সব রিপোর্ট

নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৭,৭৪৩ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।

৬৯৭ টি রিপোর্ট পাওয়া গেছে
ঘুষ রিপোর্ট করুন
সরকারি হাসপাতাল

Pay fixation, Biometric, Face punch and Government Any Data update

দেশের বিভিন্ন সরকারি হাসপাতালে নবনিয়োগপ্রাপ্ত স্বাস্থ্যকর্মীদের প্রশাসনিক কার্যক্রম, যেমন Pay Fixation, Biometric নিবন্ধন, Face Punch সক্রিয়করণ এবং Government Data Update-এর মতো সেবা প্রদানকে কেন্দ্র করে অনিয়ম ও অবৈধ অর্থ দাবির অভিযোগ দীর্ঘদিন ধরে উঠে আসছে। অভিযোগ অনুযায়ী, এসব সরকারি কাজ সম্পন্ন করার জন্য কোথাও কোথাও ৫০০ টাকা, ২,০০০ টাকা বা ৩,০০০ টাকা পর্যন্ত অর্থ দাবি করা হয়। এছাড়া অর্থ প্রদান না করলে কাজ বিলম্বিত করা, অপ্রয়োজনীয় জটিলতা সৃষ্টি করা বা হয়রানির অভিযোগও বিভিন্ন সময়ে সামনে এসেছে। যদি এসব অভিযোগের সত্যতা থাকে, তবে তা সরকারি সেবার স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা এবং আইনের শাসনের পরিপন্থী। এ ধরনের অনিয়ম বন্ধে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের দাবি জানানো হচ্ছে।

ঘুষ দিয়েছি
Tangail Sadar ৳২.০ হাজার
২৩ আগস্ট ২০২৬
মন্তব্য
সরকারি হাসপাতাল

ডাক্তার দেখানো ও ওষুধ

সেবা প্রত্যাশি সবাইকে ২০০ টাকা করে দেওয়া লাগে ডাক্তার দেখাতে। এমনকি গর্ববতী মায়েদের শুধু চেকআপের জন্য ও ২০০ টাকা দেওয়া ই লাগে। । সরকারি হাসপাতালে গরীব মানুষ চিকিৎসা নিতে গিয়ে ও শান্তি নেই। ওষুধ নিতে আরো ১০০ দেওয়া লাগে। আপনারা নিজে রোগী পাঠিয়ে চেক করতে পারেন। আমার গর্ববতী ওয়াইফের দুইদিন চেকআপের জন্য ৪০০ টাকা নিয়েছে। অল্প কিছু ওষুধ দিয়ে তারজন্য ১০০ করে নিয়েছে।

ঘুষ দিয়েছি
নোয়াখালী, কোম্পানীগঞ্জ, বামনি বাজার কেন্দ্র ৳৩০০
২৩ আগস্ট ২০২৬
মন্তব্য
সরকারি হাসপাতাল

কানের অপারেশন

১০ মাস ঘুরার পর বুঝতে পারি, টাকা ছাড়া অপারেশনের জন্য সিলেক্ট করেনা, আর কানের মধ্যে চেক করতে একটা পার্টস লাগবে, যেটা বাইরে পাওয়া যায়না, ওরাই দিয়ে টাকা নিছে, অপারেশনর পর সেটা চাইলে বলল, বড় ডাক্তার নিয়ে গেছে।

ঘুষ দিয়েছি
ঢাকা ৳১.৭ হাজার
২২ আগস্ট ২০২৬
মন্তব্য
সরকারি হাসপাতাল

ব্যান্ডেজ/ প্লাস্টার/ এক্সরে

ফুটবল খেলতে গিয়ে আঘাত পেয়ে পঙ্গু হাসপাতালে আমার ফ্রেন্ডকে নিয়ে গেলে এক্সরে দেয়। এক্সরে ফিল্ম দেয়ার সময় এক্সরে টেকনেশিয়ান বলে ভাই আপনার এটাতে বড় সমস্যা আছে, কয়েকটা এঙেল এ ভাল করে ছবি তুলে দিয়েছি। ডাক্তার যেটা দিয়েছিল সেটা দেখালে আবার পাঠাত, আপনার সময় ও টাকা বাচিয়ে দিলাম বকশিস দেন। পরে প্রেস্ক্রিপশন এ দেখি ৩ টা এঙেল থেকেই নেয়ার কথা লিখা ছিল। এরপর প্লাস্টার এর সময় বলে তাদের কোন কিছু সাপ্লাই নেই। সব কিনতে হবে। বাইরে থেকে নিলে অনেক নিবে তারা কিছু কমে করে দিবে। যেটা ফ্রিতে দেয়ার কথা সেটা ফ্রিতে দিবে না। ৮০০ টাকা দাবি করে প্লাস্টার এর জন্য

ঘুষ দিইনি
ঢাকা ৳৮০০
২২ আগস্ট ২০২৬
মন্তব্য
সরকারি হাসপাতাল

টেস্ট

বিশাল লাইন ছিলো। আর সেখানে স্টাফ+স্টুডেন্টরা লাইনের বাইরে অগ্রাধীকার পায়। সেখানের স্টাফ টাকার বিনিময়ে আমাকে আগে করিয়ে দেবে বলেছিলো। এসব হচ্ছেই কোটার কারণে।

ঘুষ দিইনি
মিরপুর ১৪ ৳২০০
২২ আগস্ট ২০২৬
মন্তব্য
সরকারি হাসপাতাল

চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে দালাল কর্তৃক রোগী হয়রানি ও অর্থ আদায়

আমি চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য গেলে হাসপাতাল এলাকায় একজন ব্যক্তি আমাকে একটি বেসরকারি ক্লিনিক/ডায়াগনস্টিক সেন্টারে যাওয়ার জন্য প্রভাবিত করার চেষ্টা করেন। এ কাজের জন্য আমার কাছ থেকে ৫০০ টাকা দাবি নেওয়া হয়। পরবর্তীতে জানতে পারি, রোগীদের বেসরকারি ক্লিনিক বা ডায়াগনস্টিক সেন্টারে পাঠানোর ক্ষেত্রে দালালরা রোগীপ্রতি ২০০–৫০০ টাকা এবং বিশেষ ক্ষেত্রে প্রায় ৫,০০০ টাকা পর্যন্ত কমিশন পেতে পারে। এছাড়া প্যাথলজি পরীক্ষায় ৩৫% এবং ইমেজিং পরীক্ষায় ২৫% কমিশন দেওয়ার তথ্য এবং একটি রোগীর ক্ষেত্রে ১,২২০ টাকা কমিশনের তথ্যও পাওয়া যায়।

ঘুষ দিইনি
চট্টগ্রাম ৳৫০০
২২ আগস্ট ২০২৬
মন্তব্য
সরকারি হাসপাতাল

Getting Patient Bad & Patient Transportation

To get a bed for a patient or to initially move the patient around, every ward boy, from the 'Aya' to the lift boy, has to be paid. Not only in Chittagong Hospital, but in every government hospital in the country, the same scenario is there. However, in Chittagong Hospital, it is excessive, and no one cares about this.

ঘুষ দিয়েছি
Chittagong ৳১.৫ হাজার
২১ আগস্ট ২০২৬
মন্তব্য
সরকারি হাসপাতাল

Sylhet Osmani Medical

সরকারি হাসপাতালে ডাক্তারদের পর্যবেক্ষণে বা সাময়িকভাবে রোগীদের রাখার জন্য নির্ধারিত কিছু বেড দালালরা অবৈধভাবে ভাড়া দিয়ে থাকে। আমাকে ৫০০ টাকা দেওয়ার প্রস্তাব দেওয়া হলেও আমি তা প্রত্যাখ্যান করেছি।

ঘুষ দিইনি
Sylhet ৳৫০০
২১ আগস্ট ২০২৬
মন্তব্য
সরকারি হাসপাতাল

Ticket buying

সকাল ৮টায় আসার কথা থাকলেও কর্মচারীরা আসে আরও পরে। ততক্ষণে বিশাল লাইন হয়ে যায়। ইমার্জেন্সি টিকিট দরকার ছিল, তাই বাধ্য হয়ে একজন কর্মচারীকে ১০০ টাকা দেওয়ার সাথে সাথে সে টিকিট এনে দিলো।

ঘুষ দিয়েছি
Dhaka ৳১০০
২১ আগস্ট ২০২৬
মন্তব্য