নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৭,৩২৬ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
জীবন বাঁচানোর জন্য অন্যায় জানার পর ও সহ্য করে চুপ থাকতে হয়
মাদারবোর্ড ঘুষ খাইছে
জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউট এ যত ধরনের রক্ত পরিক্ষা হয় ২৩৪ নাম্বার রুমে, সব গুলা পরিক্ষার জন্য সবার থেকে মোটের উপর ১০০ টাকা বেশি নিচ্ছে। প্রতিদিন নিচ্ছে, সব সময় নিচ্ছে, সবার থেকে নিচ্ছে। জরুরী বিভাগে রোগি নিয়ে গেলে সেখান থেকে Stretcher করে নিয়ে যাওয়ার জন্য ও ১০০০ টাকা দাবী করে পরে ৫০০ টাকা পরিশোধ করি। প্রতিদিন নিচ্ছে, সব সময় নিচ্ছে, সবার থেকে নিচ্ছে।
সাধারণত সরকারিভাবে অপারেশন করানো হলে কোনো টাকা নেওয়া হয়না। শুধু মাত্র যদি কোনোপ্রকার সরঞ্জাম( রড, পিন, এলিজার্ব) কিন্তু এরা কয়েকজন অপারেশনের পরে ৪০০০-৫০০০ টাকা দাবি করে বসে। টা নাহলে রুগীর ফাইল দিতে অস্বীকার করে। ডক্টর রা জেনেও এইসবে বাদা দেয়না। আর দিনে ৫-৬ টা অপারেশন হয়। তারও বেশি। প্রতিজন থেকে ৩০০০-৪০০০.
আমি কিছুদিন আগে আমার খালাকে রংপুর মেডিকেলে ভর্তি করাই, ডাক্তার বেশ কিছু টেষ্ট করার পরামর্শ দেয় সেই নিমিত্তে হুইল চেয়ারে করে নিচ তালায় নিয়ে যাওয়ার প্রয়োজন পরে। কিন্তু সেখানে নিযুক্ত পরিচ্ছন্ন কর্মীরা ২৫০ টাকা ব্যতীত হুইলচেয়ার দিতে অসম্মতি জানায়। নিরুপায় হয়ে ২৫০/- টাকা দিতে বাধ্য হই।
C-Section এ ঢুকানোর ৩০ মিনিট আগে একটা ছোট্ট কাগজ আসে এবং বলে দেয় হাসপাতাল এর বাইরে একটি নির্দিষ্ট দোকান থেকে মেডিসিন গুলো আনতে হবে । না আনলেও ৪০০০ দিলেই হবে । আমি মেডিসিন এনে দেই । কিন্তু ওরা যেই প্যেকেট দিয়েছিল আমি চেঞ্জ করে দেই । ২ ঘন্টা পর আমার মাথা ব্যাথার মেডিসিন এর জন্য গিয়ে দেখি আমার সেই প্যাকেট ।
নেত্রকোণা সরকারি হাসপাতালে আউটসোর্সিং নিয়োগে বিশাল ঘুষ বানিজ্য শুরু হয়েছে। ১লক্ষ ৮০ হাজার থেকে শুরু করে ২ লক্ষের বেশি ডাক উঠেছে। এই নিয়োগে নজর দেওয়া উচিত। পুরো শহর এর দিকে দৃষ্টিপাত করছে।
রোগি নিয়ে ওয়ার্ডে গেলেই ওখান কার ওয়ার্ড বয় বেড খালি থাকলে বেড দিবে, না হয় ফ্লোরে একটা ফোম এর ব্যাবস্থা করে দিবে, বিনিময়ে সে প্রকাশ্যে বলবে ১০০ তাকা দেন। আমার থেকে ১০০ টাকা চেয়েছিলো। কিছু ক্ষেত্রবিশেষে তারা ১০০-৩০০ টাকাও চায়
আমার আম্মুকে নিয়ে একদিন হসপিটালে যাই যাওয়ার পরে ডাক্তারের বলে ডায়াবেটিস আর প্রেশার মাপতে হবে। যেহেতু এটা সরকারি হসপিটাল ওইখানে ব্যবস্থা ছিল দেন প্রেসার আর ডায়াবেটিস মাপার পরে বলতেছে ১০০ টাকা দিতে এটা নাকি সরকারি ফ্রি রিসেট চাইলে বলে আগামীকালকে এসে নিয়ে যাবেন
এখানে অনেক গুলা নার্স আছে, খালা আছে। তাদের ভাগ দেওয়া লাগে। খালাদের কোন বেতন নাই। তাই টাকা দিতে হবে।
জাতীয় হৃদরোগ ইন্সটিটিউট এ মা কে নিয়ে গিয়েছিলাম। একদিন ফ্লোরে ছিলাম আমরা। সিট পাওয়া যাচ্ছিল না। পরে এক মহিলাকে ১০০০টাকা দিয়েছি। উনি কিছুক্ষনের মধ্যে সিট ব্যাবস্থা করে দিয়েছেন।
A cancer patient of my village (Sadar, Noakhali) went to Dhaka medical for cancer in respiratory tract infection (RTI). They asked for 30 lac Ghush but the boy so needy, day laborer. He said in mind & to his elder brother, he will take treatment of Homeopathy. Homeopathy medicine is low priced. So, he backed from Dhaka. After one day of returning from Dhaka, he started to feel serious ill. His bother tried to take him to Maijdee, Sadar hospital but before arriving in Hospital he has died, Alas! dyeing date 19/08/26.
ভালো মানের চিকিৎসার জন্য নবজাতক বাচ্চার একটা NICU তে সিট খুজতে ছিলাম,বেশ কয়েকদিন ধরে, স্বাভাবিক সকল প্রক্রিয়া সম্পন্ন করলেও সিট খালি থাকা সত্ত্বেও সিট বরাদ্দ দিচ্ছিল না,পরে ওখানের এক দায়িত্বরত আনসার এক দালালের নাম্বার দেয়,তার সাথে যোগাযোগ করে একটা সিট বরাদ্দ নেই,সে ঘুষ চেয়েছিল ১৫০০০ হাজার,আমি ১৪০০০ হাজার দিয়েছিলাম।আমি ঘুষ দিতে বাধ্য হয়েছিলাম, কারণ বাচ্চার জরুরি ভিত্তিতে ভালো চিকিৎসা দরকার ছিল।
দেশের বিভিন্ন সরকারি হাসপাতালে নবনিয়োগপ্রাপ্ত স্বাস্থ্যকর্মীদের প্রশাসনিক কার্যক্রম, যেমন Pay Fixation, Biometric নিবন্ধন, Face Punch সক্রিয়করণ এবং Government Data Update-এর মতো সেবা প্রদানকে কেন্দ্র করে অনিয়ম ও অবৈধ অর্থ দাবির অভিযোগ দীর্ঘদিন ধরে উঠে আসছে। অভিযোগ অনুযায়ী, এসব সরকারি কাজ সম্পন্ন করার জন্য কোথাও কোথাও ৫০০ টাকা, ২,০০০ টাকা বা ৩,০০০ টাকা পর্যন্ত অর্থ দাবি করা হয়। এছাড়া অর্থ প্রদান না করলে কাজ বিলম্বিত করা, অপ্রয়োজনীয় জটিলতা সৃষ্টি করা বা হয়রানির অভিযোগও বিভিন্ন সময়ে সামনে এসেছে। যদি এসব অভিযোগের সত্যতা থাকে, তবে তা সরকারি সেবার স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা এবং আইনের শাসনের পরিপন্থী। এ ধরনের অনিয়ম বন্ধে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের দাবি জানানো হচ্ছে।
সেবা প্রত্যাশি সবাইকে ২০০ টাকা করে দেওয়া লাগে ডাক্তার দেখাতে। এমনকি গর্ববতী মায়েদের শুধু চেকআপের জন্য ও ২০০ টাকা দেওয়া ই লাগে। । সরকারি হাসপাতালে গরীব মানুষ চিকিৎসা নিতে গিয়ে ও শান্তি নেই। ওষুধ নিতে আরো ১০০ দেওয়া লাগে। আপনারা নিজে রোগী পাঠিয়ে চেক করতে পারেন। আমার গর্ববতী ওয়াইফের দুইদিন চেকআপের জন্য ৪০০ টাকা নিয়েছে। অল্প কিছু ওষুধ দিয়ে তারজন্য ১০০ করে নিয়েছে।
১০ মাস ঘুরার পর বুঝতে পারি, টাকা ছাড়া অপারেশনের জন্য সিলেক্ট করেনা, আর কানের মধ্যে চেক করতে একটা পার্টস লাগবে, যেটা বাইরে পাওয়া যায়না, ওরাই দিয়ে টাকা নিছে, অপারেশনর পর সেটা চাইলে বলল, বড় ডাক্তার নিয়ে গেছে।
i was pay Ghush to do my medical exam properly. If i don't pay this amount of Ghush i don't able to get my medical exam
ফুটবল খেলতে গিয়ে আঘাত পেয়ে পঙ্গু হাসপাতালে আমার ফ্রেন্ডকে নিয়ে গেলে এক্সরে দেয়। এক্সরে ফিল্ম দেয়ার সময় এক্সরে টেকনেশিয়ান বলে ভাই আপনার এটাতে বড় সমস্যা আছে, কয়েকটা এঙেল এ ভাল করে ছবি তুলে দিয়েছি। ডাক্তার যেটা দিয়েছিল সেটা দেখালে আবার পাঠাত, আপনার সময় ও টাকা বাচিয়ে দিলাম বকশিস দেন। পরে প্রেস্ক্রিপশন এ দেখি ৩ টা এঙেল থেকেই নেয়ার কথা লিখা ছিল। এরপর প্লাস্টার এর সময় বলে তাদের কোন কিছু সাপ্লাই নেই। সব কিনতে হবে। বাইরে থেকে নিলে অনেক নিবে তারা কিছু কমে করে দিবে। যেটা ফ্রিতে দেয়ার কথা সেটা ফ্রিতে দিবে না। ৮০০ টাকা দাবি করে প্লাস্টার এর জন্য
পংগু হাসপাতালে এক্স রে রিপোর্ট নিতে গিয়ে টাকা চাইছে। মোবাইল বাইর করে ভিডিও করার ভাউ নিসি, দিয়া দিছে আপোষে
বিশাল লাইন ছিলো। আর সেখানে স্টাফ+স্টুডেন্টরা লাইনের বাইরে অগ্রাধীকার পায়। সেখানের স্টাফ টাকার বিনিময়ে আমাকে আগে করিয়ে দেবে বলেছিলো। এসব হচ্ছেই কোটার কারণে।