায় নেই।পরে দিলাম। 3. এখন ভর্তির জন্য টাকা যদিও বা দশ টাকা। তারা আমার কাছ থেকে নিল একশো টাকা 4. এখন আবার বেড নিলে দিতে হবে ২০০ টাকা আর যদি বেড না নেই ফ্লোরে থাকতে হলে দিতে হবে ৫০ টাকা। 5. তারপরে আসলো ডাক্তার বুঝলাম না ডাক্তার কি দেখলো আর কি দেখল না ৩০ সেকেন্ডে দেখার পর দুটো পেজক্রিপসন দিল এবং বলল যে দোকান থেকে নিয়ে আসেন। অথচ ওইসব ওষুধ হসপিটাল কর্তৃপক্ষ দেওয়ার কথা। 6. তারপরে দেওয়া হল তিনটি টেস্ট মধ্যে হসপিটাল কর্তৃপক্ষ দেওয়ার কথা ছিল তিনটি । কিন্তু তারা একটিও দেয়নি। 7. এখন আবার অনেকগুলো ঔষধ লিখে দিল যা আমি প্রায় ৫ হাজার টাকা দিয়ে কিনে নিয়ে আসি। 8. দুইদিন পরে আমার দাদা মারা যায়। এখন
সেবাটি ছিল মিটফোর্ড হাসপাতাল তেকে ঢাকা মোডিকেলে বদলি। একজন তয় গ্রেডের কর্মচারীর।তার অবসর সামনে এক বছর পর। সে ঐ মেডিকেলের ছাতৱ/ ছাতরী ছিল।চাকরীর শেষ সময়টুকু সে নিজের মেডিকেলে কাটাতে চেয়েছিল।কিন্তু মানবিক আবেদন রিজেক্টেড।বরঞ্চ পনের লক্ষ টাকা ঘুষ দাবী করে।
আমি বয়স নির্ধারণ এর জন্য যশোর সিভিল সার্জন অফিসে আবেদন করি এবং সিভিল সার্জন অফিস ফরওয়ার্ড করে সদর হাসপাতাল এ পাঠায় এবং সেখানে আমার বিভিন্ন টেষ্ট কটেষ্ট করায় এবং বোর্ড বসায় ডাক্তার এর পর অফিস সহকারী দাবী করে ৮০০০০ হাজার টাকা নতুবা সঠিক রিপোর্ট না দিয়ে নেকেটিভ রিপোর্ট দিবে বলে তখন আমি বলিবলি যদি রিপোর্ট ঠিক থাকে তাহলে আমার পজিটিভ রিপোর্ট আসবেই তখন অফিস সহকারী বলে টাকা ই সব রিপোর্ট বোর্ড এগুলো কিছুই না। তখন আমি টাকা দেই এবং টাকা দেয়ার ডগুমেন্স রাখি। এরপর রিপোর্ট পাওয়ার পর তথ্য প্রমান সহ ঐ হাসপাতালে পরিচালক বরাবর অভিযোগ করি কিন্তু একমাস হলেও কোনো পদক্ষেপ নেননি পরিচালক তাতে।।
আমি ত হঠাৎ করে গেছি। কোন দিন যাই নাই৷ ত যেখানেই যাই টাকা চায় ওয়ার্টবয় রা। আরে খুব ভয়াবহ আবস্তা
প্রথমে টেস্ট করানোর জন্য জমা দিছি, যে পরীক্ষা করতে ৩০ মিনিটও লাগবেনা, সেটির জন্য বলে পরের দিন আসেন। এখানেই মূলত ওদের কারসাজি। টাকা দিলে ৫ মিনিটের মধ্যেই রিপোর্ট রেডি। এরকম অহরহ নানান বিষয় এ ঘুষ বাণিজ্য চলতেছে৷ এটি সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ঘটনা।
আমি একজন আঘাতপ্রাপ্ত রোগী নিয়ে পঙ্গু হসপিটালে গেলে পঙ্গু হসপিটালে এক্সরে করানোর জন্য ৫০ টাকা ঘুষ জলের জন্য ৫০০ টাকা ঘুষ এবং অপারেশন থিয়েটারে ৩ হাজার টাকা ঘুষ নেই না হলে রোগে ফালায় রাখত
Ami akjn govt. doctor. Jkno legal official kaj krte gele hospital er nicher stor er lok der tk dte hoi ja khubi koster. Bises kre ofice sohokari gulo protita upazila theke bivagio hospital gulo te durnitir akhra baniye niyechen.