অসুস্থতার সার্টিফিকেট প্রবাসীর জন্য
আমি আমার কোম্পানিতে ছুটি দশ দিন বূদ্ধির জন্য সার্টিফিকেট প্রয়োজন ছিল । প্রবাসী শুনে ১০০০ দাবী করতে।
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৭,৭৪৩ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
আমি আমার কোম্পানিতে ছুটি দশ দিন বূদ্ধির জন্য সার্টিফিকেট প্রয়োজন ছিল । প্রবাসী শুনে ১০০০ দাবী করতে।
ECG korar jnno PG hospital e gesilm.trpr amr Baki test ses sune okhane ekjn mohila chilo uni amr ECG koray trpr sekhane tk ney. Amr Kono oviggota na thakay report ta tkn kheyal korini bujhini o je dctr ECG koray pore report check korle dekhi je kisui nei ECG ta purai vul porer din Kotha bolte gesi sekhne Tara Kono kothay sunte chayni.oi mohila ta emn report protidin banay dey 2 1 jn er Kore holeo amr samne aro akjn er korse. K bondho korbe ei sob?
শেরে বাংলা নগর চক্ষু বিজ্ঞান হসপিটাল রোগীদের প্রচুর হয়রানি করা হয় মিনিমাম ডাক্তার দেখানোর জন্য ব্যবস্থাপত্র রেফার করার জন্য দিনকে দিন ঘুরাঘুরি করতে হয় বিশেষ করে এখানে কর্তব্যরত ডিউটি ওয়ার্ড বয় ANSAER খুবই খারাপ এবং আনসার দিন অবস্থার সম্ভাবনা সিস্টেমের কোন দরকার নেই যা ইচ্ছা তাই করা হয় দেশের সিনিয়র সিটিজেনের কেদিনের পর দিন হয়রানি করা হয়. আমি প্রায় আমার মায়ের চোখের ছানি অপারেশন অপারেশন যেন অপারেশনের ডেট নেই তারপরও বারবার ডেট পিছিয়ে দেওয়া হয় এবং অপারেশন শেষে আনসার & ওয়ার্ড বয় 100+ 100 টাকা দাবি করে. PORE AMI DITE BADDO HOI
Protibondhi sonaktokoron civil cerjon office
১ এপ্রিল ২০১৬ থেকে নেত্রকোণা সদর হাসপাতালে আমরা নার্সিং ই্ন্সটিটিউট নেত্রকোণার নার্সিং ও মিডওয়াইফারি কোর্সের সর্বমোট 69 জন শিক্ষার্থী ইন্টার্ন করতেছি । সবাই প্রতিমাসে 6000 টাকা করে পাওয়ার কথা।আমাদের 6 মাস ইন্টার্ন করতে হয়। প্রতিমাসে পাওয়ার নিয়ম থাকলেও তারা বলে যে বাজেট নেই । তাই আমরা অপেক্ষা করি । চারমাস পর করতৃপক্ষ বলতেছে অনেক দৌড়াদৌড়ি করেছি তোমাদের টাকার জন্য । তাই কিছু খরচা পাতি দিতে হবে । পরে সবার থেকে 500 টাকা করে তুলতে বলে । আমাদের ছেলেমেয়েরা টাকা দিতে রাজি হয় কিন্তু আমি একা রাজি হ্ইনি। পরে আমাদের শিক্ষার্থীরা টাকার পরিমাণ কমিয়ে 250 টাকা করে দেয় । আমি টাকা দেইনি । আমার টাকা ছাড়াই আমাদের ছেলেমেয়েরা হাসপাতালে প্রায় 17000 টাকা দেয় ।
ঢাকা মেডিকেলে ডাক্তারের অ্যাসিস্ট্যান্ট কে দিতে হয়েছে তার সাইনের জন্য।
বাবা অসুস্থ দ্রুত সরকারি হাসপাতালে নিয়ে যাই।সেখানে গিয়ে দেখি বেড খালি নাই। বেড সংগ্রহ করতে হলে টাকা লাগবে তা না হলে ফ্লোরে বিছানা করে থাকতে হবে।যা খুবই একজন রোগীর জন্য কষ্টদায়ক বিষয়।
শহিদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হসপিটালে আমি ইসিজি করাতে যাই, কাউন্টারে টেস্টের টাকা দেওয়ার পরও টেস্ট করানোর পর অতিরিক্ত টাকা দাবি করে। আর bone scan এই টেস্টটি করাতে গিয়েছিলাম ইনস্টিটিউট অব নিউক্লিয়ার মেডিকেল সেন্টার (ইনমাস) ৩০০০ হাজার টাকার টেস্টে ১০০ হাজার অতিরিক্ত চাইছে।
আমি একটি মোটরসাইকেল ক্রয় করেছিলাম।পরবর্তীতে ড্রাইভিং লাইসেন্সের জন্য মেডিকেল সার্টিফিকেট ফর ফিটনেস এর জন্য সরকারি হাসপাতালে ফিটনেস সার্টিফিকেট এর জন্য গেলে টাকা চায়।তারপরে নিজ থেকে প্রত্যাখান করেছিলাম।
My father had a tumor in his throat, and we went to Mitford Hospital for his treatment. He was admitted to the hospital for surgery, and approximately 15 days after admission, we were given an operation date. However, after being admitted, we spent almost a month waiting while the surgery date kept getting postponed. We were repeatedly told, “It will be done today,” then “tomorrow,” and later “next week.” The date was changed around three times. The worst experience happened on the final scheduled date. My father was taken to the operating area and was waiting for surgery, but he was eventually sent back without the operation being performed. We were told that a hospital staff member had b
আমার সন্তানসম্ভবা স্ত্রীকে টিটি টিকা দিতে নিয়ে গিয়েছিলাম। টিকা দেওয়ার আগে কার্ড প্রদান এবং আমার স্ত্রীকে দ্রুত টিকা প্রদানের শর্তে টাকা দাবী করে সদর হাসপাতাল টিকা কেন্দ্রের আয়া। তাকে ১০০ টাকা দেওয়ায় তৎক্ষণাৎ টিকা প্রাপ্তির সুযোগ মেলে।
ডাক্তার এক্সরে করতে দিয়েছিল। রির্পোট বনার সময় ওখানে কর্মরত স্টাফ বলে ২০০ টাকা দেন তাহলে রিপোর্ট পাবেন। যেখানে টেস্ট করতে লাগসে ১৫০ টাকা রিপোর্ট তুলতে লাগলো ২০০। আমার সোনার বাংলাদেশ
বাবার মৃত্যুর পর সরওয়ার্দি হাসপাতাল থেকে ৫০০+ ২০০ টাকা দিয়া মৃত্যু সনদ নিয়েছিলাম।
আমি ইমারজেন্সি রোগী নিয়ে মেডিকেল এ এডমিশন নেওয়া মুহূর্তে। আয়া,লিফট ম্যান,দালাল
ময়মনসিংহ সরকারি হসপিটাল কোন কিছু সেবা নিতে চাইলে যেমন রোগী হসপিটালে নিয়ে গেলে বেট পেতে চাইলে সেখানে আনসার বা কিছু লোক থাকে প্রায় সময় টাকা দিতে হয় তা না হলে সহজে সিট পাওয়া যায় না, আর কারো যদি বাচ্চা হয়ে থাকে তাহলে ওইখানকার আয়া থেকে শুরু করে আনসার সদস্য বিভিন্ন ধরনের লোকদের একপ্রকার জোর করে টাকা নিয়ে যায় , তা না হলে আয়া সেই রোগীকে সেবা করতে চায়না । এই বাজে নিয়মগুলো বন্ধ হওয়া দরকার।
কিডনি বিভাগে ভর্তি হয়েছি। তারপর ছাড়পত্র আনার সময় ওয়ার্ল্ড বয় চা নাস্তা বাবদ কিছু টাকা দাবি করে।। তারপর তা পরিশোধ করি।
আমি একজন রোড এক্সিডেন্ট করা ব্যক্তি। দীর্ঘদিন ঢাকা পঙ্গু হসপিটাল ( নিটোর ) এ ভর্তি ছিলাম, কিছু আইনে প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার জন্য আমার একটি মেডিকেল সার্টিফিকেটের দরকার ছিল কিন্তু আমি যখন সেখানে আমার কাগজপত্র জমা দেই তারা আমার কাছে আনুমানিক ১৫০০ টাকা দাবি করে এবং তা নাহলে আমার প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ফেরত দিতে অসিকৃতি জানাই । আমি আমার তদন্তকারী পুলিশ কর্মকর্তা কে জানালে সে বলে সেখানে টাকা না দিলে কোন কিছুই পাওয়া যায় না। শুধু তাই নয় ঢাকা পঙ্গু হসপিটালে এইটা পদক্ষেপে ই টাকা দিতে হয় তা না হলে সেবা মেলে না যেমন স্ট্রেসার নিতে গেলে টাকা দিতে হয় অপারেশন পরবর্তী ড্রেসিং করতে হলে টাকা দিতে হয় ইমারজেন্সিতে কেবিন এবং বেড নিতে গেলে মোটা অংকের টাকা দিতে হয়।
Paye betha pawoar por Plastar korar jonno extra taka nise even baire pharmacy thekey kinte hoise
আমি ফুলবাড়ী থাকি। এখন সেই সুবাদে গ্রাম থেকে আমার এক বড় মা অসুস্থ হলে প্রথমে আমাকে ফোন দেয় ও ব্যবস্থা নিতে বলে। ফুলবাড়ী সরকারি হাসপাতাল এ আনা হয়, এখানে পরিস্থিতি অবনতি হলে, তাকে দিনাজপুর হাসপাতালে নিতে বলার কথা হয়। আমার বড়- মার অবস্থা অনেক খারাপ হয়, যার জন্যে দিনাজপুর এ নিজে যাওয়া জন্যে সরকারি অ্যাম্বুলেন্স এ বলা হয়। ফুলবাড়ী থেকে দিনাজপুর এর সরকারি হিসাবে ৳৮০০ হয়। উনি বলেন, টাকা ৳৮০০ এ নিবেন কিন্তু তাকে তেল তুলে দিতে হবে, না হলে ৳১২০০ টাকা দিতে হবে। দুঃখে বিষয় উনি ৳১২০০ নিবে কিন্তু স্লীপে ৳৮০০ টাকা থাকবে। এক পর্যায়ে তার সাথে তর্কে জড়ায় পড়ি। পরে এক বড় ভাই আমাকে ওখানে থেকে বাহিরে আনেন। পরে ওই বড় ভাই ৳১০০০ এ রাজি করেন, স্লীপে ৳৮০০ টাকা দেখায় ।
ইচ্ছাকৃত ভাবে চাকরির জন্য গুরুত্বপূর্ণ টেস্টে মনগড়া রিপোর্ট বানিয়ে টাকা দাবি