17,326 bribery reports filed by citizens — search, filter, and switch between list and grid.
কেবিন থাকা স্বত্তেও না দেয়া, টাকা দিলে ম্যানেজ হয়
চিকিৎসার জন্য আমার দুলাভাইকে হাসপাতালে ভর্তি করানোর পর পদে পদে ভোগান্তি এবং দালালের অত্যাচার এবং পদে পদে টাকা দিতে। সকল ঔষধ বাহির থেকে কিনতে হয় সরকারি ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে শুধুমাত্র স্যালাইন ছাড়া আর কোন ঔষধ দেয় না। খাবারের মান খুব খারাপ একজন নার্স গুরুত্বপূর্ণ রোগীর ক্ষেত্রে দ্বিতীয়বার গেলে তার কাছে আসতে চায় না টলি চাইতে গেলে দালালকে টাকা দিতে হয়। প্রত্যেকটা সিটের জন্য সর্বনিম্ন ৫০০ টাকা দিলে সিট পাওয়া যায় না হলে রোগীকে ফ্লোরে সিঁড়ির মধ্যে রাখতে হয়। পদে পদে দালাল রোগীর সাথে যারা থাকে তাদের কোন নিরাপত্তা নাই চোর মোবাইল মানিব্যাগ সবকিছু নিয়ে যায়।
রিসিপশনে রিসিভ করছিল না।নানান অজুহাত দিয়ে কম্পিউটারের দোকান থেকে শুরু করে বিভিন্ন দপ্তরে ঘুমাচ্ছিল। শেষে টাকা দিলে রিসিভ করেছিল।সেই আবেদনের ডায়েরি নম্বর ও তারিখ রিসিভ কপি তে আছে।
Bedsheet er jonno tk chai
আমি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ইমটি ইপিআই হিসেবে ৫ বছর ধরে কাজ শিখে ২০২৬ সালে ভার প্রাপ্তহিসেবেনিয়োগ প্রাপ্ত হই।গোপন সূত্রে জানতে পারলাম ইমটি ইপিআই পদে নিয়োগ দিচ্ছে ।আমি ঢাকা হেড অফিসে যোহাযোগ করলে বলে চার লক্ষ টাকা দিলে আমাকে পদন্নতি দিবে। আমি টাকা দিতে রাজি হইনি।টাকা না দেবার কারণে অনঅভিজ্ঞ সহকমী কে চার লক্ষটাকার বিনিময়ে পদন্নতি দিয়েছে। আমি অবাক হলাম এই পোষ্টটি অত্যান্ত গুরুত্ব এখানে মানুষের জীবনের সুরক্ষার কাজ । কিন্তু টাকার বিনিময়ে একজন অনঅভিজ্ঞ লোককে কিভাবে পোষ্টটিং দেয় যে কোন প্রকার এ কাজের জন্য যোগ্য না।পরে ভাবলাম বাংলাদেশে সবই সম্ভব।আমার সন্তানরা আমাকে বলে সৎ থেকে তুমি কি পেলে।আমি উত্তর দিতে পারি নি।উত্তর আমার জানা নাই। সরকারিচাকুরিপ্রকাশ করা নিষেধ। উপর মহল জানলে চাকুরি চলে যাবে।
এ বছর -জুলাইয়ের ২১ তারিখ আমার খালাকে নিয়ে গেছিলাম পঙ্গু হাসপাতালে। খালার হাত ভাঙ্গা ছিল।পঙ্গু হাসপাতালের টিন সেট বিল্ডিংয়ের ডাক্তার দেখনোর জন্য সিরিয়ালে দাঁড়ানোর পর অনেক খুন অপেক্ষা করি।ঘন্টা খানেক পর দ্বায়িত্বে থাকা কর্মচারীরা বলে ডাক্তার আজকে আর রুগী দেখবেন না।তখন আনুমানিক সকাল ১১.৩০ বাজে।তারপর আমি খালার হাত গুরুতর হওয়ার জন্য তাকে যাতে ডক্টর দেখার সুযোগ দেয় তার জন্য অনুরোধ করি।তারপরে সে ৫০০ টাকা দাবি করে।তার পরে টাকা দিলে বিতরে ডুকতে দেয় আমাদেরকে। প্রতি মঙ্গল ও বুধবার এখানে গেলে যে কারোর ই বিষয়টি চোখে পরবে।যারা টাকা দিবে তাদের সিরিয়াল ছাড়াই ডুকিয়ে দেওয়া হয়।তা না হলে আপনাকে ঘন্টার পর ঘন্টা দাঁড়িয়ে রাখবে
দুর্ঘটনায় গুরুতর আহত রোগি কে নিয়ে ঢাকা মেডিকেলে গিয়েছিলাম। এম্বুলেন্স থেকে রোগিকে নামানোর জন্যে একটা স্ট্রেচার পাইনি, প্রায় ১০-১৫ মিনিট খোজার পরে একজন বয় কে পেলাম যিনি এইগুলা ঠেলার কাজ করে স্বম্ববত। তাকে কিছু টাকা দিবো বলার পরে সে কোথা থেকে যেনো একটা স্ট্রেচার নিয়ে আসছিল। বিনিময়ে তাকে আমি ভাংতি না থাকায় ১ হাজারের নোট দিলে সে পূরোটাই রেখে চোখের পলকে উধাও হয়ে যায়।
সরকার বেশি টাকা নিছে তাই বাড়তি
শহীদ সরোওয়ারর্দী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের ব্লক-৭এ ওটিতে অপারেশন শেষে রোগী বাহিরে হয়ে যায় এবং ডাক্তারের প্রেসক্রিপশন লেখা হলে খয়রি কালারের ড্রেস পড়া মহিলা, প্রেসক্রিপশন নিয়ে এসে রোগী হাতে দিয়ে ২০০৳ টাকা দাবি করে এবং নেয়। সার্জারী -১১ তে ড্রেসিং শেষে চা পানির জন্য যা পারেন বলে নেয়, সেখানে আমি ৫০৳ টাকা পরিশোধ করেছি।
আমার বড় বোনের প্রসূতি যন্ত্রণা ছিল, প্রায় দুই দিন মাটিতে শোয়ায় রাখছিল (ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল) তারপর দুইদিন পর আমি গিয়ে ২০০ টাকার বিনিময় একটা বেড নেই। তারপরে তো ডাক্তার আসে এসে অন্য রুমে অর্থাৎ অপারেশন রুমে ট্রান্সফার করে ততক্ষণে আমার বোনের পেটের ব্যাথা প্রচণ্ড ছিল হেঁটে যেতে পারছিল না তার জন্য টলি ওলা কে দিতে হয়েছে ৩০০ টাকা। অপারেশন রুমে ঢুকানোর জন্য দিতে হয়েছে ১০০০ হাজার টাকা। একজন বুয়া এসে বাবুকে কোলে নিতে হবে এজন্য দিতে হয়েছে ৫০০ টাকা। অপারেশনে বর্জ্য পরিষ্কার করার জন্য দিতে হইছে ৫০০ টাকা। বোনের জামা কাপড় পরিষ্কার করার জন্য দিতে হয়েছে ৬০০ টাকা। ছুটির দিন দিতে হয়েছে ৫০০ টাকা। আরো প্রায় ৮০০০ হাজার টাকার ওষুধ কিনতে হইছে। টেস্ট কত প্রকার করেছি তা আমার খেয়াল নাই।
শ্যামলি পংগু হাসপাতালে দুর্ঘটনায় আহত আমার নানুর অপারেশন এর পরে তাকে রাখার জন্যে বেড পাচ্ছিলাম না। এক পরিচ্ছন্নতা কর্মি নারি সেখানে বেড সিন্ডিকেট করে বলে যানতে পারি। তাকে খুজে বের করে বেড চাইলে সে ৫০০ টাকার বিনিময়ে আমাদের কে একটা বেড ম্যানেজ করে দেয়।
১। ২০১৯ সালে পিজি হাসপাতালে আমার মা আই সি ও তে ভর্তি থাকা অবস্থায় মারা যান মৃত মায়ের লাশ ওয়ার্ড বয়রা টাকা না দিলে হস্তান্তর করে না বিদায় আমি টাকা দিতে বাধ্য হয়েছি। ২। হাসপাতালে রোগী দেখতে হলে ওয়ার্ড বয় এবং ডিউটিতে থাকা আনসার সদস্যদের টাকা না দিলে রোগীর সাথে সাক্ষাৎ করতে দেওয়া হয় না।
মায়ের পেনশনের টাকা তুলতে ফাইলপত্র রেডি করার নামে ১৫ হাজার টাকা দাবি করা হয় আমি প্রথমে দিতে রাজি হয়নি সেজন্য এক বছর অব্দি ফাইল পড়েছিল। টাকাটা কিছুতেই তুলতে পারছিলাম না শেষে বাধ্য হয়ে দাবি কি তো টাকা পরিশোধ করি। তারপর ফাইল আবার চলে গেল ট্রেজারি অফিসে।ট্রেজারি অফিসেও বায়না ধরল মিষ্টি খাবে একেই কাহিনী টাকা লাগবে সেখানেও দেয়া হলো৫০০০ টাকা।
অফিস সহকারী বলেছেন ২০০০ টাকা দিলে ওনি সিগনেচার করিয়ে দিবেন সিভিল সার্জন থেকে । টাকা না দিলে সিগনেচার নেওয়া যাবে না । সব ঠিক থাকার পরেও ভুল ভাল রিজেন দেখেইয়ে সিগনেচার করে নি ।
ড্রাইভিং প্রশিক্ষণ নিতে মেডিকেল সার্টিফিকেট নেওয়ার জন্য সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ গেছিলাম। আমি নতুন হাওয়ায় এক আনসার সদস্যকে বললাম কিভাবে নিতে হয় সার্টিফিকেট। সে আমাকে কাউন্টারে নিয়ে গিয়ে এক লোককে বলল কাজটা করে দেন। সে আমার কাছ থেকে ৬০০ টাকা চেয়েছিল আমি প্রত্যাখ্যান করেছি। পরে আমি চক্ষু চিকিৎসা ব্লক ১৬ তে গিয়ে যোগাযোগ করি তারা ফ্রিতে করে দিবে বলে।
শরীরের রক্ত চোষা আরেক নাম আউটসোর্সিং চাকরি! এটি সাধারণত ১/২ বছরের হয়।চাকরি তে যোগ দেওয়ার সময় ২ লাখ টা দিতে হয়।আমাদের বেতন থাকে প্রতি মাসে ১৭,০০০ টাকা।আমাদের চাকরির বেতন প্রতি মাসে হয় না,৬/৮ মাসে একবারে হয়।যখন বেতন হয় তখন এর থেকে ৩ হাজার করে দিতে হয়।আবার এর মাঝে চাকরির সময় শেষ হয়ে যায়।তখন আবার ২ লাখ! বিষয় টা এমন হয়, ১ বছরে ৪ লাখ টাকা দিতে হয়,২ লাখ টাকার জন্য! সরকার অনেক কথাই বলে আমাদের নিয়ে, কিন্তু বাস্তবতা টা ভিন্ন। (এর সাথে প্রতিটি স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে প্রধান সহকারী, সিভিল সার্জন সবাই এর সাথে জড়িত।) আমার মনে হয় আমাদের যারা আউটসোর্সিং চাকরি করে এদের শরীর রক্ত মনে হয় অনেক মিষ্টি হয়,তাই সবাই পান করে।
দূর্ঘটনার পর হাসপাতালে গিয়েছিলাম কোন ঔষধ তাঁরা দেননি বরং সেলাই করার পর ১০০০ টাকা দাবি করেন। সব কিছু বাইরে থেকে কিনতে হয়
আমার বিড়াল অনেক অসুস্থ,ডাক্তার প্রেসক্রিপশন লিখে দিয়েছেন,৷ ০৩ টা ইঞ্জেকশন পুষ করতে হবে, একটা ইঞ্জেকশন পুশ করে দিয়ে,৫০০ টাকা দাবি করেন, অথচ এটি একটি সরকারি পশু-প্রাণী হাসপাতাল,টাংগাইল
আমি ডাক্তার দেখাতে গিয়েছিলাম আমার মাকে নিয়ে। যাওয়ার পরে টিকেট নিয়ে সিরিয়ালে দাঁড়ায়। সিরিয়াল আসলো মা কে একাই নিয়ে গেলি রোগীর সাথে কাউকে যেতে দিলো না। আমি বললাম সে মুরুব্বি, মানুষ তার মধ্যে লেখা পড়ারও জানে না। বিষয় টা আমাকে শুনতে তো হবে কি হয়েছে। দরজায় দাঁড়িয়ে থাকা এক স্টাফ বলো ভিতরে গ্যাঞ্জাম করা যাবে না তাই। ৩০। সেকেন্টে রুগী দেখা শেষ। মা কে বললাম কি বলল r তুমি কি বলেছ। মা বলে শুধু বলেছি আমার কোমরের ব্যথা অনেক দিন হলো এর মধ্যে প্রেস্কিপসন লিখে বিদায় করে দিছে। তখন আমি দরজায় থাকা স্টাফ কে বললাম কেমনে কি এত কষ্ট করে ভোরে চলে আসলাম, কি হলো কিছুই বুঝলাম না। সে বলল তাহলে ডিউটি শেষে এসো ৪০০ নিবে সব শুনবে এবং বুঝিয়ে বলবে। আমি অপেক্ষা করে তাই করলাম ডিউটি শেষে তার সাথে দেখা করলাম। টা
আমি আমার মারে হাসপাতালে গিয়েছিলাম একটা জিতের জন্য ৫০০ টাকা দিয়েছি