হাম ক্যাম্পেইন
সরকারী হাম ক্যাম্পেইনের টাকা মেরে দিছে। যার ফলে টিকা কার্যক্রম ব্যাহত হয়েছে।
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৭,৭৪৩ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
সরকারী হাম ক্যাম্পেইনের টাকা মেরে দিছে। যার ফলে টিকা কার্যক্রম ব্যাহত হয়েছে।
ak jon bis kaoa rogi nia giyacilam. tara wash korar jnno 1500 tk dabi kore
বাবা হার্ট অ্যাটাক করলে তাঁকে নিয়ে যাওয়া হয় ঢাকার সরকারী হাসপাতালে। তারপর থেকে শুরু এদের প্রতিটা সেবা নিতে যেয়ে প্রতিটা মানুষের অবস্থা দেখেছি। বেড পাওয়া , স্ট্রলার ইউজ করা, রোগী কে ডক্টর এর কাছে নেয়া , টেস্ট করানো , রোগী কে রিলিজ এর দিন পর্যন্ত চলে বিভিন্ন পদে পদে এদের ফাইজলামি
বদলির জন্য স্বাস্থ্য দপ্তরে গিয়েছিলাম ওখানে অনেক দালাল আবেদন করলে কোন জবাব পাওয়া যায় না, কোন খবর থাকে না এবং কিছু অফিসেরই লোকজন আছে বিভিন্ন মাধ্যমে যোগাযোগ করিয়ে দেয় এবং বদলি হয়ে যায়। এক অফিস সহায়ক আমাকে এক লোকের সাথে দেখা করে দিয়েছে ১২০০০০ টাকা চাইছে বদলিতে করিয়ে দেওয়ার জন্য আমি দেইনি যার কারণে আমার বদলি হয়নি। কিন্তু আমার পরিচিত অনেকেই টাকা দিয়েই বদলি করেছে।
আমার মেয়ে অসুস্থ ছিল । আমি চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে যায় সেবার জন্য । সেখানে বলা হয় হাতে ক্যানোলা পরাতে হবে সেজন্য নার্স রা ১০০ টাকা দাবী করে । আমি দিতে অস্বকীর করলে তারা আমার সাথে খারাপ ব্যবহার কেরে ।
আমি MRI করতে গিয়েছিলাম গত ২৪/০৮/২৬। প্রথমে বলে MRI মেশিন নষ্ট। পরে আমি বহিঃবিভাগ থেকে টিকিট নিলাম ডাক্তার দেখালাম। ডাক্তার সাহেব MRI করতে বলে। এবার পেরেশানি সৃষ্টি হ য়। MRI করাতে গেলে বলে আগে ভর্তি হতে হবে এবং আবার ডাক্তার দেখাতে হবে। তাছাড়া MRI করানো যাবে না। এর মধ্যে দালাল চক্র হাজির এখানে হবে না। আপনাকে আমরা প্রাইভেট থেকে ৬০০০/= টাকার বিনিময়ে করে দিতে পারবো।
ময়মনসিংহ সদর হাসপাতালে, প্রত্যেকটা জায়গায় ঘুষ দিতে, এগুলো দেখার মতো কেউ নেই
আমার কাজিন ঢাকা মেডিকেল হাসপাতালে ভর্তি আছে ১০ দিন যাবৎ।আমাকে একটা MRI টেস্ট করতে দিয়েছে ডাক্তার। আমি রেড়িওলোজি ডিপার্টমেন্টে যোগাযোগ করি। ব্যাংকে টাকা জমা দিতে গেলে ওরা বলল একটা রুমে গিয়ে সিরিয়াল নিয়ে আসতে হবে।তারপর ১০৯ নাম্বার রুমে যায় আর্জেন্টিনার জার্সি পরা এক লোক আমাকে ৪ দিন পরে সিরিয়াল দেয়। তারপর আমি রোগীর অবস্থা বর্ননা করি, তখন সে বলল ডেট আগায়া নিয়ে আসা যাবে যদি কিছু নাস্তা পানির ব্যবস্থা করি। আমি নিরুপায় ছিলাম রোগীর অবস্থাও ভালো না বাধ্য হয়ে ৩০০ টাকা দিয়ে ডেট দুইদিন আগায়া নিয়ে আসি।
হাড়ের ইঞ্জেকশন দেওয়ার জন্য আলাদা কক্ষে নিয়ে ১,৫০০ টাকা নিয়ে ইঞ্জেকশন পুশ করে।
বিষয়: প্রশাসনিক কাজ সম্পন্ন করতে বিলম্ব ও অনৈতিক অর্থ দাবির বিষয়ে অভিযোগ জনাব, বিনীতভাবে জানাচ্ছি যে, আমার স্ত্রী দীর্ঘ প্রায় ৫ বছর ধরে সিনিয়র স্টাফ হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছেন। সম্প্রতি বদলির কারণে তিনি অন্য উপজেলায় যোগদান করেছেন। তবে পূর্বের কর্মস্থলের কিছু প্রশাসনিক কার্যক্রম এখনো সম্পন্ন করা বাকি রয়েছে। উক্ত কাজগুলো সম্পন্ন করার জন্য সংশ্লিষ্ট প্রশাসনিক কর্মকর্তা —ের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগ ও অনুরোধ করা হয়েছে। দুঃখজনকভাবে, প্রয়োজনীয় কাজগুলো সম্পন্ন করার ক্ষেত্রে অযথা বিলম্ব করা হচ্ছে এবং বিভিন্ন সময়ে অর্থ প্রদানের বিষয়ে চাপ/দাবি করা হয়েছে বলে আমরা অবগত হয়েছি। বর্তমানে অতিরিক্ত অর্থ প্রদান না করলে বাকি প্রশাসনিক কাজগুলো আরও বিলম্বিত করা হবে—এমন পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে।
চাকরি তে নিয়োগ, টাকা চেয়ে ছিল ব্যাংক একাউন্টে, আমি প্রত্যাখ্যান করে ছি
গোপালগঞ্জ মেডিকেল কলেজ এবং হাসপাতালে স্টাফ নিয়োগ হচ্ছিলো, ১৫০০০০ টাকা দিলে চাকরি হবে। না দিলে হবে না
হঠাৎ হৃদরোগে আক্রান্ত বাবাকে রংপুর সরকারি হাসপাতালে নিয়ে যাই কিন্তু আইসিইউ তে বাবাকে নেওয়ার পরপরই তিনি মারা যান। শোক সামলে বাবার মৃতদেহ নেব। হাসপাতালের তিন তলা থেকে নিচে মৃতদেহ নামানোর জন্য ওয়ার্ড হয় আমার কাছে ৫০০০ টাকা দাবি করে। উপায়ন্তর না পেয়ে ২০০০ টাকা দিতে রাজি হই। লাশ নামানোর পর ঐ ওয়ার্ড বয়কে ২০০০ টাকা দিতে দিতে বলি, আপনাদের কি মৃত্যু হবে না? আপনারা মৃত্যুকে ভয় পান না? ওয়ার্ড বয় টাকা নিয়ে চলে গেল। এবং সামান্য অনুশোচনা তার মধ্যে দেখি নাই।
জাতীয় হৃদরোগ ইন্সটিটিউটে ভর্তি হওয়ার জন্য ২০০ টাকা ঘুষ দাবি করা হয়
যদি কোন না রোগীকে সেবা দিতে আসে তাহলে তাকে ২০০ টাকা দিতে হবে তা না হলে সে সেবা দিবে না
আপনি যদি ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হসপিটালে ওয়ার্ডবয় এর মাধ্যমে কোন সেবা দিতে চান তাহলে আপনাকে সর্বনিম্ন ১০০ টাকা ঘুষ প্রদান করতে হবে। যেমন আপনি একটা জরুরী রোগীকে নিচতলা থেকে তিন তলা আবার চার তলাতে নিবেন স্ট্রেচার করে তাহলে আপনাকে তাকে ঘুষ দিতে হবে অন্যথায় সে আপনাকে সেবা দিবে না।
সিভিল সার্জন থেকে মেডিকেল ফিটনেস সার্টিফিকেট নিতে হলে ৬০০০ টাকা উৎকোচ দাবি করা হয় । পরিচিত কয়েকজন এভাবেই করিয়েছে। লিগাল ওয়েতে রিপোর্ট দিলেও হয়রানি ও কালক্ষেপণ এর স্বীকার হতে হয়। একজন কর্মচারী আছেন যার আচরণ খুবই বাজে। সে বাজে আচরনের মাধ্যমেই চেষ্টা করেন যেনো সেবা গ্রহীতা টাকাপয়সার মাধ্যমে সমাধান করেন।
After my wife completed her chemotherapy at Japan Bangladesh Friendship Hospital, the doctor referred her to Labaid Hospital for radiotherapy. At that time, arranging treatment at a private hospital was extremely difficult for me because of the high cost. During this difficult period, I contacted the office assistant, — (mobile: [redacted]). I had met him previously and discussed my situation with him. He was from my home district, Bhola, and I trusted him because I was going through a very difficult time after my wife's cancer diagnosis. — assured me that he could arrange my wife's radiotherapy at Mohakhali Cancer Hospital. Based on his assurance, I agreed to the amount he re
আমার আম্মুকে ডক্টর দেখানোর জন্য সিরিয়াল নিতে গিয়ে দেখি, স্থানীয় আনসার, স্টাফ, দালাল বলছে- ৫০০ টাকা দিতে হবে। তাহলে সিরিয়াল আগে পাবেন। অন্যথায় অনেক পিছনে দাঁড়াতে হবে। কৌশলে জিম্মি করে ফেলে ওরা।
ময়মনসিংহ সদর হাসপাতালের কার্ডিয়াক ক্যাথলাবে মালামাল সাপ্লাই দেওয়ার জন্য কার্ডিয়াক বিভাগের ডক্টর আমার কাছে নগদ অর্থ দাবি করেন। উনার বক্তব্য উনাকে টাকা পরিশোধ না করলে উনি মালামাল সাপ্লাই করার পারমিশন দেবেন না এবং হসপিটালের ঢোকার পারমিশন দেবে না।