নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৭,৩২৬ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
আমার দাদা মৃত্যু শয্যায় ছিলো। ঢাকা মেডিকেলে আইসিইউ বেড এর জন্য ৩৫ হাজার টাকা দাবী করে। না দিলে রোগী নিয়ে যেতে বলে। বাধ্য হয়ে রোগী বাঁচাতে টাকা পরিশোধ করি। পরে আইসিইউতে যেয়ে দেখি ৫ টি বেড খালি, অথচ বাহিরে বলছে বেড নাই। এমনকি নরমাল ওয়ার্ডে বেড পাইতে ৪০০ টাকা দেয়া লাগছে ওয়ার্ড বয় কে।
রমেকে সেবা নিতে আসা ইমার্জেন্সি রোগীদের জন্য আইসিইউ/সিসিইউ/এইচডিইউ সেবা পেতে হলে লোকজন ধরে বেড বাবদ ১০ হাজার টাকা আগে দিতে হয়। নয়তো এখানে এসব বিশেষায়িত বেড পাওয়া অসম্ভব। বিকল্পও আছে, কিছু কমিশনখোর দালাল লোকজনই আপনাকে আশেপাশের বেসরকারি হাসপাতালে পাঠানোর ব্যবস্থা করে দিবে। সেজন্য এসব সেবা প্রয়োজন হলে সরাসরি আপনার এলাকার কোন ডাক্তার/বড় নেতা থাকলে তার সাথে যোগাযোগ করবেন, তাতে বেড পাবেন, খরচও হবে তবে তুলনামূলক কম।
প্রথমে সিট দেয়ার নাম করে ১০০ টাকা নেয়। এরপর OT তে নিয়ে যাওয়ার সময় ১০০ দাবি করে দেয়নি। কিছু বলা যায় না খুব খারাপ ব্যবহার এদের সাথে ডাক্তার দের আবার সম্পর্ক বেশি ডাক্তার এয়া নার্স দের দিয়ে কাজ করায় না এদের দিয়ে কাজ করায় তাই এদের পাওয়ার বেশি। আমি মেডিকেল এর ইন্ডোর ওয়ার্ড ২৫ সার্জারি বিভাগ থেকে বলছি।
চট্টগ্রাম মেডিকেলে দাঁতের চিকিৎসা করাতে গেছিলাম, দাতের কাজ করার আগে ডাক্তার এর কাছে যেতে ওখান কার এক মহিলা যিনি কাগজ নিয়ে আসা করে,তিনি প্রত্যেক এর কাছে ৫০ টাকা করে নেয়,দাতের কাজ করানোর সময় যখন ইন্টারনি ডাক্তার কাজ শুরু করতে চায় তখন উনি বলেন,খালাকে খুশি করতে ৫০ টাকা দিতে হবে চিকিৎসা করাইতে চাইলে
সরকারী চাকুরির স্বাস্থ্য সনদ নেয়ার জন্য যেসকল টেস্ট করা লাগে সব জায়গাতেই রিপোর্ট নিতে গেলে ২০০/১০০ হাতে না দিলে বলে এখনো হয়নি পরে আসেন। অযথা ঘুরায়
ECG korar jnno PG hospital e gesilm.trpr amr Baki test ses sune okhane ekjn mohila chilo uni amr ECG koray trpr sekhane tk ney. Amr Kono oviggota na thakay report ta tkn kheyal korini bujhini o je dctr ECG koray pore report check korle dekhi je kisui nei ECG ta purai vul porer din Kotha bolte gesi sekhne Tara Kono kothay sunte chayni.oi mohila ta emn report protidin banay dey 2 1 jn er Kore holeo amr samne aro akjn er korse. K bondho korbe ei sob?
আমার আব্বা ২০১৯ সালের ২৫ শে জানুয়ারি শুক্রবার সকালে রংপুর মেডিক্যালের আইসিইউতে মারা যান। মারা যাওয়ার পর আব্বাকে থেকে বের করে লাশঘরে রাখা হয়। এরপর অনেক ঝামেলা শেষ করে আব্বাকে যখন লাশ রাখা ঘর থেকে বের করে এম্বুলেন্সে উঠাতে যাব তখন দায়িত্বরত যে ব্যক্তি সে রুমের তালা খুলে দিচ্ছিলো না। ৫০০ টাকা না দিলে লাশ বের করতে দিবে না। যখন জিজ্ঞেস করলাম কেনো টাকা দিতে হবে? বললো এটা তার বকশিস। নিজেকে সংবরণ করে বাধ্য হয়ে সেদিন ৫০০ টাকা বকশিস হয়ে আব্বার লাশ আমি আর ভাইয়া ধরে এম্বুলেন্সে উঠাই। সেই লোকটা একটা তালা খুলে দিয়েছিলো বলে তাকে ৫০০ টাকা বকশিস দিতে হয়েছিল। ঐ জায়গায় প্রতিটি স্তরে স্তরে ঘুষ দিতে হয়।
আমি আমার কোম্পানিতে ছুটি দশ দিন বূদ্ধির জন্য সার্টিফিকেট প্রয়োজন ছিল । প্রবাসী শুনে ১০০০ দাবী করতে।
হাসপাতালে ভর্তির পর হাসপাতাল কতৃক সিন্ডিকেট রোগীকে ট্রলিতে নিলে জোর পুর্বক ১০০ টাকা আদায় করে। তারা বলে এই টাকা অনেককে ভাগ দিতে হয়।
ক্যান্সার এর অপারেশন এরপর ডাক্তার রেডিওথেরাপি এর জন্য নিচতলায় পাঠায় , সেখানে দ্রুত রেডিওথেরাপি সেবা পাওয়ার জন্য ফাইল এ অনুমোদন প্রয়োজন। তাই 20000 টাকা চাই কর্মচারী। সেখানে 5000 টাকা 1স্ট এ দেয়। পরে ডাক্তার জানাই রোগীর রেডিও থেরাপি এর প্রয়োজন নেই। কিন্তু সে 5000 টাকা ফেরত দেয় নি।
Police Tips & Ansar Tips
হাতে ৯টি সেলাই দিয়ে ব্যান্ডেজ করে সেবার জন্য খুশি করতে বললে ১০০টাকা দিলাম খুশি না পরে ২০০ টাকা দিলাম
ইমারজিনছি ওয়াডে,(নতুন বিলিং এর দুইতালা) আমি একটা রুগি নিয়ে আসি দুইআগে,কতকাল সকল বেলা আমর রুগিকে নিয়ে কয়েক টি টেষ্ট করানোর জন্য হাসপাতাল এর বাইরের ডাইগোনিক সেন্টার এ নিতে চাই পথে আমার রুগী মারা যায়,,, পথের মধ্য কয়েক জন দালান এরমোতন লোক বলতাছে এইটা পুলিশ কেইছ, এই চাশ কে ময়না পোস্টমটেম করাতে হবে.... বলে দশ হাজার টাকা চায়,,, এই খানে অনেক বড় একটা সিন্ডিকেট কাজ করে,,, আমি আর ও খবর পেয়েছি একঅই গুরুপের লোকেরা, রুগী এবং তাদের আত্তীয় যারা রাতে রুগীর সাথে সাথে তাদের ফোন চুরি করে,,,
আমার শশুর কে নিয়ে আগারগাঁও জাতীয় চক্ষু বিজ্ঞান ইন্সটিটিউট হাসপাতালে যাই চোখের ছানি অপারেশন এর জন্য, সব কিছু সিরিয়াল ধরে করেছি আমার প্রায় ৪ দিন লেগে যায় ডাক্তার দেখাতে। দেখানোর পর ডাক্তার রুম থেকে বের হয়ে আসার পথে এক আনসার আমাকে ডাক দিয়ে বললো নিচে গিয়ে অপারেশন এর জন্য ৩৫০০ টাকা জমা দিবেন আগামী আড়াই থেকে তিন মাস পর অপারেশন এর ডেট দিবে, ৩ মাস পর যখন আসবেন আপনাকে আবার সব পরিক্ষা নীরিক্ষা করাবে ডাক্তাররা আর আপনি যদি আমার সাথে ডিল করেন ১৫ দিনের মধ্যে আপনার শশুরের অপারেশন হয়ে যাবে, এ জন্য আপনার মোট টাকা খরচ হবে ৪৫০০ / অপারেশন এর জন্য জমা ৩৫০০+ আমি,ডাক্তার সবাই মিলে ১০০০,,, যদি রাজি থাকেন এখন প্রেস্ক্রিপশন আর ৫০০ এডভান্স করে যান কাল সকালে এসে কাগজ নিয়ে যাবেন আমি সব কমপ্লিট করে রাখবো আর ৪০০০ কাল দিব
ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাতে সময় থাকলে পড়বেন না পড়লে স্কিপ করতে পারেন তবে যারা অসুস্থ হয়ে ময়মনসিংহ যাওয়া লাগবে তারা কেবল পড়ুন। জানার জন্য পড়ুন। মনে করেন আপনি রোগী ডাক্তার আল্ট্রাসনোগ্রাফি করানো জন্য বললো,আপনি মনে করলে বাইরে থেকে করে নিয়ে আসি এখানে অনেক লোকজন তাহলে থামুন❌বাইরের ক্লিনিকের রিপোর্ট দেখবে না ডাক্তার, তাহলে কি করতে হবে হাসপাতালে পরিক্ষা করতে হবে।✅ এখন পরিক্ষার জন্য সিরিয়ালে দঁাড়ালে মাত্র ১০০ জন লেখা টাকা জমা নিবে কিন্তু আসলে লোজন নেয় পুরুষ ২৫ ❌মহিলা১২ ❌ কি অবাক হলেন, না, কারণ এখানে সিরিয়ালে ২ দিন মাটিতে থাকতে হয় তার পর সিরিয়াল, এটা একটা কথা। দ্বিতীয় এক্সরে করাতে সিরিয়াল গেলেন ১ টায় এখন গিয়ে দেখেন কোনো লোক নাই, যে একজন কম্পিউটার অপারেটর আছে বললো ২২০ টাকা( সরকারি ফ্রি) ৪০০ টাকা দি
বাবা অসুস্থ দ্রুত সরকারি হাসপাতালে নিয়ে যাই।সেখানে গিয়ে দেখি বেড খালি নাই। বেড সংগ্রহ করতে হলে টাকা লাগবে তা না হলে ফ্লোরে বিছানা করে থাকতে হবে।যা খুবই একজন রোগীর জন্য কষ্টদায়ক বিষয়।
১ এপ্রিল ২০১৬ থেকে নেত্রকোণা সদর হাসপাতালে আমরা নার্সিং ই্ন্সটিটিউট নেত্রকোণার নার্সিং ও মিডওয়াইফারি কোর্সের সর্বমোট 69 জন শিক্ষার্থী ইন্টার্ন করতেছি । সবাই প্রতিমাসে 6000 টাকা করে পাওয়ার কথা।আমাদের 6 মাস ইন্টার্ন করতে হয়। প্রতিমাসে পাওয়ার নিয়ম থাকলেও তারা বলে যে বাজেট নেই । তাই আমরা অপেক্ষা করি । চারমাস পর করতৃপক্ষ বলতেছে অনেক দৌড়াদৌড়ি করেছি তোমাদের টাকার জন্য । তাই কিছু খরচা পাতি দিতে হবে । পরে সবার থেকে 500 টাকা করে তুলতে বলে । আমাদের ছেলেমেয়েরা টাকা দিতে রাজি হয় কিন্তু আমি একা রাজি হ্ইনি। পরে আমাদের শিক্ষার্থীরা টাকার পরিমাণ কমিয়ে 250 টাকা করে দেয় । আমি টাকা দেইনি । আমার টাকা ছাড়াই আমাদের ছেলেমেয়েরা হাসপাতালে প্রায় 17000 টাকা দেয় ।
শেরে বাংলা নগর চক্ষু বিজ্ঞান হসপিটাল রোগীদের প্রচুর হয়রানি করা হয় মিনিমাম ডাক্তার দেখানোর জন্য ব্যবস্থাপত্র রেফার করার জন্য দিনকে দিন ঘুরাঘুরি করতে হয় বিশেষ করে এখানে কর্তব্যরত ডিউটি ওয়ার্ড বয় ANSAER খুবই খারাপ এবং আনসার দিন অবস্থার সম্ভাবনা সিস্টেমের কোন দরকার নেই যা ইচ্ছা তাই করা হয় দেশের সিনিয়র সিটিজেনের কেদিনের পর দিন হয়রানি করা হয়. আমি প্রায় আমার মায়ের চোখের ছানি অপারেশন অপারেশন যেন অপারেশনের ডেট নেই তারপরও বারবার ডেট পিছিয়ে দেওয়া হয় এবং অপারেশন শেষে আনসার & ওয়ার্ড বয় 100+ 100 টাকা দাবি করে. PORE AMI DITE BADDO HOI
Protibondhi sonaktokoron civil cerjon office
ঢাকা মেডিকেলে ডাক্তারের অ্যাসিস্ট্যান্ট কে দিতে হয়েছে তার সাইনের জন্য।