নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৭,৩২৬ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
বেড ভাড়া চেয়েছিল ৩০০ টাকা
আমি এখানে গত ৩ মাসে ১০ বারের বেশি সময় এক্স-রে পরীক্ষা করিয়েছি। প্রতিবার এক্সরে ফিল্ম দেওয়ার নামে বাড়তি ১০০টাকা করে আদায় এক্সরে কক্ষের ভিতরে ডেকে নিয়ে। টাকা না দিলে বলে রিপোর্ট কাল পাবেন।প্রতিটি ব্যক্তির থেকে এই টাকা আদায় করা হয়।এটা এখানে অলিখিত নিয়ম। এছাড়াও ট্রলিতে হাত দিলেই আয়া দের ২০০টাকা দিতে হবে। আউট ডোরে ডাক্তারের সিরিয়ালের জন্য ১০০টাকা করে দিলেই রোগীর আগে পরে করে ডাকবে।
পিজি হাসপাতালে একজন আনসার এসে বলতেছে, আমরা তো আপনাদের সেবা করি। আমাদের একটু সেবা করুন।
ডাক্তাররা সরকারি মেডিকেলে সেবা না দিয়ে প্রাইভেট হাসপাতালে গিয়ে সেবা দেয়। প্রাইভেট হাসপাতালে যে টেস্ট দেয় সেই টেস্টের পরিমাণটা উল্লেখ করলাম
হৃদরোদ হাসপাতালে সিট পেতে আয়াদের খুশি করার টাকা দিতে হয়, যে যতো বেশি দিবে সিট তাঁর।
মিডফোর্ড হসপিটালে ফোরার চিকিৎসা নিতে গিয়েছি, সার্জন (ডা.) নিজে কাটলো না কাটালো রেজিস্ট্রার এবং তাদের লোকজন দিয়ে। শেষে তারা ২০০ টাকা চাইলো সেটা দিলাম। কিন্তু তারা পেশেন্ট বা সাথের কাউকে কোন এডভাইস করলো না। ডাক্তারের চেম্বারে রোগীর সাথে কাউকে যেতে দেয় না বলে গেলে নাকি ডাক্তার রাগ করবে! এটা সার্জন বিভাগের কথা বলছি। ড্রেসিং করানোর সময় তাদের টাকা দিতে হয়। এবং তারা বলে জায়গাটা পঁচে গেছে আবার বলে রেগুলার আমাদের এখানে আসবেন ঠিক হয়ে যাবে, সমস্যা আছে কিনা জানতে চাইলে রাগ দেখায়। মানে কিছু বলতেই চায় না। অথচ তারা গল্প করতেছে। টাকা দেওয়াটা কোন বিষয় না কিন্তু সেবা তারা কেন দিতে চায় না? এগুলা কেন তদারকি হয় না?
আমি জাতীয় হৃদরোগ হাসপাতাল কিছু টেস্ট করতে দিই, আজ রিপোর্ট আনতে গেলে ২৩৪ নং রিপোর্ট ডেলিভারির রুমের পশ্চিম পাশে থাকা কম্পিউটার অপারেটর সে ১০০ টাকা দাবি করে, তখন আমার মাথা কাজ করতেছিলো না কি করবো, তারপর টাকা দিয়ে রিপোর্ট নিয়ে আসি। টাকা দেওয়ার পরে সে আমাকে জিজ্ঞেস করে কিছু মনে করলা?
রাতের বেলা কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সিসিইউতে নতুন ভর্তি রোগীর ইসিজি করা লাগে এবং যে ওয়ার্ড বয়/খালা ইসিজি করে তাকে ১৫০টাকা দিতে হয় প্রতি ইসিজিতে কিন্তু সরকারি দাম ৮০টাকা।এভাবে বিকাল এবং রাতে নেয় শুধু সকালে টেকনিশিয়ান যারা আছে তারা ৮০টাকা নেয়।
৯৯৯ এ ফোন দিলে কোন সরকারি এম্বুলেন্স পাওয়া যায় না
আমার আম্মুর আ্যাক্সিডেন্টে হাত ভেঙে যায়, আমি আর আব্বু জরুরি ভিত্তিতে জিয়া মেডিকেলে নিয়ে যাই আম্মুকে সেখানে ট্রলি চালকেরা ২৫০৳ দাবি করে আম্মুকে পৌছাইতে, পরে আমরা ১৫০৳ দিয়ে দেই। আবার ড্রেসিং করার আগে ৩০০৳ দাবি করে না হলে তারা করে দিবেনা, পরে ২০০৳ নেয়। তারপর ড্রেসিং করে দেয়। কিন্তু সেখানে লেখা ছিল সবই ফ্রি। কিন্তু অভিযোগ করেও কাজ হয়নি।
প্রায় ৩ মাস চেষ্টা করেও আত্মীয়কে PG Hospital(বর্তমান BMU) কানের অপারেশনের জন্য ভর্তি করাতে পারিনি; পরে হাসপাতালের ৪র্থ শ্রেনীর এক কর্মচারীকে ১০,০০০ টাকা দেওয়ার পর ভর্তি হয়ে অপারেশন হয়েছে। পাশাপাশি অন্য রোগীদের সঙ্গে কথা বলে জানতে পারি সবাই টাকা দিয়ে ভর্তি হয়েছে।
কুড়িগ্রাম সিভিল সার্জন অফিসে নতুন চাকুরি প্রার্থীদের মেডিকেল সার্টিফিকেট নিতে প্রথমে ১০০ টাকা অফিশিয়ালি রশিদের মাধ্যমে জমা করার পর কম্পিউটার অপারেটরের রুমে, অপারেটর ২০০ টাকা দাবি করেন, প্রতিবাদ করলে তিনি মিষ্টি খাওয়ার জন্য নেবেন বললেও টাকা না দেয়া পর্যন্ত তিনি সার্টিফিকেটটা লেখেন না। আমি নিজে যেদিন সার্টিফিকেটের জন্য সিভিল সার্জন অফিস যাই সেদিন প্রায় ১০জনের মতো চাকুরি প্রার্থীর থেকে তিনি ২০০টাকা রশিদ বহির্ভুতভাবে নেন। এটা এক প্রকার "অলিখিত ফি" তে পরিণত করেছেন তারা এবং অফিসের সকল কর্মচারীই এতে অবগত।
সরকারি হাসপাতালে রুগীকে ঔষুধ দেয় না যদিও ঔষুধ দেয় প্যারাসিটাম ৬টা এন্টাসিড ৪ অথবা ৬টা। সরকার কোটি কোটি টাকার ঔষুধ দেয় এগুলো কোথায় যায়,, লোহাগাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স, লোহাগাড়া চট্টগ্রাম
বিসিএস এর স্বাস্থ্য পরীক্ষার নোটিশে মেডিক্যাল বোর্ডে ৫০ টাকা জমা দেয়ার কথা উল্লেখ করা ছিলো। কিন্তু মেডিক্যাল বোর্ড থেকে ১০০ টাকা করে জমা নেয়া হয়।
Tk sara kno official kaj korte chay na.. joining theka retairment all time tk hay ..ROSHID shaheb, account hesabe ase..chor sala akta,store kipper o , medicine o mere day
রুগী বহন করার জন্য জোর করে টাকা নিচে খুলনা ২৫০ বেডে। রুগীর অবস্থা খারাপ।
প্রনোদনা ভাতা নিতে গিয়েছিলাম। তখন ই টাকা চাইল instant pay করেছি। পরে ভাতা পেয়েছিলাম
ডোপ টেস্ট করতে গেলে অতিরিক্ত ১০০ টাকা চাই
শান্তি বিনোদন ভাতার জন্য গোটা বাংলাদেশের সকল সরকারি কর্মচারির থেকে, তাদের নিজ অফিস ১০০০-৩০০০ টাকা ঘুষ নেই। এছাড়া শান্তি বিনোদন ভাতা প্রধান সহকারী/ প্রশাসনিক কর্মকর্তারা সার্ভিস বুকে এন্ট্রি করে দেয় না এবং বিল ও ছুটি নিয়ে ও ঘোরাই। সর্বপরি বিল ও ছুটি মঞ্জুর করে না।
আমার শ্বশুরের হার্ট অ্যাটাক হয়েছিলো। ইমার্জেন্সি ঢাকা মেডিকেল নিয়ে গিয়েছিলাম। জরূরী বিভাগ থেকে নতুন বিল্ডিং এর CCU তিন তলায় নেওয়ার জন্য হাসপাতালের ট্রলি নিয়েছিলাম। সেখানে একজন ওয়ার্ড বয়/স্টাফ ৫০০/- টাকা চেয়েছিলো। আমরা কোনোরকমে ২০০/- টাকা দিয়ে পার পেয়েছি।