নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৭,৩২৬ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
আমি ২০২৪ সালে এক্সিডেন্ট করে ঢাকা পঙ্গু হাসপাতালে ভর্তি হই। ভর্তি হওয়ার পর থেকে রিলিজ নিয়ে গাড়িতে উঠার আগ পর্যন্ত প্রতিটা পদে পদে হাসপাতালের কর্মচারীদের নানা অঙ্কে টাকা দিতে হয়েছে। ড্রেসিং করার জন্য পুরুষ নার্স এসে স্লীপ ধরিয়ে দেয় বাহিরে থেকে কিনে আনেন নাইলে আমাদের এত টাকা দেন। আবার অপারেশন এর সময়ে প্রতিটা রুগিকে দিয়ে নিম্নে ৩-৫হাজার টাকার ঔষধ ক্রয় করায়। গত ১৫ তারিখে পঙ্গু হাসপাতালের এমারজেন্সি ওটিতে আমার ছোট একটা অপারেশন এর জন্য ডাক্তার পাঠায় কিন্তু ওখানে কর্মচারীরা নিম্নে ৫০০টাকার নিচে কাউকে ভিতরে ডুকায় না। অতঃপর সকাল ৯টা থেকে রাত পর্যন্ত বসে থেকে বাসায় চলে এসেছি। বাংলাদেশের সরকারি হাসপাতাল গুলোতে গোয়েন্দাদের মাধ্যমে রুগি সেজে সেবা নিয়ে দেখেন ৭দিন তাহলে অনুধাবন করতে পারবেন আসল চিত্র।
কিছুদিন আগে আমি কুষ্টিয়া ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট সরকারি হাসপাতালে যায়, টিকিট কাউন্টারে আমি আমার বক্ষব্যাধি জনিত সমস্যার কথা জানালে উনি আমাকে জেনারেল ফিজিসিয়ানের টিকিট দেন, উক্ত টিকিট নিয়ে আমি লম্বা সিরিয়ালে দাঁড়ায়। সেখানে হস্পিটালের আইডি পরিহিত একজন আমাকে বলেন, "নাস্তা করার টাকা দেন রেফার্ড সিস্টেম ছাড়ায় সরাসরি বক্ষব্যাধি ডাক্তার দেখিয়ে দিচ্ছি।" আমি সেটা প্রত্যাখান করে হসপিটাল ত্যাগ করেছিলাম।
আমি এখানে গত ৩ মাসে ১০ বারের বেশি সময় এক্স-রে পরীক্ষা করিয়েছি। প্রতিবার এক্সরে ফিল্ম দেওয়ার নামে বাড়তি ১০০টাকা করে আদায় এক্সরে কক্ষের ভিতরে ডেকে নিয়ে। টাকা না দিলে বলে রিপোর্ট কাল পাবেন।প্রতিটি ব্যক্তির থেকে এই টাকা আদায় করা হয়।এটা এখানে অলিখিত নিয়ম। এছাড়াও ট্রলিতে হাত দিলেই আয়া দের ২০০টাকা দিতে হবে। আউট ডোরে ডাক্তারের সিরিয়ালের জন্য ১০০টাকা করে দিলেই রোগীর আগে পরে করে ডাকবে।
ডাক্তাররা সরকারি মেডিকেলে সেবা না দিয়ে প্রাইভেট হাসপাতালে গিয়ে সেবা দেয়। প্রাইভেট হাসপাতালে যে টেস্ট দেয় সেই টেস্টের পরিমাণটা উল্লেখ করলাম
হাতের চিকিৎসার জন্য অপারেশন রুমে মানুষের থেকে বকশিস নামে ঘুশ দাবি।নইলে মানুষকে হয়রানি করা হয়।ঢাকা পঙ্গু হাসপাতাল।সেই সাথে অপারেশন রুমে মানুষকে ভূল চিকিৎসা দিচ্ছে। আমার ছোট ভাই — ভূল চিকিৎসার স্বীকার হয়েছে।
পিজি হাসপাতালে একজন আনসার এসে বলতেছে, আমরা তো আপনাদের সেবা করি। আমাদের একটু সেবা করুন।
হৃদরোদ হাসপাতালে সিট পেতে আয়াদের খুশি করার টাকা দিতে হয়, যে যতো বেশি দিবে সিট তাঁর।
রাতের বেলা কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সিসিইউতে নতুন ভর্তি রোগীর ইসিজি করা লাগে এবং যে ওয়ার্ড বয়/খালা ইসিজি করে তাকে ১৫০টাকা দিতে হয় প্রতি ইসিজিতে কিন্তু সরকারি দাম ৮০টাকা।এভাবে বিকাল এবং রাতে নেয় শুধু সকালে টেকনিশিয়ান যারা আছে তারা ৮০টাকা নেয়।
৯৯৯ এ ফোন দিলে কোন সরকারি এম্বুলেন্স পাওয়া যায় না
কুড়িগ্রাম সিভিল সার্জন অফিসে নতুন চাকুরি প্রার্থীদের মেডিকেল সার্টিফিকেট নিতে প্রথমে ১০০ টাকা অফিশিয়ালি রশিদের মাধ্যমে জমা করার পর কম্পিউটার অপারেটরের রুমে, অপারেটর ২০০ টাকা দাবি করেন, প্রতিবাদ করলে তিনি মিষ্টি খাওয়ার জন্য নেবেন বললেও টাকা না দেয়া পর্যন্ত তিনি সার্টিফিকেটটা লেখেন না। আমি নিজে যেদিন সার্টিফিকেটের জন্য সিভিল সার্জন অফিস যাই সেদিন প্রায় ১০জনের মতো চাকুরি প্রার্থীর থেকে তিনি ২০০টাকা রশিদ বহির্ভুতভাবে নেন। এটা এক প্রকার "অলিখিত ফি" তে পরিণত করেছেন তারা এবং অফিসের সকল কর্মচারীই এতে অবগত।
বিসিএস এর স্বাস্থ্য পরীক্ষার নোটিশে মেডিক্যাল বোর্ডে ৫০ টাকা জমা দেয়ার কথা উল্লেখ করা ছিলো। কিন্তু মেডিক্যাল বোর্ড থেকে ১০০ টাকা করে জমা নেয়া হয়।
প্রায় ৩ মাস চেষ্টা করেও আত্মীয়কে PG Hospital(বর্তমান BMU) কানের অপারেশনের জন্য ভর্তি করাতে পারিনি; পরে হাসপাতালের ৪র্থ শ্রেনীর এক কর্মচারীকে ১০,০০০ টাকা দেওয়ার পর ভর্তি হয়ে অপারেশন হয়েছে। পাশাপাশি অন্য রোগীদের সঙ্গে কথা বলে জানতে পারি সবাই টাকা দিয়ে ভর্তি হয়েছে।
সরকারি হাসপাতালে রুগীকে ঔষুধ দেয় না যদিও ঔষুধ দেয় প্যারাসিটাম ৬টা এন্টাসিড ৪ অথবা ৬টা। সরকার কোটি কোটি টাকার ঔষুধ দেয় এগুলো কোথায় যায়,, লোহাগাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স, লোহাগাড়া চট্টগ্রাম
আমার আম্মুর আ্যাক্সিডেন্টে হাত ভেঙে যায়, আমি আর আব্বু জরুরি ভিত্তিতে জিয়া মেডিকেলে নিয়ে যাই আম্মুকে সেখানে ট্রলি চালকেরা ২৫০৳ দাবি করে আম্মুকে পৌছাইতে, পরে আমরা ১৫০৳ দিয়ে দেই। আবার ড্রেসিং করার আগে ৩০০৳ দাবি করে না হলে তারা করে দিবেনা, পরে ২০০৳ নেয়। তারপর ড্রেসিং করে দেয়। কিন্তু সেখানে লেখা ছিল সবই ফ্রি। কিন্তু অভিযোগ করেও কাজ হয়নি।
যারা করোনাভাইরাস পরীক্ষা করছিল সবার কাছ থেকে ১০০ টাকা নিয়েছিল।
এগুলো দায়িত্বে যে ব্যক্তি থাকেন, উনি ডিরেক্টর ছাড়া রুমের পাশে বসে থাকেন, ওই একই রুমে হাসপাতালের প্রশাসনিক কর্মকর্তা বসেন, কিন্তু দুর্ভাগ্যজনকভাবে হাসপাতালের প্রত্যেক নার্স , ডক্টর ওই অপারেটরের কাছে জিম্মি, উপরোক্ত কাজগুলোর জন্য গেলেই ৫০০ থেকে ১০০০ টাকা চা খাওয়ার টাকা দিতে হয়। না হয় অনেকক্ষণ ধরে ওয়েট করাই, বা বলে নেটের সমস্যা।
আমার শ্বশুরের হার্ট অ্যাটাক হয়েছিলো। ইমার্জেন্সি ঢাকা মেডিকেল নিয়ে গিয়েছিলাম। জরূরী বিভাগ থেকে নতুন বিল্ডিং এর CCU তিন তলায় নেওয়ার জন্য হাসপাতালের ট্রলি নিয়েছিলাম। সেখানে একজন ওয়ার্ড বয়/স্টাফ ৫০০/- টাকা চেয়েছিলো। আমরা কোনোরকমে ২০০/- টাকা দিয়ে পার পেয়েছি।
Tk sara kno official kaj korte chay na.. joining theka retairment all time tk hay ..ROSHID shaheb, account hesabe ase..chor sala akta,store kipper o , medicine o mere day
রুগী বহন করার জন্য জোর করে টাকা নিচে খুলনা ২৫০ বেডে। রুগীর অবস্থা খারাপ।
শান্তি বিনোদন ভাতার জন্য গোটা বাংলাদেশের সকল সরকারি কর্মচারির থেকে, তাদের নিজ অফিস ১০০০-৩০০০ টাকা ঘুষ নেই। এছাড়া শান্তি বিনোদন ভাতা প্রধান সহকারী/ প্রশাসনিক কর্মকর্তারা সার্ভিস বুকে এন্ট্রি করে দেয় না এবং বিল ও ছুটি নিয়ে ও ঘোরাই। সর্বপরি বিল ও ছুটি মঞ্জুর করে না।