নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৭,৩২৬ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
My father had a tumor in his throat, and we went to Mitford Hospital for his treatment. He was admitted to the hospital for surgery, and approximately 15 days after admission, we were given an operation date. However, after being admitted, we spent almost a month waiting while the surgery date kept getting postponed. We were repeatedly told, “It will be done today,” then “tomorrow,” and later “next week.” The date was changed around three times. The worst experience happened on the final scheduled date. My father was taken to the operating area and was waiting for surgery, but he was eventually sent back without the operation being performed. We were told that a hospital staff member had b
শহিদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হসপিটালে আমি ইসিজি করাতে যাই, কাউন্টারে টেস্টের টাকা দেওয়ার পরও টেস্ট করানোর পর অতিরিক্ত টাকা দাবি করে। আর bone scan এই টেস্টটি করাতে গিয়েছিলাম ইনস্টিটিউট অব নিউক্লিয়ার মেডিকেল সেন্টার (ইনমাস) ৩০০০ হাজার টাকার টেস্টে ১০০ হাজার অতিরিক্ত চাইছে।
আমি একটি মোটরসাইকেল ক্রয় করেছিলাম।পরবর্তীতে ড্রাইভিং লাইসেন্সের জন্য মেডিকেল সার্টিফিকেট ফর ফিটনেস এর জন্য সরকারি হাসপাতালে ফিটনেস সার্টিফিকেট এর জন্য গেলে টাকা চায়।তারপরে নিজ থেকে প্রত্যাখান করেছিলাম।
আমার সন্তানসম্ভবা স্ত্রীকে টিটি টিকা দিতে নিয়ে গিয়েছিলাম। টিকা দেওয়ার আগে কার্ড প্রদান এবং আমার স্ত্রীকে দ্রুত টিকা প্রদানের শর্তে টাকা দাবী করে সদর হাসপাতাল টিকা কেন্দ্রের আয়া। তাকে ১০০ টাকা দেওয়ায় তৎক্ষণাৎ টিকা প্রাপ্তির সুযোগ মেলে।
ডাক্তার এক্সরে করতে দিয়েছিল। রির্পোট বনার সময় ওখানে কর্মরত স্টাফ বলে ২০০ টাকা দেন তাহলে রিপোর্ট পাবেন। যেখানে টেস্ট করতে লাগসে ১৫০ টাকা রিপোর্ট তুলতে লাগলো ২০০। আমার সোনার বাংলাদেশ
বাবার মৃত্যুর পর সরওয়ার্দি হাসপাতাল থেকে ৫০০+ ২০০ টাকা দিয়া মৃত্যু সনদ নিয়েছিলাম।
আমি ফুলবাড়ী থাকি। এখন সেই সুবাদে গ্রাম থেকে আমার এক বড় মা অসুস্থ হলে প্রথমে আমাকে ফোন দেয় ও ব্যবস্থা নিতে বলে। ফুলবাড়ী সরকারি হাসপাতাল এ আনা হয়, এখানে পরিস্থিতি অবনতি হলে, তাকে দিনাজপুর হাসপাতালে নিতে বলার কথা হয়। আমার বড়- মার অবস্থা অনেক খারাপ হয়, যার জন্যে দিনাজপুর এ নিজে যাওয়া জন্যে সরকারি অ্যাম্বুলেন্স এ বলা হয়। ফুলবাড়ী থেকে দিনাজপুর এর সরকারি হিসাবে ৳৮০০ হয়। উনি বলেন, টাকা ৳৮০০ এ নিবেন কিন্তু তাকে তেল তুলে দিতে হবে, না হলে ৳১২০০ টাকা দিতে হবে। দুঃখে বিষয় উনি ৳১২০০ নিবে কিন্তু স্লীপে ৳৮০০ টাকা থাকবে। এক পর্যায়ে তার সাথে তর্কে জড়ায় পড়ি। পরে এক বড় ভাই আমাকে ওখানে থেকে বাহিরে আনেন। পরে ওই বড় ভাই ৳১০০০ এ রাজি করেন, স্লীপে ৳৮০০ টাকা দেখায় ।
কিডনি বিভাগে ভর্তি হয়েছি। তারপর ছাড়পত্র আনার সময় ওয়ার্ল্ড বয় চা নাস্তা বাবদ কিছু টাকা দাবি করে।। তারপর তা পরিশোধ করি।
Paye betha pawoar por Plastar korar jonno extra taka nise even baire pharmacy thekey kinte hoise
আমি ইমারজেন্সি রোগী নিয়ে মেডিকেল এ এডমিশন নেওয়া মুহূর্তে। আয়া,লিফট ম্যান,দালাল
ময়মনসিংহ সরকারি হসপিটাল কোন কিছু সেবা নিতে চাইলে যেমন রোগী হসপিটালে নিয়ে গেলে বেট পেতে চাইলে সেখানে আনসার বা কিছু লোক থাকে প্রায় সময় টাকা দিতে হয় তা না হলে সহজে সিট পাওয়া যায় না, আর কারো যদি বাচ্চা হয়ে থাকে তাহলে ওইখানকার আয়া থেকে শুরু করে আনসার সদস্য বিভিন্ন ধরনের লোকদের একপ্রকার জোর করে টাকা নিয়ে যায় , তা না হলে আয়া সেই রোগীকে সেবা করতে চায়না । এই বাজে নিয়মগুলো বন্ধ হওয়া দরকার।
আমি একজন রোড এক্সিডেন্ট করা ব্যক্তি। দীর্ঘদিন ঢাকা পঙ্গু হসপিটাল ( নিটোর ) এ ভর্তি ছিলাম, কিছু আইনে প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার জন্য আমার একটি মেডিকেল সার্টিফিকেটের দরকার ছিল কিন্তু আমি যখন সেখানে আমার কাগজপত্র জমা দেই তারা আমার কাছে আনুমানিক ১৫০০ টাকা দাবি করে এবং তা নাহলে আমার প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ফেরত দিতে অসিকৃতি জানাই । আমি আমার তদন্তকারী পুলিশ কর্মকর্তা কে জানালে সে বলে সেখানে টাকা না দিলে কোন কিছুই পাওয়া যায় না। শুধু তাই নয় ঢাকা পঙ্গু হসপিটালে এইটা পদক্ষেপে ই টাকা দিতে হয় তা না হলে সেবা মেলে না যেমন স্ট্রেসার নিতে গেলে টাকা দিতে হয় অপারেশন পরবর্তী ড্রেসিং করতে হলে টাকা দিতে হয় ইমারজেন্সিতে কেবিন এবং বেড নিতে গেলে মোটা অংকের টাকা দিতে হয়।
ইচ্ছাকৃত ভাবে চাকরির জন্য গুরুত্বপূর্ণ টেস্টে মনগড়া রিপোর্ট বানিয়ে টাকা দাবি
চাকরির জন্য পুলিশ ভেরিফিকেশনের কাজটা যদিও অফিসের নিজে থেকেই করার কথা ছিল কিন্তু করে নাই। অন্যদিকে পুলিশ ভেরিফিকেশনের কাগজ ছাড়া চাকরি স্থায়ীকরনের আবেদন করা যায় না। তাই বাধ্য হয়ে হেড ক্লার্ককে ঘুষ দিতে হয়েছে কাগজ পাঠানোর জন্য।তারপর সিভিল সার্জন অফিসে ঘুষ না দেয়ায় কাগজপত্র হারিয়ে ফেলেছে। তিন চার মাসেও যখন ভেরিফিকেশন কাগজ স্থানীয় থানায় আসে নাই তখনে যোগাযোগ করলে টাকা দাবি করে । সেখানে ঘুষ দেয়ার পর সেটা পাঠায়। তারপর আসে পুলিশের কাছে। পুলিশ বাড়িতে না এসেই থানয় যেতে বলে এবং টাকা দাবি করে কোন কারণ ছাড়াই ১০০০০. পরে ৩০০০ দিতে বাধ্য হই।এর পর আবার সিভিল সার্জন অফিসে কাগজ আসলে আবার অনেকদিন আটকে রাখে ঘুষ না দেয়ায়।আবার ঘুষ দিলে কাগজ দিয়ে দেয়। সব মিলিয়ে ৫০০০+ টাকা ঘুষ দিতে হয়েছে।
ওয়ার্ড বয় টাকা ছাড়া কোন কাজ করে না। টাকার বিনিময়ে সিট বিক্রি করে, আনসারকে টাকা দিয়ে ঢুকতে হয়। প্রচুর পরিমানে দালালে ভরপুর। ওশুধ থাকা সত্যেও ডাক্তার অশুধ লিখে না। বলে বাইরে থেকেটেস্ট করান বা বাইরে থেকে কিনুন। যাচ্ছে তাই অবস্থা। ক্লিনাররা টাকা দিলে ওয়াশরুম ক্লিন করে।
হাতের চিকিৎসার জন্য অপারেশন রুমে মানুষের থেকে বকশিস নামে ঘুশ দাবি।নইলে মানুষকে হয়রানি করা হয়।ঢাকা পঙ্গু হাসপাতাল।সেই সাথে অপারেশন রুমে মানুষকে ভূল চিকিৎসা দিচ্ছে। আমার ছোট ভাই — ভূল চিকিৎসার স্বীকার হয়েছে।
কিছুদিন আগে আমি কুষ্টিয়া ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট সরকারি হাসপাতালে যায়, টিকিট কাউন্টারে আমি আমার বক্ষব্যাধি জনিত সমস্যার কথা জানালে উনি আমাকে জেনারেল ফিজিসিয়ানের টিকিট দেন, উক্ত টিকিট নিয়ে আমি লম্বা সিরিয়ালে দাঁড়ায়। সেখানে হস্পিটালের আইডি পরিহিত একজন আমাকে বলেন, "নাস্তা করার টাকা দেন রেফার্ড সিস্টেম ছাড়ায় সরাসরি বক্ষব্যাধি ডাক্তার দেখিয়ে দিচ্ছি।" আমি সেটা প্রত্যাখান করে হসপিটাল ত্যাগ করেছিলাম।
আমি ২০২৪ সালে এক্সিডেন্ট করে ঢাকা পঙ্গু হাসপাতালে ভর্তি হই। ভর্তি হওয়ার পর থেকে রিলিজ নিয়ে গাড়িতে উঠার আগ পর্যন্ত প্রতিটা পদে পদে হাসপাতালের কর্মচারীদের নানা অঙ্কে টাকা দিতে হয়েছে। ড্রেসিং করার জন্য পুরুষ নার্স এসে স্লীপ ধরিয়ে দেয় বাহিরে থেকে কিনে আনেন নাইলে আমাদের এত টাকা দেন। আবার অপারেশন এর সময়ে প্রতিটা রুগিকে দিয়ে নিম্নে ৩-৫হাজার টাকার ঔষধ ক্রয় করায়। গত ১৫ তারিখে পঙ্গু হাসপাতালের এমারজেন্সি ওটিতে আমার ছোট একটা অপারেশন এর জন্য ডাক্তার পাঠায় কিন্তু ওখানে কর্মচারীরা নিম্নে ৫০০টাকার নিচে কাউকে ভিতরে ডুকায় না। অতঃপর সকাল ৯টা থেকে রাত পর্যন্ত বসে থেকে বাসায় চলে এসেছি। বাংলাদেশের সরকারি হাসপাতাল গুলোতে গোয়েন্দাদের মাধ্যমে রুগি সেজে সেবা নিয়ে দেখেন ৭দিন তাহলে অনুধাবন করতে পারবেন আসল চিত্র।
সিরিয়াল ওভারল্যাপ করে এক্সরে করা
সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসা নেওয়া জন্য অথ দিতে হয়